Main menu

কেচ্ছা কাহিনি (১)

এখন না স্ক্রীণশট (মেসেঞ্জার, ভাইবার বা হোয়াটসঅ্যাপে’র) দিয়া সিক্রেট জিনিস’রে পাবলিক করার একটা তরিকা বাইর হইছে, কিন্তু তারপরও, কেচ্ছা-কাহিনি জিনিসটা তার ভিজিবিলিটি’র উপরই বেইজ করে না। বরং বলা’টা অনেকটা একতরফা টাইপের ব্যাপার; পাবলিকলি, প্রাইভেটলি বা সিক্রেটলিই ঘটুক। আর এই ঘটনাগুলি কেচ্ছা-কাহিনি হিসাবে কওয়ার রেওয়াজ আছে ওয়ান টু কথা-বার্তা, আড্ডাতে বা পাবলিক আলাপেও। স্ক্যান্ডালও কওয়া যায় কিছু ঘটনা’রে। কিন্তু ডিটেইলগুলি খুব স্ট্রং কোন রেফারেন্স দিয়া প্রমাণ করা’টা টাফ। এইরকম সোশ্যাল, পলিটিক্যাল, আর্ট-কালচারের কিছু কেচ্ছা-কাহিনি এই সিরিজে রাখার ইচ্ছা আছে আমরা’র।

——————————————————————–
 

লাঁকা আর দেল্যুজ

জিল দেল্যুজ (১৯২৫-১৯৯৫) মারা যাওয়ার কিছুদিন আগে, আরেক ফরাসী দার্শনিক Didier Eribon তারে জিগাইছিলেন লাঁকা’র (১৯০১-১৯৮১) লগে উনার যোগাযোগ কেমন আছিলো। দেল্যুজ তারে তখন একটা কাহিনি শোনাইছিলেন, যেইটা ছিল, এইরকম:

‘লাঁকা আমার একটা বই (মাসোইজম: কোল্ডনেস এন্ড ক্রুয়েলিটি, ১৯৬৭) নিয়া আলোচনা করছিলেন উনার এক সেমিনারে। লোকজন আমারে এইটা নিয়া কইছিলো, যদিও আমি এর চাইতে বেশি কিছু জানতাম না যে, উনি আমার বই নিয়া এক ঘন্টারও বেশি সময় কথা কইছিলেন। এরপর তিনি লিয়েনে একটা সেমিনারে আইছিলেন, যেইখানে আমি তখন পড়াইতাম।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

ওইখানে উনি একটা সিরিয়াস ওয়াজ করলেন… উনি উনার বিখ্যাত ফর্মূলার কথা কইলেন যে, “সাইকোঅ্যানালাইসিস সবকিছুই করতে পারে, খালি একটা ইডিয়টকে বুদ্ধিমান বানানো ছাড়া।” সেমিনারের পরে উনি আমরা’র লগে ডিনার  করতে আইছিলেন। যেহেতু উনি খুব দেরি কইরা ঘুমাইতে যাইতেন, অনেক লম্বা সময় উনি আছিলেন। আমার মনে আছে, যখন মাইঝ রাত পার হইয়া গেছে তখন উনার একটা স্পেশাল হুইস্কি খাওয়ার বাই উঠলো। বিলিভ মি, ওইটা একটা ভয়াবহ রাত আছিলো।

উনার লগে ওয়ান টু ওয়ান দেখা হওয়ার ঘটনাটা ঘটছিলো এন্টি-অডিপাস পাবলিশ হওয়ার পরে। আমি শিওর আছিলাম যে, উনি এইটা ভালোভাবে নেন নাই। উনি চেতছিলেন আমার এবং ফেলিক্সের উপ্রে। কিন্তু এর কয়েকমাস পরে উনি আমারে খবর পাঠাইলেন, দেখা করার লাইগা। আর অন্য কোন কথা কন নাই। খবরটা হইলো, ‘উনি আমারে দেখতে চান’। তো, আমিও গেলাম। উনি আমারে উনার ওয়েটিং রুমে বসায়া রাখলেন। Continue reading

ফিলোসফি আর পলিটিক্স – অ্যালান বাদিউ

ফরাসি ফিলোসফার অ্যালান বাদিউ উনার এই লেখাটা পরে আরো বিস্তারিত করছেন ‌’ইনফিনিট থট’ (২০০৩/২০০৫) বইয়ে। ইনসাফ, ট্রুথ আর ইক্যুয়ালিটি নিয়া কথাগুলি’রে আরো এক্সপ্লেইন করছেন। এই জিনিসগুলি যেমন খুব অবজেক্টিভ টার্ম না, আবার সাবজেক্টিভ সিচুয়েশনও না। বাদিউ’র মতে, যেই পলিটিক্যাল ইন্সটিটিউটগুলির কাছে আমরা এক্সপেক্ট করি যে, ইনসাফ করবে; তাদের (এখনকার লিবারাল ডেমোক্রেটিক স্টেইট-ই হোক আর পুরানা সোশ্যালিস্ট স্টেইট) পলিটিক্যাল স্ট্রাকচারের কারণেই ফিলোসফিক্যালি এইটা পসিবল না। বরং যে কোন রিভোল্ট বা রেভিউলেশন শুরুই হয়, ইনসাফ আর ইক্যুয়ালিটির নাম নিয়া। ইনসাফ হইতেছে ইনকনসিসটেন্সি’র জায়গাটা যেইখানে পলিটিক্যাল পরিস্থিতিগুলি বাঁইকা যাইতে শুরু করে।

তো, বাদিউ ফিলোসফি’র জায়গা থিকাই পলিটিক্যাল জায়গাগুলিরে দেখছেন যেইখানে পলিটিক্যাল সিচুয়েশনগুলি অনেক ক্রিটিক্যাল মোমেন্টে ফিলোসফি’র জায়গাটাতে চইলা আসতে পারে বা না আইসা পারে না। একজেক্ট ফিলোসফিক্যাল পলিটিক্যাল স্ট্রাকচার পসিবল কিনা বা কেমনে পসিবল হইতে পারে – ওই জায়গাটাতে উনি যান নাই। রিলেশনটারেই উনি যাচাই করতে চাইছেন। 

এই ইংরেজি ভার্সন’টা ছাপা হইছিলো ‘রেডিক্যাল ফিলোসফি’র ৯৬ নাম্বার পাবলিকেশনে (জুলাই/অগাস্ট ১৯৯৯)। ফরাসী থিকা ইংরেজি’তে কনভার্ট করছিলেন Thelma Sowley.

ই. হা.

————————————————————

প্লেটো থিকা শুরু কইরা আজকে পর্যন্ত, একটা শব্দ আছে যেইটা পলিটিক্স নিয়া ফিলোসফারদের কনসার্নটারে পুরাপুরি কইতে পারে। এই শব্দটা হইতেছে “ইনসাফ” (Justice)। পলিটিক্সের দিকে ফিলোসফারের প্রশ্নটা এইরকম: একটা ইনসাফের পলিটিক্যাল ওরিয়েন্টেশন কি সম্ভব? এমন একটা ওরিয়েন্টেশন যেইটা চিন্তার প্রতি ইনসাফ করতে পারবো? যেইটা দিয়া আমরা শুরু করতে পারি, সেইটা হইতেছে: বে-ইনসাফি’টা (বা অবিচার’টা) ক্লিয়ার, ইনসাফ করাটা ঝাপসা। যার প্রতি অবিচার করা হইলো, সে এইটা এমনিতেই টের পায়। কিন্তু ইনসাফ’টা যাচাই করবো কেডা? অবিচারের একটা এফেক্ট আছে – একটা যন্ত্রণা হয়, একটা বিদ্রোহ দেখা দেয়। অথচ দেখেন, এমন কিছুই নাই যা ইনসাফ’রে বুঝায়, যেইটারে কোন ঘটনা দিয়া বা অনভূতি দিয়া দেখানো সম্ভব।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

তাইলে কি আমরা এইটা বইলাই বাদ দিবো যে, ইনসাফ হইতেছে খালি অবিচার না করাটা? এইটা কি দুইবার বাতিল করার পরে একটা ফাঁপা নিরপেক্ষতা? আমি এইটা মনে করি না। আমি এইটাও মনে করি না যে, অবিচার দেখতে পাওয়ার, এক্সপেরিয়েন্স করার বা সাবজেক্টিভ একটা জিনিস; বা ইনসাফ হইতেছে বুঝতে পারার, বা যুক্তি’র বা অবজেক্টিভ একটা ব্যাপার। অবিচার ইনসাফের ইমিডিয়েট কোন বিশৃঙ্খলা না, যেইখানে ইনসাফ হইতেছে আদর্শ একটা অবস্থা।

শ্রীংলার প্রজেক্ট: হিন্দি ১ নম্বর, বাংলা ২, ইংরাজি ৩

মোগল বা মুর্শিদাবাদের এলিটদের বদলে নয়া, ফ্রেন্ডলি এলিট বানাবার প্রজেক্টে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ভালো কামে দিছে ইংরাজের জন্য। কিন্তু এইটা দরকারের পুরাটা দিতে পারে নাই। বড়ো আরেকটা বান আছিল ফার্সি। ফার্সি কয়েকশো বছরের রাজ-বুলি, জনতা ডাইরেক্ট ফার্সি না লইলেও উর্দু/হিন্দি আর্ট-কালচার হইলো এলিট আর্ট-কালচার; বাংলা বা অহমিয়া বা উড়িয়া ভাষারাও ফার্সি ছোয়ায় ফলতেছে।

মোগল বা পুরানা নবাবী এলিটরা ফার্সি জানেন, কন, উর্দু-হিন্দি আর্ট-কালচার করেন। তারা যদি এমনকি ইংরাজের ব্যাপারে ফ্রেন্ডলিও হন, তবু ইংরাজকে ফার্সি শিখতে হইতেছে! ওদিকে ফার্সির লগে দুশমনি তো গ্রিক-পারসি যুদ্ধ থিকা, আলেকজান্ডার হইয়া ক্রুসেড তক লম্বা! ফার্সি তো আরবিও বাইরের লোকের কাছে![pullquote][AWD_comments][/pullquote]

ফার্সির বদলে ইংরাজি চালু হইলো তাই ১৮৩৫ সালে। ফার্সি এলিট আর আর্ট-কালচারের ইজ্জত কমতে থাকলো। টিকতে হইলে ইংরাজি শেখো, বা ছোটলোক হইয়া যাও। সেই প্রজেক্ট কামিয়াব হইছিল, সেই কারণেই আজকের বাংলাদেশে চোর-চোট্টার নাম নাটকে হয় রমজান, মফিজ-আবুল হইলো বেকুবের চালু নাম, বান্দির নাম নুরজাহান-মমতাজ-লুৎফা।

আসল বেকুবরা কেউ কেউ মনে করে ফার্সি তো মোসলমানী, হিন্দুরা খুব পিছাইয়া আছিল সেই জমানায়, মানে মোগল-নবাবী আমলে। এই বেকুবেরা রায়দুর্লভ, রাজবল্লভ, উঁমিচাদ মনে রাখে না; সত্যজিৎ রায়ের দাদার বাপে কেন মুন্সি, মধুসূদণ দত্ত কেন যশোরের বাড়ির পাশের মসজিদে ফার্সি শিখতো, দুনিয়ার পয়লা ফার্সি নিউজপেপার আখবার কেন রামমোহন রায় ছাপাইলেন, সেই সব নজরে কেমনে পড়বে এদের!

রাজ-বুলি বানানো তাই কামে দেয় ভালো। মনে রাখা দরকার, তখন কিন্তু এখনকার মতো অনেকটা অটোনোমাস রাজ্য, ভাষার/বুলির ইজ্জত বাড়ানিয়া সিনেমা হবার যুগ আছিল না! ইউটিউবের মতো মওকা আছিল না গ্লোবাল হবার। এই যুগেই আমরা যখন ধনীর আর দুনিয়ার সর্দারদের বুলির লগে পারি না, তখন কেমনে পারবে!

বাংলাদেশে হিন্দির ফিউচার ভালো–এমন একখান কথা কইছেন হর্ষবর্ধণ শ্রীংলা। অমনি বাংলাপ্রেম উতলাইয়া উঠছে আমাদের; এর মানে হইলো, আমরা শ্রীংলা-ইন্ডিয়ার প্রজেক্টটাই বুঝি নাই!

বাংলাদেশের ক্রিকেট দলে ক্যাপ্টেন হিসাবে ইংরাজি না জানা কাউকে ভাবতে পারেন? সাকিব ইন্ডিয়ার এক জার্নালিস্টকে কইছিলেন না–হিন্দি না, ইংরাজি প্লিজ? ইন্ডিয়ার ডোমেস্টিক এয়ার লাইন্সের ফ্লাইটে এক হোস্টেজকে আমারো কইতে হইছে–হিন্দি না, ইংরাজি। ভারতের ইন্টার্নাল পলিটিক্সে হিন্দি ১ নম্বর বুলি হইয়া উঠতে চায়, ইংরাজিরে সরাইয়া। ইংরাজি তারা এমনিতেই শেখে, স্কুলের মিডিয়াম হিসাবেই, গ্লোবাল দুয়ার খোলাই রইলো তাতে, হিন্দিটা নেশনালি ১ নম্বর। হিন্দি ঠেকাইতে চাইতেছে ইন্ডিয়ার তামিল বা বাংলা। কিন্তু বাংলাদেশ আরেকটা দেশ, ওয়েস্ট বেঙ্গলে হিন্দির তুলনায় ইংরাজির ইজ্জত কমলে অতো অসুবিধা নাই, বাংলাদেশের আছে। কেন? Continue reading

ঘুরা-ফিরা: মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ঘুরতে গেছিলাম, মাসখানেক আগে। ঘুরতে গেলে যা হয়, ছবি তোলা হইলো অনেক। আর ওইখানে ছবি আছিলোও অনেক। জাদুঘর বলতে মোটামুটি একটা ভিস্যুয়াল ডিসপ্লেই। ভিডিও-ও চলতেছে কয়েকটা জায়গায়। এখনকার সময়ে মেমোরি অ্যাকুমোলেট করি আমরা ভিজ্যুয়াল ওয়ে’তেই। ঘুরতে যে গেছিলাম, ছবি কই! হিস্ট্রি’তে যে ঘটছিলো তার ছবি কই! এইরকম।

গ্যালারি-১ টা বন্ধ আছিলো, মেরামত চলতেছিলো। গ্যালারি ২, ৩ আর ৪ দেখলাম। দেখতে দেখতেই কয়েকটা জিনিস মনে হইলো।

 

থিমপার্ক

জাদুঘরের ভিতরের অনেক জায়গার ইন্সটলেশন দেইখা থিমপার্কের কথা মনে হইছে।

এইটা মনে হইছে, ২৫শে মার্চের রাতের ডিসপ্লে’র জায়গাটাতে আইসা। ফ্যান্টাসি কিংডমে রেলগাড়িটা এইরকম টাইপের একটা টানেলের ভিতর দিয়া যায়। তখন মনে হইছে অডিয়েন্সের কথা; যে, কারা এইখানে ঘুরতে আসতে পারেন? স্কুলের বাচ্চারা আসলো স্টাডি ট্যু’রে, মফস্বলের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্টুডেন্টরা, ফরেনার’রা তো আসতেই পারেন; এর বাইরে উইকএন্ডে যাঁরা ফ্যান্টাসি কিংন্ডমে যাইতে পারেন… সিঙ্গাপুরের ইউনির্ভাসাল স্টুডিও’তে না গেলেও। এইরকম যারা আছেন, উনাদের কাছে ব্যাপারটারে প্রেজেন্টবল কইরা তোলার একটা ঘটনা আছে। অডিও বাজতেছে, ভূতের গুহার মতন একটা জায়গা, চিপাচাপা দিয়া হরর মুভি’র মতন লাশের ছবি দেখা যাইতেছে। মানে, কি ঘটছে – সেইটা নানান রকমের কাহিনি থিকা তো আমরা জানি-ই, তারপরও কেমনে দেখানো হইতেছে – সেইটাই তো ঘটনা হিসাবে থাকে, থাকতেছে।

বা টিনের দেয়াল, মুক্তিযোদ্ধারা এইরকম বাড়িতে লুকায়া থাকতেন। তখনকার বাড়িগুলি এইরকমই ছিলো, একটা এনভায়রনমেন্ট ক্রিয়েট হইছে। বা ইন্ডিয়ার রিফিউজি ক্যাম্পে, সিমেন্টের পাইপের ভিতরে থাকতো মানুষজন। ছবি তো আছেই, একটা সিমেন্টের পাইপও রাখা হইছে। সিনেমাহলের সামনের নতুন ছবি’র কাট-আউটের সাথে দাঁড়ায়া যেমন ছবি তোলা যায়, এইখানেও একইরকম করা যাইতে পারে তো! Continue reading

মৃদুল দাশগুপ্ত যেন শশাঙ্কের গদা, বৌদ্ধ মনে ওনার কবিতা কেমন তখন

আমাদের পোয়েটিক্সের গড়নে ধর্মের মদদ আছে, কখনো হয়তো গোপন, কখনো খুব আলগা নজরেও ধরা পইড়া যায়।

এথেইস্টদের মাঝেও দেখবেন, যে যেই ধর্ম থিকা বাইরাইয়া এথেইস্ট হইছেন সেই ধর্মে যারে ইনসেস্ট কয়, সেইটাই ঐ ঐ এথেইস্টের ইনসেস্টের আইডিয়া; তারা নিজের ছাইড়া আসা ধর্মের সাজেশন মোতাবেক ইনসেস্টের আইডিয়ার সায়েন্টিফিক বেসিস বা খাম্বাও জোগাড় কইরা ফেলে। এইটারে গোপন কইতে পারেন।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

এথেইস্ট যারা না, তাগো এতো গোপন করার দরকার হয় না। তবে ধর্মের আইল পার হইয়া আরো বেশি রিডারের মাঝে নিজের ধর্ম ছড়াবার ফন্দি লইয়া ঢুকতে চাইলে ধর্ম গোপন করতে চাইতে পারেন অনেকে। রঠা যেমন নিজের ধর্মের গান লিখছেন ব্রহ্মকে সর্বনামে ডাইকা, সর্বনামের এই এক ফায়দা–নেতানিয়াহু বা ট্রাম্প বা পুতিন বা এরদোগান বা আব্বাস, সবাইরেই ‘সে’ কইয়া আপনে অচেনা বানাইয়া ফেলতে পারেন! কারো মনে নামের চাইতে ভাব পাচার করায় লাভ বেশি, সবর্নামেই পাইতে পারেন সেই মওকা।

এমন সব ধান্দা কম কম করা কবিও আছেন দুনিয়ায়, তাগোই বেশি ভালো লাগে আমার। বঙ্কিম ‘বন্দে মাতরম’ লিখছেন, সেইখানে নিজের হিন্দুতা লুকাইতে চেষ্টা করেন নাই; হিন্দু হিসাবেই মায়ের ভক্ত উনি, সেই মায়ের বাছুর হিসাবে বাংলার মোসলমানদের বাদ দেবারও দরকার হয় নাই ওনার, কইতেছেন পুরা ৭ কোটির কথাই। হিন্দু বঙ্কিমের এই মা-ভক্তি ভালো লাগে আমার।

মির্জা গালিব যখন দুনিয়ায় এমন জায়গার হদিস চান যেইখানে খোদা নাই, যাতে উনি নিরালায় একটু মদ খাইতে পারেন–এই যে উনি বিশ্বাসে সহি মোসলমান হইয়া উঠলেন, এই পোয়েটিক্সও ভালো লাগে আমার।

‘বনমালি তুমি পরজনমে হইও রাধা…’, হিন্দু ধর্মের ভিতর দিয়া মনকাড়া পোয়েট্রি হইতে পারতেছে।

জীবনানন্দ লিখলেন ‘আবার আসিব ফিরে…’, এইখানেও পরজনমের কথা কইয়া হিন্দুতা দিয়াই পোয়েট্রি করলেন কবি; কবির সুমন জাতিস্মর গানেও পরজনমের গান গাইতেছেন, কে যেন কোলকাতায় সিনেমা বানাইলেন ‘জাতিস্মর’ নামে। বুদ্ধদেব বসুর ‘ধৃতরাষ্ট্রের বিলাপ’ও ফেভারিট একটা কবিতা ছিলো আমার।

হিন্দুদের কবিতায় হিন্দুতা থাকবে না কেন, থাকাটাই নর্মাল। মোসলমানের কবিতায় ইসলাম থাকতেই পারে, ক্রিসমাস লইয়া কত কত সিনেমা হইতেছে। নর্মাল। Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →