অ্যা টেল অব টু আইল্যান্ডছ্ Featured
চিন্তার ছিলছিলা//
ডান আর বাম লইয়া জেই পলিটিকেল ডিছকোর্ছ আছে, আমি শেইটারে আরেকটু ভালোভাবে ডিফাইন করতে চাইছি, এবং করছি বইলা দাবি করি। মোদ্দা কথায় ব্যাপারটা এমন জে, ডান মানে হইলো ডিউটিপন্থা আর বাম মানে হকপন্থা। এইখানে বিস্তার করতে চাই না বেশি, ছেরেফ একটা ইশারা দিতেছি এমনে: ডান পজিশন মোতাবেক, শমাজের মেম্বাররা শকলে তার তার ডিউটি পালন করলে শমাজ বেস্ট পছিবল হালতে পৌছাবে। আর বামেরা মনে করে, শমাজের উচিত শকলের হক আদায় করা।
এই হিশাবে বামেরা বেক্তির উপর থিকা কনটোল শরাইতে চায়, ফিরিডমের কথা কয়। আর ডানেরা ফিরিডম দেওয়ারে মনে করে শমাজের বেক্তি মেম্বারদের ডিউটি এড়াবার মওকা বানাইয়া দেওয়া। কিন্তু ডান-বামের পলিটিকেল পজিশনের পিছে আরো গোড়ার ভাবনা আছে একটা: বামেরা আজাদ বেক্তি মানুশের উপর ডানের তুলনায় বেশি ভরশা রাখতে চায় এবং শেই কারনেই কমপ্লিট আজাদিরে ডানেরা রিস্কি ভাবলেও বামেরা খুব পজিটিভ ঘটনা হিশাবে দ্যাখে। মানে হইলো, দুই পক্ষের শাচ্চা ফারাক হইলো, ‘মানুশ’ নামের অর্গানিজমটারে কারা কেমনে ডিফাইন বা তারিফ করে।
ডিউটি আর হক ঘিরা এই জে মর্ডান পলিটিকেল ফালছাফার ডিছকোর্ছ, এইখানে মানুশের তারিফ বা ডেফিনিশনের ব্যাপারে আমাদের নজর দিতে হবে খিরিস্টানিটি আর ইছলামের ফারাকে। কেননা, ইউরোপের মস্ত দাবি থাকবার পরেও গেরেকো-রোমান ফালছাফার ছিলছিলার ভিতর আমরা ঐগুলা পাবো না, বরং মর্ডান ইউরোপের পলিটিকেল ফালছাফা ডিছকোর্ছের পাটাতন পয়দা হইছে ইছলাম মোকাবেলা করতে করতে!
মেছোপটেমিয়া, ইজিপ্ট আর ইরানের চিন্তার লগে পেলেটো-এরিস্টোটলের চিন্তার রিশতা আরেকটা আলাপ, এইখানে শেইটা করতে চাই না; কিন্তু এইটা একবার কইয়া রাখতে হইলো; কেননা, পেলেটো-এরিস্টোটলের চিন্তার রোশনাই আরবি তরজমার ভিতর দিয়া এস্পেনের আন্দালুছে ফুটছিলো খুব এবং তার লগে ইছলামের মাখামাখিতেই আন্দালুছে পয়দা হইতে পারছিলো ইবনে রুশ্দ (১১২৬-১১৯৮)। এবং এই ইবনে রুশ্দের মোকাবেলা করতে নাইমাই রোমে টমাছ একুইনাছ (১২২৫-১২৭৪) খিরিস্টানিটিরে থিওলজিকেলি ছেইভ করেন।
ইবনে রুশ্দের লগে ইবনে তোফায়েল (১১০৫-১১৮৫)
নামে আল আন্দালুছের আরেকজন ভাবুকের কথা কইয়া রাখি এখন, পরে লাগবে। এনারা দুইজন দোস্ত আছিলেন; ইবনে তোফায়েলই ইবনে রুশ্দের লগে খলিফার দিদার ঘটাইছিলেন এবং তাতেই এরিস্টোটলের চিন্তা লইয়া কামের মওকা পাইলেন হজরত রুশ্দ। তবে, এই দুইজনের আগের দুইজন ভাবুকও এই ব্যাপারে দরকারি, বাস্তবে শেই দুইজনেই এই আলাপের শুরু: ইবনে ছিনা আর হজরত গাজ্জালি। মানুশের আক্কেলের উপর ইবনে ছিনার মস্ত ভরশা আছিলো। শেইটারে কাউন্টার দিছেন গাজ্জালি। এই দুইজনের চিন্তারে একটা জোড়া বানাইয়া নাম দিলাম, আক্কেল বনাম একিনের ডায়ালেক্টিক্স। চিন্তার ঐ দুইটা লাইন বা ছিলছিলা হাজার বছর ধইরা চলতেছে। আক্কেলের লাইনটা এমন: ইবনে ছিনা-তোফায়েল/রুশ্দ-লক-বিটিশ পলিটিকেল ছিস্টেম(১৬৮৯)-আমেরিকা/জেফারছন-রুশো-মার্ক্স। আর একিনের লাইন: গাজ্জালি-একুইনাছ-হব্স-হালের ডান। এই লম্বা ছফরের ভিতর দিয়া আক্কেল আর একিনের ডায়ালেক্টিক্সটাই হালে হক আর ডিউটির বা বাম-ডানের ডায়ালেক্টিক্সের ছুরত পাইছে। Continue reading
