Main menu

বাংলাদেশি ফিকশন: জমিদারি উচ্ছেদ – আবুল মনসুর আহমদ (১৯৪৫) Featured

This entry is part 20 of 20 in the series বাংলাদেশি ফিকশন

আইনসভায় ইলেকশন।
চারদিকে ক্যানভাসের ধুম পড়েছে। দিন-রাত সভা-সমিতি ও বক্তৃতা চলছে। কর্মী ও ক্যানভাসারদের তাগিদে সবাই অস্থির। যারা বাড়িতে থাকে, তারা বাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে, যারা মাঠে কাজ করে তারা মাঠ ছেড়ে ঘরের কোণে আশ্রয় নিচ্ছে।

ছয়আনা ট্যাক্স দেনেওয়ালারা এই প্রথম ভোট দিবার মালিক হয়েছেন। সুতরাং ভোটার অনেক। কিন্তু প্রার্থীও কম নয়। দু’তিনটি থানা মিলে একজন মেম্বর পাঠাবে; কাজেই ক্যানডিডেটের ভিড় হয়েছে খুব বেশি। সাধ্যমত ক্যানভাসও করছে সবাই!

কিন্তু সবার চেয়ে বেশি ক্যানভাস চলছে খানবাহাদুর সাহেবের এবং মুনশি সাহেবের। খানবাহাদুর সাহেব এ অঞ্চলের লোক, কিন্তু সদরে ওকালতি করেন। সদরে দু’তলা ও গায়ে একতলা পাকা ইমারত আছে। তিনি সদরে আঞ্জুমন-ই-ইসলামিয়ার সেক্রেটারি। এই আঞ্জুমনের তরফ থেকেই তিনি প্রার্থী হয়েছেন। আঞ্জুমনের তরফ থেকে শহরের বহু উকিল-মোক্তার ইশতেহার জারি করেছেন খানবাহাদুর সাহেবের সমর্থনে। এইসব ইশতেহার বস্তা-বস্তা বাড়ি-বাড়ি হাটে-বাজারে ও সভা-সমিতিতে বিলি হচ্ছে।
ঐসব ইশতেহারে অনেক ভাল-ভাল কথা লেখা হয়েছে। কিন্তু পাড়াগাঁয়ের লোক অধিকাংশই উম্মি। ঐসব ইশতেহারের ভাল কথা তারা পড়তে পারে না। বুড়ারা ঐসব ইশতেহারে করে বাজার থেকে মাছ নিয়ে যায়; আর ছোঁড়ারা ঘুড্ডি বানায়।

কিন্তু ক্যানভাসাররা ছাড়বার পাত্র নয়। তারা সভা-সমিতিতে জুম্মার নামাজের জমাতে এবং হাট-বাজারের অলি-গলিতে দাঁড়িয়ে সেইসব ইশতেহার গলার জোরে চিৎকার করে পড়ে শুনায়। সুতরাং পড়তে না জেনেও ভোটাররা ঐসব ইশতেহারের কথাগুলি মোটামুটি মুখস্থ করে ফেলেছে।

কথাগুলি এই: মুসলমানরা রাজ্য-হারা হয়েছে। তারা শিক্ষা-দীক্ষায় অপরাপর লোকের অনেক পিছে পড়ে গিয়েছে। বাণিজ্য ব্যবসাতেও মুসলমানদের স্থান নেই। এ সব ফিরে পেতে হলে এবং ধর্মরক্ষা করতে হলে মুসলমানদের দলবদ্ধ হওয়া দরকার। এই উদ্দেশ্যেই আঞ্জুমন কায়েম করা হয়েছে। খানবাহাদুর সাহেবকে ভোট দিয়ে আঞ্জুমনকে শক্তিশালী করা সকল মুসলমানদের অবশ্য কর্তব্য।

প্রায় সকলেই বুঝেছে কথাগুলো ঠিক। সুতরাং খানবাহাদুর সাহেবকে ভোটও তারা দিত। কিন্তু গোলমাল বাধিয়েছে মুনশি সাব। ইশতেহারের বস্তা তার ছোট এবং কর্মীর সংখ্যা তার কম বটে, কিন্তু মুনশিজী এ অঞ্চলের স্থায়ী বাসিন্দা। করেন তিনি খন্দকারী পেশা। তার উপর আছে তার একটি পয়ত্রিশ টাকা দামের ঘোড়া! দৌড়ে সে ঘোড়া ঘন্টায় চারি মাইলের কম যায় বটে, কিন্তু মাসের মধ্যে ত্রিশদিন চব্বিশ ঘন্টাই সে পিঠে গদি বহন করতে পারে।

এই ঘোড়া এবং জন বিশ-ত্রিশেক ছেলে-ছোকরা নিয়েই মুনশিজী সারা অঞ্চল মুখরিত করে তুলেছেন। তিনি ইশতেহার ছাপিয়ে বিলি করেছেন; বক্তৃতা করে সভা মাতিয়েছেন।

তার বক্তৃতা ও ইশতেহারের কথাগুলো এই: চাকরি-বাকরি আসল কথা নয়। চাকরি পাবে দু’দশজন বড় লোকে এম.এ. বি.এ. ছেলেপিলে। আসল কথা হল খাজনা ও ঋণ। জমিদার ও মহাজনের জুলুমে দেশের সকল লোক মারা পড়েছে। কৃষক-প্রজারা দিনরাত খেটে জমি থেকে ফসল ফলায়। জমিদার ও বড়লোকেরা সেই ফসলের টাকায় দালান-কোঠা তোলে ও মোটর দৌড়ায়; কৃষক প্রজারা না খেয়ে মরে। তাই মুনশিজীরা প্রজাপার্টি গঠন করেছেন বড়লোকের জুলুম বন্ধ করবেন। অতএব মুনশিজীকে ভোট দেওয়া সকল কৃষক-প্রজারই উচিৎ। উকিল-মোখতারকে ভোট দেওয়া উচিত নয়। কারণ উকিল-মোখতারই জমিদারি জুলুমের হাতিয়ার ।

খানবাহাদুরের লোকেরা দেখল বিপদ। সব লোক মেতে উঠেছে জমিদারি উচ্ছেদের নামে। শুধু ধর্মের কথা আর লোকেরা তেমন শুনছে না।

বলল তারা খানবাহাদুরকে সব কথা। খানবাহাদুর অগত্যা বললেন: তোমরাও চালাও জমিদারি উচ্ছেদের কথা। যা বললে লোকে ভোট দেয় তাই বল।

তাই বলা হয়। আবার ইশতেহার জারি হল: খানবাহাদুর সাহেব আঞ্জুমনও জমিদারি প্রথার উচ্ছেদ চায়, খাজনা কম করতে চায়, বড়লোকের জুলুম দূর করতে চায়। Continue reading

মাসুদ রানা: বাংলাদেশি স্পাই Featured

১। মাসুদ রানা নিয়ে একটা কমন সমালোচনা হচ্ছে, “ওটা তো জেমস বন্ডের নকল”।

প্রথমত, মাসুদ রানা সৃষ্টির প্রেরণা যে জেমস বন্ড, তা স্বয়ং কাজী আনোয়ার হোসেন সরাসরিই বলে গেছেন। এবং ফ্লেমিঙের বই থেকে বেশকিছু মাসুদ রানার বই এডাপ্টও হয়েছে।

তারপরেও কথা থেকে যায়।

মাসুদ রানা ইংলিশ জেমস বন্ড না। সে বাঙালী, এবং বাঙালীর বেশকিছু বৈশিষ্ট্য তার মধ্যে বিদ্যমান। সে আবেগপ্রবণ, দয়ালুও। রাঙার মা নামে একজন বৃদ্ধাকে সে আশ্রয় দিয়েছিল নিজের বাসায়।

রাহাত খান অবশ্যই M এর আদলে তৈরি, কিন্তু এম নন। তিনি রানাকে এজেন্ট যতোটা মনে করেন, তারচেয়েও বেশি নিজের সন্তান মনে করেন। এটা আপনি ব্রিটিশ বসের মধ্যে পাবেন না।

রানা-রাহাত খানের সম্পর্কটাও তাই ইউনিক। রানা জীবনে কখনো রাহাত খানের সামনে সিগারেট খায়নি (সম্মান দেখানোর বাঙাললী টেকনিক), তার সামনে বেশিক্ষণ বসে থাকতে অস্বস্তি বোধ করে। আবার, খুবই রেয়ার অকেশনে, রাহাত খানকে ঝাড়িও দেয়। ঠিক আপন সন্তানের মতোই।

সোহেল চরিত্রটাও নিঃসন্দেহে ফেলিক্স থেকে ইন্সপায়ার্ড। কিন্তু সেখানে আটকে থাকেনি। সোহেলের মাধ্যমে আসলে কাজী আনোয়ার হোসেন দেখিয়েছেন যে রানা ডেস্কজবে কেমন হতো।

এবং পাকিস্তান আমলে যেমন তেমন, স্বাধীনতার পর থেকে মাসুদ রানার টোন, ন্যারেশন ছিল ইউনিক।

যারা মোটাদাগে বলে দেন যে রানা বন্ডের “নকল”, তারা না পড়েছেন জেমস বন্ড, না পড়েছেন মাসুদ রানা।

Continue reading

সুমন চন্দ্রমোহন্ত গল্প হইতে চাইছিল

সুমন চন্দ্রমোহন্ত গল্প হইতে চায়, সমস্যা হইলো তার জীবনে কওয়ার মতন কোনো ঘটনা ঘটে নাই। প্রেমে পড়ে নাই, সো, ছ্যাকাও খায় নাই। স্বপ্নও নাই। এমনকি সে কোনোদিন দুর্ঘটনার শিকারও হয় নাই। শালার জীবন এতই গরীব! এতটা ফকিন্নি জীবন হয় কারু! তাও সে গল্প হইতে চায়। তার জীবনের গল্প মানুষ পড়বে এইটাই তার চাওয়া।

সে আমার নাপিত। আমি এমন কোনো মনু না যে আমার পারসোনাল নাপিত থাকবে। (কথাটা শুনলে বন্ধু বান্ধবরা কবে, শালার কথা শুনছো, আমার নাপিত! খাস বউয়ের কামাই, আবার বলা মারায়, আমার নাপিত! শখ কত…) উত্তর বাড্ডার আলীর মোড়ে একটা সেলুনের নাপিত সে। বছর খানেক হইলো চুল কাটাই তার কাছে। এমনিতে আমি বছরে ৩ বার চুল কাটাই। কোনো কোনো বছর ২ বারের বেশি কাটানো হয় না। অনেক কারণ আছে। সবথেকে বড় কারণ হলো কারো চুল কাটা আমার পছন্দ হয় না। দ্বিতীয় কারণ, অযত্নে ‘কোকড়া চুল পাখির বাসা’ হয়া থাকা মাথাটা আমার তো অবশ্যই, বউয়েরও পছন্দ। অথচ এই মাথা একদিন আমার সবথেকে বড় শত্রু ছিল। বেঢপ বড় মাথাটা ৩ নাম্বার বেটার শরীরে পছন্দ হইছিল না বইলা আমার মাও নিজেই ভ্যাংচানোর জন্য নাম দিছিল মাথাফুলা। সেই শুরু। তারপর থেইকা আমারে সবাই মাথাফুলা বইলা খেপাইত।

সুমনের চুল কাটা প্রথমবার পছন্দ হইছিল। পরেরবার হয় নাই। তাও আমি সুমনের কাছে চুল কাটাইতে যাই। সুমনের সঙ্গে কথা বলতে আমার ভালো লাগে। এই নিয়া ৩ বার তার সাথে দেখা। প্রথম দেখা হওয়ার বছর পার হয়া গেছে। প্রথমবার আমার চুল দেইখা তার পছন্দ হইছিল। কয় আমার চুলও এমন, কোকড়া। আমি ভাবি, এই বলদ কেমন নাপিত, এত বেশি চুল দেইখা তো ভয় পাওয়ার কথা, কাটতে টাইম বেশি লাগবে!

আমার চুল দেইখা আর কথাবার্তা শুইনা সে আমার সম্পর্কে আগ্রহী হইছিল। দেশের রাজনীতি নিয়া হতাশা প্রকাশ করছিলাম। এমপি মন্ত্রীদের হাইস্যকর কথাবার্তা, হাসিনার একেকটা প্রেস ব্রিফিংয়ের পর নতুন নতুন মিম ম্যাটেরিয়াল, জিনিসপাতির ঘোড়ার মতো লাফায়া লাফায়া দাম বাড়া, মেইন রোড থেইকা আলীর মোড় পর্যন্ত আসার রাস্তায় কাদা হয়া থাকা নিয়া অনেক কিছু বলছিলাম। পরে সুমনের আগ্রহে বলছিলাম যে সাংবাদিকতা করি। আর গল্পও লিখি।

তার সম্পর্কে জানতেও আগ্রহী হয়া উঠছিলাম আমি। জানাইল সে তো আমার দেশী লোক। তার বাড়িও বগুড়া। গোহাইল ইউনিয়নে, শাহজাহানপুর থানায়। আমার বাড়ি গাবতলী। আমাদের আসন একই। বগুড়া ৭। তারপর নানান কথাবার্তা। এক সময় সুমন কইল, ভাই হামাক নিয়া একটা গল্প লেকেন। Continue reading

লাবিব ওয়াহিদের কবিতা (২০২৫)

>> রিয়াবানু, আহারে >> এইভাবেই >> তোমার ড্রইংরুমের বনসাই গাছ নই >> সারা বাংলাদেশ >> এক দরিয়ারে ডাকতেছে আরেক দরিয়া >> যেখানে জিন্দা হয় মরা মাছ >>

রিয়াবানু, আহারে

আমি তারে এমন কইরা ফিল করি

সে যখন খুট খুট কইরা মেসেজ লিখে
ইংরেজি লেটারে বাংলা কথা

আর, একটাও ফুলএস্টপ না দিয়া
লম্বা লম্বা কথা লিখে যায়

আমার কি যে ভাল্লাগে

আমি তারে এমন কইরা ফিল করি
তার প্রতিটা মেসেজ ইমাজিন করি
যেন সে বলতেছে এভাবেই
অনেকক্ষণ কথা বলার পর থামতেছে
যেন হাঁপাইয়া উঠতেছে

তারপর আরও কথা
আরও কথা
ঝরনার মতো আমি ভিজে যাই
তার মেসেজে

আমি তারে এমন কইরা ফিল করি

তার কথাগুলা দিয়া
তৃষ্ণার্ত কাকের মতো তৃষ্ণা মিটাই

আমার কানে আমি বাজাই
তার কথাগুলাই

চোখের সামনে টিভির মতো দেখি
মুমিনুন্নেসা কলেজের ঘাসে ঘাসে
তার হাসির লহর বয়ে যাওয়া

দিনে দিনে সে যে আমার
কতো কাছের হইতেছে –

খুশিতে আমি রাস্তায় রাস্তায় দৌড়াই
সোনালি বিরি ধানের মাঠে ঘুড়ি উড়াই

খুশিতে আমি পাকা ধানের গন্ধ শুকি
পাকা আমের দিন গুনি
ছোট ফেনি নদীর জলে
গামছা পরে নেমে যাই Continue reading

ইন্ডিয়ান রাষ্ট্রবাদী প্রকল্প: একটা উদাহরণ

‘ইন্ডিয়ান রাষ্ট্রবাদী প্রকল্প’ জিনিসটা কী? তার আগের প্রশ্ন রাষ্ট্রবাদী প্রকল্প জিনিসটা কী? রাষ্ট্র স্বয়ংসম্পূর্ণ কোনো এনটিটি না। একটা রাষ্ট্রের এক্সিস্টেন্স শুধু সেই রাষ্ট্রের উপর নির্ভর করে না। তাকে একটা শত্রু রাষ্ট্র নির্মাণ (মনোজগতে) করতে হয়৷ আম্রিকার যেমন একটা সোভিয়েত ইউনিয়ন বা একটা চীন লাগে, ভারতের একটা পাকিস্তান লাগে৷ এ ব্যতীত একটা ইউনিফায়েড রাষ্ট্র হিসেবে ফাংশান করা কঠিন।

অন্যসকল রাষ্ট্রের মতো শত্রু নির্মাণ করার পাশাপাশি ইন্ডিয়া আরেকটা কাজ করে: অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন লালন করে৷ পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা ইন্ডিয়াকে ‘ভারতবর্ষ’ বলে। মানে ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট। পুরো উপমহাদেশকে দখল করতে চায়। অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে তো বটেই, ভবিষ্যতে কোনোদিন রাজনৈতিকভাবে সমস্ত ভূখণ্ডকে একীভূত করার বাসনাও খুবই স্পষ্ট৷ হায়দ্রাবাদকে যেভাবে গিলে নিয়েছিল; নেপাল, ভূটান, বাংলাদেশকেও তেমন গ্রাস করতে চায়৷ পাকিস্তানকেও চায় কিন্তু পারমাণবিক বোমা আছে জন্যে বলতে পারে না। অথচ ভারতবর্ষ বলে একক কোনো এনটিটি ছিল না বৃটিশরা আসার আগে।

এককথায়, শত্রুরাষ্ট্র নির্মাণ এবং তাকে গ্রাস করা— এই দুই মিলে তৈরি হয়: ইন্ডিয়ান রাষ্ট্রবাদী প্রকল্প।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, বিজেপির কথা না বলে কেন রাষ্ট্রের দিকে ইঙ্গিত করলাম। কারণ, বিষয়টা শুধু বিজেপির না৷ হায়দ্রাবাদ দখল করার সময় বিজেপি ক্ষমতায় ছিল না। অতো বেশি আগেও যাবার দরকার নেই, হাসিনার রেজিমের কথাই ভাবি। ২০০৯ সালে মসনদে বসার পরে প্রথমেই হাসিনা বিডিআর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করলো। ঘটনার সময় ভারতীয় প্যারাট্রুপাররা রেডি হয়ে ছিল, সংকেত পেলে বাংলাদেশে প্রবেশ করে হস্তক্ষেপের জন্য। তখন কিন্তু কংগ্রেস ক্ষমতায়। তারপর হাসিনা-মনমোহন একই বছরে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করে যেটাকে বদরুদ্দীন উমর ‘বাঙলাদেশের নিরাপত্তা বিপন্নকারী’ বলে অভিহিত করেন। Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →