Main menu

সুমন চন্দ্রমোহন্ত গল্প হইতে চাইছিল

সুমন চন্দ্রমোহন্ত গল্প হইতে চায়, সমস্যা হইলো তার জীবনে কওয়ার মতন কোনো ঘটনা ঘটে নাই। প্রেমে পড়ে নাই, সো, ছ্যাকাও খায় নাই। স্বপ্নও নাই। এমনকি সে কোনোদিন দুর্ঘটনার শিকারও হয় নাই। শালার জীবন এতই গরীব! এতটা ফকিন্নি জীবন হয় কারু! তাও সে গল্প হইতে চায়। তার জীবনের গল্প মানুষ পড়বে এইটাই তার চাওয়া।

সে আমার নাপিত। আমি এমন কোনো মনু না যে আমার পারসোনাল নাপিত থাকবে। (কথাটা শুনলে বন্ধু বান্ধবরা কবে, শালার কথা শুনছো, আমার নাপিত! খাস বউয়ের কামাই, আবার বলা মারায়, আমার নাপিত! শখ কত…) উত্তর বাড্ডার আলীর মোড়ে একটা সেলুনের নাপিত সে। বছর খানেক হইলো চুল কাটাই তার কাছে। এমনিতে আমি বছরে ৩ বার চুল কাটাই। কোনো কোনো বছর ২ বারের বেশি কাটানো হয় না। অনেক কারণ আছে। সবথেকে বড় কারণ হলো কারো চুল কাটা আমার পছন্দ হয় না। দ্বিতীয় কারণ, অযত্নে ‘কোকড়া চুল পাখির বাসা’ হয়া থাকা মাথাটা আমার তো অবশ্যই, বউয়েরও পছন্দ। অথচ এই মাথা একদিন আমার সবথেকে বড় শত্রু ছিল। বেঢপ বড় মাথাটা ৩ নাম্বার বেটার শরীরে পছন্দ হইছিল না বইলা আমার মাও নিজেই ভ্যাংচানোর জন্য নাম দিছিল মাথাফুলা। সেই শুরু। তারপর থেইকা আমারে সবাই মাথাফুলা বইলা খেপাইত।

সুমনের চুল কাটা প্রথমবার পছন্দ হইছিল। পরেরবার হয় নাই। তাও আমি সুমনের কাছে চুল কাটাইতে যাই। সুমনের সঙ্গে কথা বলতে আমার ভালো লাগে। এই নিয়া ৩ বার তার সাথে দেখা। প্রথম দেখা হওয়ার বছর পার হয়া গেছে। প্রথমবার আমার চুল দেইখা তার পছন্দ হইছিল। কয় আমার চুলও এমন, কোকড়া। আমি ভাবি, এই বলদ কেমন নাপিত, এত বেশি চুল দেইখা তো ভয় পাওয়ার কথা, কাটতে টাইম বেশি লাগবে!

আমার চুল দেইখা আর কথাবার্তা শুইনা সে আমার সম্পর্কে আগ্রহী হইছিল। দেশের রাজনীতি নিয়া হতাশা প্রকাশ করছিলাম। এমপি মন্ত্রীদের হাইস্যকর কথাবার্তা, হাসিনার একেকটা প্রেস ব্রিফিংয়ের পর নতুন নতুন মিম ম্যাটেরিয়াল, জিনিসপাতির ঘোড়ার মতো লাফায়া লাফায়া দাম বাড়া, মেইন রোড থেইকা আলীর মোড় পর্যন্ত আসার রাস্তায় কাদা হয়া থাকা নিয়া অনেক কিছু বলছিলাম। পরে সুমনের আগ্রহে বলছিলাম যে সাংবাদিকতা করি। আর গল্পও লিখি।

তার সম্পর্কে জানতেও আগ্রহী হয়া উঠছিলাম আমি। জানাইল সে তো আমার দেশী লোক। তার বাড়িও বগুড়া। গোহাইল ইউনিয়নে, শাহজাহানপুর থানায়। আমার বাড়ি গাবতলী। আমাদের আসন একই। বগুড়া ৭। তারপর নানান কথাবার্তা। এক সময় সুমন কইল, ভাই হামাক নিয়া একটা গল্প লেকেন। Continue reading

লাবিব ওয়াহিদের কবিতা (২০২৫)

>> রিয়াবানু, আহারে >> এইভাবেই >> তোমার ড্রইংরুমের বনসাই গাছ নই >> সারা বাংলাদেশ >> এক দরিয়ারে ডাকতেছে আরেক দরিয়া >> যেখানে জিন্দা হয় মরা মাছ >>

রিয়াবানু, আহারে

আমি তারে এমন কইরা ফিল করি

সে যখন খুট খুট কইরা মেসেজ লিখে
ইংরেজি লেটারে বাংলা কথা

আর, একটাও ফুলএস্টপ না দিয়া
লম্বা লম্বা কথা লিখে যায়

আমার কি যে ভাল্লাগে

আমি তারে এমন কইরা ফিল করি
তার প্রতিটা মেসেজ ইমাজিন করি
যেন সে বলতেছে এভাবেই
অনেকক্ষণ কথা বলার পর থামতেছে
যেন হাঁপাইয়া উঠতেছে

তারপর আরও কথা
আরও কথা
ঝরনার মতো আমি ভিজে যাই
তার মেসেজে

আমি তারে এমন কইরা ফিল করি

তার কথাগুলা দিয়া
তৃষ্ণার্ত কাকের মতো তৃষ্ণা মিটাই

আমার কানে আমি বাজাই
তার কথাগুলাই

চোখের সামনে টিভির মতো দেখি
মুমিনুন্নেসা কলেজের ঘাসে ঘাসে
তার হাসির লহর বয়ে যাওয়া

দিনে দিনে সে যে আমার
কতো কাছের হইতেছে –

খুশিতে আমি রাস্তায় রাস্তায় দৌড়াই
সোনালি বিরি ধানের মাঠে ঘুড়ি উড়াই

খুশিতে আমি পাকা ধানের গন্ধ শুকি
পাকা আমের দিন গুনি
ছোট ফেনি নদীর জলে
গামছা পরে নেমে যাই Continue reading

ইন্ডিয়ান রাষ্ট্রবাদী প্রকল্প: একটা উদাহরণ

‘ইন্ডিয়ান রাষ্ট্রবাদী প্রকল্প’ জিনিসটা কী? তার আগের প্রশ্ন রাষ্ট্রবাদী প্রকল্প জিনিসটা কী? রাষ্ট্র স্বয়ংসম্পূর্ণ কোনো এনটিটি না। একটা রাষ্ট্রের এক্সিস্টেন্স শুধু সেই রাষ্ট্রের উপর নির্ভর করে না। তাকে একটা শত্রু রাষ্ট্র নির্মাণ (মনোজগতে) করতে হয়৷ আম্রিকার যেমন একটা সোভিয়েত ইউনিয়ন বা একটা চীন লাগে, ভারতের একটা পাকিস্তান লাগে৷ এ ব্যতীত একটা ইউনিফায়েড রাষ্ট্র হিসেবে ফাংশান করা কঠিন।

অন্যসকল রাষ্ট্রের মতো শত্রু নির্মাণ করার পাশাপাশি ইন্ডিয়া আরেকটা কাজ করে: অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন লালন করে৷ পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা ইন্ডিয়াকে ‘ভারতবর্ষ’ বলে। মানে ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট। পুরো উপমহাদেশকে দখল করতে চায়। অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে তো বটেই, ভবিষ্যতে কোনোদিন রাজনৈতিকভাবে সমস্ত ভূখণ্ডকে একীভূত করার বাসনাও খুবই স্পষ্ট৷ হায়দ্রাবাদকে যেভাবে গিলে নিয়েছিল; নেপাল, ভূটান, বাংলাদেশকেও তেমন গ্রাস করতে চায়৷ পাকিস্তানকেও চায় কিন্তু পারমাণবিক বোমা আছে জন্যে বলতে পারে না। অথচ ভারতবর্ষ বলে একক কোনো এনটিটি ছিল না বৃটিশরা আসার আগে।

এককথায়, শত্রুরাষ্ট্র নির্মাণ এবং তাকে গ্রাস করা— এই দুই মিলে তৈরি হয়: ইন্ডিয়ান রাষ্ট্রবাদী প্রকল্প।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, বিজেপির কথা না বলে কেন রাষ্ট্রের দিকে ইঙ্গিত করলাম। কারণ, বিষয়টা শুধু বিজেপির না৷ হায়দ্রাবাদ দখল করার সময় বিজেপি ক্ষমতায় ছিল না। অতো বেশি আগেও যাবার দরকার নেই, হাসিনার রেজিমের কথাই ভাবি। ২০০৯ সালে মসনদে বসার পরে প্রথমেই হাসিনা বিডিআর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করলো। ঘটনার সময় ভারতীয় প্যারাট্রুপাররা রেডি হয়ে ছিল, সংকেত পেলে বাংলাদেশে প্রবেশ করে হস্তক্ষেপের জন্য। তখন কিন্তু কংগ্রেস ক্ষমতায়। তারপর হাসিনা-মনমোহন একই বছরে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করে যেটাকে বদরুদ্দীন উমর ‘বাঙলাদেশের নিরাপত্তা বিপন্নকারী’ বলে অভিহিত করেন। Continue reading

মব নিয়া আলাপ – লাস্ট পার্ট (জুন ২৪, ২০২৫)

পার্ট ১

 

পার্ট ৩: দুইটা জাস্টিস সিস্টেম

প্রশ্ন: ধরুন আমি নিজেও ডিফেন্ড করছি, এইসব পিপলরা নুরুল হুদারে জুতার মালা পরাইয়া ইয়ে টিয়ে করছে, দ্যাটস অল। আমরা এইটা মব বলতেছি না জনরোষ বলার চেষ্টা করছি। আরেক জায়গায়, সম্ভবত উত্তরবঙ্গে কোনো এক জেলায় মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে বলছে যে, তার নাম নেওয়ার পর দরুদ পড়ে নাই, সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলে নাই। ফলে তারে ধরে মারা হইছে, অনেক পিপলরা মারছে। এইটা জনরোষ হইতে পারে কিনা? এইটা মবের সংজ্ঞায় পড়ে কিনা। যদি এইটা মবের সংজ্ঞায় পড়ে, আমরা ক্লাসিফাই করব কেমনে আসলে? ধরেন, যারা সিইসি নুরুল হুদারে মারছে, এদেরকে আমরা ডিফেন্ড করলাম…

রক মনু: বুঝতে পারছি। এই জায়গায় যাব। এই বিষয়টা মাথায় থাকলো, এই বিষযটা বলার পরে অই জায়গাটায় যাচ্ছি। সেটা হচ্ছে যে, সিস্টেমটা হচ্ছে জাস্টিস সিস্টেমের, একজন আসামী সে, ধরেন… আরেকটা জায়গা থেকে শুরু করি, এই যে প্রেসিডেন্ট ও প্রাইম মিনিস্টার আছে না? এদের কিন্তু একটা ইনডেমনিটি দেওয়া হয়। এরা যে কাজকাম করছে, সেইটা হচ্ছে তারা এজ লং এজ, তারা ক্রাইম এগেইনস্ট হিউম্যানিটি করবে না, হাসিনার মতো, তার বাইরে… তারা যে কাজকাম করছে সেইটা, ধরেন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য, পুলিশ গুলি করতে বাধ্য হইলো, তারপর মানুষ মারা গেল। এরকম ঘটনা তো ঘটতে পারে, একটা আইডিয়াল স্টেটে। তারা যে কাজকাম করছে তার দায় তাদের উপরে যাবে না। ওইটার জন্য তার নামে আপনি খুনের মামলা করতে পারবেন না। খুনের মামলা করবার জন্য অন্য জিনিস লাগবে।

এই যেমন হাসিনার জন্য এইখানে এভিডেন্স, ওই যে অডিও টডিও, এভিডেন্স যে,ওরে খুন করো… তার মানে খুনটাই তার টার্গেট। নট যে, পরিস্থিতি বিশৃঙ্খলা হইতে এইটাকে নরমালাইজেশন করবে — এইটা তার উদ্দেশ্য না, খুনটাকেই সেইটা হচ্ছে বাইছা নিছে। এরকম যে তারপরেও বাড়াবাড়ি রকমের কিছু হয়, তার তো বিচারটা করা যাচ্ছে না। তাইলে তার বিচারটা কেমনে হয়? আসলে তার বিচারটা হবে য পলিটিক্যাল বিচার — জনতার আদালতে। নেক্সট ইলেকশনে তার বিচারটা হবে। ওই বিচারটা নেক্সট ইলেকশনে। সেই কারণেও ইলেকশন দরকার। উইথআউট ইলেকশন তার বিচারটা আমি করব কেমনে? আমি তো জনগণ। আমি তার বিচার করব। কারণ এটা কনভেনশনাল যে প্রতিষ্ঠান আমি বানাইছি আদালত নামে, সে কিন্তু এর বিচার করতে পারতেছে না। কেন? তাইলে তো আর স্টেটই চালানো যাবে না। সে যদি মনে করেন যেকোনো একটা শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য, পুলিশ লাঠি চার্জ করল, সবগুলাতেই যদি আপনি মামলা দিতে থাকেন, তাইলে হচ্ছে যে, প্রাইম মিনিস্টার বা প্রেসিডেন্ট কাজটা করবে কেমনে? এই কারণে এইসব বিষয়ে আদালতে তাকে বিচার করা যাচ্ছে না। কিন্তু সে তো বাড়াবাড়ি করতে পারে। একদম লিটারেলি খুনের প্রস্তাব বাদেও বাড়াবাড়ি করতে পারে। ধরেন, একটা মওকা পাইছে, ৩টা বাড়ি দিলে হয়া যাইতো, সেইখানে ১০টা দিল — এইটা বাড়াবাড়ি না? যে হচ্ছে থাইমা গেছে, তারপরও তাকে মারতেছে। তার বিচার কেমনে হবে?

এই কারণে এইটার বিচারের ওয়েটা হচ্ছে ইলেকশন। জনতার আদালতে তার বিচারটা হয়। তার মানে হচ্ছে যে অলওয়েজ বিচারের ২টা পথ থাকে। একটা হচ্ছে, আদালতের জাস্টিস সিস্টেম কনভেনশনাল ইন্সটিটিউশনাল জাস্টিস সিস্টেমে বিচার করে, আরেকটা হচ্ছে, হচ্ছে পিপল বিচার করে, পলিটিকা — থ্রু ইলেকশন। এবং তারা বিভিন্নভাবে টর্চার্ড হয়। এইটা একটা, এই যে দুইটাই থাকল, এইটা আসলে, এইটার একটা ফর্ম হচ্ছে জুরি সিস্টেম থাকা। জুরি সিস্টেম আদালত বা জাজ, সে হচ্ছে বিধিবদ্ধ যে আইন, এলেম দিয়া সে বিচার করতেছে। কিন্তু এই যে কোনো একটা দেশের আইন, সেইদেশের টোটাল পিপলের ভেতরে যে আইডিয়াল জাস্টিস সেইটারই একটা কো-ডিফাইড ফর্ম, রিটেন ফর্ম। Continue reading

সঠিক পথের ওসমান হাদি ভাই

[ওসমান হাদি শ্যুট হওয়ার পরে, আমার মইদ্যে কিছু কবিতা ভর করে। এইখানে এই কবিতাগুলা রাখলাম। অবশ্য, হাদি আহত হইবার আগে আমি একখান কবিতা লেখছিলাম। নাম, ‘সঠিক পথের ওসমান হাদি ভাই’। উনার উপর নৃশংস ঘটনা ঘটবার পরে, একই নামে আরেকখান কবিতা লেখি। এই দুইখানা কবিতারে, ‘সঠিক পথের ওসমান হাদি ভাই ০১’ ও ‘সঠিক পথের ওসমান হাদি ভাই ০২’ নামে এইখানে রাখলাম। কবিতাগুলা আমাদের বন্ধু হাদির নামের স্মরণ করতেছে।]

/হাদি হাদি কইয়া/

কি চমতকার বেপার দেখো
যে হাদিরে শুট করল
তার গুলির শব্দ আমরা
শুনলাম না

আর অই না হাদি
সে যে বেহেশতের কুন
দরজায় ঢুকছে
আমরা কেউ জানি না

তারপরেও হাদি হাদি কইয়া
কতগুলা পাখি কি
মধুর চিউ চিউ করতেছে!


/সময়/

মাঝে মাঝে মনে হয়
আমাদের গরুর ঘরে
সময় কাতরাইতেছে

গর্তে পইড়া লেজে-গোবরে
অবস্থা হইছে তার

আর চর্ম চউখে
দেখাও যায় তারে

কেউ যেন বা
সময়রে খাপ কইরা
ধইরা ফেলতেও পারে


/যারা জাইগা উঠে/

যারা জাইগা উঠে
তাদের জন্যও
নিদ্রা জরুরী
যাতে কইরা তারা
আবার জাগতে পারে Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →