বাংলাদেশে এন্টি-ইনডিয়ান পলিটিক্স
জেনারেল অর্থে বাংলাদেশে ‘এন্টি-ইনডিয়ান’ পলিটিক্স একটা পুচকে রিয়েকশনারি পলিটিকেল ইশকুল হবার কথা ছিলো, অথচ দেশে এইটা বেশ পপুলার বইলা মালুম হয়! এতোই পপুলার জে, হাসিনা পালাবার পরে দেশের শকল পলিটিকেল পক্ষকেই এন্টি-ইনডিয়ান হিশাবে অন্তত পাবলিক পজিশন লইতে হইতেছে। কোন একটা পলিটিকেল ইশকুলের ছোট বা বড়ো হবার একটা খুব না বোঝা গুরুত্ত আছে, শেইটা হইলো, ক্যাটেগরি ঠিক করার মামলা।
কিন্তু এতো বড়ো একটা পলিটিকেল ডিছকোর্ছের ব্যাপারে দেশে থিয়োরেটিকেল বোঝাপড়া অতি গরহাজির লাগে আমার!
অথচ, আমাদের কিলিয়ার-কাট বোঝা দরকার, ‘এন্টি-ইনডিয়ান’ বলতে কি বুঝবো আমরা এবং এইটার আদৌ কোন হিস্ট্রিকেল জরুরত আছে কিনা–ছেরেফ রিয়েকশনারি বাকোয়াজির (রেটোরিক) বাইরে এবং এইটার আখেরি মনজিলই বা কি?
শুরুতেই আমাদের বোঝা দরকার জে, বাংলাদেশে‘এন্টি-ইনডিয়ান’ পলিটিক্স জতো না ইনডিয়ার বিপক্ষে, তারচে বেশি দেশের ভিতরেই মস্ত একটা ইতিহাশ-পলিটিকেল ভাবনা/ইশকুল/ইডিওলজির বিপক্ষে! শেই কারনেই এইটা ছেরেফ রিয়েকশনারি পুচকে গুরুপের মামলা হইয়া থাকতে পারে নাই, দেশের বেশিরভাগ নাগরিক এই পলিটিক্সে শরিক আছেন এবং তাই হাসিনা পালাবার পরে শকল পলিটিকেল পক্ষেরই এন্টি-ইনডিয়ান একটা ঢঙ দরকার হইতেছে।
আমার পয়েন্টটা আরেকটু দুর থিকা বুঝাবার টেরাই করি; ধরেন, মেক্সিকো হয়তো আমেরিকারে পছন্দ করে না, কিন্তু ঐখানে এন্টি-আমেরিকান পলিটিক্স ততো দরকার হয় না; কেননা, মেক্সিকোর ভিতর আমেরিকায় জাইতে চাওয়া লোক আছে বেশুমার, কিন্তু ইতিহাশ-পলিটিকেল ইডিওলজিতে আমেরিকার তাবেদারি করার ব্যাপারটা মেক্সিকোর ভিতরে ততো নাই। ওদিকে, মেক্সিকো-আমেরিকা জুদ্ধও হইছে, টেক্সাছ-ক্যালিফোর্নিয়া দখল করছে আমেরিকা, কিন্তু আমেরিকায় একটিভ এমন ইতিহাশ-পলিটিকেল ইশকুল নাই জেইটাতে এখনকার মেক্সিকোরে আমেরিকারই একটা খন্ড হিশাবে ভাবা হইতেছে।
এখন ইনডিয়া আর বাংলাদেশের দিকে নজর দিলে আমরা দেখবো, মেক্সিকো-আমেরিকায় না থাকা ঐ দুইটা ব্যাপারই এইখানে খুবই একটিভ! আবার, পাকিস্তানে এন্টি-ইনডিয়ান মন তুমুলভাবে বহাল থাকলেও তাদের পলিটিক্সে ঐটার ততো গুরুত্ত নাই; কেননা, পাকিস্তানের ভিতরে ইতিহাশ-পলিটিকেল ইশকুল হিশাবে ইনডিয়া-পিরিতি নাই, জদিও বাংলাদেশকে ইনডিয়া জেমন নিজের অংশ হিশাবে দ্যাখে, পাকিস্তানরেও ঠিক তেমনি দ্যাখে! Continue reading