স্যাডের জীবন: রলাঁ বার্থ।
স্যাডিজম বা স্যাডিস্ট শব্দটা বাংলাভাষায় যতোটা পরিচিত, স্যাডে বিষয়ে টেক্সট ততোটা না। একটা সময় হয়তো কিছু অনুবাদ হয়া থাকতে পারে, তাঁর লেখার; কিন্তু ব্যাপারটা এক ধরণের ট্যাবু যদি নাও হয়, তারপরও না-বলার ভিতর ত আছে, অবশ্যই। এইটা স্যাডের সমালোচনামূলক একটা জীবনী, যেইখান থিকা বাংলাভাষায় স্যাডে পড়া শুরু হইতে পারে।
রলাঁ বার্থের এই লেখা, “স্যাডের জীবন”, ইংরেজীতে অনুবাদ করছিলেন রিচার্ড মিলার। অরিজিনালটা ছাপা হইছিল স্যাডে, ফুরিয়ার, লয়েলা বইটাতে (পৃষ্টা: ১৭৩ – ১৮২), যেইটা পাবলিশ হইছিল ১৯৭৬সালে । ইংরেজী টেক্সটটা এইখানে পাওয়া যাবে: http://bit.ly/fvmjGa। আর বইটা পড়তে পারবেন এই ঠিকানায়: http://bit.ly/14WoHD3
– ই. হা.।
____________________________________
১. শব্দের বুৎপত্তিগত শিকল: স্যাড, স্যাডো, স্যাডোনে, স্যাজো, স্যায়োজা (স্যাজের গ্রাম); আবার, এই বংশ-পরাম্পরায় হারাইয়া যাওয়া, শয়তানি অক্ষরটা। এই অভিশপ্ত নাম নেয়াটা, উজ্জ্বলভাবে ব্যবস্থিত (এইটা উৎপাদন করে একটা কমন নাওন), অক্ষরটাতে, যা ফরাসিতে আমরা বলি, জেবরাস, দ্য জেড, দাঁতের সবচেয়ে মোলায়েম স্পর্শের পথে। [pullquote][AWD_comments] [/pullquote]
২. মানুষজন, যারা এখন সাধু সেইন্ট-জার্মেইন-ডেইস-প্যার্স এর সময়ে বাঁইচা আছেন, তাদের অবশ্যই মনে রাখা দরকার যে তারা একটা স্যাডানিয়ান এলাকার মধ্যে আছেন। স্যাডে জন্মাইছিলেন হোটেল দো কঁদে’র একটা ঘরে, যেইটা মোটামুটি রুঁয়-মঁসিয়ে-লঁ-পাঁস এবং রুঁয়-দো-কঁন্দে এর মধ্যে; তিনি ব্যাপ্টাইজড হইছিলেন সঁ-সঁল্পিস এ; ১৭৭৭-এ তিনি বন্দী হন লেটার দো কেঁসে ‘র (রাজা’র ফরমান) অধীনে, রু জ্যাকবের হোটেল ডি ডেনমার্কে (সেই রাস্তাতেই যেইখানে এই বইটার ফরাসি এডিশন ছাপা হইছিল), আর সেইখান থিকা ভিনসেনাঁর অন্ধকূপ জেলখানায় নিয়া আসা হয়।
৩. ১৭৭৯ এর বসন্তে, স্যাডে যখন ভিনসেনাঁয় বন্দী, তিনি একটা চিঠি পান যা তারে বলে যে – লাঁ কস্তেঁ’তে ফলের বাগান চোখ ঝলসাইয়া দিতেছে: চেরির কুঁড়ি ফুটছে, আপেল, নাশপাতি গাছগুলি, আঙুর, আর বলার দরকার নাই, ওক-ও আছে। স্যাডের জন্য, লাঁ কস্তেঁ ছিল একটা মাল্টিপল ব্যাপার, একটা সম্পূর্ণ জায়গা; প্রথম, একটা প্রাদেশিক জায়গা, আসল জায়গা, ফিরা যাওয়ার (তাঁর জীবনের প্রথম অংশ জুইড়া এইটা ছিল; স্যাডে যদিও একজন ফেরারি, ভূতগ্রস্থ, সেইখানে ক্রমাগত ফিরছেন, তাচ্ছিল্যের কামুকতায়); পরবর্তীতে: সর্বময় ক্ষমতার একটা জায়গা, একটা অনুচিত্র এবং পুরা সমাজ যেইখানে তিনি মাস্টার, তার আয়ের একটা অনন্য উৎস, তার স্টাডির জায়গা (তার লাইব্রেরি সেইখানে ছিল), থিয়েটারের জায়গা (তারা কমেডিগুলা করতো), আর তার ল্যাম্পটের জায়গা (স্যাডের ছিল চাকর, ইয়াং চাষী-মেয়েরা, তরুণ সেক্রেটারিরা, সেশনের জন্য নিয়া আসা, যেইখানে মারকুইস নিজেও থাকতেন); এর জন্য, স্যাড লাঁ কস্তেঁতে বারবার ফিরতে চাইতেন তার ক্লান্তিহীন ভ্রমণের পরে, সেইটা গ্রামদেশে গিয়া মানসিক শান্তির জন্যে না, যেইটা দ্য আসপেল্ট জাঙ্গাল এর গ্যাংস্টাররে দেখানো হইছে যে সে সেই ফার্মের গেইটে গিয়া মরতে চায় যেইখানে সে জন্মাইছিলো; সবসময়ের মতোই এইটা একটা বহুত্ব, অতি-নির্দেশিত, সম্ভবত বিপরীত অর্থমূলক।
