Main menu

নারী আন্দোলন – জোয়ান ডিডিওন

জুলাই ৩০, ১৯৭২

অমলেট বানাইতে গেলে শুধু ভাঙা ডিমই লাগে না, অপ্রেসড একজনরেও লাগে। ধরা হয় প্রত্যেক বিপ্লবীই এইটা বুঝে, আর প্রত্যেক নারীও বুঝে। নারীরা আমেরিকার ৫১{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7}, এরা একদল পটেনশিয়াল বিপ্লবী ক্লাস হইতে পারে, নাও হইতে পারে। নারী আন্দোলনের ‘আইডিয়া’ থেকে এই বিপ্লবী ক্লাস আসছে। এখনো ডে কেয়ার সেন্টারগুলার আশেপাশে এই আন্দোলন নিয়া আলোচনা করার স্বভাব থেকেই বুঝা যায় কেন এইসব আইডিয়া থেকে মানুষ বিমুখ, যেসব পলিটিকাল আইডিয়া ন্যাশনাল জীবনরে আলাদা কইরা তুলে ধরে।

১৯৭০ সালে ফেমিনিস্ট থিওরিস্ট শুলামিথ ফায়ারস্টোন কইছিলেন, “নয়া ফেমিনিজম শুধু সোশাল ইকুয়ালিটির জন্য জাইগা উঠা একটা সিরিয়াস পলিটিকাল মুভমেন্টই না, এইটা ইতিহাসের সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট রেভল্যুশনের সেকেন্ড ওয়েভ।” এই স্টেটমেন্টরে কেউই রহস্য মনে করত না, আর আন্দোলনের লিটারেচারে এইটাই একমাত্র এইরকম স্টেটমেন্ট ছিল না। যাইহোক, ১৯৭২ সালে, টাইম ম্যাগাজিনের নারী বিষয়ক একটা “বিশেষ ইস্যু”তে তুচ্ছ কইরা বলা হইছিল যে এই আন্দোলন দিয়া ডায়পার কম, দান্তে (আলিগিয়েরি) বেশি আসবে।

সিনটা সুন্দর, মহিলারা বাগানে বইসা বইসা লাসিয়াতে ওগনি স্পেরাঞ্জা (ইনফার্নো এর লাইন) বিড়বিড় করতেছে, কিন্তু এইটা পুরাপুরি নির্ভর করত আন্দোলনের একটা পপুলার ভিউয়ের উপর- আন্দোলনটা হইলো কন্টিনিউয়াসলি এক ধরনের কালেক্টিভ “ফুলফিলমেন্ট” বা “সেলফ এক্সপ্রেশন” চাইয়া যাওয়া। এই চাওয়াটার পিছে কোন আইডিয়া নাই, কোন ভাল স্বার্থ নাই। কিন্তু আসলে আইডিয়া ছিল, আইডিয়াটা মার্ক্সিস্ট ছিল, আর আইডিয়াটা এতই মার্ক্সিস্ট ছিল যে, নারী আন্দোলন নামে আমরা যে অদ্ভুত ঘটনাটা জানি সেইটার পিছে কোন স্বার্থই ছিল না এমন মনে হইত।

এই দেশে মার্ক্সিজমরে সবসময় একটা উদ্ভট আর অবাস্তব প্যাশন হিসাবে ধরা হইছে। একটার পর একটা অপ্রেসড ক্লাস শেষমেশ গিয়া পয়েন্ট মিস করত। দেখা যাইত, যারা অভাবী, তারা বেশি চাইতেছে। মাইনরিটিগুলাও আশা দেখায়া শেষে হতাশ করছে। এইটা আলাপ হইছে যে তারা আসলেই বিভিন্ন ইস্যু নিয়া কেয়ার করত, তারা রেস্টুরেন্টে একসাথে বসা বা বাসের সামনে বসতে পারারে আসল গোল ধরত, কোন বড় খেলার চাল ধরত না। তারা ইমিডিয়েট রিফর্ম থেকে সোশাল আদর্শের দরকারি ঝাঁপটারে বাধা দিল। হতাশাজনকভাবেই, তারা তাদের কমন উদ্দেশ্যরে অন্য মাইনরিটির সাথে এক করতে পারে নাই। ‘ব্রাদারহুড’ এর নামে অর্গানাইজারদের উপর তারা একটা ভালোই বিশ্রি রকমের সেলফ-ইন্টারেস্ট দেখায়ে চলছে।

আর তখন, সেই আশা-হারানো মূহুর্তে যখন কেউ প্রোলেতারিয়াত হইতে চাইতেছিল না, নারী আন্দোলন আইলো, আর নারী একটা আলাদা ‘ক্লাস’ হইলো। এই ইনস্ট্যান্ট চেইঞ্জের যে র‍্যাডিকাল একটা সিম্পল ভাব আছে, এইটা নিয়া অবাক হইতে হয়। কোন কোঅপারেটিভ প্রোলেতারিয়াত ছাড়া একটা বিপ্লবী ক্লাস তৈরি হয়, ঐটারে নাম দেওয়া হয়, ওইটার শুরু হয়, এই ধারণাটা একেবারে এত প্র্যাক্টিকাল আর এত ভিশনারি মনে হইছিল, এত এমারসনিয়ান মনে হইছিল, ১৯ শতাব্দীর ট্রান্সিডেন্টাল ধারার মনোভাবের সাথে দেরিতে এঙ্গেলস আর মার্ক্সসের পড়া ক্রস কইরা যেই জিনিস মাথায় আসত, সেটাই কনফার্ম করে। নারী আন্দোলন থিওরিস্টদের পড়তে হইলে মেরি উলস্টোনক্র্যাফটের কথা না ভাইবা মারগারেট ফুলাররে মনে করবেন- হাই মোরালের, লাঞ্চ না কইরা পেপার কাপ থেকে চা খাইয়া মিমিওতে (পুরানো ফটোকপি মেশিন) পেপার ছাপাইতে দৌঁড় দিত। বিশ্রি রাতগুলাতে পাতলা রেইনকোটের কথা মনে করবেন। ফ্যামিলি যদি ক্যাপিটালিজমের আখেরি দূর্গ হয়, তাইলে চলেন ফ্যামিলি বাতিল কইরা দেই। যদি বাচ্চা পয়দা করার দরকারটা নারীর কাছে আনফেয়ার লাগে, তাইলে চলেন টেকনোলজির সাহায্যে আমরা এই জুলুম থেকে উইঠা আসি। শুলামিথ ফায়ারস্টোন এই জুলুমরে যেমনে দেখছেন, “প্রকৃতির যেই অর্গানাইজেশন একদম ইতিহাসের শুরু থেকে আছে সেইটা হইল অ্যানিমাল কিংডম নিজেই।” আমি ইউনিভার্সরে মাইনা নিছি, মারগারেট ফুলারও শেষমেশ অনুমতি দিছে, কিন্তু শুলামিথ ফায়ারস্টোন দেয় নাই।

এইরকম নার্ভাস আর আঁতেলমার্কা প্যাশন বেশ নিউ ইংল্যান্ড ভাব দিচ্ছিল। র‍্যাডিকাল ম্যাটেরিয়ালিজমের আড়ালে এই আগের ভারী আইডিয়ালিজম কোনভাবে পুরানকালের আত্মনির্ভরশীলতা আর স্যাক্রিফাইসের কাহিনী কয়া বেড়াইত। শব্দের এই অগোছালো প্রবাহ একটা প্রিন্সিপাল হয়া গেল, আনসিরিয়াস হিসাবে আগের স্টাইলরে বাদ দেওয়া হইল। ডিম ভাঙার ইচ্ছাটা বাস্তবে হয়া গেল পাথরে খুতবা খুইঁজা পাওয়ার দক্ষ ক্ষমতার মত। টাই-গ্রেস অ্যাটকিনসনরে বলা হইছিল যে বিপ্লবের পরেও অনেক ‘সেক্সিস্ট’ ওয়েস্টার্ন সাহিত্য তাও রইয়া যাবে, উনি কইলেন, “জ্বালায়া দাও এসব সাহিত্য।”

Continue reading

জার্নাল ও কবিতা: সুরাইয়া দীনা

ডিজিটাল ডায়েরি

প্রতিদিন ঠিক করি সকাল আটটা-নয়টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠবো। সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে নয়টার মধ্যে প্রতিদিন উঠে যাই। সকাল উঠতে চাওয়ার উদ্দেশ্য মূলত পড়তে বসা। যেহেতু দুপুর থেকে কাজ।সো সকাল উঠলে অন্য কিছু করার জন্যও টাইম পাওয়া যায়।আজ উঠলাম সাড়ে আটটায়। উঠেই ফোন হাতে নিলাম অন্য সব দিনের মতো।ফেসবুক,ইন্সটা স্ক্রলিং ছাড়া কাজ নাই। অথবা অ্যামাজনে জিনিশ দেখা। তো ফোন আর বিছানায় গড়াগড়ি কইরা উঠতে উঠতে সাড়ে নয়টা বাজলো। উঠে ঠিক করলাম তাড়াতাড়ি চা খেয়ে নখ কেটে পড়তে বসবো। তো পরে নখ কাটার কথা ভুলে গিয়ে চা নিয়া পড়তে বসলাম। ল্যাপটপ অন করলাম।ভাবলাম Cold/mess গানটা একবার শুনেই পড়বো। তারপর ভাবলাম ওকে গান চলুক একটু ফেসবুক চেক করে আসি। দেন গান একবারের জায়গায় কয়বার শুনলাম ঠিক নাই। পরে হঠাত গানের ভিডিওতে নাইকার চোখে কাজল দেখে মনে হইলো আমার তো কাজল নাই। তো একটা কাজল অর্ডার করি। এখন থেকে চোখে কাজল দেব গাঢ় করে। গেলাম অ্যামাজনে দেখে শুনে একটা কাজল দিলাম। Maybelline Colossal Kajal এইটা বাংলাদেশে থাকতে ইউজ করতাম। কলেজে থাকার সময়কালে কাজল একটা প্রিয় সাজার জিনিশ ছিলো। প্রায় সবসময়ই কাজল দিতাম।পরে এসে আর তেমন দেয়া হয় নি।যাই হোক অর্ডারের কাজ শেষে মনে হইলো নখ কাটার কথা,পড়ার কথা। রাগ হইলো যে বেহুদা ফোনে টাইম নষ্ট করলাম। ভাবলাম আজই ফেবু ডিএক্টিভেইট করে দিবো। সব নষ্টের মূল এটাই।আসলাম ফেবুতে আইসা মনে হইলো একটা পোস্ট করি। অনেক দিন লেখা হয় নাই কিছু। এখন লিখতেছি। সময় এগারোটা পনেরো।

 

সে যখন আসবো

সে যখন আসবো,
তুমি টের পাইবা।
তুমি টের পাইবা বাতাসে তার উপস্থিতি।
সে যখন তোমারে জড়াইয়া ধরবো,
তোমার মনে হইবো,
তোমার বুকের ভিতরে,
ডিসেম্বরের শীত নাইমা আসছে ।
টের পাইবা তোমার হৃদপিন্ড
ঠান্ডায় বরফ হইয়া গেছে।
এত শীতলতা তোমারে গ্রাস করবো
যে তোমার মনে হইবো,
দুনিয়ার আর কোনো আগুনই
তোমারে উষ্ণ করতে পারবো নাহ।
সে যখন তোমার সাথে কথা কইবো,
তোমার মনে হইবো,
সে তোমার মাথার ভিতরে বইসা আছে।
সে অনর্গল কথা বলতেছে,
তুমি অনুভব করবা
তুমি ঘুরতেছো সেই কথার সাথে সাথে,
তুমি যেন এক সীমাহীন অতলে ঘূর্ণায়মান।
তুমি তার কথা বন্ধ করতে চাইবা,
তারে মাথা থাইকা বাইর করতে চাইবা।
তুমি শীতলতা দূর করতে চাইবা,
তুমি উষ্ণ হতে চাইবা।
তুমি একটা ফুটন্ত গরম হৃদপিন্ড চাইবা,
তুমি তার আলিঙ্গন চাইবা না।
তুমি তার থাইকা দূরে যাইতে চাইবা,
তারে তুমি চাইবা নাহ।
কিন্তু তুমি কিছুই পারবা নাহ,
কারন
সে তোমারে ভালোবাসে,
অনেক ভালোবাসে,
আর সে হইলো তোমার
‘একাকিত্ব’।

 

না কুনু ফুল, না কুনু দেবদারু

পাখিরা যখন একলগে ডাইকা উঠে,
আমি তাকাইয়া দেখি,
ভাবি যেন তারা আমারে ডাকতেছে।
আসলে তারা আমারে ডাকে নাহ,
আসলে কেউই আমারে ডাকে নাহ,
না কুনু ফুল,না কুনু দেবদারু।
Continue reading

বাছবিচার এডিটোরিয়াল আলাপ (১): পাবলিক ও প্রাইভেট

সব কথা যে লেইখা বলতে হবে, এইটা তো সবসময় জরুরি না। তো, এই জায়গা থিকা আমরা ভাবছি যে, কিছু জিনিস কথা বইলাও বলতে পারি আমরা! এইজন্য কিছু আলাপ করবো আমরা। ফরম্যাট’টার ব্যাপারে এখনো ফাইনাল কিছু ভাবতে পারি নাই। ভাবছি যে, একটা টপিক নিয়া কথা কইতে পারলে বেটার।

আলাপের টপিক হিসাবে আমরা ঠিক করছিলাম – পাবলিক এবং প্রাইভেট। মানে, অনেককিছুই আছে যারে আমরা মনে করি পারসোনাল বা প্রাইভেট ঘটনা এবং অনেককিছু হইতেছে পাবলিক ইভেন্ট। কিন্তু বাউন্ডারিগুলা তো ফিক্সড না। দেখা যায়, পাবলিক জিনিসগুলা হাইড করা হইতেছে, আবার প্রাইভেট জিনিসগুলারে পাবলিক করা হইতেছে। এই জায়গাটারে সেন্টার কইরাই কথা বলা।

আলাপ করতেছি আমরা তিনজন – ইব্রাকর ঝিল্লী, রক মনু এবং ইমরুল হাসান।

ভিডিওটা আমাদের ইউটিউবে পেইজেও পাইবেন। এইখানে অল্প কিছু অংশ ট্রান্সস্ক্রাইব করা হইলো।

ই. হা.

… … …

ই. হা.: পাবলিক আর প্রাইভেট যে ঘটনা… কোনটা কি, অই এরিয়াটা নিয়া… এখনো ঝামেলা আছে, কন্টিনিউয়াসলি একটা ঝামেলা তৈরি হচ্ছে… এইখানে ইন জেনারেল একটা রুল প্রপোজ করাটাও একটু ঝামেলার। এইটা সবসময় হইতে পারে না। একটা ডিসটরশন তো তৈরি হইতেছে প্লেইস টু প্লেইস, ইভেন্ট টু ইভেন্ট। এইসব তর্কে যেইটা হয় একটা জেনারেল রুল আবিষ্কার করার চেষ্টা করা হয় যে, এইটা হচ্ছে নিয়ম! এইরকম জেনারেল রুল এস্টাবলিশ করার চেষ্টা করা হয়, এইটা একটা প্রব্লেমেটিক জায়গা আর কি! এইটা একটা ফার্স্ট কনসার্ন আমার।

রক মনু: যেইটার একটা লিগাল ফয়সালা আছে, সেইটাই ফ্ললড মনে হইতে পারে আমাদের। ধরেন, আমি রাস্তায় নামলাম, একজন ফটোগ্রাফার আমার ছবি তুললো। যে ছবিটা তুললো, কপিরাইট তার। এইটা হইতেছে লিগাল ফয়সালা। এখন কপিরাইট যদি তার হয়, সে তো এইটা ইউজ করতে পারে। কিন্তু ছবিটা তো আমার। স্পেইসটা পাবলিক, তাইলে প্রাইভেসির কি হবে? ডিরেক্টলি আমার প্রাইভেসিও তো না; জিনিসটা হচ্ছে আমার একটা ছবি। সেইটা তো ধরেন পাবলিকই। কিন্তু সেইটা হইতেছে এক পলক দেখলো আর কেউ সেইটা ক্যাপচার করলো। পরে সেইটারে ক্যাপিটালাইজ করলো।.. অইখানে আমার কিছু তো পাওনা হবে না।… ধরেন অইটা কোন প্রমোশনে ইউজ করা হইলো, তখন কি হবে?… যেই কোম্পানি এইটা করলো, সে পে করবে কাকে?… না করলে আমি কি কোন লিগাল স্টেপ নিতে পারবো? এইরকম কতগুলা ইস্যু আর কি!

মোস্ট প্রভাবলি কদ্দূর পর্যন্ত এর ফয়সালা আছে, কিন্তু সেইটা আবার কিছুদূর পর্যন্ত ফ্লড। মানে, আমার একটা ছবি সেইখানে আমার কোন রাইট নাই!… মানে, যদি আমি পারমিশন দিয়া থাকি তাইলে তো আমি আমার রাইট’টা ছাড়লাম।… কিন্তু যদি না দেই… জিনিসটা এবসার্ড লাগে না? পাবলিক প্লেইসে হাজির থাকা মাত্র আমি একটা গণ-প্রপার্টি হয়া যাবো?…

আমি আরো কয়েকটা ইস্যু’তে যাই… এইখানে পলিটিক্স, স্টেইট, এইরকম ইস্যু আসছে তো, ফলে একভাবে রিলেটেড। প্রাইভেট এবং পাবলিক যে ডিভিশন, সেই ব্যাপারে একমত হওয়া তো কঠিন। দুনিয়া একমত হওয়ার অবস্থাতে নাইও, কিন্তু একমত না হইয়াই আমরা কিছু ডিসিশান নিতে পারি কিনা। সেইখানে আমার একটা প্রপোজাল বা ভাবনা… প্রাইভেসি যদি আমরা একজন পারসনের হক হিসাবে দেখি, তাইলে কার কার সেই হক আছে, আর কারো সেইটা না-আছে কিনা। এইটা আমার একটা কনসার্ন।… যতক্ষণ পর্যন্ত আমি হইতেছি আমার রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাজ অ্যা পারসন, অন্য কাউরে কোথাও রিপ্রেজেন্ট করি না কোথাও, ততক্ষণ পর্যন্ত আমার এবসুলেট হক আছে আমার প্রাইভেসির উপরে। কিন্তু যখন আমি অন্য কাউরে রিপ্রেজেন্ট করি তখন আমার সেই হক রদ হবে।… এইখানে হইতেছে পলিটিক্সে মামলা। ধরেন একজন আমলা, স্টেটের একজন গোলাম, একজন মন্ত্রী বা উজির… সে তো নিজে নাই, তার ভিতরে অনেকেই মোর্চা হিসাবে আছে… সেইখানে তখন সে আর কোন প্রাইভেসির ক্লেইম করতে পারবে না।… সে স্টেইটের গোলাম হইতেছেই অই অর্থে যে সে আর এই হক ক্লেইম করতে পারবে না।

এখন চিন্তার বিষয় হইতেছে কদ্দূর পারবে না?… প্রাইভেসি ক্লেইম না করতে পারা মানে হইতেছে সে এক ধরণের পাবলিক সারভেলেন্সের মধ্যে থাকবে। পাবলিক যদি চায় তাইলে যে কোন সময় তারে দেখতে পারবে।… এখন তার বেডরুম পর্যন্ত কি দেখতে পারবে?… সে যখন তার পোলা, মাইয়া বা বউয়ের সাথে আছে… তাদের অই হক আছে বইলা সে সারভেলেন্সের বাইরে থাকতে পারতেছে… কাইন্ড অফ হিউম্যান শিল্ড। এইরকম।

এখন বাস্তবে আমরা যেইটা দেখি… যে হচ্ছে কাউকে রিপ্রেজেন্ট করে না, সে হচ্ছে ইন এভরি মোমেন্ট সারভেইলেন্সের মধ্যে আছে। আর যারা রিপ্রেজেন্ট করে তাদের উপরে পাবলিকের… সারভেইলেন্স করার কোন মওকাই নাই। বাস্তবে আমরা এইটা দেখি।… এই ঘটনা হওয়া উচিত পুরাপুরি উল্টা।…

আমাদের লিগাল স্ট্রাকচারে কোম্পানি যেমন একটা এনটিটি, স্টেইটও কিন্তু একটা এনটিটি। এখন এনটিটি হিসাবে আমাকে যে কোন সময় ভায়োলেট করা যায় এবং আমি ভায়োলেশনের ভিতরে আছি।… আর যার হচ্ছে সবচে বেশি নজরদারিতে থাকার কথা ছিল, সে (স্টেইট) হচ্ছে একস্ট্রিম প্রাইভেসি এনজয় করে।… লিগালি এইটা মওকা ধীরে ধীরে আরো বাড়ানো হইতেছে।… ডেমোক্রেসি সিস্টেম তো এই যে স্টেইট এবং পিপল – এই অপজিশনকে মিনিমাইজ করতে চায়। Continue reading

কনফুসিয়াসের কথা (পার্ট ১)

এইটা কনফুসিয়াসের (৫৫১ – ৪৭৯ বি.সি.) লেখা বই না। কিন্তু কনফুসিয়াসের বলা কথাগুলার একটা কম্পাইলেশন, যেইটা উনার মুরিদ’রা লেখছিলেন। ধারণা করা হয় বইয়ের ফরম্যাটে এই লেখাগুলা চীনে চালু আছে ৪৭৫ – ২২১ বি.সি. থিকা। কনফুসিয়াস বাঁইচা থাকার সময়েই উনার মুরিদ’রা উনার কথাগুলা লেইখা রাখতেন। কিন্তু সবচে পুরান যেই টেক্সট’টা পাওয়া যায় সেইটা হইতেছে ৫০ বি.সি.’র। যেইখান থিকা ধারণা করা হয়, এই লেখাগুলা মেবি বড় একটা বইয়ের অংশ এবং উনার ফার্স্ট বা সেকেন্ড জেনারেশনের ফলোয়ার’রা লেখছেন এইগুলা। দুইটা মেজর ভার্সনও এভেইলেবল। মানে, কোনটা অরিজিনাল, সেইটা নিয়া অনেক রিসার্চ এখনো চলতেছে। ইংলিশে ফার্স্ট ট্রান্সলেট হইছিল মনেহয় ১৮৬১ সালে। এরপর থিকা নানান সময়ে নানান জন এর ট্রান্সলেশন করছেন। আমি এইখানে ফলো করতেছি ২০১৪ সালে ছাপানো Annping Chin’র ভার্সনটা। বইটা অনেক ডিটেইল, সবগুলা সেয়িং’য়ের নিচে এর বিশদ ব্যাখ্যা দিছেন উনি, অথনেসিটি লেভেল, অন্য সব ঘটনার রেফারেন্স অ্যাড করছেন, যেইটা একটা কমপ্লিট আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের জন্য হেল্পফুল।

বাংলায় এর তরজমা না-থাকার কথা না। কিন্তু চোখে পড়ে নাই আমার। আমি এইখানে বেসিক টেক্সট’টাই বাংলা করতেছি। যেইটা আসলে একটা খুবই প্রাইমারি লেভেলের ঘটনা। কনফুসিয়াস নিয়া আরো ডিটেইল কাজ যে হইতে পারে, বা হওয়াটা দরকার – এই আর্জের জায়গা থিকা এই কোশিশ’টারে দেখতে পারেন।

ই. হা.

বই এক

১.১ ওস্তাদ কইলেন, “এইটা কি একটা আনন্দের ব্যাপার না জানতে-পারা’টা আর, যখন টাইম আসবে, সেইটা প্রাকটিস করতে পারাটা যা তুমি শিখছিলা? এইটা কি একটা খুশির ঘটনা না যখন বন্ধুরা আসতেছে অনেক দূর থিকা? এইটা কি ভালো-মানুশের কাজ না বেজার না হওয়া, যদি কেউ খেয়াল না করে তোমার জানতে-পারা’টারে?

১.২ ওস্তাদ ইয়ো [ইয়োজি] কইলেন, “যেই লোক তার বাপ-মা’র খেয়াল করে আর তার বড়দের রেসপেক্ট করে সে তার উপরের লোকদের লগে গ্যাঞ্জাম করতে চাওয়ার কথা না। আর একজন লোক যে তার উপরের লোকদের লগে বেয়াদবি করে না সে কখনোই ঝামেলা তৈরি করে না। একজন ভালো-মানুশ শিকড়গুলার খেয়াল করে। যেইখানে শেকড়গুলা শক্ত, সেইখানে একটা ভালো-কাজের জায়গা তৈরি হইতে পারে। তাইলে এইটা কি সত্যি না যে, যেই লোক তার বাপ-মা’র খেয়াল করে আর তার বড়দের রেসপেক্ট করে অইগুলাই হইতেছে তার মানুশ-হওয়ার [ren] শেকড়গুলা?

১.৩ ওস্তাদ কইলেন, “যেই লোক সুন্দর কথা কয় আর সুন্দর চেহারা বানায়া রাখতে চায় তার ভিতরে ভালো-মানুশ হওয়ার ব্যাপারটা কম থাকার কথা।”

১.৪ ওস্তাদ জেং [জেংজি] কইলেন, “সব দিন নিজেরে আমি তিনটা পয়েন্ট দিয়া যাচাই করি। যখন আমি অন্য কারো লাইগা ভালো কিছু করতেছিলাম, আমি কি আমার বেস্ট’টা করতেছিলাম? আমার ফ্রেন্ডদের লগে রিলেশনশীপে, আমি বিশ্বাসের জায়গাটাতে পাতলা কইরা ফেলছিলাম? এমন কোন নলেজের কথা কি আমি বলছি যেইটা আমি নিজে প্রাকটিস করি নাই?

১.৫ ওস্তাদ কইলেন, “হাজারটা রথের একটা রাজ্য চালানোর সময়, সব বিষয়রে কেয়ার আর রেসপেক্টের সাথে সামলাবা, আর বিশ্বাসের যোগ্য হবা; খরচ করার সময় হিসাব কইরা করবা, আর লোকজনদের সাথে হাসি-খুশি থাকবা। খালি ঠিক সময়ে কমন লোকজনদের কাজে লাগাবা।”

১.৬ ওস্তাদ কইলেন, “একজন ইয়াং-লোক যখন বাড়িতে থাকবে সবসময় তার বাপ-মা’র খেয়াল রাখবে আর যখন বাড়ির বাইরে থাকবে তার বড়দের রেসপেক্ট করবে। কাজের ব্যাপারে বুঝদার হবে আর কথায় সমঝদার হবে। সব লোকের সাথেই সে মিশবে কিন্তু যে সবচে ভালো-মানুশ তার কাছাকাছি থাকবে। আর তারপর যদি তার আরো কিছু করার এনার্জি থাকে, তাইলে সে নিজেরে আর্টের কাজে ঢাইলা দিবে।

১.৭ জিক্সিয়া কইলেন, “যদি একজন লোক ফিজিক্যাল বিউটিরে যতোটা পছন্দ করে ভালো-গুণগুলারেও একইরকম পছন্দ করতে পারে, তার মা-বাপ’র জন্য তার পুরাটা দিয়া চেষ্টা করে আর তার খোদারে বিশ্বাস করে নিজের কোন ইন্টারেস্ট ছাড়া, আর তার ফ্রেন্ডদের লগে রিলেশনশিপে কথা-বার্তায় ইমানদার হয়, তারপরেও সে যদি মনে করে যে তার জানা-বোঝা কম, আমি শিওর হয়া বলবো সে বুঝদার লোক।”

১.৮ ওস্তাদ কইলেন, “একজন উঁচা পজিশনে থাকা মানুশের [junzi] যদি ইন্ট্রিগ্রেটি না থাকে, সে সমীহ আদায় করতে পারবে না। আর যদি সে কিছু শিখতে চায়, সেইটা শেষ পর্যন্ত সে ধইরা রাখতে পারবে না। এইরকম মানুশের তাদের কাছাকাছি থাকা দরকার যারা তাদের বেস্ট’টা করে আর যাদেরকে বিশ্বাস করা যায়। যারা তার সমান না তাদেরকে তার দোস্ত বানানো ঠিক না। আর যখনই সে ভুল করবে, তার সেইটা ঠিক করতে ডরাইলে হবে না।

১.৯ ওস্তাদ জেং [জেংজি] কইলেন, “রিসেন্টলি যারা মারা গেছে তাদের দাফন-কাফনের রীতিগুলা অনেক কেয়ার আর রেসপেক্টের সাথে করা লাগবে, আর যারা অনেক আগে মারা গেছেন তাদেরকে স্যাক্রিফাইগুলা দেয়ার কথা ভুইলা যাওয়া যাবে না; তাইলে গিয়া মানুশ-জন তাদের ভালো-গুণগুলার আবাদ করলে অনেক বরকত পাবে তখন।

১.১০ জিকিন জিগাইলো জিগংগ’রে, “ওস্তাদ যখন আরেকটা রাজ্যে যান, তখন উনি অইখানের গর্ভমেন্ট নিয়া খবর নেন। উনি কি জিগায়া খবর নেন নাকি উনারে যা জানানো হয় সেইটা মাইনা নেন?” Continue reading

প্রোফাইলিং, ইল্যুশন ও অন্যান্য আলাপ

বছরের শুরুর দিকে, আমেরিকা আসবার পরে একদিন ফেসবুকে ঢুকে দেখি হোমপেইজের অবস্থা বেসামাল। ঝাঁকে ঝাঁকে দেশীয় হারবাল ঔষধালয়ের অ্যাডে হোমপেইজ ছেয়ে গেছে। হাইড দেই, রিপোর্ট দেই, একটা বন্ধ হয় তো আরেক ভিডিও চলে আসে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নাদুসনুদুস নারীপুরুষ সোফায় বসে যৌনরোগের দুশ্চিন্তার আলাপ করে, তারপর স্ক্রীনে ভেসে ওঠে সেই হারবাল ঔষধ কী কী জটিল সমস্যা সমাধান করতে পারে, তারপর ঔষধ খেয়ে তাদের নানান ভঙ্গিমা শুরু হয়। বুঝতে পারলাম না, কোত্থেকে কী হচ্ছে, আইপি অ্যাড্রেস অনুযায়ী বাংলাদেশের কোনো অ্যাড এখানে দেখানোর কথা না। আইডি হ্যাক হয় নাই, তাইলে কি আমি ইনকগনিটো ছাড়াই ভুল করে কোনো বিশেষ সাইটে ঢুকে পড়ছিলাম? মনে পড়ে বেশ অনেক বছর আগের কথা, নতুন ইন্টারনেট নেয়ার আনন্দে নেটের স্পীড চেক করতে এক ট্যাবে পর্ন ওপেন করে মিউট রেখে অন্য ট্যাবে বসে আজেবাজে কবিতার স্তুপ গ্রুপের জন্য একটা নিম্ন শ্রেণীর ছড়া লিখতেছিলাম। তো হঠাত লক্ষ্য করলাম পেছনে এক সিনিয়র রিলেটিভ দাঁড়ায়ে আমার স্ক্রীনের ছড়াটা মনোযোগ দিয়ে পড়তেছেন। বিব্রত হয়ে তাড়াহুড়া করে পাশের ট্যাবে ক্লিক করতেই বিপুল বিক্রমে পর্ন চালু হয়ে গেলো, নতুন নেট নেয়ার সৌভাগ্যে অবশেষে কোনো বাফারিং ছাড়াই। আতঙ্কিত অবস্থায় ফ্রোজেন হয়ে সেইটা ক্যামনে ক্লোজ করবো বুঝতে পারতেছিলাম না। (সত্য ঘটনা, তবে পর্নোগ্রাফ নিয়ন্ত্রণ আইন পাশের আগের। আইন পাশের পর প্রত্যেকে আমরা ল এবাইডিং সিটিজেনে পরিণত হই, এবং এই ধরণের গর্হিত কাজ পরিত্যাগ করি।)

সেই অভিজ্ঞতার পর নরমাল ব্রাউজার দিয়ে ওই পথে যাবার আর প্রশ্ন ওঠে না। আন্দাজ করলাম ফেসবুক সম্ভবত আমার কনজিউমার প্রোফাইলিং করতেছে। যেহেতু সেই সময়ের আগে আমি বেশ রেজিস্টিভ মুডে ছিলাম থার্ড পার্টির কাছে পারসোনাল ডাটা বিক্রির ব্যাপারে, তাই মেজরিটি অভ দ্যা প্রডাক্ট সার্চ ইনকগনিটো মোডে গিয়ে করতাম, কুকিও রেস্ট্রিক্টিভ থাকতো, ফলে বুঝলাম তারা আমার কনজিউমার প্রোফাইল দাঁড় করাইতে পারতেছিলো না। সেইসব হারবাল অ্যাডের কবল থেকে বাঁচতে ওইদিনই গুগল প্রোফাইল থেকে নানান প্রডাক্ট সার্চ দিতে শুরু করলাম, আর যত ফিচার সাইটে কুকি অফার করলো, অ্যাক্সেপ্ট অল কুকিজ দেয়া শুরু করলাম। প্রোফাইল যখন বানাইবি অরিজিনালটাই বানা। ২ দিনের মধ্যে আমার হোমপেইজ থেকে হারবাল ঔষধের বিজ্ঞাপন হাওয়া।

তার কিছুদিন পরেই বিবিসির ড্রাগন’স ডেন-এ সেরা একটা পীচ দেখলাম, নিজের ডিজিটাল ডাটা বিক্রির মাধ্যমে টাকা কামানোর একটা উঠতি প্ল্যাটফর্মের। (ভিডিও লিংক নিচে।) ফলে ভেন্ডররা আপনার কী কী ইনফরমেশন পাবে সেইটা আপনার কন্ট্রোলে থাকলো, ইচ্ছা হইলে নিজের ইনফরমেশন নিজেই সিলেক্টেড মার্কেটারের কাছে বিক্রি করলেন। ইনফো বিক্রির জমানায় অ্যাড ব্লক এক্সটেনশন থেকে শুরু করে ইউটিউবকে মান্থলি টাকা খাওয়ায়ে বিজ্ঞাপণের অত্যাচার থেকে বাঁচতে পারছি। প্রায়। বাঁচতে পারি নাই ফেসবুক আর পর্নসাইটের ভেতরের বিজ্ঞাপন থেকে। বিবিধ ট্র্যাডিশনাল বিজ্ঞাপনের মাঝে একদিন অভিনব এক অ্যাড দেখলাম পর্নের পাশে, আপনি কি পর্ন অ্যাডিকশনে আক্রান্ত? তাহলে চলে আসুন আমাদের পর্ন অ্যাডিকশন রিহ্যাব সেন্টারে! একেবারে ফোকাস গ্রুপ পারফেক্ট প্লেসিং। তারপরও গুগল রিসেন্টলি ইনকগনিটোতে গেলে এক্সপ্লিসিট কন্টেন্ট ওয়ার্নিং দেখায়ে সেইফ সার্চ বেছে নিতে উৎসাহ দেয়। বুঝতে পারলাম, মানুষের মতো গুগলও কগনিটিভ ডিজোনেন্সে আক্রান্ত হয়। Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →