Main menu

ন্যারেটিভের ভায়োলেন্ট উইং

ন্যারেটিভের একটা ভায়োলেন্ট দিক থাকে। এইটার গোড়া মনে হয় ‘ডর’।

নতুন একটা ন্যারেটিভ পয়দা হবার কালে আগের ন্যারেটিভগুলার মুরিদ ভাগাইয়া নিতে থাকে। তখন আগের ন্যারেটিভগুলা তার তার ভায়োলেন্ট দিকগুলারে এক্টিভেট করে এবং নয়া ন্যারেটিভের উপর হামলা করে। নয়া ন্যারেটিভ মরণের ডরে নিজের ভায়োলেন্ট উইং বানায়, যুদ্ধ কইরা নিজের মরণ ঠেকাইতে চায়। আগের ন্যারেটিভগুলাও পয়দা হবার কালে এমনই হামলা হইছিল, তখন মরণের ডরেই তাগো ভায়োলেন্ট উইং বানাইছিল। আমার এই থিয়োরি বেনজির না, তাই দুই চারটা নজির দেখাইয়া বুঝাইতেছি। [pullquote][AWD_comments][/pullquote]

তবে এই দিকটা মনে হয় আদিতে গৌতম বুদ্ধ ভাবছিলেন; উনি তাই ভায়োলেন্ট উইং না বানাইয়া ইউনিক কামটা করছেন। সেই অভাব অবশ্য পরে পূরণ কইরা লইছেন অনেকে; এখনকার মায়ানমারে যেমন ঐ উইং বানাইয়া লইছেন ভিক্ষুরা। যাই হৌক আগাই। Continue reading

আমার কথা – বিনোদিনী দাসী। (৬)

।। ।। ।। ।। ।।

 

শেষ সীমা

পত্র

মহাশয়!

আপনাকে আর কত বিরক্ত করিব! এ ভাগ্যহীনার কলঙ্কিত জীবনের পাপকথা দ্বারা আপনাকে আর কত জ্বালাতন করিব! কিন্তু আপনার দয়া ও অনুগ্রহ স্মরণ করিয়া এ পাপ জীবনের ঘটনা মহাশয়কে নিবেদন করিতে সাহস করি। সেই কারণে নিবেদন এই যে, যদি এতদিন দয়া করিয়া ধৈর্য্যদ্বারা আমার যন্ত্রণাময় কথা শুনিয়াছেন, তবে শেষটাও শুনুন![pullquote][AWD_comments][/pullquote]

মানুষ যদি আপনার ভবিষ্যৎ জানিতে পারিত, তাহা হইতে গর্ব্ব অহঙ্কার সকল পাপই পৃথিবী হইতে চলিয়া যাইত! কি ছিলাম, কি হইয়াছি! তখন যদি বুঝিতাম যে সর্ব্বশক্তিমান পরমেশ্বর দিতেও পারেন এবং নিতেও পারেন, তাহা হইওে কি মান-অভিমানের খেলা লইয়া বৃথা দিন কাটাইতাম! এখন দিন গেছে, কথাই আছে, আর আছে, স্মৃতির জ্বালা! পাপের অনুতাপ! কিন্তু ঈশ্বর দয়াময় তাহাও নিশ্চয়! জীব যতই অধঃপতিত হউক না কেন, তাঁর দয়াতে বঞ্চিত নহে। তিনিই দেন, তিনিই লন, ইহাতে আক্ষেপ নাই। সেই অসীম করুণাময় এই নিরাশ্রয়া পতিতা ভাগ্যহীনাকে একটি সুশীতল আশ্রয়স্থল দিয়াছেন। যেখানে বসিয়া এই দুর্ব্বিসহ বেদনাপূর্ণ বুক লইয়া একটু শান্তিতে ঘুমাইতে পাই! ইহা তাঁহারি করুণা! এখন শেষ কথাগুলি শুনুন!

আমি যে সময় থিয়েটারে কার্য্য করিতাম, সেই সময়ের দু’একটি কথা বলি। আমি এত বালিকা বয়সে অভিনয় কার্য্যে ব্রতী হইয়া ছিলাম যে, আমি যখন “সরোজিনী”-তে “সরোজিনী”-র অংশ অভিনয় করিতাম,  তখন এখনকার “ষ্টার”-এর  সুযোগ্য ম্যানেজার মহাশয় ঐ নাটকে বিজয়সিংহের অংশ অভিনয় করিতেন। তিনি এখনও বলেন, ‘সে সময় তোমার সহিত আমার বিজয়সিংহের ভূমিকা লইয়া প্রেমাভিনয় বড় লজ্জা হইত! কিন্তু অভিনয় এত উৎকৃষ্ট হইত যে একদিন অভিনয়কালীন “ভৈরাবচার্য্য” যখন “সরোজিনী”-কে বলি দিতে যায় সেই সময় দর্শকবৃন্দ এত উত্তেজিত হইয়া পড়িয়া ছিল যে ফুটলাইট ডিঙ্গাইয়া ষ্টেজে উঠিতে উদ্যত। তাহাতে মহা গোলযোগ হইয়া ক্ষণেক অভিনয় কার্য্য বন্ধ রাখিতে হইয়াছিল। ইহা তোমার মনে আছে কি?”

“বিষবৃক্ষ”-তে আমি “কুন্দ”-র অংশ অভিনয় করিতাম। আমাদের মতন চঞ্চলস্বভাবা স্ত্রীলোকদের মধ্যে সেই ভীরুস্বভাবা শান্ত, শিষ্ট, এতটুকু হৃদয়মধ্যে অসীম ভালবাসা লুকাইয়া আত্মীয় স্বজন বর্জ্জিত হইয়া পরগৃহ প্রতিপালিতা হইয়া তাহার উপর দুর্ম্মতি  বশতঃই হউক, আর অদৃষ্ট দোষেই হউক , সেই প্রেমপূর্ণ হৃদয়খানি চুপে চুপে ভয়ে ভয়ে তাহা অপেক্ষা সহস্রগুণ, রূপে, গুণে, সহায় সম্পদে, ধনে মানে উচ্চ সেই আশ্রয়দাতাকে দান করিয়া, অতিশয় সহিষ্ণুতার সহিত সেই বেদনা ভরা বৃক্ষখানিকে, বুকের মধ্যে লুকাইয়া সেই আশ্রয়দাতাকে আত্মসমর্পণ করিয়া সশঙ্কিত মৃগশিশুর ন্যায় দিন কাটান! উপায় নাই, অবলম্বন নাই, আপনার বলিবার কেহ নাই, আত্মনির্ভরতাও নাই, এই ভাবে অভিনয় করিতে যে কত ধৈর্য্য প্রয়োজন, তাহা সমভাবি অভিনেত্রী ব্যতীত অভিনয় করিতে পারিবেন না! এই সময় মাননীয় গিরিশবাবু মহাশয় আমার সহিত “নগেন্দ্রনাথ”-এর অংশ অভিনয় করিতেন।

“বিষবৃক্ষ”-এর “কুন্দ”র অভিনয়ের পরই “সধবার একাদশী”র “কাঞ্চন’’! কি স্বভাব সম্বন্ধে, কি কার্য্য সম্বন্ধে, কত প্রভেদ! অভিনয়কালে আপনাকে যে কত ভাগে বিভক্ত করিতে হইত তাহা বলিতে পারি না। একটী কার্য্যপূর্ণ ভাব সম্পূর্ণ করিয়া অমনি আর একটী ভাবকে সংগ্রহ করিতে হইবে। আমার এটী স্বভাবসিদ্ধ ছিল। অভিনয় ব্যতীত আমি সদাসর্ব্বক্ষণে এক এক রকম ভাবে মগ্ন থাকিতাম। Continue reading

A Tiny Book of 18 Word Stories on Revenge

Anika Shah. Imrul Hassan.

 

This is just a tiny book. Of 18 word stories. On revenge. Written by Anika Shah and Imrul Hassan. With illustrations from Kheya Mezba and Razib Datta.

Category: Fiction. Date of Publication: February 21, 2017. Pages: 72. Price: BDT 360.

—————————————————–

As it turned out, there were stories that
could be told in words no less and especially
no more than 18.

The stories are vague, incomplete, one sided,
confusing, and dubious. And that
makes them make sense. That is the only
way that makes them make sense.

The stories, the two sets of stories, are also
separate – the one sides of two coins – one
very different sides, two very different coins.
There is not much of revenge in them.

Unless the whole thing is seen as an act of
revenge – an act that would be helpful for
the actor. Revenge, after all, ideally, must be
beneficial for the revenger, not the revengee.

For stating the obvious: Is it fiction? – It
becomes when it is written down on paper.
Is it personal? – What fiction isn’t?

AS

————————————————————-

[Selected Texts]

Anika Shah

1. ‘Even when you’re breaking someone’s heart, that should have some kind of art to it,’ thought she, heartachingly.

2. It seemed their connection was cosmic. Perhaps it was cosmic’s way of saying that they were cosmically disconnected.

6.‘You being sorry is an information, not a solution. You being sorry, therefore, my darlin’, is hardly relevant.’ Continue reading

পয়েন্টস অফ ভিউ

১.

আপনে ধরেন তালুকদার বাড়ির পোলা, আপনের কথারে দুই পয়সার দামও দেয় না আপনের বাড়ির লোকেরা, কোন লজিকই কামে দেয় না। আপনে তখন কি করবেন?

১ কিলো দূরের চৌধুরী বাড়ি আপনের বংশের দুশমন, কম্পিটিশন পুরা–কেয়ামত সে কেয়ামত তক সিনেমা টাইপের পুরা! তো, আপনে করলেন কি, চৌধুরী বাড়ির সামনে যাইয়া আল্লা-রসুলের নামে গান গাইতে গাইতে খয়রাত করা শুরু করলেন, ফল কি হইতে পারে?
:)! তালুকদার বংশ লইয়া চৌধুরীরা হাসাহাসি শুরু করবে, এলাকায় ছড়াইয়া পড়বে তালুকদার বাড়ির পোলা চৌধুরী বাড়ির সামনে যাইয়া খয়রাত করে![pullquote][AWD_comments][/pullquote]

অমনি দেখবেন আপনের বাড়ির লোকেরা আপনারে পাত্তা দেওয়া শুরু করছে, আপনারে বুঝাইতে চাইবে, তুইলা নিয়া যাবে জোর কইরা, আর কোন উপায় না থাকলে খুন করবে–অনার কিলিং যেইটারে কয় আর কি!

এইটা করার জন্য হিম্মত লাগবে আপনার, নিজের বাড়ির/বংশের লোকের হাতে খুন হবার চিন্তার আগেই আপনের পয়লা ডিসিশন নিতে হবে যে, বংশের ইজ্জত জিনিসটা ভূয়া!

নেশনালিজম কমবেশি অমন ছকে কাম করে; দেশে দেখেন, পাবলিকের চিন্তা-ভাবনা বা দাবি, প্রেশার, আন্দোলন–কোনটারেই পাত্তা দেয় না সরকার! কি করতে পারি আমরা? ক্ষমতার দেশি এবং বিদেশি শরীকরা একমত–এমনেই চলবে এই দেশ এবং সরকার! কিন্তু ঐ তালুকদার বাড়ির পোলার মতোই আমরা চাইলে এই সরকারের ইজ্জত মারতে পারি, আমাদের কথার দাম না থাকলেও আমাদের ইজ্জতের দাম আছে তাগো কাছে, ঐটা তাগোও ইজ্জত!

ইজ্জত মারতে হিম্মত লাগবে, পয়লা কাম হইলো–নেশনালিজম থিকা বাইরে যাওয়া, জাতির নাক কাইটা দেন, তারা না চাইলেও আপনে তাগো জাতির মেম্বার, আপনের ইজ্জত ফালাইয়া দিলে তাগো ইজ্জত জখম হবেই হবে!

নিজের ইজ্জত ফালাইবেন কেমনে? একটা উপায় হইলো, বিদেশিদের আব্বা-আম্মা ডাকতে থাকা, খয়রাত চান বিদেশিদের কাছে! নিজেদের না পারার ফিরিস্তি দেন। মনে রাখবেন, জাতিসংঘের কাছে খয়রাত চাইলে কিন্তু ইজ্জত যাইবে না! কারণ, ঐটাই ফর্মাল সিস্টেম খয়রাত চাইবার! চাইতে হবে বিভিন্ন দেশের কাছে। যেমন ধরেন, ফিলিপাইনের দুতার্তের কাছে রোহিঙ্গাদের বাঁচাইতে কইলেন! লগে কইবেন যে, আপনে পারতেছেন না, কারণ, সরকার আপনারে পাত্তা দেয় না, আপনের দেশের ক্ষমতাবানরা পাষাণ, মানুষের আর্তি তাগো কানে ঢোকে না, পাশের মানুষের পাশে খাড়াইতে পারতেছেন বইলা আপনের মনে বড় জ্বালা, দুতার্তেই কেবল পারে আপনের মনের জ্বালা মিটাইতে :)!

এমন কইরা আরো কিছু করতে পারেন; আপনের ক্যান্সার হইছে, আপনে সোমালিয়ার সরকারের কাছে খয়রাত চান। গরু মইরা গেছে? অস্ট্রেলিয়ার কাছে দুই গরু চান। ঘর বানাইতে হবে? তাইওয়ানের কাছে টিন চাইয়া টুইট করেন, ফেসবুকে লেখেন। ফিলিস্তিনের কাছে খুরমা খেজুর খয়রাত চান। দেশের কাছে চাইবেন না কিছুতেই; শীতের কাপড় লাগলে সুইডেন-ডেনমার্কের কাছে চাইবেন। সব দেশের ওয়েবসাইট আছে, ডাইরেক্ট এপ্লিকেশন/মেইল দেন, সিরিয়াস ভঙ্গিতে দেবেন, তারা যাতে ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ায় নিউজ দেয়। Continue reading

আমাদের আর্ট-কালচারে বরকত নাই কেন

পোস্ট-কলোনিয়াল রিয়েলিটিতে কালচারাল ওয়ার এবং রেজিস্ট্যান্স অনেকগুলা ফ্রন্টে এক লগে চলতে থাকে। ঠিকঠাক হিসাব করতে না পারলে দোস্ত-দুশমন চেনায় মুশকিলে পড়তে হয়। আজকে একটা ব্যাপারে কয়টা কথা কইতেছি। [pullquote][AWD_comments][/pullquote]

কোলকাতায় বাংলা ভাষা কোণঠাসা, হিন্দি এবং ইংরাজি বাংলারে খাইয়া ফেলছে বইলা শোনা যায়। কোলকাতার ইন্টেলেকচুয়ালরা ফাইট করতেছেন বাংলার পক্ষে। একজন যেমন উঁচা বর্ণের বাঙালি, ব্রাহ্মণ গর্গ চ্যাটার্জি আছেন। ওনার হিন্দি খেদানো মুভমেন্ট মাঝে মাঝেই দেখা যায় ফেসবুকে। বাংলাদেশেরও অনেকেই আপসেট এই ব্যাপারে। বাংলাদেশে হিন্দি চ্যানেল ব্যান করার দাবিও দেখা যায়। জেনারেল হিসাবে এনারা বাংলার কালচারাল দোস্ত এবং লাঠিয়াল মানেন অনেকেই। চলেন, আরেকটু চোখা নজরে চাইয়া দেখি আমরা।
Kya Hua Tera Wada (Hum Kisise kum nahi)–গানটা শুনছেন কেউ?

 

[youtube id=”V6MFr3d-9Ks”]

 

ইউটিউব লিংকে যাইয়া শুনতে পারেন একবার। ১৯৭৭ সালের হিন্দি সিনেমার গান, তখন এবং এখনো হিট গানের খাতায় আছে। লিরিকস্ পড়েন নিচে।

এই গানটা যদি কোলকাতা বা বাংলাদেশে হিট হয়, কেমনে দেখবো ঘটনাটারে আমরা? মুম্বাই’র কালচারাল ইন্ডাস্ট্রি পোক্ত হইতেছে, আমাদের পয়সা চইলা যাবে তাতে, এইখানের আর্টিস্টরা আমাদের পয়সার ভাগ পাইবে না, আমাদের সিনেমা বা গানে ঐ পয়সা ইনভেস্ট হবে না–খুবই খারাপ ব্যাপার। লস। এইটা একটা ফ্রন্টে ফাইটের ঘটনা। Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →