পৃথিবীর সেইসব চায়ের দোকান আমাকে বিক্রি করে দিয়েছিলো যারা চায়ের দোকানে, তাঁদের প্রতি আমার কোনো ক্ষোভ নাই মা- প্রতি রাতে ঝুলে থেকে থেকে বাসি বন রুটি- পুরাতন কুকুরের অভ্যস্ত খাবার হতে হতে আমার- তবু, মনে হয়- আমায় তবু, তারা দেখতে…
একই সময়ে যখন সাহিত্য ও কলা আর পেরায় সবকিছুই যখন পুরুষের আধিপত্যে, খুব কম নারী মাত্র কবি হিসাবে সম্মান পাইতেন, ইরানের কবি ফোরো ফারোখজাদ ঐসময় সেক্স আর সমাজের বাঁধা উপেক্ষা করি, একজন নারী কোনটা প্রকাশ করতে পারবে না পারবে, সেন্সুয়ালিটির…
This entry is part [part not set] of 8 in the series অসুখের দিন
[ব্যর্থ এক সার্জারি নিয়ে ভোগান্তির কাহিনি এটা। যার মূল পর্ব শুরু ২০২০ সালের জানুয়ারিতে, এখনো চলমান। এখন একটা সিনেমাটিক ক্লাইমেক্সে দাঁড়ায়া আছে। তবে সেই গল্পে দুর্ধর্ষ কোনো অ্যাখ্যান নাই, বিরাট কোনো বাঁক-বদল নাই। অনেক বিরক্তিকর দীর্ঘশ্বাস আছে। কিন্তু এ গল্প…
খান আতাউর রহমান (১৯২৮ – ১৯৯৭) ফিল্ম-ডিরেক্টর, মিউজিশিয়ান, এক্টর আর সিঙ্গারই ছিলেন না, অনেক সুন্দর এবং পপুলার গানের লিরিকসও লেখছেন। কিছু জায়গায় বলা আছে যে, উনি ৫০০’র মতো গান লেখছেন। কিন্তু এতো গানের হদিস আমরা পাই নাই। এক-দেড়শ গান থিকা…
[মীর মোশারফ হোসেন (১৮৪৭ – ১৯১১) এর কাহিনি “বিষাদ-সিন্ধু” ১৮৮৫, ১৮৮৭ ও ১৮৯১ সালে তিনটা পার্টে ছাপা হয়, পরে ১৮৯১ সালে একসাথে ছাপা হয়। ১৯৩৯ সালে ছাপা-হওয়া একটা এডিশন ফলো করা কইরা একটা শর্ট-ভার্সন এইখানে হাজির করতেছি আমরা।] এক ……
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি।
যা লেখার ফেসবুকেই লেখি।
গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।