ফার্স্ট পার্ট
………………………………………………
আমি ধরে নিছি যে, মানকিত উত তোয়ারের (যেইটারে দ্য কনফারেন্স অফ বার্ডস নামেও চিনেন অনেকে) কাহিনি আপনারা জানেন। সব পাখি মিইলা একসাথে হয়া ঠিক করে যে, অরা অদের রাজার লগে দেখা করতে যাইবো; হোপিপাখি অদেরকে লিড দেয়। কিন্তু যখন যাওয়ার টাইম আসে, একেকজন একেকটা সমস্যার কথা কয়। অদের সমস্যাগুলা নিয়া একটা কইরা কাহিনি কয় হোপিপাখি। এই কাহিনিগুলা অই বই থিকা চুজ করা কয়েকটা কাহিনি।
এমনিতে তো একটা তরিকা হইলো, কোন ঘটনা বুঝার লাইগা কনটেক্সট’টারে আগে জানতে চাই বা বুঝতে চাই আমরা। তাইলে ঘটনা’টা বুঝা যায় বা ঘটনা’টা মিনিংফুল হয়া উঠতে পারে তখন। কিন্তু কনটেক্সট তো দুইটা, একটা হইল, যেইখানে ঘটনা ঘটতেছে বা ঘটছিল, আরেকটা হইতেছে যেই জায়গা থিকা আমরা দেখতেছি। এই কারণে, কনটেক্সট অনুযায়ী ঘটনা একইরকমের হইলেও, মিনিংটা একইরকম থাকে না, বরং অনেক সময় উল্টায়াও যায়। অই যে একটা বাণী আছে, ফার্স্ট অ্যাজ ট্রাজেডি, দ্যান অ্যাজ কমেডি…। অইরকম।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]
আবার, কিছু কাহিনি বা ঘটনা বা স্পেশালি মিথ বা প্রবাদ-প্রবচনগুলা নানান সিচুয়েশনে রিলিভেন্ট হয়া উঠে, এমনকি ঘটনার সিগনিফিকেন্সটারে আত্মসাত কইরা ফেলে; আলাদা কোন মিনিং হিসাবে সাসটেইনই করতে পারে না। মানে, যা যা মিথ আর মিনিং আমরা জানি, তার বাইরে গিয়া ঘটনারে দেখতে পারি না আর। আমাদের যা জানা-বোঝা, তার ভিতর দিয়াই তো আমরা রিলেট করি। ভাষার যেই রেফারেন্স সিস্টেম, তার বাইরে গিয়া কোন মিনিং প্রডিউস করা পসিবল না। হুমায়ূন আহমেদ একটা গল্পে লিখতেছিলেন, “আমার দুলাভাই একটা খবিশ। (খবিশ মানে কি আমি জানি না।)” মানে জানেন না, এইরকম না, বাজে কিছু, এইটা জানেন, কিন্তু কেমনে যে বাজে জিনিস হিসাবে ভাষাতে আইলো, সেইটা জানেন না, এইরকম। ভাষার মরে না খালি, ভাষার রেফারেন্স সিস্টেমও মারা যায়। যেমন ধরেন, ‘মাউস’ কইলে ইন্দুর বুঝার পসিবিলিটি এখন কমই বাংলা-ভাষায়, কম্পিউটারের মাউস-ই বুঝবো আমরা। একটা ওরাল কালচার থিকা যখন লিখিত বা ছাপানোর জায়গাতে আসছি আমরা, রেফারেন্স সিস্টেমটা চেইঞ্জ হইছে, এখন লিখিত থিকা যখন ডিজিটাল জায়গাতে যাইতেছি, নতুন আরেকটা রেফারেন্স সিস্টেম এমার্জ করার কথা।
তো, চাইলেও নতুন রেফারেন্স সিস্টেম দাঁড়া করানো পসিবল না, এইটা অনেকটা আমাদের কাজ-কাম, চিন্তা-ভাবনা’র লগে রিলেটেড একটা ঘটনা। যেই কারণে সংস্কৃত ভাষা থিকা যেইসব শব্দ আসছিল, সেইগুলা ডেড অলরেডি; আবার না চাইলেও ইউরোপিয়ান চিন্তা-ভাবনার গাহেক হওয়ার কারণে ‘মাউস’, ‘মোবাইল ফোন’ টাইপের জিনিসগুলারে না নেয়ার কোন রাস্তা নাই।… এইভাবে অন্য রেফারেন্স সিস্টেমগুলা ভাষার ভিতরে ঢুইকা পড়ে। এইগুলারে নিতে পারাটা জরুরি, তা নাইলে ভাষাটা ইউজেবল থাকতে পারবে না।
কিন্তু একটা ভাষা যদি মাল্টিপল রেফারেন্স সিস্টেম’রে পসিবল কইরা না তুলতে পারে, অন্য যে কোন ডমিনেন্ট রেফারেন্স সিস্টেমের ডরে নিজেরে গুটায়া নিতে শুরু করে, এইটা তার মরণ-যাত্রা শুরু কইরা দেয়ার কথা।
তো, এই অনুবাদে আমার আগ্রহ আসলে সো-কল্ড ‘বিজ্ঞান-চিন্তা’র বাইরে, রেশনার-এনলাইটমেন্টের বাইরেও আরো আরো যেই চিন্তা-ভাষা আছে, তার একটা নজির’রে সামনে নিয়া আসা। এই ধারণা থিকা রুমি’র কিছু কাহিনিও আমি অনুবাদ করছি। যদিও এই টেক্সট’টা ইংলিশ থিকাই বাংলা করা, তারপরও এই কাহিনিগুলার যেই কনটেক্সট সেইটা ইটসেলফ আরেকটা রেফারেন্স সিস্টেমের ইশারা দিতে পারা’র কথা। মানে, জিনিসটা স্রেফ একটা ‘আধাত্ম্যবাদ’র ঘটনা না আর কি! যেইরকম ইউরোপিয়ান থটপ্রসেসগুলা আমাদেরকে জানায়।
যদিও একটা ইউরোপিয়ান থট-প্রসেসর ভিতর দিয়াই আমার পয়েন্ট’টারে লোকেট করা লাগতেছে, তারপরও আমি ভাবতে চাইতেছি যে, ঘটনা’টা এইটুকই না আর কি! 🙂 মানে, সাইকোলজিক্যাল টার্মে, একটা কনশাসনেসের ভিতর দিয়া অনেকগুলা সাব-কনশাসনেস বা আন-কনশাসনেসরে রিভিল করতেছি না আমরা, ভাষায়; বরং আরো অনেক সাব-কনশাস বা আন-কনশাস যাতে তাদেরকে এক্সপ্লোর করতে পারে, জায়গা দিতে পারে ভাষার ভিতরে, সেই স্পেইসটা ক্রিয়েট করার লাইগা কনশাসলি ট্রাই করতে চাইতেছি। 🙂
২.
এই যে, ‘মানকিত তোয়ার’ – এইটা কোরানের একটা আয়াত থিকা নেয়া, সুলেমান পয়গম্বরের কাহিনি’র সাথে রিলিটেড।
৩.
সব মানুষের ভিতরেই তো শয়তান আছে। তো, এইরকম একটা কাহিনির কথা আমি শুনছি যে, নবী মুহাম্মদ (সাঃ) ভিতর থিকা নাকি শয়তানের জায়গাটা সরায়া নেয়া হইছিল বা ছিল না উনার ভিতরে। তো, এইরকম কিছু কোন ব্যক্তি-মানুষের জায়গাতে পসিবল না!
শয়তান তো আছে আর থাকতেছে, ইন এভ্ররি ট্রান্সলেশন। কিন্তু আমি জাইনা-বুইঝা কোন ‘ভুল’ করি নাই আর কি! যা বুঝছি, তা-ই লেখছি। হয়তো আরো বেটার করা পসিবল। বাঁইচা থাকলে আরো কিছু কারেকশন তো করাই হবে।
ই. হা.
……………………………………………….
।। শেখ সানানের গল্প ।। বায়েজিদ বোস্তামির কাহিনি ।। রাজা আর ভিখারি ।। একটা প্রাসাদ নিয়া একজন দরবেশের ঠাট্টা ।। নিসাপুরের শেখ আবু বকর ।। এক দিওয়ানা আর তার মাশুক ।। মাহমুদের আরেকটা কিচ্ছা ।। মাহমুদ আর আয়াজের আরেকটা কাহিনি ।। পোকাদের কাহিনি ।।
……………………………………………….
শেখ সানানের গল্প
শেখ সানান উনার সময়ে একজন পরজেহগার মানুষ আছিলেন, আর নিজেরে অনেক উঁচা জায়গায় নিয়া যাইতে পারছিলেন। পঞ্চাশ বছর ধইরা উনি উনার দোয়ার ভিতর ছিলেন উনার চারশ মুরিদসহ, যারা দিন রাইত নিজেদের লাইগা কাজ করতো। উনার অনেক এলেম ছিলো, আর ভিতরের আর বাইরের অনেক জিনিস উনি জানতেন। জীবনের বেশিরভাগ সময় উনি পার করছেন মক্কায় হজ্জ্ব করতে। অসংখ্যবার উনি রোজা রাখছেন আর দোয়া কালাম পড়ছেন আর সুন্নতের কোনটাই বাদ দেন নাই। উনি মিরাকল ঘটাইতে পারতেন, আর তার দম দিয়া অসুস্থ আর বিষন্নদের সারাইয়া তুলতে পারতেন।
এক রাইতে উনি স্বপ্ন দেখলেন যে উনি মক্কা থিকা গ্রীসে গেছেন আর সেইখানে গিয়া একটা মূর্তির পূজা করতেছেন; এইরকম নিঠুর ড্রিম দেইখা খুবই মন-খারাপ হইলো উনার, উনি মুরদিদেরকে ডাইকা কইলেন: ‘আমি এখনই গ্রীসের দিকে রওনা দিতে চাই, এই ড্রিমের মাজেজাটা বুঝতে চাই।’
চারশ মুরিদ নিয়া উনি কাবা ছাইড়া গেলেন আর একটা সময়ে গ্রীসে গিয়া পৌঁছাইলেন। উনারা অই দেশটার শেষ পর্যন্ত ট্রাভেল করলেন, আর একদিন হঠাৎ কইরা একটা জায়গায় আইলেন যেইখানে একটা ইয়াং মাইয়া একটা ব্যালকনিতে দাঁড়ায়া ছিলো। মেয়েটা আছিলো খ্রিষ্টান, আর তাঁর মুখের এক্সপ্রেশনে এইটা দেখা যাইতেছিলো যে খোদার যেই জিনিসের দিকে শে তাকাইবো সেইটাই শে দখল করতে পারবো। তাঁর রূপ আছিলো সূর্যের মতোন চোখ ধাঁধানো, আর তাঁর সম্মান ছিলো রাশিচক্রের সাইনগুলার মতোন। তাঁর ঝলকের প্রতি জেলাসির কারণে সকালের শুকতারা তাঁর বাড়ির উপরে বেশিক্ষণ ধইরা ঝুইলা থাকতো। তাঁর চুলে যার হৃদয় বাঁধা পড়তো সে একজন খ্রিস্টানের বেল্ট পইড়া ফেলতো; তাঁর ঠোঁটের রক্তিমাতে যার বাসনা চমকাইতো, তার মাথা পাগল হয়া যাইতো। তাঁর কালা চুলের কারণে সকালটা কিছুটা কালা হয়া থাকতো, তাঁর চামড়ার কুঁচকানির সৌন্দর্য্যের লাইগা গ্রীসের ল্যান্ড কুঁচকায়া থাকতো। তাঁর দুইটা চোখ ছিলো প্রেমিকদের লাইগা একটা লূর; তাঁর আনত ভ্রুগুলা যমজ চান্দের মাঝখানে ছিলো কোমল কাস্তের মতোন। যখন তাঁর চোখের মণিগুলা চমকাইতো একশটা দিল তাঁর বলি হইতো। একটা জীবন্ত আগুনের শিখার মতোন তার মুখ চকচক করতো, তাঁর ঠোঁটের শুকনা চুণীগুলা পুরা একটা দুনিয়ার পিপাসা নিয়া আসতো। তাঁর ঢিলেঢালা লেইসগুলা ছিল একশোটা চাকুর মতো, আর তাঁর মুখ এতোটাই ছোট ছিলো যে ইভেন শব্দগুলাও পার হইতে পারতো না। তাঁর কোমর, একটা চুলের মতোন সরু, তাঁর জুনারের লগে মিইশা থাকতো; আর তাঁর থুতনির রূপালি টোল যিশুর উপদেশগুলার মতোন ছিল প্রাণবন্ত।
যখন শে তাঁর ঘোমটার একটা কোণা তুললো শেখের দিলে তো আগুন লাইগা গেলো; আর একটা চুল তার কোমরের জামারে বাইন্ধা রাখছিলো যেইখানে ছিল একশোটা জুনার। ইয়াং খ্রিষ্টানের দিক থিকা সে তার চোখ ফিরাইতে পারতেছিলো না, আর তার এতোটাই মহব্বত ছিলো যে তার ইচ্ছা তার হাতের মধ্যে ছিলো না। মেয়েটার চুল থিকা অবিশ্বাস আইসা তার বিশ্বাসের উপর ছড়াইয়া পড়ছিলো। সে চিল্লায় উইঠা কইলো: ‘আহ, কি ভয়ানক এই ভালোবাসা, যা আমার তাঁর লাইগা আছে। যখন ধর্ম তোমারে ছাইড়া যায়, মনের মধ্যে ভালো আর কি থাকতে পারে!’
যখন তার লগের মানুষজন বুঝলো কি ঘটছে, আর দেখলো সে কি অবস্থায় আছে, তারা তাদের মাথায় হাত দিয়া বইসা পড়ল। তারে যুক্তি দেখাইতে গেল, কিন্তু সে কথা শুনতে অস্বীকার করল। সে খালি দিন রাইত খাড়ায়া থাকলো, তার চোখ ব্যালকনির উপরে ফিক্সড হয়া থাকল আর তার মুখ খোলা হয়া থাকল। তারাগুলা, যেইগুলা বাতির মতোন জ্বলতো এই পবিত্র মানুষের মনের ভিতরে যেই আগুন জ্বলতেছিল তার থিকা তাপ ধার নিতো। তার মহব্বত বাড়তে লাগল, যতক্ষণ না সে তার নিজেরে তার সাথে পাইলো। ‘হে খোদা,’ সে দোয়া করলো, ‘আমার লাইফে আমি রোজা রাখছি আর কষ্ট করছি, কিন্তু কোনদিনও এইভাবে কষ্ট আমি পাই নাই; আমি ছারখার হয়া যাইতেছি। রাতটা তার চুলের মতোন কালা। বেহেশতের বাতি কই? আমার আহাজারি কি এইটা নিভায়া দিছে নাকি জেলাসির কারণে সে নিজেরে লুকায়া ফেলছে? কই আমার খুশ নসিব? কেন সে আমারে এই মেয়ের মহব্বত আমারে পাইতে দেয় না? কই আমার যুক্তি, যা আমার এলেমরে ইউজ করতে দেয় না? কই আমার হাত, আমার মাথায় ধূলা ঢালার লাইগা? কই আমার পা, আমার মাশুকের দিকে হাঁইটা যাওয়ার লাইগা, আমার চোখ কই, তার মুখ দেখার লাইগা? কই আমার মাশুক, যে আমারে তার হৃদয় দিবে? এই মহব্বত, এই কষ্ট, এই পেইন, কি জিনিস এইগুলা?
শেখের ফ্রেন্ডরা আবার তার কাছে আসলো। একজন কইলো: ‘ও কাবিল শেখ, নিজেরে তুমি তোলো আর এই লোভ ছাইড়া দেও। নিজেরে ধইরা রাখো আর অযু করো।‘ উনি জবাব দিলেন: ‘তোমরা কি জানো, আজকে রাতে আমি একশবার অযু করছি, আর করছি আমার দিলের লহু দিয়া?‘ আরেকজন কইলো: ‘আপনার তসবি কই? এইটা বাদ দিয়া আপনি দোয়া কেমনে করবেন?‘ উনি জবাব দিলেন: ‘আমি আমার তসবি ফালায়া দিছি যাতে আমি একটা খ্রিষ্টান জুনার দিয়া নিজেরে বানতে পারি।‘ আরেকজন কইলো: ‘হে পরজেহগার মানুষ, যদি আপনি পাপ কইরা থাকেন দেরি না কইরা তওবা করেন।‘ ‘আমি এখন তওবা করি,‘ উনি জবাব দিলেন, ‘সত্যিকারের নিয়ম ফলো করার লাইগা, আর আমি ভাবি আমি যদি খালি এই অ্যাবসার্ডিটি বাদ দিতে পারতাম।‘ আরেকজন কইলো: ‘এই জায়গা ছাড়েন আর আল্লার কাছে মাথা নত করেন।‘ উনি জবাব দিলেন: ‘যদি আমার খোদা আজকে এইখানে থাকতো তাইলেও আমি তো অই মেয়েরে সিজদা দিতাম।‘ আরেকজন কইলো : ‘তাইলে, আপনি তওবা করার ট্রাইও করবেন না! আপনে আর ইসলামের রাস্তায় নাই?‘ শেখ জবাব দিলেন: ‘আমার চাইতে বেশি অনুতাপ আর কেউ করে নাই এখন পর্যন্ত যে আমি কেন আরো আগে প্রেমে পড়ি নাই।‘ আরেকজন কইলো: ‘নরকের এলাকা আপনার লাইগা ওয়েট করতেছে, আপনি যদি এই রাস্তাতেই চলতে থাকে; দেইখা চলেন, তাইলে আপনি পার পাইতে পারবেন।‘ উনি জবাব দিলেন: ‘যদি অইখানে নরক থাকে, এইটা খালি আমার আহাজারিতে আছে, যা সাতটা নরকরে ভইরা তুলতে পারে।‘
অরা দেখলো যে অদের কথার কোন এফেক্টই নাই শেখের উপরে, যদিও তারা সারা রাইত ধইরা তারে মিনতি করলো, তারপরে তার ফ্রেন্ডরা চইলা গেলো। এই সময়ে সকালের তুর্কি আসলো, তাদের সৈন্যদের আর সোনালি ঢালগুলা নিয়া, কালো রাইতের মাথা কাইটা দিলো, যাতে কইরা ইল্যুশনের দুনিয়াটা সূর্যের রশ্মির মধ্যে গোসল করলো। শেখ, যে ছিলো তার প্রেমের খেলনা, কুত্তাদের লগে
ঘুরতেছিল, আর একমাসের মতোন রাস্তায় বইসা ছিল তার প্রেমিকার মুখ দেখার লাইগা। ধূলা ছিল তার বিছানা আর তার প্রেমিকার ঘরের চৌকাঠ ছিল তার বালিশ।
Continue reading →