Main menu

ইমেজ রিডিং নিয়া কয়েকটা কথা

সাভারে রানা প্লাজা বিল্ডিংটা ভাইঙ্গা পড়ার পরে তসলিমা আকতার একটা ছবি তুলছিলেন, খুব ছড়াইছিলো ছবিটা, প্রাইজও পাইছিলো মনেহয় একটা বা কয়েকটা। [pullquote][AWD_comments][/pullquote]

তো, অই ছবিটা’তে একজন বেটা একজন বেটিরে জড়‌ায়া ধইরা ছিলো। ছবি’র অ্যাঙ্গেলটা দেইখা পয়লাই মনে হবে, পিরীতের ছবি এইটা। (মরণ কালে যেন বন্ধু একবার তোমায় পাই… মুজিব পরদেশী’র এই গানও মনে হইতে পারে। যেন সাকসেকফুললি স্যাটিসফাইড হইতেছে, গানের ডিজায়ার। মানে, গানের উথাল-পাতাল ইমোশনটার একটা প্রজেকশন পাইতে পারেন ছবিটাতে, এইটা খুবই পসিবল হইতে পারে। ) ফটোগ্রাফার মেবি নাম দিছিলেন  – “Final Embrace”। কিন্তু উনি এমনিতে যা-ই কন বা ক্যাপশন দিয়াও যা কইবেন তার চাইতে বেশি তো কইতে চাইবেন উনার ক্যামেরা দিয়াই। এমনিতে একটা সাইটে ক্যাপশন দিছে – A couple holding each other while collapsed under Rana Plaza.

অ্যা কাপল! 🙂

ইমেজের মিনিং তো একটা স্ট্রাইক করবে আপনার মনে অ্যাজ অ্যা ভিউয়ার, অ্যাজ অ্যা অডিয়েন্স। তো, একটু ডিফেন্সিফ হইলে বা পিরীতি নিয়া না ভাবতে চাইলে ‘মানবতা’র (হাসির ইমোটা দিবো কিনা কনফিউজড একটু) ছবি হিসাবেও হয়তো ভাবা যাইতে পারে। যে, মরা’র সময় দুইজন দুইজন’রে আঁকড়াইয়া ধরছে। একটু ডিফিকাল্টই এই ইমাজিনেশনটা। অবশ্য তারাশঙ্করেরই মনেহয় একটা গল্প আছিলো, তারিনী মাঝি বা এইরকম কোন নাম (সরি, ঠিক রেফারেন্স দিতে পারতেছি না বইলা, কিন্তু এইরকম একটা গল্প যে উনার আছে, আমি শিওর), যেইখানে বিলাভেড বউ নৌকা ডুইবা যাওয়ার টাইমে যখণ জামাইরে ধরতে গেছে বাঁচার লাইগা তখন তারে চুবায়া না মারলেও জোর কইরা তারে ছাড়ায়া নিছিলো জামাই বাঁচার লাইগা। [আওয়ামী ইন্টেলেকচুয়াল’রা আবার পইড়া রাখতে পারেন, গল্পটা।] তো, মরা’র সময় পিরীতি ছাইড়া দিয়াও যখন কেউ বাঁচতে চাইতেছে, তখন ‘মানবতা’র কথা ভাইবা, ‘লও, এক লগে জড়াজড়ি কইরা মরি’ ব্যাপারটা ঠিক যুইতের হওয়ার কথা না।

Continue reading

প্রিয় প্রিয়ভাষিণী

ওই সময়টায় আমি খুব আর্ট একজবিশন দেখে বেড়াইতাম। দেখতামই শুধু, কোন আর্ট-ওয়ার্ক কেনার কথা ঘুণাক্ষরেও ভাবতাম না। তবু একদিন, সৈয়দ ইকবালের আঁকা গৌতম বুদ্ধের একটা পেইন্টিং খুব মনে ধরে যাওয়ায় দাম জিজ্ঞেস করে বসছিলাম। ওই পেইন্টিং-টার দাম ছিলো ৪০,০০০ টাকা। তো তাতে একটা ধারণা পাইছিলাম আর কি, কেমন আকাশচুম্বী দাম (নাকি মূল্য বলতে হয়?) হয় ওইসব ফাইন আর্টের।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

সেই সময় একদিন, কার কাছে যেন শুনলাম, ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিনীর কোন একটা কাজ নিজের সংগ্রহে নিতে কোটি টাকা দাম দিতে চাইছেন আবুল খায়ের লিটু। কিন্তু প্রিয়ভাষিণী আগেই সেই ভাস্কর্যটা তাঁর এক বান্ধবীকে উপহার দিয়ে দেয়াতে লিটুর প্রস্তাবে তিনি নাকি রাজি হন নাই। তো যেই ভাস্কর্যের জন্য কোটি টাকার অফার ফিরাইয়া দিলেন তিনি, তার দাম এমনিতে কত হইতে পারে আসলে, তা জানার কিউরিওসিটি থেকেই সেই একজিবিশনে গিয়ে আমি মূল্যতালিকাটা দেখতে চাইছিলাম।

এবং তারপর অবাক হয়ে দেখছিলাম সেখানে ১,৫০০-২,০০০ টাকার কিছু কাজও আছে! সবথেকে দামী কাজটা সম্ভবত ছিলো ২৫,০০০ টাকার। যদিও ততদিনে অধিকাংশ আইটেমই ছিলো “সোল্ড”, বেশ কিছু “সস্তা” কাজ তখনো “আনসোল্ড” ছিলো। সেগুলার মাঝে আমার সবথেকে ভালো লাগছিলো একটা বকপাখি, ৬,০০০ টাকা দাম ছিলো ওইটার; বাট ইট ওয়াজ স্টিল আ লিটল আউট অফ মাই রিচ!

তো ওরকম মওকা পেয়ে ঠিক করলাম, কিনেই ফেলা যাক একটা আর্ট-ওয়ার্ক। আমার বাজেটের মধ্যে অবশ্য তখন অবশিষ্ট ছিলো শুধু কিছু “মিশ্র গাছ”। ভাবলাম মিশ্র-গাছই সই! কিন্তু সব মিশ্র-গাছই দেখতে ছিলো প্রায় কাছাকাছি, কোনটা রেখে যে কোনটা নেই- কিছুতেই যখন সিদ্ধান্তে আসতে পারতেছিলাম না, আমার পাশে এসে একজন বলছিলেন, “তুমি ওই বকপাখিটাই নিয়ে যাও, বাকি টাকাটা পরে কখনো দিও।“ 😀

প্রিয়ভাষিণী আমাকে সেই সুযোগটা দেয়াতে আমার সবথেকে বড় প্রাপ্তিটা কী হইছিলো জানেন? পরে আরো কয়েকবার সেই উছিলায় তাঁর সাথে দেখা করতে যাওয়া গেছিলো। Continue reading

লিবারালিজম

লিবারালরা বুঝিবা কনজার্ভেটিভদের চাইতে ভালো; লিবারালরা প্রগ্রেসিভ, নামের ভিত্রেই ওৎ পাইতা লুকাইয়া আছে মানুষের মুক্তি, তাবত মাকলুকাতের হক, দুনিয়াদারির ইনসাফ!

এখন তুলনা তো এক জটিল ব্যাপার! তুলনার জন্য একটা ‘জিরো ভ্যালু’ দরকার, কিন্তু চিন্তার দুনিয়ায় ‘জিরো ভ্যালু’ কই পাই! আবার, না পাইলে তো আমরা কোন বেসিসই পাইলাম না, তুলনাটা কেমনে করি তাইলে![pullquote][AWD_comments][/pullquote]

কিন্তু লিবারাল আর কনজার্ভেটিভদের তুলনার জন্য একটা ‘প্লান বি’ পাইছি আমি! প্লানটা হইলো, লিবারাল স্ট্যান্ডার্ডগুলারেই ‘জিরো ভ্যালু’ বা বেসিস ধইরা তুলনা করা! এমন তুলনায়ও যদি লিবারালদের ভালো কইতে কষ্ট হয়, যদি দেখা যায়, কনজার্ভেটিভদের যেইসব গালি হরদম দিয়া থাকে লিবারালরা সেইসব দোষ লিবারালদের আছে–প্রায় সমান বা আরো বেশি তাইলে মনে হয় সবাই মানবেন যে, যদি কোন ‘জিরো ভ্যালু’ পাইতাম তাইলেও লিবারালরা জিততে পারতো না!

তো, দেখা যাক!

লিবারাল স্ট্যান্ডার্ড হিসাবে শুরুতে ১৭৮৯ সালের ফ্রান্সে হওয়া ‘রেভল্যুশন’-এর শ্লোগানটারে লইলাম। শ্লোগানটা আছিল, ‘লিবার্টি, ইক্যুয়ালিটি এবং ফ্রেটার্নিটি’। রেভল্যুশন হইলো; মার্ক্সিজম কইবে, এই লিবার্টি এবং ইক্যুয়ালিটি পার্শিয়াল; কেননা, এই রেভল্যুশন কেবল সুপারস্ট্রাকচারের ঘটনা, ইকোনমি বা পয়সা বা মালিকানার ইনফ্রাস্ট্রাকচারের কিছুই বদলাইলো না তো! আমরা মার্ক্সিজমের স্ট্রাকচারালিজমের বাইরে থাইকাও দেখতে পারি, ইকোনমিক ভাগাভাগি বাদে কতটা পাইলাম আমরা।

১৭৭৬ সালে বৃটেন থিকা আমেরিকা স্বাধীন হইলো, ফ্রান্স আমেরিকারে স্ট্যাচু অব লিবার্টি গিফট পাঠাইলো। কিন্তু ফ্রেঞ্চ রেভল্যুশনের ঠিক ১০০ বছর পরে, ১৮৮৯ সালের প্যারিসে ইতিহাসের সবচে বড়ো ‘হিউম্যান জ্যু’ বা মানুষের চিড়িয়াখানা বানাইলো ফ্রান্সের লিবারালরা। এই চিড়িয়াখানায় ফ্রান্সের আফ্রিকান কলোনি থিকা কালা মানুষের আনা হইলো, একটা আর্টিফিশিয়াল আফ্রিকা বানাইয়া সেইখানে ল্যাংটা কইরা রাখা হইলো ঐ কালা আদমীদের। আরো রাখা হইলো বান্দর, ওরাংওটাং। ঐ কালা আদমীরা বান্দরদের লগে কাড়াকাড়ি কইরা খাইলো, হাগলো, মুতলো, সেক্স করলো, ঘুমাইলো, যুদ্ধ করলো। ‘লাইভ আফ্রিকা’ এক্সিবিশন করলো লিবারালরা, লাখ লাখ মানুষ আফ্রিকা দেইখা ফেলতে পারলো প্যারিসের সেই চিড়িয়াখানায়।

ফ্রান্স-বেলজিয়াম-জার্মানি, সারা ইউরোপেই এমন এক্সিবিশন চললো ১৯৫০ সালের পরেও। এই ঘটনা দিয়া তাইলে আমরা সাফ সাফ কইতে পারি কিনা যে, ঐ লিবার্টি এবং ইক্যুয়ালিটি আসলে সাদা আদমীদের মামলা, কালারা তো ইভেন আদমীই না! মানুষ হইলে না পরে লিবার্টি আর ইক্যুয়ালিটি লইয়া আলাপ!

আগের ইতিহাসের কোন কনজার্ভেটিভ কালাদের মানুষের পাটাতন থিকা নামাইয়া দেয় নাই, নামাইয়া দিল লিবারালরা! ইতিহাস কইতেছে, ঐ হিউম্যান জ্যু’কে হারাম বইলা ফরমান জারি করেন লিবারালদের কাছে সবচে বড় ডেভিল, কনজার্ভেটিভ হিটলার!

ইতিহাসে আগেও আমরা স্লেভারি/গোলামী পাইছি, আমাদের ঈশা খা’ও এক ইরানির কেনা গোলাম আছিল, কিন্তু তাঁর চাচা তাঁরে আজাদ করেন ১৫ বছর পরে। স্বাধীন বা গোলাম–মানুষেরই দুইটা দশা আছিল। সাদা বা কালা বা মঙ্গোলয়েড–যে কেউ গোলাম হইতে পারতো, মানুষ থাইকাই। কিন্তু ইউরোপের সো কল্ড রেনেসার পরে আমরা যেই মডার্ন গোলামী পাইলাম তাতে আফ্রিকার কালা মানুষেরা আর মানুষই থাকতে পারলো না, তারা আরেকটা মাকলুকাত/স্পেসিস/জাত–শিম্পাঞ্জির কাছের কেউ।

আগের কনজার্ভেটিভ চিন্তায় রেসিজম আছিল, গোলামী বা স্লেভারি জিনিসটা রেশিয়াল ঘটনা হইতে পারে নাই। কারণ, থিয়োরির অভাব আছিল, কোন একটা রেসকে অমানুষ বইলা ফরমান জারি করে নাই আগে কোন থিয়োরি। তখনকার লিবারালিজম এই ঘাটতি পূরণ করে :)। ইভোল্যুশনের আইডিয়া দিয়া ভাবা সম্ভব হইলো যে, কালারা এখনো মানুষ হয় নাই, বাকি আছে ইভোল্যুশনে; কালারা তাই গরু বা ঘোড়ার মতোই ক্যাটল ভাবা যায়, মানুষের সার্ভিসে এস্তেমাল করা যায়। তবে গরুর চাইতে কালাদের ইজ্জত একটু বেশি আছিল মনে হয়, বান্দরের সমান–বান্দর বা কালা মানুষের গোশত খাবার ঘটনা পাওয়া যায় না তেমন! তবে হইতে পারে, ট্রাই কইরা দেখা গেছে বান্দর বা কালাদের গোশত টেস্টি না তেমন! Continue reading

জাপানী দুঃখ অথবা সাচ্চা ‘সেক্যুলারিজম’

২০০৫ সালের দুইটা ফিকশন, একটা সিনেমা আরেকটা কেচ্ছা। ‘নেভার লেট মি গো’ নামে কেচ্ছাটা লিখছেন বৃটেনে থাকা জাপানী রাইটার, ইশিগুরো। আর সিনেমার নাম ‘আইল্যান্ড’, হলিউডের সিনেমা–স্কারলেট জোহানসেন এইটার নায়িকা।

দুইটার মাঝে কোন যোগাযোগের কথা কেউ কন নাই। তবু আমার হিসাবে দুইটা প্রায় একই ফিকশন। কনসেপ্ট এবং কনটেক্সট একই, কিন্তু অথরের ফিলোসফির ফারাক ফিকশন দুইটারে দুই চেহারা দিছে। সম্পর্ক ছাড়াই এমন সম্পর্ক হলিউডে/আমেরিকায় মাঝে মাঝে দেখা যায়। যেমন, ২০০৮ সালের জাপানী ‘ব্যাটল রয়্যাল’ সিনেমার কনসেপ্ট আপনে পাইবেন এক আমেরিকান কেচ্ছায়, যেইটা পরে ‘হাঙ্গার গেমস্’ নামে সিনেমা হইলো, জেনিফার লরেন্সকে গিফট্ পাইলাম আমরা! এইখানে কইতে হয়, সিনেমা সবগুলাই দেখছি আমি, কেচ্ছা পড়ি নাই একটাও! ইশিগুরোর কেচ্ছা আপনে পাইবেন একই নামের একটা সিনেমায়, কিরা নাইটলি যেই সিনেমায় আছেন।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

তো আইল্যান্ড বা নেভার লেট মি গো, দুই ফিকশনেই কনটেক্সটে আছে একটা ডিসটোপিয়ান ফিউচার, যেইখানে নতুন এক কিসিমের হেলথ ইন্সুরেন্স থাকে। এই ইন্সুরেন্স সিস্টেমটা চলে ক্লোনিং দিয়া। আপনে যদি ইন্সুরেন্স করেন তাইলে কোম্পানি আপনার একটা ক্লোন বানাবে, সেই ক্লোনকে পালবে। পরে আপনের যে কোন অর্গান যখন যখন আর কাম করবে না তখন তখন আপনার ক্লোনের সেই সব অর্গান/অঙ্গ কাইটা আপনার শরীলে লাগাইয়া দেওয়া হবে–কিডনি বা হার্ট বা ব্রেন। আপনার ক্লোন হওয়ায় ক্রস-ম্যাচিং প্রোবলেম থাকতেছে না কোন। কোন অঙ্গ নিতে গেলে আপনের ক্লোন যদি মরে তাইলে বাকি অঙ্গগুলা ফ্রিজে রাখা হবে যাতে ভবিষ্যতে আপনের দরকারে ঐগুলা লাগানো যায়।

এমন একটা সেটিং-এ ঘটনার শুরু। তারপর দুই অথর বা ডাইরেক্টর দুই দিকে গেছেন। দুই রাস্তায় যাবার কারণ হিসাবেই কইতেছিলাম ফিলসফির ফারাকের কথা।

ইশিগুরোর লেখা পড়ি নাই বইলা সিনেমাতেই থাকতেছি। দুই সিনেমাতেই আপনার মনে হইতে পারে, ক্রাইসিসটা ঘন হইতেছে পিরিতির ভিতর দিয়া। আসলে কিন্তু তেমন না। হলিউডে পপুলার একটা থিম হইলো–সারভাইভাল, ডিসটোপিয়ান ফিউচারের সিনেমা তো মনে হয় ১০০{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} সারভাইভালের গপ্পো! পপুলার তো অবশ্যই, ফিলসফিক্যাল বেসলাইন মনে হয় এই সারভাইভাল। এই কারণে এমন হলিউডি সিনেমা মোটামুটি একটা অসম্ভবের গপ্পো কয়। কখনো আবার চিপাচাপা বাইর কইরা সারভাইভাল দেখাইয়া দেয়। অসম্ভবের গপ্পো তো হামেশাই পাইবেন–রেভন্যেন্ট থিকা ম্যাড ম্যাক্স: ফিউরি রোড।

কিন্তু ‘নেভার লেট মি গো’ পিরিতের সিনেমাই, ডিসটোপিয়ান ভবিষ্যতের পিরিতি, কিন্তু সারভাইভালের গল্প না এইটা, পোস্টারের দৌড়ের ভিতর সারভাইভালের গন্ধ পাইতে পারেন, কিন্তু না, ক্লোনদের স্যাড রোমান্টিক থ্রিলার।

Continue reading

তু.সা.র. তুষার-এর কবিতা

ডাবের শাঁসের মত নরম মিঠা সকালটারে
লাল
সূর্যের ভিত্রের থেকে চায়ের চামিস দিয়া কোরায় কোরায়
বাইর করে সময়।
রাইতে আমার খুব ভালো ঘুম হইসে…
আমি স্বপ্নে দেখসি কত কিছু….
দেখসি ফুলের বাগান… একটা রাস্তা…
দুইভাগ হয়্যা দুই দিকে যায়;
দেখসি আমার স্কুলের মাঠ….
দেখসি একটা বাথরুম নাকে পেশাবের তাজা গন্ধ….
তারপরে দেখি একটা খালি করিডর….
করিডরের নানান দিকে নানান ঘর….
কোনো ঘর উঁচা কোনো ঘর নিচা….
সিড়ি আর সিড়ি….সিড়ি আর সিড়ি….
কোনোডা উপ্রে উঠসে কোনোডা নিচে নামসে….
অন্ধকার আর আলো আর সিড়ি….
আমি পেশাব কইরা হাত ধুইতেসি আয়নায় তাকায় তাকায়
আয়নার ভিত্রের থেকে আমি দেখি যে আমি হাত ধুইতেসি
দেখি এক বন্ধুর বউ- লাল জামা পরা…
নসিলা খায়, চার চামিস দিয়া কোরায় কোরায়…
একটা নীল বাক্স….
তার ঠোঁট য্যান দুইটা নরম শুয়া পোকা…[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

১২/২/২০১৮
সকাল ১১:০০ টা

 

মামা রং রং রং খালি চাইরদিকে রং মামা
রঙ্গীলা দুনিয়ার খোলে দেখবা শুধু মায়ের কোলে
জিন্দা হয়্যা বয়্যা থাকে নাদান বিচি গণ,
তারা রিং চিপ্স খাইতে চায় তারা চকোলেটে সায়
দিয়া তোমার আমার পকেট থিকা সময় লয়্যা যায়…
মামা কাগো কথা কই কওতো কইতে পারলে সই
দিমু তোমারে আমার থিকা এক প্যাকেট নতুন তাজা
ফেরেশ সকাল ভাজা- ঠান্ডা কুয়াশা দিয়া, হালকা আগুনের
উপ্রে- মুড়মুড়াইয়া ভাইজা দিমু তাজা মুরির লগে- তোমার
খায়া দিলখুশ আমার তাজা দিল তুষ, হয়্যা যায় যহন
দেখি রাজা টেরাম্প-বুশে মানুষ মাইরা হোতায়ালছে ইরাক- ইরাণ-
রুশে, আমগো কিছুই হয় না….তেইল্যার টাকে ত্যাল দিতে
শরম করেনা আমগো- ভালোই জানা ভাইরে এমন কত
টিরিক্স, মামু গোয়ার চামড়া তুইল্যা ফালাও মাইরা তাজা
শিরিষ- তবু মুখ খুলুম না আমরা নিজের ট্যাকের ট্যাক্সো দিয়া
ভালা রাস্তা ভাইঙ্গা দিয়া নতুন কইরা তৈরি করমু- উষ্টা খামু না-
আমরা সেইরকম মাল- মামু মাছ আমরা চুরি করিনা- চুরি করি
খাল- তবে সময় বুইঝ্যা কইরে তালই সময় বুইঝ্যা লই;
বাপে যহন মাসি চোদে, আমরা তহন শীতের রইদে- গোয়া তুইলা
আকাশ পানে নিচে চায়া রই কারণ বাপের হাতে ডান্ডা-
কইরা দিব ঠান্ডা যদি এহন কথা কই তাইতো চুপ কইরা রই;
একদিন বাপে পড়বো খাদে; আমরা বাড়ির ছাদে, বাপের নৌকা লয়্যা
বাইয়া যামু, ফরফরায়া চায়া রমু বাপে আমগো ডুইবা মরবো
সত্যি কথা কই। এই সব আমরা আগেই জানি দেখলাম কত
রাজা-রাণী আইলো গ্যালো মাঘে-পৌষে, আমরাই পইড়া রই।
তাইতো কথা বলি না, মায়ের কোলে বয়্যা থাকি
বড় পর্দায় ফিলিম দেখি, নাক টিপা দুধ খায়া সস্তা মজা লই।
কওতো কাগো কতা কই? মামু রং রং রং……

৩০/১১/২০১৭
সকাল ১০:৫১

Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →