পার্ট ১
————————————————————
আর্ট খালি পয়দা হওয়ার জিনিস না, বানানোও পসিবল; ইন ফ্যাক্ট কেমনে বানাইবেন সেইটা নিয়া অ্যান্ডি ওয়ারহল কিছু সাজেশন দিছেন। অবভিয়াসলি ইন হিজ অউন ওয়ে। আর কোন ইন্ডিভিজ্যুয়াল আর্ট-ই সারভাইব করতে পারবে না আনটিল এইটা নিজেই একটা ইন্সটিটিউশন হয়া উঠতে পারে। এইসব জিনিস ট্রাই কইরা গেছেন ওয়ারহল। নাথিংসনেস ইজ নট সামথিং। নাথিং মানে এমন না যে, একটা কিছু আছে বা নাই; নাথিং মানে হইলো কিছুই না। কিছুই না সর্ম্পকে কিছু আলাপ, এই চ্যাপ্টারটা।
—————————————————————
১২
আর্ট
এ: কিছু চকলেট নেন আপনি… আর তারপরে দুই পিস ব্রেড নেন… আর মাঝখানটাতে আপনি ক্যান্ডি রাখেন, তাইলে এইভাবে আপনি একটা স্যান্ডুউইচ বানাইতে পারলেন। আর এইটা হইলো একটা কেক।
মন্টি-কার্লো’তে হোটেল মেরাবোঁ’র একটা সুইটে আমরা থাকতেছিলাম। এর পাশের হোটেল ডি প্যারিস আমাদেরকে ছাইড়া দিতে বলার পরে বন্ধুরা এইটা ভাড়া করছিলো। কারণ বিশাল গ্রান্ড পিক্স উইকএন্ডের আগে বি আমরার রির্জাভেশনের সময় আগে থিকা বাড়াইতে ভুইলা গেছিলো। আমার রুম থিকা রেস ট্র্যাকের একটা হেয়ারপিন কার্ভ দেখা যাইতো। দেখতে তো পাইতাম-ই – আর আমি ডেফিনেটলি শুনতেও পাইতাম সব গ্রান্ড পিক্স প্রিলিমিনারিগুলা যখন তারা প্রতিদিন সকাল পাঁচটা ত্রিশে শুরু করতো আর সারাদিন ধইরা চলতো।
আমি কিছু ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরি করতেছিলাম যখন বি আর ডেমিয়েন আমার দরজায় নক করলো দেখার লাইগা যে আমি লাঞ্চে যাওয়ার লাইগা রেডি আছি কিনা। একটা নেভি-ব্লু ডিয়র-এ ডেমিয়েনরে সুন্দর দেখাইতেছিল। যখন আপনি ওরে বাইরে যাওয়ার লাইগা কইবেন আপনি আগে থিকা জানতেই পারবেন না ওরে লাখটাকার দেখাইবো নাকি দুইপয়সার। আর শে যেমনে ঠিক করে তারে কিরকম দেখাইবো সেইটার সাথে শে কই যাইতেছে তার কোন মিল নাই – শে একটা রক কনসার্টের লাইগা একটা ভ্যালেনটিনো পড়তে পারে আর একটা হ্যালিসটোন পার্টির লাইগা জিন্স। ইন ফ্যাক্ট, শে দুইটার লাইগাই সম্ভবত এই জিনিসই পড়তে পারে।
যখন তারা বিকট আওয়াজ শুনতে পাইলো, ডেমিয়েন আর বি দুইজনেই হাত দিয়া কান চাপা দিলো। “আমি রেসিংয়ের কথা ভাবতেছিলাম” বি কইতেছিলো, যখন বিশটা ছোট গাড়ির ইঞ্জিন আওয়াজ কইরা উঠলো। “যে কোন সময় গাড়িগুলা উইঠা আসতে পারে।”
“আমার মনেহয় এরা দেখে যে কে কার চাইতে বেশি আওয়াজ করতে পারে,” আমি কইলাম।
“আপনার কি মনেহয় ড্রাইভারগুলা মরতে চায়?”
আমি কইলাম, “আমার জাস্ট মনেহয় ওরা একটা বড় ঝাটকা দিতে চায়। ধরেন আন্দ্রে ‘হুইপস’ ফিডম্যান যখন জানালা দিয়া লাফ দিছিলো আর শে কইছিলো যে ‘বড় একটাকিছু’র লাইগা যাইতেছি: বেহেশতে।’ আমার মনেহয় না ওরা মরা’র কথা ভাবে – এইটা একটা বড় ধরণের আইডিয়াটাই।”
“তাইলে ওরা মুভি স্টার হওয়ার ট্রাই করে না কেন?”
“এইটা একটা মেন্দা-মারা ব্যাপার হইবো।” আমি ব্যাখ্যা করলাম, “কারণ সব মুভি স্টাররা রেস-কারের ড্রাইভার হওয়ার ট্রাই করে। আর তাছাড়া, সব নতুন মুভি স্টাররা হইলো গিয়া খেলাধূলার লোক – তারা আসলেই সুন্দর-চেহারার লোকজন, একসাইটিং লোকজন – আর তারা সবচে বেশি টাকা কামাইতেছে।”
যখন গাড়িগুলা শহরের আরেকদিকে চইলা গেলো আওয়াজটা কইমা গেলো। এখন শব্দটা অ্যাপলোর লিফট অফ হওয়ার চাইতে বরং অনেকটা একটা ৭০৭ এর মতো। এক মিনিটের লাইগা আমি এই তুলনামূলক নিরবতাটা উপভোগ করতে চাইলাম, কারণ পরের মিনিটেই ওরা ব্যাক করবে – এইরকম একটা টাইমই লাগে কোর্সটা শেষ করতে। বি মনে করতে পারলো যে তার একটা ফোন কল করা দরকার আর সে তার রুমে ফেরত গেলো কথা বলার লাইগা, যেইখানে আওয়াজটা কম।
ডেমিয়েন আর আমি রুমটাতে একলা এখন আর যদি আমার বউও এইখানে না থাকতো আমি প্যানিকড হয়া যাইতাম। আমি সাধারণত প্যানিকড হয়া যাই যখন আমি লোকজনের সাথে একলা থাকি – মানে, একজন বি ছাড়া – যতক্ষণ না আমি আমার বউরে পাই।
হাঁইটা জানালার ধারে গেলো ডেমিয়েন আর বাইরে তাকাইলো। “আমার ধারণা, কোন একটা ক্ষেত্রে বিখ্যাত হইতে হইলে আপনারে প্রচুর রিস্ক নিতে হয়” শে কইলো, আর তারপর, ঘুইরা শে আমার দিকে তাকাইলো, শে যোগ করলো: “উদাহারণ হিসাবে, একজন আর্টিস্ট হইতে হইলে।”
আরো সিরিয়াস হইতে থাকতেছিলো শে, কিন্তু এইটা জাস্ট একটা বাজে মুভির মতো আছিলো। বাজে মুভিগুলা আমি পছন্দ করি। আমি মনে করতে পারতেছিলাম কেন আমি সবসময় ডেমিয়েনরে পছন্দ করতাম।
আমার প্যান অ্যাম ফ্লাইটের ব্যাগ থিকা বাইর হয়া আসা গিফট-র্যাপার দিয়া মুড়ানো সালামি’র দিকে আমি দেখতেছিলাম আর কইলাম, “যে কোন সময় আপনি একটা সালামির স্লাইস কাটেন, আপনি একটা রিস্ক নেন।”
“না, আমি মিন করতেছি একজন আর্টিস্টের লাইগা – ”
“একজন আর্টিস্ট!” আমি ইন্টারাপ্ট করলাম। “আপনি কি মিন করেন, একজন ‘আর্টিস্ট’? একজন আর্টিস্ট একটা সালামিও কাটতে পারে! লোকজন কেন মনে করে আর্টিস্টরা স্পেশাল? এইটা জাস্ট আরেকটা কাজ।” Continue reading →