…
পার্ট ৩: দুইটা জাস্টিস সিস্টেম
প্রশ্ন: ধরুন আমি নিজেও ডিফেন্ড করছি, এইসব পিপলরা নুরুল হুদারে জুতার মালা পরাইয়া ইয়ে টিয়ে করছে, দ্যাটস অল। আমরা এইটা মব বলতেছি না জনরোষ বলার চেষ্টা করছি। আরেক জায়গায়, সম্ভবত উত্তরবঙ্গে কোনো এক জেলায় মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে বলছে যে, তার নাম নেওয়ার পর দরুদ পড়ে নাই, সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলে নাই। ফলে তারে ধরে মারা হইছে, অনেক পিপলরা মারছে। এইটা জনরোষ হইতে পারে কিনা? এইটা মবের সংজ্ঞায় পড়ে কিনা। যদি এইটা মবের সংজ্ঞায় পড়ে, আমরা ক্লাসিফাই করব কেমনে আসলে? ধরেন, যারা সিইসি নুরুল হুদারে মারছে, এদেরকে আমরা ডিফেন্ড করলাম…
রক মনু: বুঝতে পারছি। এই জায়গায় যাব। এই বিষয়টা মাথায় থাকলো, এই বিষযটা বলার পরে অই জায়গাটায় যাচ্ছি। সেটা হচ্ছে যে, সিস্টেমটা হচ্ছে জাস্টিস সিস্টেমের, একজন আসামী সে, ধরেন… আরেকটা জায়গা থেকে শুরু করি, এই যে প্রেসিডেন্ট ও প্রাইম মিনিস্টার আছে না? এদের কিন্তু একটা ইনডেমনিটি দেওয়া হয়। এরা যে কাজকাম করছে, সেইটা হচ্ছে তারা এজ লং এজ, তারা ক্রাইম এগেইনস্ট হিউম্যানিটি করবে না, হাসিনার মতো, তার বাইরে… তারা যে কাজকাম করছে সেইটা, ধরেন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য, পুলিশ গুলি করতে বাধ্য হইলো, তারপর মানুষ মারা গেল। এরকম ঘটনা তো ঘটতে পারে, একটা আইডিয়াল স্টেটে। তারা যে কাজকাম করছে তার দায় তাদের উপরে যাবে না। ওইটার জন্য তার নামে আপনি খুনের মামলা করতে পারবেন না। খুনের মামলা করবার জন্য অন্য জিনিস লাগবে।
এই যেমন হাসিনার জন্য এইখানে এভিডেন্স, ওই যে অডিও টডিও, এভিডেন্স যে,ওরে খুন করো… তার মানে খুনটাই তার টার্গেট। নট যে, পরিস্থিতি বিশৃঙ্খলা হইতে এইটাকে নরমালাইজেশন করবে — এইটা তার উদ্দেশ্য না, খুনটাকেই সেইটা হচ্ছে বাইছা নিছে। এরকম যে তারপরেও বাড়াবাড়ি রকমের কিছু হয়, তার তো বিচারটা করা যাচ্ছে না। তাইলে তার বিচারটা কেমনে হয়? আসলে তার বিচারটা হবে য পলিটিক্যাল বিচার — জনতার আদালতে। নেক্সট ইলেকশনে তার বিচারটা হবে। ওই বিচারটা নেক্সট ইলেকশনে। সেই কারণেও ইলেকশন দরকার। উইথআউট ইলেকশন তার বিচারটা আমি করব কেমনে? আমি তো জনগণ। আমি তার বিচার করব। কারণ এটা কনভেনশনাল যে প্রতিষ্ঠান আমি বানাইছি আদালত নামে, সে কিন্তু এর বিচার করতে পারতেছে না। কেন? তাইলে তো আর স্টেটই চালানো যাবে না। সে যদি মনে করেন যেকোনো একটা শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য, পুলিশ লাঠি চার্জ করল, সবগুলাতেই যদি আপনি মামলা দিতে থাকেন, তাইলে হচ্ছে যে, প্রাইম মিনিস্টার বা প্রেসিডেন্ট কাজটা করবে কেমনে? এই কারণে এইসব বিষয়ে আদালতে তাকে বিচার করা যাচ্ছে না। কিন্তু সে তো বাড়াবাড়ি করতে পারে। একদম লিটারেলি খুনের প্রস্তাব বাদেও বাড়াবাড়ি করতে পারে। ধরেন, একটা মওকা পাইছে, ৩টা বাড়ি দিলে হয়া যাইতো, সেইখানে ১০টা দিল — এইটা বাড়াবাড়ি না? যে হচ্ছে থাইমা গেছে, তারপরও তাকে মারতেছে। তার বিচার কেমনে হবে?
এই কারণে এইটার বিচারের ওয়েটা হচ্ছে ইলেকশন। জনতার আদালতে তার বিচারটা হয়। তার মানে হচ্ছে যে অলওয়েজ বিচারের ২টা পথ থাকে। একটা হচ্ছে, আদালতের জাস্টিস সিস্টেম কনভেনশনাল ইন্সটিটিউশনাল জাস্টিস সিস্টেমে বিচার করে, আরেকটা হচ্ছে, হচ্ছে পিপল বিচার করে, পলিটিকা — থ্রু ইলেকশন। এবং তারা বিভিন্নভাবে টর্চার্ড হয়। এইটা একটা, এই যে দুইটাই থাকল, এইটা আসলে, এইটার একটা ফর্ম হচ্ছে জুরি সিস্টেম থাকা। জুরি সিস্টেম আদালত বা জাজ, সে হচ্ছে বিধিবদ্ধ যে আইন, এলেম দিয়া সে বিচার করতেছে। কিন্তু এই যে কোনো একটা দেশের আইন, সেইদেশের টোটাল পিপলের ভেতরে যে আইডিয়াল জাস্টিস সেইটারই একটা কো-ডিফাইড ফর্ম, রিটেন ফর্ম। Continue reading →