Main menu

English Translation of Bangla Poems

This entry is part 2 of 3 in the series English Translation of Bangla Poems

[pullquote][AWD_comments] [/pullquote]The intention is to represent Bangla poems in English but this is very partial; the translator has chosen the poets and poems, we just pick the living poets up. Therefore, these poems are not the sole representation of Bangla poetry, but obviously are few examples. The thing is not that to be translated in another language, poems have to be very important in the original language; the idea of the importance as well as the purpose of the translation can vary widely; but above all, we can’t deny that the selection itself imposes some sort of importance on the text. By publishing these translations of Bangla poems we just desire to spread the possibility to influence the poetry of other languages.

——————————————————

Ashim Kumar Das

Lullaby

(for S.A.G.)

Angel-child,
Sleep now
On the Mississippi’s distant bank,
May Lethe waters cleanse
Your baffled retina
With astral time.

Oneday all this Keya flowers
Will become
Wings-of-ducks like mirages
In the Saharan deserts,
Will become sand in that vast solitude
Void of light of life.

Do you not know the storm
Will die down one day
After a long spell of rain?
In dawn’s sun-drenched core
When the skies are in full bloom,
They will hardly remember
Those century-old loves and follies,
Those blindening nights
And those death-stricken torments in the woods.

Angel-child,
You sleep the Pethidine-sleep
On the alighted wings of birds in flight,
In your slumbering eyes, indomitable veins
May the vanquished darkness become
Foam on the tides of light.

Continue reading

English Translation of Bangla Poems

This entry is part 1 of 3 in the series English Translation of Bangla Poems

[pullquote][AWD_comments] [/pullquote]The intention is to represent Bangla poems in English but this is very partial; the translator has chosen the poets and poems, we just pick the living poets up. Therefore, these poems are not the sole representation of Bangla poetry, but obviously are few examples. The thing is not that to be translated in another language, poems have to be very important in the original language; the idea of the importance as well as the purpose of the translation can vary widely; but above all, we can’t deny that the selection itself imposes some sort of importance on the text. By publishing these translations of Bangla poems we just desire to spread the possibility to influence the poetry of other languages.

——————————————–

 

Kajal Shaahnewaz

One day Pineapple

There was no one but pineapples in the field
I slid inside
and quietly became one of them
with the desire to see more with many more eyes.
Many a grief myriad possibilities
I see the mid morning sun boiling on one side
wind blowing with pollen
Sal forest on one side. A noise on the other, a whistling gasp, who knows of what.
When free anguish became creative
it was surely a fusion manifold
that formed such a colossal alienation
My polyvision could only show me a singularity.
Even with many eyes, I really only have one, I reckoned
With many sensations, the soul is solitary.
I saw, top and bottom don’t match up.
Far is incomparable with near.
Night and day are distinct.
If you probe like a pineapple with many an eye
you can trace parallel thoughts.
you can groove many perceptions. Many things can be seen.

 

Rifat Choudhury

Woman

A woman in green sari
is hanging another one of her green saris
on the clothes line.

 

Written beneath a Sheikh Mujib photo

A picture on the wall.
An aged man.
Open eyes, radiant in charisma.
This dead man’s living descendants have gathered beneath the picture
All of them have their eyes shut.

 

Hope

Discolored dusty battered and old
Few rickshaws
parked in a row at a deserted spot.
Begum Khaled Zia’s face painted on the back of one.
Leather seat is ripped
You can see the springs coming out
The rickshaw puller sits lazy
on it.
Two wheels are bent. Continue reading

কিছু কালচারাল উইপন মিউজিয়ামে রাখতে চাই আমি

বাংলাদেশের সমাজ-রাজনীতি-পপুলার ডিসকোর্সে সিনেমার ইন্টারভেনশন বুঝতে জহির রায়হানের ‘জীবন থেকে নেয়া’ ভালো এক্সাম্পল। জাতীয় গান, পাকিস্তানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, পড়ালেখার বাইরে স্টুডেন্টদের রাজনৈতিক দায়িত্ব মনে করাইয়া দেওয়া, গণলিপ্সু রাজনীতি প্রমোট করা, সুইসাইড ফ্রিডম ফাইটার হইতে ফুসলানো–কয়েকভাবেই এই মুভি ইন্টারভেন করতে পারছিলো মুক্তির সময়কালের পাকিস্তানে বা একটু পরের বাংলাদেশের ফ্রিডম ফাইটে। পরে এরশাদবিরোধী আন্দোলনেও; সামরিক জিয়ার শাসনের টাইমে এই মুভি বিশেষ কোন ভূমিকা রাখতে পারে নাই–সেই পিরিয়ডে পলিটিক্যাল মুভমেন্ট বিশেষ নাই; ফারাক্কার দিকে ভাসানির লং ড্রাইভ আখেরে বিএনপি’র রাজনীতিরেই সার্ভ করে। ওদিকে, জামাত/মুসলিম লীগ/বামদের টাইট রাখতে আওয়ামী লীগরে সংগঠিত হইতে দেন জিয়া, পরে হাসিনারে আনেন, সো সামরিক জিয়ার প্রতি আওয়ামী লীগ মে বি উল্টা গ্রেটফুল আছিল রিভাইভালের জন্য, মুভমেন্ট কেমনে করবে!

তো, ‘জীবন থেকে নেয়া’ পাওয়াফুল মুভি আছিল, মে বি এখনো। যদি খোঁজেন, কেমনে পাওয়ারফুল এইটা, কী কী পাই আমরা?

লৌহমানব আইউব খানরে মাইয়া বানাইয়া এই মুভি আইউববিরোধীদের মনোবল বাড়ায়; আইউবরে মাইয়া ভাবা গেলে জেতার কনফিডেন্স পাওয়া যায়; সমাজে মাইয়াদের দুর্বলতা তো এক জানা ব্যাপার। শত্রুরে লইয়া ফান-মেকিং ভয় কমায়; কোন পোলার ভিতর মাইয়া দেখানো গেলে ফান-মেকিং হয় এই সমাজে, এইটা একই লগে আবার মাইয়াবিরোধী হেট-ক্যাম্পেইনও। বাংলাদেশের গড় মাইয়াদের চাইতে খাটো রওশন জামিলের মাপে আইউব-ইয়াহিয়ারে ভাবা গেলে সুবিধা হয়, তায় মাইয়া; আর আমগো নেতা ছয়ফুট পোলা, আমরা তো জিতবোই!

আইউবের পইড়া যাওয়া তাইলে মাইয়ার বিপক্ষে পোলার জয়, এবং তাইতো হবার কথা। পোলারা হারে না, হারি নাই আমরাও–আমরা পোলা। পরে বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাস মাইয়া আইউবের পড়ায় বাংলা পোলাগো বাইরে আর কাউরে জায়গা দেয় নাই, তাতে বাংলার পোলাহুডের আরো পাওয়ারফুল ইমেজ কনফার্ম হইলো। এই ইতিহাসে যদি পশ্চিম পাকিস্তানে ভুট্টোর আইউববিরোধী মুভমেন্ট ঠিকঠাক লেখা হয় তাইলে প্রোবলেম; ১৯৬৭ সালে পয়দা হওয়া ভুট্টোর পিপলস্ পার্টি ৭০ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগরে খেদাইয়া দিলো পশ্চিম পাকিস্তান থেকে–জন্মের ৩ বছরের মাথায় ভুট্টোর পার্টির এই বিজয় তখন পূব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগের বিজয়ের চাইতে এ্যশটোনিশিং লাগবে; আমাদের জাতীয় পোলাহুডের জন্য দরকার হইলো, কেবল আমাদের গণ-অভ্যুত্থান দিয়াই মাইয়া আইউবরে ফালানো, ভুট্টোরে ভাগ দিমু না। Continue reading

গদ্য কবিতা – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

মনু যখন আমারে বঙ্কিমের এই গদ্য কবিতাগুলার কথা বললেন তখন আমিও চমকাইলাম; ‘ও’ লিখার মানে হইলো যে, আরো অনেকেই চমকাইবেন বইলা আমার ধারণা। এখন পর্যন্ত বাংলা কবিতার হিস্ট্রি যেইভাবে আছে, সেইখানে প্রথম আধুনিক গদ্য কবিতা লিখেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অথচ উনি এই কাম করার অনেক আগেই বঙ্কিম গদ্য কবিতা লিখছেন, আর পঁচিশ-ত্রিশ বছর আগে (এরচে কম টাইম গ্যাপ হওয়ার কথা না) বই ছাপানোর সময় জিনিসটা নিয়া স্পষ্টভাবে বইলা গেছেন।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

তারপরও উনার গদ্য কবিতা এবং গদ্য কবিতা বিষয়ে উনার কথাগুলারে যে ইগনোর করা যাইতেছে, এর একটা কারণ হইলো কবি না হয়া আপনি কখনোই কবিতা লিখতে পারেন না; ফার্স্টে কবি হওয়াটা জরুরি। কবি কেমনে হইবেন? দুয়েকটা কবিতা তো ধরেন লিখলেনই, এইটা সবাই-ই লেখে, সবাই বলতে যারা কলেজ-ভার্সিটিতে পড়াশোনা করছেন। কবিতা লেখাটাই কবি হওয়ার ঘটনা না। তাইলে বঙ্কিম’রে নিতে কোন সমস্যা হইতো না। সমস্যাটা হইলো যে, উনি তো কবি না! 

কবি হইলো এমন একটা অথরিটি যিনি কবিতা লেখার বাইরেও সার্টেন নলেজ অ্যাচিভ করছেন থ্রু উনার লাইফ-স্টাইল এবং উনি যা বলেন সেই বলাটা এক ধরণের ইনটিউটিভ নলেজ হিসাবে রেসপেক্ট করা যায়, করতে পারেন উনার ভক্ত বা অ্যাডমায়ারার যারা। এইভাবে কবি একটা সোশ্যাল আইডেন্টিটি হিসাবে অ্যাক্ট করেন। আপনি একজন এন্টারপ্রেনার, সাংবাদিক, ব্যাংকের ম্যানেজার, আইটি কনসালটেন্ট, ইউনিভার্সিটি বা কলেজের টিচার – এইরকম পেশায় থাকতেই পারেন, আবার একইসাথে কবিও হইতে পারেন; কিন্তু গল্প-লেখক, নভেল-রাইটার, কলামিস্ট, অনুবাদক হওয়ার সাথে সাথে যদি কবি না হইতে পারেন, তাইলে আপনার কবিতা নিয়া যে কোন আলাপরেই পাত্তা দেয়ার কিছু নাই। বঙ্কিমের গদ্য কবিতা নিয়া এই জিনিস ঘটছে।

এই অ্যাটিটুড কতোটা ঠিক বা ভুল তার চাইতে বড় জিনিস হইলো এইটা এগজিস্টিং রিয়ালিটি। আর এই রিয়ালিটি’র সেন্টার পয়েন্ট খালি ‘মানুষ’ না, বরং মানুষ হিসাবে একটা আইডেন্টিটিরে অ্যাচিভ করা; যে এই এই জিনিস না থাকলে আপনি ‘মানুষ’ না এবং একইভাবে এই এই জিনিস না থাকলে আপনি ‘কবি’ না; যেই কারণে মানবতা বলেন আর কবিতা-ই বলেন খুবই লিমিটেড একটা এরিয়ার ভিতর ফাংশন করতে থাকে। আর এই লিমিটগুলা এমনভাবে এমবেডেড যে, বলাও লাগে না।

এখন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়’রে কবি বইলা মাইনা নিলে এইসব ঝামেলা হওয়ার কথা না। জাস্ট ভাবতেছিলাম, উনারে কবি না মাইনাও উনার গদ্য কবিতা’রে নেয়াটা পসিবল কিনা?

কবিতাগুলি ‘কবিতাপুস্তক’ বই থিকা নেয়া হইছে। বইটার প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৮৭৮ সালে। প্রথমে বিজ্ঞাপনের লেখা ও পরে কবিতা তিনটা রাখা হইলো।

ই. হা.


____________________________

 

বিজ্ঞাপন

যে কয়টি ক্ষুদ্র কবিতা, এই কবিতাপুস্তকে সন্নিবেশিত হইল, প্রায় সকল গুলিই বঙ্গদর্শনে প্রকাশিত হইয়াছিল। একটি – “জলে ফুল” ভ্রমরে প্রকাশিত হয়। বাল্যরচনা দুইটি কবিতা, বাল্যকালেই পুস্তকাকারে প্রচারিত হইয়াছিল।

বাঙ্গালা সাহিত্যের আর যে কিছু অভাব থাকুক, গীতিকাব্যরে অভাব নাই। বিদ্যাপতির সময় হইতে আজি পর্য্যন্ত, বাঙ্গালি কবিরা গীতকাব্যের বৃষ্টি করিয়া আসিতেছেন। এমনস্থলে, এই কয় খানি সামান্য গীতিকাব্য পুনর্মুদ্রিত করিয়া বোধ হয় জনসাধারণের কেবল বিরক্তিই জন্মাইতেছি। এ মহাসমুদ্র শিশিরবিন্দুনিষেকের প্রয়োজন ছিল না। আমারও ইচ্ছা ছিল না। ইচ্ছা ছিল না বলিয়াই এত দিন এ সকল পুনর্মুদ্রিত করি নাই।

তবে কেন এখন এ দুষ্কর্মে প্রবৃত্ত হইলাম? একদা বঙ্গদর্শন আপিসে এক পত্র আসিল – তাহাতে কোন মহাত্মা লিখিতেছেন যে, বঙ্গদর্শনে যে সকল কবিতা প্রকাশ হইয়াছিল, তাহার মধ্যে কতকগুলি পুনর্মুদ্রিত হয় নাই। তিনি সেই সকল পুনর্মুদ্রিত করিতে চাহেন। অন্যে মনে করিবেন, যে রহস্য মন্দ নহে। আমি ভাবিলাম, এই বেলা আপনার পথ দেখা ভাল, নহিলে কোন দিন কাহার হাতে মারা পড়িব। সেই জন্য পাঠককে এ যন্ত্রণা দিলাম। বিশেষ, যাহা প্রচারিত হইয়াছে, ভাল হউক মন্দ হউক, তাহার পুনঃপ্রচারে নূতন পাপ কিছুই নাই। অনেক প্রকার রচনা সাধারণসমীপস্থ করিয়া আমি অনেক অপরাধে অপরাধী হইয়াছি; শত অপরাধের যদি মার্জ্জনা হইয়া থাকে তবে আর একটি অপরাধেরও মার্জ্জনা হইতে পারে।

কবিতাপুস্তকের ভিতর তিনটা গদ্য প্রবন্ধ সন্নিবেশিত হইয়াছে। কেন হইল, আমাকে জিজ্ঞাসা করিলে আমি ভাল করিয়া বুঝাইতে পারিব না। তবে, এক্ষণে যে রীতি প্রচলিত আছে, যে কবিতা পদ্যেই লিখিতে হইবে, তাহা সঙ্গত কি না, আমার সন্দেহ আছে। ভরসা করি অনেকেই জানেন যে কেবল পদ্যই কবিতা নহে। আমার বিশ্বাস আছে, যে অনেক স্থানে পদ্যের অপেক্ষা গদ্য কবিতার উপযোগী। বিষয় বিশেষে পদ্য, কবিতার উপযোগী হইতে পারে, কিন্তু অনেকস্থানে গদ্যের ব্যবহারই ভাল। যে স্থানে ভাষা ভাবের গৌরবে আপনা আপনি ছন্দে বিন্যস্থ হইতে চাহে, কেবল সেই স্থানেই পদ্য ব্যবহার্য্য। নহিলে কেবল কবিনাম কিনিবার জন্য ছন্দ মিলাইত বসা এক প্রকার সং সাজিতে বসা। কবিতার গদ্যের উপযোগিতার উদাহারণ স্বরূপ তিনটি গদ্য কবিতা এই পুস্তকে সন্নিবেশিত করিলাম। অনেকে বলিবেন, এই গদ্যে কোন কবিত্ব নাই – ইহা কবিতাই নহে। সে কথায় আমার আপত্তি নাই। আমার উত্তর যে এই গদ্য যেরূপ কবিত্বশূন্য আমার পদ্যও তদ্রূপ। অতএব তুলনায় কোন ব্যাঘাত হইবে না। Continue reading

মহসেন এমাদির লগে আলাপ/ পেরসিস করিম

পলিটিক্যালি প্রো-ইরানিয়ান বা অ্যান্টি-ইরানিয়ান অ্যাটিটুড’রে আপহোল্ড করা অথবা বর্তমান দুনিয়ার কবিতার হাল-হকিকত ইনফর্ম করার ইচ্ছা থিকা এই অনুবাদ বাছাই করা হয় নাই। অনুবাদ তো আসলে অনেক রকমের; কিন্তু সেই নানান রকমগুলা বাংলা-ভাষায় খুববেশি ভিজিবল বইলা মনেহয় না; ইংরেজী, স্প্যানিশ, ফরাসী, উর্দু, হিন্দি – যে কোন ভাষার অনুবাদের টোন একইরকম ভাব-এ কানে বাজতে থাকে। এই অনুবাদ মে বি সেই ডিফরেন্সের জায়গাটারে হাইলাইট করতে পারে কিছুটা। এটলিস্ট খাঁটি বাংলা-ভাষা হওয়ার টেনশনটা এইখানে কম।

ইরাণ দেশে জন্ম লওয়া কবি মহসেন এমাদি (عمادی محسن‎)। ১৯৭৬য়ে জন্ম। কবি আর তর্জমাকার। ইন্টারভিউ’টা নেয়া হইছিল ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে। টেক্সটা ইংরেজি থিকা অনুবাদ করা হইছে বাংলায়।

———————————————————-

পেরসিস করিম: আসলে কি কারনে ইরাণ ত্যাগ করলা খোলাশা করে বলবা? কয়েদ হয়ে যেতে পারার পেরেশানিতে কি ছিলা? তুমিতো ২০০৯য়ে ইরাণ ছাড়ছো। তয় লীন কফিন, ঐ যে তোমার কেতাবের তর্জমাকার আছিলো যে, উনার লগে আলাপে তুমি তো ঝাইড়া কাশো নাই। খোলাশা করে কিছু বলো নাই। এইবার সাফসাফ কিছু জানাও তো…

মহসেন এমাদি: ইরাণ ছাড়তে বাধ্য হমু কিনা এই বিষয়ে শিওর আছিলাম না। বচ্ছরের উপরে হয় যে আমি সরকাররে নানানভাবে মোকাবিলা কইরা আসতেছিলাম। দেশের ভিতর থাইকাই আমি আমার মোকাবিলা জারি রাখতেছিলাম। ইসায়ী ১৯৯৯’র ছাত্র আন্দোলন ধরা খাওয়ার পর পরই আমার বহুত দোস্ত-বন্ধু ইরাণ ছাইড়া পলায়। টুকটাক ধমকি-ধামকি তো আমি নিজেও পায়া আসতেছিলামই। যেমন কিনা ধরো, ২০০৭-০৮য়ে ইরানের বাইরে যেই সব বাত-চিত করছি ঐটা লয়া কৈফিয়ত তলব করছিলো। আমার বাসা-বাড়িতে তল্লাশি চালাইছে। আরো কত কি… কাহাতক্ বলা যায়! তয় ঐ সময় সরকারের গাউস-কুতুবরা এত্ত সিরিয়াস আছিলেন না। শরিফ ভার্সিটিতে পড়ি। টগবগা তরুন ছাত্র আমি, যে কিনা রাজনীতি আর সাহিত্যের ময়দান দাপায় বেড়াইতেছে। কয়েক মাসের জেল? থু:। পানিভাত। তয়, যেই বিষয়টা আমারে ইরাণ ছাইড়া যাইতে সত্যিই বাধ্য করছিলো তা হলো, ইরাণ যে ছাড়েখারে যাইতেছে সেই অনুভব। একটা দেশ যার কোনো নীতি নাই, নৈতিকতা নাই, আশা নাই, প্রতারক-হারামিরাই যেই দেশের ঝান্ডা ধইরা আছে, যেইখানে কিনা সার্বজনিন পরিবেশে কাজকামের চিন্তা তামাশা মাত্র, যেই রাষ্ট্র সাহিত্যিক মাফিয়াতে টইটুম্বুর, রাষ্ট্রের সমস্ত এলাকায় সরকারী হারামখোর আর আকামাদের ভীড়, কি পারসোনাল- কি পাবলিক- সব জায়গায়ই। এই কিছিমের তামশার বর্ণনা তুমি পাইবা হার্বাট-মিলোজের হিজরতে। ২০০৯য়ের দুই মাস আমি সবুজ আন্দোলনের সবগুলা মিছিলে সামিল হই। সেইখানে নিজেই দেখি যে রাস্তার আন্দোলন ঠেকাইতে সরকার কি পরিমান নির্মম হইতে পারে। খুন-জখম-বুলেট আর টিয়ারগ্যাসের দুনিয়া। আমি আগেই জানতাম যে, সরকার জনতার চাহিদা, ইচ্ছার দিকে মাথা ঝুঁকাইবো না। তো, কি আর করা। ফিরা যাবার একটুকরা ছোট্ট খোয়াব কলবে নিয়া ইরাণ ছাইড়া আসি। তয়, ঐ খোয়াব খোয়াবই থাইকা যাবে, জানি আমি। কারণ ইরানে থাকা আমার কতক জানের জান দোস্ত-বন্ধুরে খুনের পর থিকা আমি আরো র‌্যাডিক্যাল চাবুক পিটাইন্না পজিশন লই- আমার লেখায়, আমার কথায় আর সাক্ষাতকারে। Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →