Main menu

পাবলিক তর্ক: “কানার হাটবাজার” বইয়ের প্রোগ্রাম নিয়া

যুক্তি আর তর্ক এক জিনিস না। তর্কে যুক্তি যে থাকে না – তা না; যুক্তিটা যুক্তি হইছে কিনা, কেমনে সেইটা যুক্তি হইছে বা হয় নাই, রিলিভেন্ট না ইরিলিভেন্ট – সেই বিচারটাই থাকে; এতো সাবজেক্টিভ সেই বিচার যে এমন একটা মোমেন্ট আসে যখন রেটরিক ছাড়া আর কোনকিছুতে ভরসাও করা যায় না। পাবলিক তর্কে একটা অডিয়েন্সও থাকেন যাদের সামনে পারফর্ম করা লাগে। ব্যাপারটা তখন আর যুক্তির জায়গাটাতে স্ট্যান্ড করে না, কোনভাবেই।  [pullquote][AWD_comments][/pullquote]

তাই বইলা তর্ক’রে বাতিল কইরা দিতে রাজি না আমরা। একটা ইস্যুতে তর্ক করতে গিয়া যেই যেই জিনিস আইসা জড়ো হয়, সেইটা দিয়া ওই সময়ের প্রায়োরিটিগুলারে লোকেট করার একটা ব্যাপার থাকে। ২০১১ সালের ৬ই মে সুমন রহমানের “কানার হাটবাজার” বইটার পাবলিকেশনের একটা প্রোগ্রাম হয় ঢাকা ইউনির্ভাসিটির আর সি মজুমদার হলে। পরে প্রোগ্রামের একটা ঘটনা নিয়া সুমন রহমান ফেসবুকে একটা নোট লিখেন, তখন তর্কটার শুরু করেন মাহাবুব মোর্শেদ, আরো অনেকেই আইসা বাহাসটাতে কন্ট্রিবিউট করতে থাকেন। ব্যাপারটা তখন ঠিক বইটা নিয়া আলাপ না আর, বরং ভার্চুয়াল রিলেশনগুলিরে, মিল-অমিলের জায়গাগুলিরে, বলা আর না-বলাগুলিরে আমরা কেমনে ডিল করবো সেই জায়গাটা তক গিয়া পৌঁছায়।

তর্কটারে একটা ইউনিফর্মিটি দেয়ার  জায়গা থিকা সবার নোট আর কমেন্ট রাখি নাই আমরা। তবে রিলিভেন্ট লিংকগুলি দেয়া আছে। কিছু লিংক এখন মনেহয় আর কাজ করে না, সেইক্ষেত্রে আসলে করার কিছু নাই। সুমন রহমান এবং মাহবুব মোর্শেদ’রে থ্যাংকস উনাদের নোটগুলি রাখার অনুমতি দেয়ার লাইগা। কমেন্টারদের কাছ থিকা অনুমতি নেয়া হয় নাই, কারো চোখে পড়লে, কোন আপত্তি থাকলে জানাইয়েন। এইখানে অনুমতি নিয়া একটা গ্রে এরিয়া থাকলেও আমরা মিউচুয়ালি ডিসিশান নিতে আগ্রহী।

– ই.হা.

 

———————————————————————-

 

মে ১০, ২০১১

সুমন রহমান

“কানার হাটবাজার” নিয়ে সলিমুল্লাহ খানের আলোচনার প্রেক্ষিতে

 

গত ৬ মে আর সি মিলনায়তনে আমার বই “কানার হাটবাজার” নিয়ে এক প্রাণবন্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তাগণ এই বইয়ের নানান দিক নিয়ে তাঁদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন। বেশ কিছু সমালোচনা হাজির হয়েছে অনুষ্ঠানে, যার দুয়েকটি সম্পর্কে আমার কিছু বলা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। এই কিস্তিতে সলিমুল্লাহ খানের কিছু সমালোচনার ব্যাপারে আমার বক্তব্য:

Continue reading

ভালো লাগার গ্রামার

মেঘনাথ বধ-এর রেফারেন্সেই মনে হইলো, ‘মূল’ সাহিত্য বইলা একটা জিনিস আছে যেইখানে কালা’রা হিরো না কখনোই। যেমন, আদর কইরা কিছু কবিতারে যে ‘অ্যান্টি-কবিতা’ বলা যায় ওইটা ‘কবিতা’ (তখন মূল বা আসল বা অরিজিনাল বলা লাগে না) বইলা একটা কিছু’রে বাঁচায়া রাখার চাতুরি-ই মেইনলি। বা ধরেন কমন একটা ভাষা যেইটা সোসাইটিতে এগজিস্ট করে সেইটারে ‘মুখের ভাষা’ বইলা ট্যাগ করার যে দরকার পড়ে সেইখানেই টের পাওয়া যায় যে, ‘লেখার ভাষা’ ডিফরেন্ট কিছু। 🙂

ধরেন অনেকে বলছেনও যে, এইসব ‘মুখের ভাষা’ ক্রিয়েটিভ রাইটিংয়ে ইউজ কইরেন, কিন্তু ‘প্রবন্ধ’ (আজিব এক শব্দ) লেখা যাবে না! বা নাটকের ডায়ালগ ‘আঞ্চলিক ভাষায়’ হইতে পারে, কিন্তু ন্যারেটিভ ‘লেখার ভাষা’ হওয়া লাগবে।… এইসব আজাইরা কথা আছে। মানে, ব্যাপারটা কখনোই বাতিল করার না, বরং কি কি ভাবে আপনি মাইনা নিতে রাজি হইতেছেন, সেই জায়গাগুলিরে খোলাসা করতে পারাটা দরকারি। [pullquote][AWD_comments][/pullquote]

রেয়ার জিনিসই সুন্দর আমাদের কাছে, দূরের জিনিসই ভালো! যেই জিনিস কম মানুষ বুঝে সেইটা বেটার আর্ট! কমন মানে হইতেছে কমদামি। এই এসথেটিক্যাল পজিশনটারে যদ্দিন আমরা সাবস্ক্রাইব কইরা যাবো আর্ট-কালচার একটা ‘ক্লাস সুপিরিয়রিটি’র বাইরে খুব বেশি কোন স্পেইসরে ওপেন করতে পারার কথা না।

ই. হা.

————————————

বাংলাদেশে বনেদি ফেমিলির ফিচারগুলা কেমন? বনেদি ফেমিলির চেহারা-সুরত কেমন হয়, আমাদের পোলামাইয়ার কেমন চেহারা-সুরত চাই আমরা?

গড়ে দেশের মানুষ ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। গায়ের রঙ গড়ে শ্যামলা। নাক গড়ে আধা-বোঁচা। চুলে কোকড়া ভাব আছে একটু। কিন্তু নিজেদের খোয়াবে আমাদের যেমন পোলামাইয়া দেখি তারা ৬ ফুটের মতো লম্বা, গায়ের রঙ দুধে-আলতা (আমার হিসাবে সেন্ট্রাল এশিয়া, মানে উজবেকিস্তান-তুর্কমেনিস্তানের গড় গায়ের রঙ।), খাড়া নাক, সোজা সিল্কি চুল। কাপড়ের নিচে না গেলাম আর। আমাদের খোয়াব পুরা করতে বহু কসরত করি আমরা; র্ফসা-লম্বা বিয়া করতে চাই। ‘জাতের মাইয়া নাকি কালাও ভালো’–এমন মোলায়েম রেসিস্ট ভাবনা আলগাভাবে আছে একটা; তবে, এর ভিতরেই তো পাইতেছি, জাতের মাইয়া ফর্সা হইলে আরো ভালো। রঙ ফর্সা করার ক্রিম তাই বেশ চলে দেশে।

আমাদের বনেদির লগে টাকাপয়সার সম্পর্ক কম! র্ফসা-লম্বা-খাড়া নাকেই আমাদের বনেদিয়ানার আসল ঠিকানা। এইগুলা কই পাই আমরা? দেশের মোসলমানেরা নিজেদের কনভার্টেড মোসলমান ভাবতে আরাম পায় না; তাইলে বিংলাদেশের একজন বনেদি মোসলমান ফর্সা-লম্বা-খাড়া নাক কই পাইবেন? কনভার্টেড মোসলমান ভাবতে আরাম পাইলে না হয় ভাবতো যে, সে ব্রাহ্মণ/বামুন-ক্ষত্রিয়ের পোলা-মাইয়া! তাতে আরাম যেহেতু নাই, তাই দেশের সব বনেদি মোসলমান দাবি করা ফেমিলিই নিজেদের গোড়া দেখায় ইরান-তুরানে। আমাদের টপ পলিটিক্যাল লিডারদের মাঝেও তালাশ করতে পারেন ব্যাপারটা। জিয়া ছাড়া দেশে কালা লিডার পাইতেছেন কয়জন? ইরান-তুরান দাবি করা লিডার কত পার্সেন্ট? আমাদের দেশে নায়ক-নায়িকা হইতে কেমন চেহারা-সুরত লাগে? রাজ্জাক-ফারুক-আলমগীর-সাবানা-শবনম-ববিতা-মান্না-শাকিব খানরা পর্দায় যেমনে হাজির হয় তাতে ফর্সা-লম্বা-খাড়া নাক পাইতেছেন কিনা! কালা দুয়েকজন পাইবেন ভিলেন হিসাবে, সাদেক বাচ্চু থিকা কাবিলা। Continue reading

বাঙ্গালা ভাষা – গ্রাডুএট্ (হরপ্রসাদ শাস্ত্রী) [১৮৮১]

This entry is part 5 of 22 in the series লেখার ভাষা

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী’র এই লেখা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছাপাইছিলেন বঙ্গদর্শনে (৮ নাম্বার সংখ্যা, শ্রাবণ, প. ১৮৩ – ১৮৮; বাংলা ১২৮৮ সন, আনুমানিক খৃষ্ট সন ১৮৮১)। পরে হুমাযূন আজাদ উনার ‘বাঙলা ভাষা’ বইয়ের দ্বিতীয় খন্ডে (আগামী প্রকাশনী, ১৯৮৪, নতুন ভার্সন ২০০৯-এ) ‘ভাষা-পরিকল্পনা’ সেকশনে রি-প্রিণ্ট করছেন (পেইজ: ৩৬০ – ৩৬৪)। যেহেতু বঙ্গদর্শনে ‘গ্রাডু্‌এট্‌’ নামে ছাপানো হইছিলো, হুমায়ুন আজাদ লেখক পরিচয়ে লিখছেন যে, “লেখককে শনাক্ত করা যায় নি।” অথচ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী’র রচনাসংগ্রহ ২য় খন্ডে এই লেখা ইনক্লুডেড হইছে ১৯৮১ সালে। আমাদের চিন্তা’র হিস্ট্রি যে কতোটা আলগা এই একটা ঘটনা দিয়াই  বুঝা যাইতে পারে। [pullquote][AWD_comments][/pullquote]

এইখানে শাস্ত্রী সাহেবের আর্গুমেন্ট’টা হইতেছে, যেইটা এখনকার (মানে, তখনকারই) লিখিত বাংলা-ভাষা সেইটা সোসাইটির ভিতর থিকা আসে নাই, কলোনিয়াল আমলে সংস্কৃত কলেজ থিকা ইম্পোজড হইছে এই মাল। তার আগে লিখিত ফর্ম হিসাবে পদ্যই চালু আছিলো বাংলা-ভাষায়, কিন্তু তিন ধরণের গদ্য ডেইলি লাইফে ইউজ হইতো – একটা ছিল ভদ্রসমাজের (মুসলিম নবাব’রা – কাজী নজরুল ইসলাম যাদেরকে ভদ্রলোক বইলা হাসি-ঠাট্টা করছেন উনারা হইতেছেন এই ক্লাসটা, ইউরোপিয়ান মিডল-ক্লাস না) ভাষা, উর্দু শব্দ ইউজ করাটা একটা নবাবি ব্যাপার আছিলো, এখন আবার এই ট্রেন্ড চালু হইতেছে কিছুটা। সেকেন্ড হইলো যারা শাস্ত্র পড়তেন/পড়াইতেন (আমার ধারণা এইটা খুবই ছোট্ট একটা গ্রুপ ছিল), সংস্কৃত শব্দের ভান্ডার নিয়া থাকতেন; যেহেতু রেয়ার জিনিস হইতে পারলে আমাদের সেক্স-চিন্তা আর আর্টে ইর্ম্পটেন্স বাড়ে, এইরকম জায়গা থিকা উনারা্ বেশ এক্সোটিক ছিলেন বা হইতে পারছেন। কিন্তু মোস্টলি যোগাযোগের একটা ব্যাপার তো থাকেই সোসাইটির ভিতরে, নানান পেশার লোকজনের মিলতে হইতো, কথা কওয়া লাগতো, ওইখানে যেই বাংলা-ভাষা সেইখানে উর্দু-সংস্কৃত নানানরকমের শব্দের মিশানিটা থাকতো। কিন্তু শাস্ত্রী সাহেব কনক্লোশনে কোনদিকেই যান নাই, বরং এনার্কি’র প্রপোজাল দিছেন। যেহেতু কনফাইন্ড কোনকিছু নাই, যে কেউ যে কারো মতো লিখতে পারা’র অবস্থা থাকা দরকার। তো, এইটা উনার গ্রাজুয়েট (গ্রাডুএট্‌) হওয়ার প্রাউডই মে বি।

এমনিতে, গ্রামসি’র লেখা ব্রাউজ করলে পাওয়া যাবে সোসাইটিতে ডিফরেন্ট প্রফেশনের ভিতর থিকাই ইন্টেলেকচুয়ালিটির (সেইদিক দিয়া ভাষার) জিনিসটা গ্রো করে, অ্যাক্টিভ থাকে। এখন জিনিসগুলি কমপ্লিকেটেট হইছে আরো। ব্যাপারটা যতোটা না ইন্টার-অ্যাকাশন তার চাইতে ইন্টারভেনশনের জায়গাগুলিতে চইলা আসতেছে আরো।… তো, বাংলা-ভাষা নিয়া এই আলাপগুলি করতে গেলে হিস্ট্রিক্যাল কারণেই এই লেখাটার দরকার পড়তে পারে। এই সিরিজে এইজন্য জোড়া দেয়ার কথা ভাবলাম।

ই..হা.

 

————————————————————————–

 

বাঙ্গালা ভাষায় লিখিতে গেলে প্রথমতঃ রচনাপ্রণালী লইয়া বড়ই গোল বাঁধে। একদল, জনমেজয় যেমন সর্প দেখিলেই আহূতি দিতেন, সেইরূপ পারসী কথা দেখিলেই তাহাকে তাহার আহূতি দেন। আর একদল আছেন, তাঁহারা সংস্কৃত কথার প্রতি সেইরূপ সদয়। কেহ ভাষার মধ্যে সংস্কৃত ভিন্ন অন্য ভাষার কথা দেখিলেই চটিয়া উঠেন, প্রবন্ধের মধ্যে হাজার ভাল জিনিস থাকুক, আর পড়েন না। আবার কেহ আছেন যেই দেখিলেন, দুই পাঁচটি সংস্কৃত শব্দ ব্যবহার হইয়াছে, অমনি সে গ্রন্থ অপাঠ্য বলিয়া দূরে নিক্ষেপ করেন। এখন আমরা গরীব, দাঁড়াই কোথা? আমরা ইংরেজি পড়ি আমাদের অর্দ্ধেক ভাবনা ইংরেজিতে। আমরা কলম ধরিলেই ইংরেজি কথায় ইংরেজি ভাব আইসে। সংস্কৃত আমরা যা পড়ি, তাতে সে ভাব ব্যক্ত হয় না। বাঙ্গালার বিদ্যা বিদ্যাসাগরের সীতার বনবাস, আর বঙ্কিমবাবুর নবেল কয়খানি। তাতেও ত কুলায় না। নূতন কথা গড়ি এমন ক্ষমতাও নাই। তবে আমাদের কি হইবে। হয় কলম ছাড়িতে হয়, না হয় যেরূপে পারি মনের ভাব ব্যক্ত করিয়া দিতে হয়। নিজের কথায় নিজের ভাব আমি ব্যক্ত করিব, তাহাতে অন্যের কথা কহার স্বত্ব কতদুর আছে জানি না। কিন্তু, পূর্ব্বোক্ত দুই দলের লোক দুইদিক হইতে কুঠার লইয়া তাড়া করেন। সুতরাং এক এক সময়ে বোধ হয় “…তত্র মৌনং হি  শোভতে” কিন্তু আবার যখন অঙ্গুলিকন্ডুরন উপস্থিত হয়, তখন না লিখিয়াও থাকিতে পারি না। বিশেষ এই যে, যখন কর্তব্যবোধে কোন কার্জ্যে প্রবৃত্ত হওয়া যায়, তখন পাঁচজনের কথায় তাহা হইতে নিরস্ত হওয়া নিতান্ত কাপুরুষের কাজ। যে কোন ভাষাই হউক, যে কোন রচনাপ্রণালীতেই হউক, যদি দুটা ভাল কথা বলিতে পারি, পাঁচজনের তরে চুপ করিয়া থাকিব কেন?

তবে ভাল কথা বলিতে যদি মন্দ কথা বলি, তাহা হইলে পাঁচজনের গালাগালি দিবার বাস্তবিক অধিকার আছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে পুর্ব্বোক্ত দুই শ্রেনীর সমালোচকগণ কথাটা ভাল কি মন্দ সেদিকে লক্ষ্যও করেন না। নাই করুন, কথাটা ভাল করিয়া বলা হইয়াছে কি না, তাহাও দেখেন না। দেখেন কেবল লেখার মধ্যে বড় বড় সংস্কৃত কথা আছে কি পারসী ও ইংরেজি শব্দ আছে। মারামারি করেন কেবল তাহাই লইয়া। সুতরাং আমার মতো ক্ষুদ্র লেখকবর্গের সেই বিষয়েই দৃষ্টি রাখিয়া চলিতে হয়। তাহাতেও গোলযোগ। যখন দুই দল দুইদিক ধরিয়া টানাটানি করিতেছেন, তখন উভয়দলের মন রক্ষা করা অসম্ভব। অথচ যে দলের মনরক্ষা না হইবে, তিনিই কুঠার উত্তোলন করিয়া লেখকের প্রতি ধাবমান হইবেন। এ অবস্থায় লেখকবেচারা বিষম সমস্যায় পড়িয়া যায়। Continue reading

আমার কথা – বিনোদিনী দাসী। (লাস্ট পার্ট)

।। ।। ।। ।। ।। ।।

—————————————————————–

কথা বলতেছিলাম আমরা (আমি আর রক মনু) যে, বাঈজিরা কিভাবে নন-কলোনিয়ান ফেমিনিজমের সম্ভাবনা ছিলেন বা হইতে পারতেন। যার লাস্ট স্টেইজটা কিছুটা দেখা যায় বিনোদিনী দাসী’র টাইমে আইসা। কলোনিয়ান টাইম শুরু হওয়ার পরে বাঈজী শব্দটা বেশ্যা’র সিনোনেইমস হইতে পারছে। লখনৌ থিকা দিল্লী হয়া কলকাতা’তে হিজরত কইরা মরতে পারছে প্রি-কলোনিয়াল এই আর্ট কালচারগুলা। হিস্ট্রিতে ‘কলকাতা’ পিরিয়ড’টা সবচে মরবিড একটা টাইম হিসাবে আইডেন্টিফাইড হওয়ার কথা। যার একটা ইলিমেন্ট অবশ্যই সোসাইটিতে ইন্ডিপেন্ডেড উইমেনের জায়গাটারে আরো ন্যারো কইরা তোলা। ইউরোপের ভিক্টোরিয়ান এইজ রেপ্লিকেট হইছে কলকাতায়। শরীর বাজে জিনিস একটা। বাঈজীদের নাচা-গানাও মেইনলি শরীর বেচারই ধান্দা। এই যে ‘আল্টিমেট’রে বুইঝা ফেললাম আমরা, তখন অন্য সবকিছু হাওয়া হয়া গেলো। ওমরাওজান সিনেমাতে রেখা কবিতাই লিখতেছেন, তারপরও যতোটা না বাঈজী তার চাইতে বেশ্যাই। একটা সিঙ্গুলার সোসাইটিতে সিঙ্গুলার আইডেন্টিটি নিয়া থাকতে থাকাটাই ঘটনা। কেমনে আপনি টাকা রোজগার করেন সেইটাই হইতেছেন ‘আসল’ আপনি। এই থট প্রসেসে বিনোদিনীও সাবস্ক্রাইব করছেন আর বারবার মাফ চাইছেন যে, উনি তো ‘ভালো’ মেয়েমানুষ না।

মুশকিল হইলো, একটা ভালোর এগেনেস্টে একটা খারাপরেই আপহোল্ড করতে হইছে উনারে। উনার রিডার’রাও এই আক্ষেপে স্যাড হওয়ার বেশি কিছু করতে পারবেন বইলা মনেহয় না। কারণ কম বা বেশি আমরা এই চিন্তা-পদ্ধতিরই ভেড়া। ঘটনা এইটা না যে, বিনোদিনী দাসী কি পারছেন বা পারেন নাই, বরং উনার অ্যাক্টটারে উনি বা আমরা কিভাবে রিড করতেছি – সেইটাই ঘটনা। ট্রাজেডি এইটা না যে উনি কাছের মানুষদের দিয়া প্রতারিত হইছেন উনার প্রফেশনাল লাইফে, কিন্তু এখনো এই ট্রিকসটারে ‘বাস্তবতা’ বইলা মাইনা নিয়া উদাস হইতে রাজি থাকতে পারতেছি আমরা।

তো, বিনোদিনী দাসী’র এই টেক্সট উদাসীনতা আর বিষন্নতার বাইরে একটা অস্বস্তিরেও ইনসার্ট করতে পারে হয়তো। আমাদের উদ্দেশ্য এইটুক সিগনিফিকেন্সরেই ইনিশিয়ালি হাইলাইট করতে চাওয়া।

ই.হা.

——————————————————————

প্রথম খন্ডের শেষের দুটি কথা

এতদিনে আমার কর্ম্মতরু সম্পূর্ণরূপে ফলফুলে পূর্ণ হইয়া আমার অদৃষ্টাকাশে শাখা-প্রশাখা বিস্তার করিয়া ছাইয়া উঠিল। এইবার সব ঠিক!

কারণ কি তাহার কৈফিয়ত দিতেছি। অনেক দিবস হইল গিরিশচন্দ্র ঘোষ মহাশয়ের বিশেষ অনুরোধে আমার নাট্যজীবনী লিখিতে আরম্ভ করি; তিনি ইহার প্রতি ছত্র, প্রতি লাইন দেখিয়া শুনিয়া দেন; তিনি দেখিয়া ও বলিয়া দিতেন মাত্র, কিন্তু একছত্র কখন লিখিয়া দেন নাই। তাঁহার বিশ্বাস ছিল যে আমি সরলভাবে সাদা ভাষায় যাহা লিখি তাঁহার নিকট সেই সকল বড় ভালই বলিয়া মনে হয়।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

এইরূপে আমার জীবনী লিখিয়া আমার কথা” নাম দিয়া ছাপাইবার সঙ্কল্প করি। তিনিও এ বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগী হন। কিন্তু তিনি মধ্যে মধ্যে রোগ যাতনা ভোগ করিবার জন্য ও নানা ঝঞ্ঝাটে কতদিন চলিয়া যায়। পরে তাঁহার পরিচিত বাবু অবিনাশচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায় ছাপাইবার জন্য কল্পনা করেন। কিন্তু আমার কতক অসুবিধা বশত: হ্যাঁ-না , এইরূপ নানা করণে তখন হয় নাই। তাহার পর আমি মরণাপন্ন রোগগ্রস্থ হইয়া চারি মাস শয্যাগত হইয়া পড়িয়া থাকি;  আমার জীবনের কোন আশাই ছিল না; শত শত সহস্র অর্থ ব্যয় করিয়া, নানাবিধ চিকিৎসা শুশ্রূষা, দৈবকার্য্য করিয়া, প্রায় অনাহারে, অনিদ্রায় বহু অর্থ ব্যয়ে দেবতাস্বরূপ আমার আশ্রয়দাতা দয়াময় মহামহিমান্বিত মহাশয় আমায় মৃত্যুমুখ হইতে কাড়িয়া লইলেন। ডাক্তার, সন্ন্যাসী, ফকির, মোহস্ত, দৈবজ্ঞ, বন্ধু-বান্ধব সকলে একবাক্যে বলিয়াছিলেন যে, “মহাশয় শুধু আপনার ইচ্ছার জোরে (well force) ইনি জীবন পাইলেন।” সেই দয়াময় তাঁহার ধন-সম্পত্তি, তাঁহার মহজ্জীবন একদিকে; আর এই ক্ষুদ্র পাপীয়সীর কলঙ্কিত জীবন একদিকে করিয়া দারুণ ব্যাধির হস্ত হইতে আমায় রক্ষা করিলেন। আমি ব্যাধির যাতনায় বিগত নাড়ী হইয়া জ্ঞান হাড়াইলে, তিনি আমার মস্তকে হাত রাখিয়া স্নেহময় চক্ষুদুটী আমর চক্ষের উপর রাখিয়া, দৃঢ়ভাবে বলিতেন, “শুন, আমার দিকে চাহ; অমন করিতেছ কেন? তোমার কি বড় যাতনা হইতেছে? তুমি অবসন্ন হইও না! আমি জীবিত থাকিতে তোমায় কখন মরিতে দিব না। যদি তোমার আয়ু না থাকে তবে দেবতা সাক্ষী, ব্রাহ্মন সাক্ষী, তোমার এই মৃত্যুতুল্য দেহ সাক্ষী আমার অর্দ্ধেক পরমায়ু তোমায় দান করিতেছি, তুমি সুস্থ হও! আমি বাঁচিয়া থাকিতে তুমি কখনই মরিতে পাইবে না। ”

সেই সময় তাঁহার চক্ষু হইতে যেন অমৃতময় স্নেহপূর্ণ জ্যোতি: বাহির হইয়া আমার রোগক্লিষ্ট যাতনাময় দেহ অমৃতধারায় স্নাত করাইয়া শীতল করিয়া দিত। সমস্ত রোগ-যাতনা দূরে চলিয়া যাইত। তাঁহার স্নেহময় হস্ত আমার মস্তকের উপর যতক্ষণ থাকিত আমার রোগের সকল যাতনা দূরে যাইত।

এইরূপ প্রায় দুই-তিনবার হইয়াছিল; দুই-তিনবারই তাঁহারই হৃদয়ের দৃঢ়তায় মৃত্যু আমায় লইতে পারে নাই। এমন কি শুনিয়াছি অক্সিজেন গ্যাস দিয়া আমায় ১২/১৩ দিন রাখিয়াছিল। যাঁহারা সে সময় আমার ও তাঁহার বন্ধুবান্ধব ছিলেন, তাঁহারা এখনও সকলে বর্ত্তমান আছেন। সেই সময় মাননীয় বাবু অমৃতলাল বসু মহাশয়, উপেন্দ্রবাবু, কাশীবাবু প্রভৃতি প্রতিদিন উপস্থিত থাকিয়া আমায় যত্ন করিতেন; সকলেই এ কথা জানিত। Continue reading

রুমির আরো কয়েকটা কাহিনি

 

রুমির কাহিনিগুলি লেখা শুরু করছিলাম গতবছর (২০১৬-তে)। চিটাগাংয়ে ঘুরতে গিয়া ‘RUMI Selected Poems’ বইটা কিনছিলাম। Coleman Banks এর অনুবাদ করা [লগে John Moyne, A.J.Arberry আর Reynold Nicholson আছিলেন]। পেঙ্গুইন বুকস বইটা ছাপাইছিলো ১৯৯৯-এ, এর আগে হার্পার কলিন্স ছাপাইছিলো ১৯৯৫-এ। আমি পাইছি ২০০৪ এর রিপ্রিণ্ট ভার্সনটা। ইংলিশ অনুবাদে কাহিনিগুলি কবিতার ফরম্যাটে লেখা। কবিতা বলতে যেইরকম একটা অস্পষ্টতারে মিন করে সেইটারে এভয়েড করতে চাইছি আমি এইখানে। ফর্মটারে এতোটা প্রায়োরিটি দেয়ার কিছু আছে বইলা মনেহয় নাই।

এমনিতে কয়েকটা নিউজে দেখছি গত কয়েকবছর ধইরা রুমির কবিতা আম্রিকাতে বেস্টসেলার। অনেক মানুষ কিনেন, পড়েন। বাংলাদেশেও লালন, সুফীজম জিনিসগুলি পপুলার হওয়ার কারণে রুমির টেক্সটগুলি রিলিভেন্ট হয়া উঠার কথা। কিন্তু যেই জায়গা থিকা রুমি’রে সাবস্ক্রাইব করার প্রাকটিসটা আছে সেই জায়গাটাতে আমার কিছু অবজারভেশন আছে। পয়লা জিনিস হইলো, ফিলোসফিক্যাল বেইজটা। রুমির কবিতার ফিলোসফি’টা তো ঠিক বস্তুর বিচার না; বরং বস্তুগুলি, ঘটনাগুলি ইশারা খালি, বিচার হইতেছে ভাব-এর। তো, বস্তুর এই দুনিয়ায় ভাব-এর কথা শুনতে তো ভালোই লাগে। মানে, বস্তুর যে মনোটনি সেইটা থিকা টেম্পোরারি ওয়ে-আউটই একটা। ফিলোসফিক্যাল আলাপ ঠিকাছে, কিন্তু সিরিয়াসলি নেয়ার কিছু নাই। এইরকম। দুসরা হইলো, বলার জায়গাটা। কাহিনিগুলির অথেনসিটি নিয়া কোন পেরেশানি নাই। অনেক সময় র‌্যাশনাল প্রগেশনও মিসিং। এর এগেনেস্টে যা হয়, কোন রিগ্রেশনও নাই। কাহিনিগুলি ইটসেলফই হইতেছে প্রমাণ। তেসরা, অনুবাদের জায়গাটা। রুমি নানান জায়গা থিকা কাহিনিগুলিরে নিছেন, মোল্ড করছেন, তারপর নিজের ফরমেশনে আনছেন। আমি এইরকমকিছু করি নাই। মেইনলি ইংরেজি টেক্সটটারেই ফলো করার ট্রাই করছি। কিন্তু এর ভাব’টাই বাংলা-ভাষারে নতুন কইরা ফিল করার কিছু স্পেইস ক্রিয়েট করতে পারতেছিলো মনেহয়, পুরাপুরি পারা যায় নাই, যট্টুকই পারা গেলো, থাকলো।

হয়তো আরো অল্পকিছু এডিট করা লাগতে পারে। কিন্তু মোটামুটি এইটাই ফাইনাল ড্রাফট।

ই.হা.

————————————————————————————-

খাবারের বস্তা ।। পোলাপাইনদের লগে খেলতেছিলেন যেই শেখ ।। একজন পুরুষ আর একজন মহিলা তর্ক করতেছে।। কোয়াজিনে ট্যাট্টু আঁকা ।। মুহাম্মদ আর বিরাট পেটুক ।। মেডিটশনের পরে ।। দরজায় দাঁড়ানো দরবেশ ।। খলিফা ওমর আর বুড়া কবি ।। বাতাসের ভিতরে থাকা ডাঁশ-মশা ।। আয়াজ আর রাজা’র মুক্তা ।। ছোলা রান্ধা ।। ছোটবেলার দোস্ত ।। ইঁদুর আর উট ।। প্রেমের কুত্তাগুলি ।। নউশা ।। মুসা আর ভেড়ার-রাখাল।। রুটি-বানানি ।। নাইটিঙ্গেল ।। রোগা গাধা নিয়া যিশুর কথা।। মাইনষের সততা ।।  দালকাকের মেসেজ ।। আয়না পালিশ করা ।। লড়াইয়ের ময়দানে ।। রাজা আর হেরেমের বান্দী আর কবিরাজ ।। একটা গোপন মজমা ।। তুমি সর্বনাম ।।

——————————————————————————————

 

খাবারের বস্তা

একদিন একজন সুফি দেখলেন যে, খালি একটা খাবারের ঝোলা একটা পেরেকের মধ্যে ঝুলতেছে। উনি নিজের শার্ট খুইলা ছিঁড়তে লাগলেন, কইতে থাকলেন, যার কোন খাওনের দরকার নাই, তার আবার কিসের খাওন! খিদার দাওয়াই এইটা! তার জ্বলুনি বাড়তে লাগলো আর অন্যরাও আইসা উনার লগে জয়েন করলো। প্রেমের-আগুনে চেঁচাইতে লাগলো, ফোঁপাইতে লাগলো।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

এক লোক যাইতেছিলো সাইড দিয়া, কইলো, “আরে, এইটা তো একটা খালি বস্তা।”

সুফি কইলেন, তফাত যা যেইটা আমরা চাই না সেইটাই আমরা চাই তুই তো বেটা দিওয়ানা না

একজন দিওয়ানার খাওয়ার জিনিস হইলো রুটির লাইগা তার প্রেম, রুটি’টা না। এমন কেউ নাই যে সত্যিকারের ভালোবাসে, তার থাকাটারে ভালোবাসে। থাকাথাকি নিয়া দিওয়ানাদের কোন কারবার নাই। পুঁজি ছাড়াই অরা সুদ আদায় করে। কোন ডানা ছাড়াই সারা দুনিয়া উইড়া বেড়ায়। কোন হাত নাই, তারপরও মাঠ থিকা খেলার বল নিয়া আসে। ওই দরবেশ রিয়ালিটির গন্ধ শুঁকতে পাইছিলেন। এখন উনি খাঁটি চোখ দিয়া বস্তাটা বুনতেছেন। কোনকিছু না-থাকার মাঠে দিওয়ানা যারা তারা তাঁবু টানাইতে পারে। ওই মাঠে তারা সবাই একই কালার। একটা কোলের বাচ্চা তো যেই গোশত রান্ধা হইছে তার টেস্ট বুঝতে পারে না। একটা আত্মার কাছে খাওয়া ছাড়া ঘ্রাণটাই হইতেছে খাওন। একজন মিশরীয়’র কাছে নীল নদ তো ময়লা। একজন ঈসরাইলি’র কাছে, ক্লিয়ার। একজনের কাছে যেইটা মহাসড়ক, আরেকজনের কাছে মহামারী সেইটা।

Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →