Main menu

নাইন।। এরিক জারোসিনস্কি।। (২)

অনুবাদকের কথা

জার্মানি আর জার্মান ভাষা নিয়ে লেখা এফোরিজম বা জারোসিনস্কির নিজের মতে কৌতুকগুলা মূলত তার জীবনের খুব খারাপ একটা সময়ের বাই- প্রডাক্ট। কে এম রাকিব প্রথম আমাকে বইটা পড়তে দেন। প্রচলিত বা ভূতপূর্ব বা অভূতপূর্ব পরিবার সমাজ রাষ্ট্র বিশ্ব ব্যবস্থার উপর আমার অরুচির  তৎকালীন বা চিরন্তন যে  সুরতহাল সেটাই হয়তো তাকে এই কাজের কাজী করেছিলো। ট্যুইটার এ বিভিন্ন সময়ে দর্শন, শিল্প সাহিত্য, রাজনীতি, অর্থনীতি ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে করা জারোসিনস্কির ট্যুইট যে এমন সাড়া ফেলে দিবে তা তার নিজেরও ধারণা ছিল না।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

নাইন কোয়ার্টার্লি শিরোনামে করা এই উইটি পানি ট্যুইটগুলা ইতিমধ্যেই বিশ্বের ১২৫টি দেশের প্রায় ১ লাখ মানুষের কাছে রিচ করতে পারছে। হালের বিখ্যাত দার্শনিক স্লাভয় জিজেক নাইন সম্বন্ধে বলছেন যে, “ট্যুইটার আমি পছন্দ করি না। আমি মনে করি যে এটা নিষিদ্ধ করা উচিত। কিন্তু জারোসিনস্কির নাইন হচ্ছে অন্য জিনিস, মূলত এই একটা জিনিসই ট্যুইটাররে জাস্টিফাই করে! তারে মনে হয় সাইকো সিনেমার র‍্যাডিক্যাল নরম্যান বেটস এর মতো শুধু ছুরির বদলে ট্যুইট দিয়া দ্রুত কাটাকুটি চালায়া যাইতেছেন!”

নিউ ইয়র্কে থাকেন এরিক জারোসিনস্কি, নিজেরে পরিচয় দেন ব্যর্থ দার্শনিক হিসাবে। আধুনিক জার্মান সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রিটিক্যাল থিওরির প্রফেসরের দায়িত্ব ছেড়ে তিনি এখন এফোরিস্ট হয়ে উঠতে চাইতেছেন।

নাইনঃ আ মেনিফেস্টো মূলত ট্যুইটারে নাইন কোয়ার্টার্লি শিরোনামে পোস্টানো ওই জিনিসগুলারই একটা ভার্সন। মলাটের চশমাওলা মুখটা যার তিনি হইতেছেন থিওডর এডর্নো যারে নিয়া আমেরিকার নামীদামি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে  একটা চাকরি জোটাতে থিসিস পেপার খাড়া করতে চাইছিলেন জারোসিনস্কি। আর সেই একঘেঁয়ে যান্ত্রিক কাজকাম থিকা দুই দণ্ডের এসকেপ ছিলো সেই ট্যুইটগুলা।

দ্য নিউ ইয়র্কার, দ্য প্যারিস রিভিউ, ফ্র‍্যাংফুর্টার, ড্যের স্পিগেল, দ্য বিলিভার, দ্য ক্রনিকল অফ হায়ার এডুকেশন, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, স্লেট ইত্যাদি হেভিওয়েট গণমাধ্যমে ছাপা হওয়া ও বিখ্যাত জারোসিনস্কির এই অসামান্য আকর্ষণীয় আর আগ্রহোদ্দীপক কাজগুলি বাংলা করতে গিয়া জার্মান কিছু শব্দ ছাড়া তেমন বিপাকে পড়তে হয় নাই আমার।

আর এর টেস্ট নিতে গিয়া আপনাদের ঠিক একই অভিজ্ঞতা হবে বলেই আমার ধারণা। হাজার হোক, শীতকাল, খেজুরের রসে নিপাহ ভাইরাসের সম্ভাবনা তাই তা পান করা থেকে বিরত থাইকা আসেন নাইন পান করি। কোন এক সকালে গ্রেগর সামসার আচমকা কীটে রূপান্তর হওয়া সত্ত্বেও প্রথমেই কাজে না যাইতে পারার আশংকা বা দুঃশ্চিন্তাকে যিনি বলছেন ডার্ক কৌতুক সেই ব্যক্তির নিজের কৌতুক আমাদের সবার একবার হলেও চেখে দেখা উচিত বলেই মনে করি আমি।

তানভীর হোসেন

…………………………………..

ফার্স্ট পার্ট

…………………………………..

 

৫. নাইন কোন মাধ্যম না। নাইন কোন বার্তা না।

 

#জনরা সমস্যা
অ্যাফোরিজমঃ
সাহিত্যের বোতলে দর্শনের জাহাজ।

এপিগ্রামঃ
দর্শনের বালতিতে সাহিত্যের ফুটা।

 

#মিডিয়া থিওরি
আরেকটা সুন্দর দিন।
মাধ্যমের।
আরেকটা অস্তিত্বের লড়াই।
তথ্যের।

 

#আউফ ডয়েশ
লক্ষ লক্ষ শব্দ।
জার্মান ভাষায়।
ডোপেলগ্যাংগারের ক্ষেত্রে।
তারা একইরকম।

 

#নন্দনতত্ত্বের থিওরি

কমপক্ষে শিল্প আছে।
জগতে যে সৌন্দর্য বইলা কিছু আছে তা আমাদের স্মরণ করায়ে দিতে সব সময়ই এইটা আছে।
আর সে খুবই দুঃখিত
কিন্তু এখন আর তার মাথা গোঁজারও ঠাঁই নাই।

Continue reading

চেয়ারে ভাতঘুমে ঢলে পড়া কবির চিঠি – নিকানোর পাররা।

নিকানোর পাররা এন্টিপোয়েম আর ইমারজেন্সি পোয়েম  লিখেছেন। চিলির লোক তিনি। গণিতবিদ হওয়ার কারণেই বিনয় মজুমদার হবেন তাও তো না। বিনয় মজুমদার গণিতে ডিগ্রীধারী ছিলেন। দুইজন একলোক না। যা ই হোক, এন্টিপোয়েম নিয়ে কোন সংজ্ঞার অবতারণা না করে বরং আমার আর নিকানোর পাররা বিষয়ে বলি।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

নিকানোর পাররা কবি। আমি জীবাণুবিদ। তার কবিতা পড়তে গিয়ে দেখলাম তিনি কাব্যিক এসথেটিকস থেকে বেরিয়ে কেমন গদ্যধর্মী কবিতা লিখেছেন। কবিতাগুলো কেমন যেন ব্যানানা শেপ ফিমেল ফিগারের মত।  তো পাররার কবিতা পড়ে তর্জমা করছিলাম। কয়েকটা করার পর মনে হল, এর চাইতে ইছাশুটকি ভর্তা করে গরম ভাত দিয়ে খাওয়াই তো ভাল। তাই ওইটাই করলাম।

এরপর দিন যায়, রাত আসে। বেশ কিছুদিন পর, কবি নাসিফ আমিনের শরনার্থী শিবিরে গিয়ে আমি আশ্রয় নিই। তিনি বললেন, এইরকম চল আছে। তিনি এই তর্জমার নাম দিলেন ‘এক্সপেরিয়েন্সিং আ ফরেইন পয়েট টু মাই ল্যাংগুয়েজ’’। রেফারেন্স দিলেন ফিল্মমেকার রবিউল আলম রবি’র ‘হেডরুমে পিংক ফ্লয়েড’ লেখাটির। লাল জীপের ডায়েরীতে ছাপা হয়েছিল। তো, নিকানোর পাররার কবিতা আসল থেকে ইংরেজি ভার্শন (নকল) নিয়া আসেন ড্যাভিড আংগার। আমি ড্যাভিড আংগারকেই ভর্তাতে কিঞ্চিত মেখে মিশিয়েছি।

মঈন উদ্দিন

…………………………………………………………………………………….

 

চেয়ারে ভাতঘুমে ঢলে পড়া কবির চিঠি

 

এক।

 

আমার কথা রেলগাড়ির মত সোজা

হয়তো সেই সকাল থেইকাই রেলস্টেশনে কি কি ঘটতেছে তা জানি

অথবা দেখা গেল, স্টেশনে আসি নাই বইলা কি ঘটল কিছুই জানি না।

 

কিন্তু যেইখানেই রই না কেন

আল্লা আমাদের সোজাসুজি কথা বলার তৌফিক দিন।

 

দুই।

 

পুরাটা রাত আমি থাইকা থাইকা মেয়েলোক স্বপ্ন দেখছি

তাদের কেউ কেউ আমারে নিয়া রঙ্গ করতেছিল

বাকিরা খামছি দিতেছিল আমারে।

এরা ছাড়তেছিলই না।

স্বপ্নের শেষ পর্যন্ত এরা আমারে নাজেহাল করছে।

 

আমি তব্দা খাওয়া মুখ নিয়া ঘুম থেইকা উঠলাম

 

খোয়াবের অর্থ তাইলে কি আমি বরবাদ হয়া গেছি

নাকি এইটা আসলে মরন ভয় আছিল!

Continue reading

নাইন। এরিক জারোসিনস্কি। (১)

অনুবাদকের কথা

জার্মানি আর জার্মান ভাষা নিয়ে লেখা এফোরিজম বা জারোসিনস্কির নিজের মতে কৌতুকগুলা মূলত তার জীবনের খুব খারাপ একটা সময়ের বাই- প্রডাক্ট। কে এম রাকিব প্রথম আমাকে বইটা পড়তে দেন। প্রচলিত বা ভূতপূর্ব বা অভূতপূর্ব পরিবার সমাজ রাষ্ট্র বিশ্ব ব্যবস্থার উপর আমার অরুচির  তৎকালীন বা চিরন্তন যে  সুরতহাল সেটাই হয়তো তাকে এই কাজের কাজী করেছিলো। ট্যুইটার এ বিভিন্ন সময়ে দর্শন, শিল্প সাহিত্য, রাজনীতি, অর্থনীতি ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে করা জারোসিনস্কির ট্যুইট যে এমন সাড়া ফেলে দিবে তা তার নিজেরও ধারণা ছিল না।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

নাইন কোয়ার্টার্লি শিরোনামে করা এই উইটি পানি ট্যুইটগুলা ইতিমধ্যেই বিশ্বের ১২৫টি দেশের প্রায় ১ লাখ মানুষের কাছে রিচ করতে পারছে। হালের বিখ্যাত দার্শনিক স্লাভয় জিজেক নাইন সম্বন্ধে বলছেন যে, “ট্যুইটার আমি পছন্দ করি না। আমি মনে করি যে এটা নিষিদ্ধ করা উচিত। কিন্তু জারোসিনস্কির নাইন হচ্ছে অন্য জিনিস, মূলত এই একটা জিনিসই ট্যুইটাররে জাস্টিফাই করে! তারে মনে হয় সাইকো সিনেমার র‍্যাডিক্যাল নরম্যান বেটস এর মতো শুধু ছুরির বদলে ট্যুইট দিয়া দ্রুত কাটাকুটি চালায়া যাইতেছেন!”

নিউ ইয়র্কে থাকেন এরিক জারোসিনস্কি, নিজেরে পরিচয় দেন ব্যর্থ দার্শনিক হিসাবে। আধুনিক জার্মান সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রিটিক্যাল থিওরির প্রফেসরের দায়িত্ব ছেড়ে তিনি এখন এফোরিস্ট হয়ে উঠতে চাইতেছেন।

নাইনঃ আ মেনিফেস্টো মূলত ট্যুইটারে নাইন কোয়ার্টার্লি শিরোনামে পোস্টানো ওই জিনিসগুলারই একটা ভার্সন। মলাটের চশমাওলা মুখটা যার তিনি হইতেছেন থিওডর এডর্নো যারে নিয়া আমেরিকার নামীদামি সব বিশ্ববিদ্যালয়ে  একটা চাকরি জোটাতে থিসিস পেপার খাড়া করতে চাইছিলেন জারোসিনস্কি। আর সেই একঘেঁয়ে যান্ত্রিক কাজকাম থিকা দুই দণ্ডের এসকেপ ছিলো সেই ট্যুইটগুলা।

দ্য নিউ ইয়র্কার, দ্য প্যারিস রিভিউ, ফ্র‍্যাংফুর্টার, ডার স্পিজেল, দ্য বিলিভার, দ্য ক্রনিকল অফ হায়ার এডুকেশন, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, স্লেট ইত্যাদি হেভিওয়েট গণমাধ্যমে ছাপা হওয়া ও বিখ্যাত জারোসিনস্কির এই অসামান্য আকর্ষণীয় আর আগ্রহোদ্দীপক কাজগুলি বাংলা করতে গিয়া জার্মান কিছু শব্দ ছাড়া তেমন বিপাকে পড়তে হয় নাই আমার।

আর এর টেস্ট নিতে গিয়া আপনাদের ঠিক একই অভিজ্ঞতা হবে বলেই আমার ধারণা। হাজার হোক, শীতকাল, খেজুরের রসে নিপাহ ভাইরাসের সম্ভাবনা তাই তা পান করা থেকে বিরত থাইকা আসেন নাইন পান করি। কোন এক সকালে গ্রেগর সামসার আচমকা কীটে রূপান্তর হওয়া সত্ত্বেও প্রথমেই কাজে না যাইতে পারার আশংকা বা দুঃশ্চিন্তাকে যিনি বলছেন ডার্ক কৌতুক সেই ব্যক্তির নিজের কৌতুক আমাদের সবার একবার হলেও চেখে দেখা উচিত বলেই মনে করি আমি।

তানভীর হোসেন

 

 …………………………………………………………………………………………..

 

ভূমিকা

না বলাটা কোন ব্যাপার না। যুইতমতো বলাটাই হইলো ব্যাপার। মোক্ষম সময়ে। মোক্ষম জায়গায়।আর এইটা বইলা যাইতে পারাটা আরও কঠিন ব্যাপার বিশেষত যেখানে আমরা একটা হ-এ ভরা জগতে বাস করি। পুরাই হ-এ’র দৌরাত্ম। ফ্যামিলিরে হ। ফ্রেন্ডরে হ। যাবতীয় শর্তটর্তরে হ। কাজকামরে হ।খেলাধুলারে হ।। হ-এ ভরা জীবনটারেও হ, হ্যাঁ এবং শুধুই হ রে দয়াল। তবে আরেকটা জীবন আছে। অনিশ্চিত একটা জীবন। সে না’র জন্য গান গায়, না’রে নিয়া গান গায়, তারে গান নিবেদন করে। এটা আবার কোন আলতুফালতু “না” না বরং বর্তমান, ভবিষ্যত, অতীত সবসময়ের জন্যই “না”।

এইটা হইলো “নাইন(Nein)” এর “না”।

 

 

. নাইন নানা। নাইন “হ্যাঁ” না। নাইন হইলো নাইন

 

#ব্যাপারটা সাদাসিধা রাখেন

বর্তমানে জগতের সমস্যা হইলো দুইটা।

১. জগত নিজেই,

আর ২. বর্তমান।

অবশ্য তিনটাও হতে পারে যদি ভবিষ্যৎ গোনায় ধরেন।

 

#পাদটীকা

কোনদিন আমরা টার্মস পড়বো।

কন্ডিশনগুলা পড়বো।

আর অবাক হয়া ভাববো কেন আমরা এইগুলায় রাজী হইছিলাম।

আর হ’র বাক্সে টিক দিছিলাম।

 

 #সত্যের ঘাড়তেড়ামি

ভালো খবর।

আমাদের হারায়া ফেলা আশার খোঁজ পাওয়া গেছে।

খারাপ খবর।

সে আর ফিরতে চায় না।

Continue reading

বুকোউস্কির কবিতা ২

বুকোউস্কি’র কবিতা পড়তে গিয়া তিনটা জিনিস মনে হইছে।

পয়লা ব্যাপারটা হইতেছে, উনার বলা’টা; যেইসব জিনিস নিয়া উনি কবিতা লিখছেন। আমাদের মনে যেই একরকম ইনায়া-বিনায়া, পাতলা পর্দা দিয়া, ফুলে ফুলে টক্কর খাওয়াইয়া চুমা বুঝানো বা মিলিটারি বুট দিয়া পুতুল পাড়া দিয়া (ফানি) ‘নৃশংসতা’ মিন করার মতো ‘কবিতা’র বা ‘কাব্যিকতা’র ধারণা আছে, সেইগুলি কম বা নাই-ই এক রকম উনার কবিতায়। উনার কবিতা অনেকবেশি ডাইরেক্ট, হার্শ আর ‘রিয়েল-লাইফ’ ফিলিংসের ঘটনা।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

এইটা ভালো বা খারাপ – এইরকম না, এইটা ‘কবিতা’র ধারণা বা এক্সপেরিয়েন্সটারে এক্সটেন্ড করে একভাবে। এইরকমভাবেই কবিতা লিখতে হবে – তা না; এইরকমভাবেও কবিতা লেখা যাইতে পারে তো! এইরকম। 

দুসরা ঘটনা’টা হইলো, যেইভাবে উনি বলছেন, গল্প-কাহিনি’র মতো কইরা। উনার বেশিরভাগ কবিতাতেই কাহিনি আছে কোন, ঘটনা ঘটতেছে সবসময়, লাইভ একটা জিনিস। যার ফলে এক রকমের ‘প্রাণ’ আছে বইলা মনে হয়, মনেহয় কারেক্টারগুলি জ্যান্ত, বাঁইচা আছে, চলাফেরা করতেছে। উনার বলার বিষয়গুলিরে এইরকম বলার ফর্মটা আরো ভিজিবল কইরা তুলছে। 

তেসরা বা সবচে প্রমিনেন্ট মেবি যে, একজন স্ট্রং ইন্ডিভিজ্যুয়ালের প্রেজেন্স। একজন মানুষ আছেন, যিনি এই কবিতার কাহিনি’র ভিতরে আছেন, থাকতেছেন। উনার কবিতাগুলিতে এই ইন্ডিভিজ্যুয়াল হইতেছেন একজন গরিব বুড়া বেটা মানুষ। (কবিতা ইয়াং বয়সের জিনিস – এই ব্যাপারটাতেও একটু ধাক্কা লাগার কথা।) সোশ্যাল আইডেন্টিটি হিসাবে খুব রেসপেক্টবল কিছু না; বাদাইম্মা টাইপের একটা জিনিস। এইরকম একটা আইডেন্টিটি’র কারণেও মনে হইতে পারে যে, সোসাইটি জিনিসটারে উনি দেইখা ফেলতে পারতেছেন একভাবে, যেইটা সোসাইটির ভিতরের একটা আইডেন্টিটি থিকা দেখতে পাওয়াটা মুশকিলের হওয়ার কথা।

সবশেষে যেই কথা বলা’টা জরুরি মনেহয়, আমি বুকোউস্কি’র কবিতার আইডিওলজি’র ভক্ত বা সাবস্ক্রাইবার না। না – কেন? এইটা নিয়া ইনিশিয়ালি দুইটা পয়েন্টের কথা বইলা রাখা যায় – 

১. বুকোউস্কি’র কবিতা’তে একটা প্লেজার আছে এই স্টেটম্যান্ট দিতে পারার ভিতর যে, আমি তো খারাপ! মানে, উনার এই গিল্টি ফিলিংসটা যে নাই, সেইটা না; খুব ভালোভাবেই আছে, কিন্তু উনি যে ‘খারাপ’ এইটা বলার ভিতর দিয়া উনার খারাপ-হওয়াটা মাইনা নেয়ার স্পেইসটা ক্রিয়েট করতে পারতেছেন উনি; যে, আমি তো খারাপ! এই খারাপ হওয়াটা এতোটা খারাপও না আসলে, কারণ একটা ‘ভালো’ হওয়ারে অ্যাজিউম করে এই খারাপ-হওয়াটা যেই ‘ভালো’ এতোটা ভালো কিনা শিওর না, হয়তো যে ভালো সে খারাপ-ই, কিন্তু নিজেরে সে বলতে পারে না; অথচ যে খারাপ, খারাপ হইলেও বুক ফুলায়া বলতে পারেন খারাপ, তখন মনে হইতে পারে এতোটা খারাপ না মেবি! মানে, উনি বলেন না, কিন্তু এইটা ইমপ্লাই করেন তো, বলার ভিতর দিয়া। বলাটা ‘খারাপ’ না অবশ্যই, কিন্তু একটা খারাপ-ভালো’র ভিতর এই যে আটকাইতে পারা – এইটাতে সাবস্ত্রাইব করাটাও টাফ তো আসলে। বুকোউস্কি শেষমেশ, ‘আধুনিকতা’র ডিলেমার মধ্যেই আটকায়া থাকেন। ওই ডিলেমার একটা এক্সট্রিম এক্সপ্লোরেশন হয়তো।

২. ব্যাপারটা হইতেছে যে, কোন না কোন কবি’র ওয়ার্ল্ড থিকাই আমরা বাইর হয়া আসি না, বরং নিজেদেরকে আমরা যেইখানে প্লেইস করতে পারি, দেখি যে, আরে, কোন না কোন কবি এইভাবে বইলা রাখছেন তো আগে! বলতে-পারাগুলি’র সাথে আমরা মিলাই আমরা আমাদেরকে। একটু এইদিক-সেইদিক হয় মনেহয়, কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই কবিতার রিয়ালিটির জুতায় সবচে ক্লোজলি আটাইতে পারি আমরা আমাদের ফ্যাণ্টাসিগুলা। তো, বুকোউস্কির রিয়ালিটির টাইমটা পার হইছে মনেহয়। কবি হিসাবে নিজেরে সেন্টার পয়েন্টে তো রাখতেই হয়, কিন্তু যেই পাগলা, আন-সোশ্যাল, ক্র্যাক লোকটারে উনি রাখেন সেন্টারে, সে তার পাগলামি, রেভিউলেশন, ক্রাংকিনেসের ভিতরে যে নিজেরে সুপিরিয়র ভাবতে পারার এজেন্ডারে আপহোল্ড করতে পারে, সেইটা মেবি টাফ এখন। পসিবল না যে তা না। কিন্তু এই ফ্যাণ্টাসিগুলা তো ফেড-ই হইছে; যেমন সিক্সটিইজের হিপ্পিদের ফটো দেখলে এখন যতোটা না ড্রিমি-বিপ্লবী তার চাইতে বিষন্নতার রোগী-ই লাগে কিছুটা। ওইরকম।

তাই বইলা বুকোউস্কি’রে ‘বাতিল’ কবি বইলা মনেহয় না, উনার আউটস্পোকেননেস এখনো রিলিভেন্ট একটা প্যাটার্ন। কবিতা বা আর্ট হইতেছে আসলে উদাহারণ তৈরি করার ঘটনা, যতোটা না ব্যাখ্যা করার। এই জায়গা থিকা, বুকোউস্কি’র কবিতা এক রকমের কবিতারই উদাহারণ। 

যে কোন অনুবাদেই এডিট করাটা একটা ক্রুশিয়াল জিনিস বইলা আমি মনে করি। মুশকিল হইলো, এই অনুবাদগুলি তেমন একটা এডিট করা হয় নাই।  যার ফলে গ্রস কিছু মিসটেক থাইকা যাইতে পারে। একটা ভাষা থিকা আরেকটা ভাষাতে বা একটা  কালচার থিকা আরেকটা কালচারে আসার সময় ব্যাপারগুলি কিছুটা তো চেইঞ্জ হয় – এই সম্ভাবনার বাইরেও কিছু ভুল মনেহয় থাকলোই। 

ডিয়ার রিডার, এই রিস্কগুলিসহ আপনারে আবার বুকোউস্কি পড়ার দাওয়াত দিলাম।

 

ই. হা.

 

—————————————————————


।। ভিয়েতনামের হাতিগুলি ।। পেইন নিয়া ।। মেরি’রে বেক্কল বানানো ।। নরক একটা একলা জায়গা ।। পাপীদের প্লেজারগুলি ।। কেনোগা পার্কে যেই ইয়াং মহিলাটা থাকে ।। বাঁক ।। আমার অমরত্বের উপর একটা থ্রেট ।। এক পাঁক ।। লি পো ভুল কইছিলো? ।। ব্লু মুনও ব্লুউউউউউ মুওওওওন আমি যে কতো ভালোবাসি তোমারে! ।। মদখোর ।। যখন তুমি ওয়েট করতেছো ভোরের হামাগুড়ি দিয়া আসার, পর্দার ভিতর দিয়া ।। যেইভাবে একটা ছিনতাইকারী নিয়া যাবে আইসা তোমার লাইফ ।। হিউম্যান ন্যাচার ।। বড় রকমের চোদনা ।। সোসাইটির বুঝা দরকার ।। কবিতা ।। ম্যাজিকটারে ডিফাইন করা ।।  প্রেম আর সুনাম আর মরণ ।। গান ।। এখন শে ফ্রি ।। ওম্যান অন দ্য স্ট্রিট ।। চিঠিগুলি ।। ভীড়ের প্রতিভা ।। একটা প্রেমের কবিতা ।।

 

—————————————————————

 

ভিয়েতনামের হাতিগুলি

পয়লা তারা করতো কি, সে কইছিলো আমারে
গুলি করতো আর বোমা মারতো হাতিগুলিরে,
অন্য সব আওয়াজগুলি ছাপায়া অদের চিল্লানিগুলি শুনতে পাইতা তুমি,
কিন্তু মাইনষের উপরে বোমা ফালানোর লাইগা তোমারে অনেক উঁচাতে উঠা লাগতো,
তুমি কখনোই এইটা দেখতে পাইতা না,
খালি ছোট একটা ফ্ল্যাশের মতোন উপর থিকা
কিন্তু হাতিদের বেলায়
তুমি দেখতে পাইতা কেমনে এইটা ঘটতেছে
আর শুনতে পাইতা কেমনে অরা চিল্লাইতেছে,
আমি আমার দোস্তদের কইতাম, শোন, তোদের
এইটা স্টপ করা দরকার,
কিন্তু অরা হাসতো
যখন হাতিগুলি ছিটকায়া পড়তো
অদের শূঁড়গুলি ছুঁইড়া দিতো (যেন তাদেরকে উড়াইয়া দেয়া হইতেছে)
অদের মুখগুলি ভেটকায়া থাকতো
হা কইরা আর
অদের হাবা কেবলা ঠ্যাংগুলি লাত্থাইতো
যখন অদের পেটের বিশাল গর্তগুলি থিকা রক্ত বাইর হইতো

তারপরে আমরা ফ্লাইব্যাক করতাম,
মিশন কমপ্লিটেড।
সবকিছু পায়া গেছি আমরা
কনভয়, বাঁধগুলি, ব্রীজগুলি, মানুষ, হাতিগুলি আর
বাকি সবকিছু।

পরে সে কইছিলো আমারে, আমার
খারাপ লাগতো গো
হাতিগুলির লাইগা।

  Continue reading

এডিটোরিয়াল: শাসনের মুসাবিদা

সেক্সে কনসেন্ট বা কবুল করা যেমন, শাসনে তেমন ভোট। সেক্সে কনসেন্টকে পাত্তা না দিলে যেসব কন্সিকোয়েন্স ঘটে, শাসনে ভোটের পাত্তা না থাকলে তেমন সব ফল পাইতে থাকি আমরা। শাসনে জনতার কবুল করার নাম ভোট। ফোটা ফোটা পানি আর দরিয়ার রিশতার মতোই সেক্স আর শাসনের রিশতা।

এক ফোটা নষ্ট পানি দরিয়া নষ্ট করতে পারে না, কিন্তু দরিয়া নষ্ট হইলে পানির ফোটাগুলা আস্তে আস্তে নষ্ট হইতে থাকে। সেক্সে কবুলকে পাত্তা না দেবার একটা দুইটা ঘটনা পানির নষ্ট কয়েকটা ফোটা, শাসনে জনতার কবুল না থাকা বা ভোট না থাকা হইলো পুরা দরিয়া নষ্ট। তাই দেখবেন, যেই দল জনতার কবুল করায় যত কম পাত্তা দেয়, সেই দল গদিতে থাকলে সরকারি লোকেরা তত বেশি রেপ করে। স্ট্যাটিসটিক্স মিলাইয়া দেখেন।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

সমাজ যখন সেক্সে কবুল করারে পাত্তা দেবে না, তখন ভালোর বদলে শক্তির ইজ্জত বাড়তে থাকে; রেপ তখন গর্ব করার মতো খমতা। শাসনে ভোট বা জনতার কবুল না থাকলেও একই ঘটনা ঘটে; ভালোর বদলে শক্তি আর খমতার ইজ্জত বাড়ে। সেই খমতা দেখাইতে রেপ করতে হয় তখন; আপনাদের মনে পড়বে, সরকারি মাইয়ারা অন্য মাইয়ারে রেপ করাবার হুমকি দেয়, কোটা মুভমেন্টের এক মাইয়ারে ফেসবুকে রেপের হুমকি দেবার ঘটনা আছে। হিল ট্রাক্টস-এ এক চাকমা মাইয়া বই লিখছিল, জবাবে তারে রেপের হুমকি দেবার ঘটনা আছে।

মানুষের লগে আর সব পশুপাখির ফারাক কই? কালচার-ভাষা-সমাজ? না। শিম্পাঞ্জিদের সমাজ-ভাষা-কালচার আছে। ডিপ্রেশন? না। লবস্টারদের ডিপ্রেশন আছে বইলা দেখছেন কানাডার সাইকোলজিস্ট জর্ডান পিটারসেন। লবস্টারদের উপর এন্টি-ডিপ্রেসেন্ট ড্রাগ মানুষের মতোই কাম করে, জানাইছেন উনি। তাইলে কি?

গ্যাঙ রেপ!

মানুষ এই ব্যাপারে ইউনিক। মাছ বা কুত্তা বা বান্দরেরা গ্যাঙ রেপ করে না। রেপ করতে যেমন হাত লাগে, তেমন হাত কেবল মানুষেরই আছে; কিছু বান্দরের থাকতে পারে, কিন্তু ঐ সব বান্দর সমাজে কিছু রেপ থাকলেও গ্যাঙ রেপ নাই। গ্যাঙ রেপের জন্য দরকারি ডেভলাপড হুশ/কনসাসনেস/কালচার মানুষেরই আছে কেবল! কেমন মানুষের হুশ আর কালচারের এই দিকটা?

এই ব্যাপারে বোঝাবুঝির দরকারে আপনে মানুষের ইগো’র লগে আর সব মাকলুকাতের ইগো’র তুলনা করতে পারেন; টাসকি খাবার মতো ব্যাপার পাইবেন মনে হয়!

মানুষের ইগো নাকি কুত্তা বা বিলাই বা বাঘের ইগো বেশি পাওয়ারফুল? পোষা কুত্তা-বিলাই’র মাঝে হামেশাই জেলাসি পাইবেন, আপনের পোষা বিলাই হিংসা করতে পারে আপনের নাগর বা বাচ্চারে। মানুষের মাঝেও জেলাসি বা হিংসা (এইখানে একটা নোকতা দেবার দরকার আছে–ভারতের মহাত্মা গান্ধির ছাও না হইলে জেলাসির বাংলা হিসাবে হিংসা পাইবেন বাংলায়, ছাও হইলে ভাববেন, হিংসা মানে খুনাখুনি; ‘হিংসুইটা’ শব্দটায় আরো সাফ সাফ বোঝা যাইতেছে।) দেখা যায়।

তো, এই হিংসা হইলো ইগোর ফেনা। মানুষ নিজের হিংসা উতরাইয়া উঠতে পারে প্রায়ই, পশুরা ততোটা পারে না বইলাই আমার আন্দাজ। আমাদের মনে হইতে পারে, এইটা আলবত মানুষের গুণ, আশরাফুল মাকলুকাত হবার আরেকটা কারণ। কিন্তু মানুষের এই গুণেরই আরেকটা নেসেসারি ফল হইলো গ্যাঙ রেপ! ঠিকই পড়ছেন, এইটাই লিখছি আমি :)।

দুইটা পোলা ক্যাঙারু মারামারি করে, মাইয়া হয়তো একটু দূরে বইসা ওয়েট করতেছে, দুই পোলার যে জিতবে তার লগে সেক্স হবে; এমন মারামারি আছে পোলা বান্দর বা গরুদের মাঝেও মনে হয়। এনারা যদি ক্যাঙারু বা বান্দর বা গরু না হইয়া মানুষ হইতো তাইলে হয়তো মারামারি না কইরা গ্যাঙ বানাইতে পারতো, গ্যাঙ রেপ করতে পারতো। আপনে কইতে পারেন, দুই পোলা মানুষও কোন এক মাইয়ার ইস্যুতে এমন মারামারি করে! করে। কিন্তু আমার পয়েন্ট হইলো, পোলারা এমন মারামারি করলেও পেরায়ই আমরা গ্যাঙ রেপের নিউজ পড়ি, শুনি, ঘটে। কিন্তু পশুদের বেলায় এমন গ্যাঙ রেপ একদমই নাই! Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →