নাগরিক মানে এখনো মধ্যবিত্ত, ঢাকা শহরে; লাইফস্টাইল-ই হইলো তার ধর্ম; রিলিজিওন তার কালচার না, কালচার হইলো রিলিজিওন, এইরকম মিনিংয়ের ডুয়ালিটি-ই তারে মোর ফিট কইরা তুলতে পারে, সারভাইভালের লাইগা। এইখানে ট্রুথ সেইটা না যা আমরা বইলা ফেলতে পারি, ট্রুথ হইলো যেইটা…
[pullquote][AWD_comments][/pullquote] বাংলা একাডেমি’র ২০১৫-এর বইমেলায় শুদ্ধস্বর তানিম কবিরের সেকেন্ড কবিতার বই – ‘সকলই সকল’ পাবলিশ করার কথা। এর আগে গত বছর একই প্রকাশনা পাবলিশ করছিল তাঁর কবিতার বই ‘ওই অর্থে’। ‘সকলই সকল’-এর প্রচ্ছদ করছেন শিল্পী খেয়া মেজবা। কবিতার বই থিকা কবি’র বাছাই…
হারুকি মুরাকামি বাংলাভাষায় পরিচিত হইতে শুরু করছেন। নরমালি এইরকমের ঘটনাটা ঘটে কোন লেখকের বুকার বা নোবেল পাওয়ার পরে; যখন সাহিত্য-সম্পাদকরা অনুবাদকদের তাগদা দিতে থাকেন আপডেটেড হওয়ার লাইগা বা লেখক-অনুবাদকরা আপডেটেড হওয়া তাগিদটা জোরেশোরে ফিল করতে থাকেন! মুরাকামি কোন পুরস্কার ছাড়া…
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি।
যা লেখার ফেসবুকেই লেখি।
গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।