Main menu

স্যাডের জীবন: রলাঁ বার্থ।

স্যাডিজম বা স্যাডিস্ট শব্দটা বাংলাভাষায় যতোটা পরিচিত, স্যাডে বিষয়ে টেক্সট ততোটা না। একটা সময় হয়তো কিছু অনুবাদ হয়া থাকতে পারে, তাঁর লেখার; কিন্তু ব্যাপারটা এক ধরণের ট্যাবু যদি নাও হয়, তারপরও না-বলার ভিতর ত আছে, অবশ্যই। এইটা স্যাডের সমালোচনামূলক একটা জীবনী, যেইখান থিকা বাংলাভাষায় স্যাডে পড়া শুরু হইতে পারে।

রলাঁ বার্থের এই লেখা, “স্যাডের জীবন”, ইংরেজীতে অনুবাদ করছিলেন রিচার্ড মিলার। অরিজিনালটা ছাপা হইছিল স্যাডে, ফুরিয়ার, লয়েলা বইটাতে (পৃষ্টা: ১৭৩ – ১৮২), যেইটা পাবলিশ হইছিল ১৯৭৬সালে । ইংরেজী টেক্সটটা এইখানে পাওয়া যাবে: http://bit.ly/fvmjGa। আর বইটা পড়তে পারবেন এই ঠিকানায়: http://bit.ly/14WoHD3

– ই. হা.। 

____________________________________

 

১. শব্দের বুৎপত্তিগত শিকল: স্যাড, স্যাডো, স্যাডোনে, স্যাজো, স্যায়োজা (স্যাজের গ্রাম); আবার,  এই বংশ-পরাম্পরায় হারাইয়া যাওয়া, শয়তানি অক্ষরটা। এই অভিশপ্ত নাম নেয়াটা, উজ্জ্বলভাবে ব্যবস্থিত (এইটা উৎপাদন করে একটা কমন নাওন), অক্ষরটাতে, যা ফরাসিতে আমরা বলি, জেবরাস, দ্য জেড, দাঁতের সবচেয়ে মোলায়েম স্পর্শের পথে। [pullquote][AWD_comments] [/pullquote]

২. মানুষজন, যারা এখন সাধু সেইন্ট-জার্মেইন-ডেইস-প্যার্স এর সময়ে বাঁইচা আছেন, তাদের অবশ্যই মনে রাখা দরকার যে তারা একটা স্যাডানিয়ান এলাকার মধ্যে আছেন। স্যাডে জন্মাইছিলেন হোটেল দো কঁদে’র একটা ঘরে, যেইটা মোটামুটি রুঁয়-মঁসিয়ে-লঁ-পাঁস এবং রুঁয়-দো-কঁন্দে এর মধ্যে; তিনি ব্যাপ্টাইজড হইছিলেন সঁ-সঁল্পিস এ; ১৭৭৭-এ তিনি বন্দী হন লেটার দো কেঁসে ‘র (রাজা’র ফরমান) অধীনে, রু জ্যাকবের  হোটেল ডি ডেনমার্কে (সেই রাস্তাতেই যেইখানে এই বইটার ফরাসি এডিশন ছাপা হইছিল), আর সেইখান থিকা ভিনসেনাঁর অন্ধকূপ জেলখানায় নিয়া আসা হয়।

মার্কুইস দ্য স্যাডে

মার্কুইস দ্য স্যাডে

৩. ১৭৭৯ এর বসন্তে, স্যাডে যখন ভিনসেনাঁয় বন্দী, তিনি একটা চিঠি পান যা তারে বলে যে –  লাঁ কস্তেঁ’তে ফলের বাগান চোখ ঝলসাইয়া দিতেছে: চেরির কুঁড়ি ফুটছে, আপেল, নাশপাতি গাছগুলি, আঙুর, আর বলার দরকার নাই, ওক-ও আছে। স্যাডের জন্য, লাঁ কস্তেঁ ছিল একটা মাল্টিপল ব্যাপার, একটা সম্পূর্ণ জায়গা; প্রথম, একটা প্রাদেশিক জায়গা, আসল জায়গা, ফিরা যাওয়ার (তাঁর জীবনের প্রথম অংশ জুইড়া এইটা ছিল; স্যাডে যদিও একজন ফেরারি, ভূতগ্রস্থ, সেইখানে ক্রমাগত ফিরছেন, তাচ্ছিল্যের কামুকতায়);  পরবর্তীতে: সর্বময় ক্ষমতার একটা জায়গা, একটা অনুচিত্র এবং পুরা সমাজ যেইখানে তিনি মাস্টার, তার আয়ের একটা অনন্য উৎস, তার স্টাডির জায়গা (তার লাইব্রেরি সেইখানে ছিল), থিয়েটারের জায়গা (তারা কমেডিগুলা করতো), আর তার ল্যাম্পটের জায়গা (স্যাডের ছিল চাকর, ইয়াং চাষী-মেয়েরা, তরুণ সেক্রেটারিরা, সেশনের জন্য নিয়া আসা, যেইখানে মারকুইস নিজেও থাকতেন); এর জন্য, স্যাড লাঁ কস্তেঁতে বারবার ফিরতে চাইতেন তার ক্লান্তিহীন ভ্রমণের পরে, সেইটা গ্রামদেশে গিয়া মানসিক শান্তির জন্যে না, যেইটা দ্য আসপেল্ট জাঙ্গাল  এর গ্যাংস্টাররে দেখানো হইছে যে সে সেই ফার্মের গেইটে গিয়া মরতে চায় যেইখানে সে জন্মাইছিলো; সবসময়ের মতোই এইটা একটা বহুত্ব, অতি-নির্দেশিত, সম্ভবত বিপরীত অর্থমূলক।

Continue reading

ফরহাদ ভাই নিশ্চই বুঝবেন

[youtube id=”CevxZvSJLk8″ mode=”normal” align=”center”]

ফরহাদ ভাই বুঝবেন, আমি নিশ্চিত; বিশেষ করে তাঁর রাজনীতিজ্ঞান এবং চিন্তার অনুগ্রাহী যাঁরা, তাদের কথা এই একটা বারের জন্য হলেও তিনি ফেলতে পারবেন না। বুঝি যে, এভাবে নিরন্তর গালাগালি আর বহুবিধ রিকগনাইজিং অথরিটির অবিরত প্রত্যাখ্যানে মনে উষ্মা জমে, ক্ষোভে ফুলে থাকে পেট, খাদ্যে অরুচি হয়, কৃষিবিপ্লব না ঘটা ধানক্ষেতে আজনম ঘোরা রাজহাঁসের ডিম চুনাপাথরের গোল্লার মতো মনে লাগতে পারে বা ব্রহ্মের পিচ্ছি অণ্ডের মতো; [pullquote][AWD_comments][/pullquote] ঠোঁট হয়ে উঠতে পারে ধাতব, এমন ঠোঁটে মানুষের চিরন্তন অনভ্যাস–প্রেমাস্পদকে চুমাইয়া আহত করবার ঝুঁকি আছে; কেননা, সেই ওষ্ঠাধর নাই আর মাখনের পুলি! কষ্ট হবারই কথা, এ বাষ্প বের করা দরকার, নচেৎ কমে যাবে আয়ু! কিন্তু নন-ফিকশনে এ বায়ু ধরে না, নিজেকে পুরাই খুলে ফেলবার জায়গা আসলে ফিকশন।

ফলে কবিতাই ভালো এবং নিরাপদ। এবং এ কবিতা হয়ে উঠবে নতুন; এমন বিক্ষোভ বাংলা কবিতায় আগেও পাওয়া যাবে; সমারূঢ় তো আইকনিক! কিন্তু ফরহাদ ভাইয়ের প্রত্যাখ্যান আছে ঐ সব কাব্যভঙ্গি আর অনুভূতিমালার প্রতি, দর্পিতা ঘোষণা দিয়াই। Continue reading →

প্রাইভেসি দিয়া কী করবো আমি?

সেলিম রেজা নিউটন আজকে (২৬ আগস্ট ২০১৩) একটা ফেসবুক নোটে { http://goo.gl/571mTH :: সর্বগ্রাসী সেনা-রাষ্ট্র-কর্পোরেট নজরদারি ঠেকাবেন কীভাবে? (এনএসএ-এফবিআই-সিআইএ বনাম মানুষ)}ট্যাগ করলেন আমারে; গুগোল/জিমেইল, ফেসবুক ইত্যাদি অতি জনপ্রিয় সাইটগুলি যে ইউজারদের তথ্য জমায়, বেচে দেয়, সরকার/ সিআই/এফবিএ টাইপ বিভিন্ন নজরদারি প্রতিষ্ঠানরে দেয়—এ সব জানাইছেন নিউটন। [pullquote][AWD_comments] [/pullquote]এই চোর সাইটগুলি যেসব সার্ভিস দেয় সেগুলি পাবার অল্টারনেটিভ বেশ কিছু ঠিকানাও দিছেন। ইনফর্মেটিভ। আমাদের জানার দরকার আছে—কে কিভাবে আমাদের দ্যাখে বা বিক্রি করে। নিউটন ভালো। এমন ভালো আরো আছেন বহু চিন্তক, তাত্ত্বিক, বামপন্থী, কর্পোরেট বিরোধীরা। বুদ্ধিবৃত্তিক বিবিধ স্পেসে একই ধরনের চিন্তা আছে বলে জানি; আমার এই লেখায় নিউটনরে সামনে রাখলেও তর্কটা সবার সাথেই।

[pullquote]বাংলাদেশের বাচ্চাদের উপর মার্কিন আর্মির জন্য তৈরি ওষুধ টেস্ট করে দেয় আইসিডিডিআরবি, আর বাংলাদেশের তথ্য পাবে না যুক্তরাষ্ট্র—তাই ভাবেন আপনে? আপনে বরং স্মার্টফোনে লোকেশন রিপোর্টিং অন কইরা রাজশাহী রাইখা ঢাকায় আসেন, আইসা মার্কিন দূতাবাসের সামনে দুইটা চক্কর মাইরা তাদের সিসিক্যামে ওঠেন; বড়ো কুসুমের তিনটা আন্ডা খান, আপনের প্রাইভেসি খুইলা মার্কিন সিসিক্যামের সামনে পাদ মারেন দুইটা। গুগোল আর ফেসবুক আপনারে রাজশাহী বলে রিপোর্ট করুক; মার্কিন দূতাবাসের সামনে আসল নাকি নকল আপনে সেইটা যাচাই করুক মার্কিন কেরানিরা।[/pullquote]

তো, এ ব্যাপারে আমাদের করাকরি ঠিক করার আগে আরো কিছু জিনিস জানা দরকার; সেইগুলা নিউটনের নোটে নাই। পরে এগুলি নিয়া আরো লিখতে চাইছেন নিউটন; ভাবলাম, নিউটনের এ যাবত চিন্তা আউলাইয়া দিয়া আরো ভালো চিন্তা করার সুযোগ করে দেই ওনারে। কেননা, আমি নিউটনের চাইতে জানি কম, বুঝি বেশি। Continue reading

সোনাবন্ধু’র পিরীতি এবং ভালবাসার সুশীল ডিসকোর্স

মানস চৌধুরীর (২০০০) আগে পরে গান নিয়া তত্ত্ব ও গবেষণামূলক কাজ করছেন তেমন দুইজনের লেখার সাথে পরিচয় আছে আমার; আগে ফরহাদ মজহার, পরে সুমন রহমান; এনাদের দুইটা বইয়ের কথা বলতে হবে বিশেষ করে, ভাবান্দোলন (২০০৮) এবং কানার হাটবাজার (২০১১)।

জনাব মজহারের ভাবান্দোলন ২০০৮ সালে প্রকাশিত হলেও তিনি লালন ও তাঁর গান নিয়ে লিখছেন সম্ভবতঃ ১৯৯০ দশকের শুরু থেকেই। গান নিয়া মজহারের লেখার দার্শনিক-রাজনৈতিক তাৎপর্য আছে; এডোয়ার্ড সাইদের ওরিয়েন্টালিজম, তালাল আসাদের কলোনিয়াল ডিসকোর্স ও ধর্মতত্ত্ব নিয়ে কাজ এবং পার্থ চ্যাটার্জিদের নিম্নবর্গের ইতিহাস—ইত্যাদির মাধ্যমে পোস্ট-কলোনিয়াল চিন্তা ও নিও-মার্ক্সিস্ট রাজনীতির যেই চর্চা শুরু হয় তাতে বাংলাদেশে জনাব মজহারের কাজ গুরুত্ব পাবে; একই সাথে বঙ্কিম চিহ্নিত ‘বাঙালি মুসলমান’-এর জাতীয়তাবোধ তৈরিতে অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক ও আহমদ ছফার ইন্টেলেকচুয়াল তৎপরতায় জাতীয়তাবাদী ভূমিকা রাখছে মজহারের কাজ।

কলোনাইজড/আধুনিক মিডল ক্লাসের কাছে লালনকে আনফোল্ড করেন জনাব মজহার, লালনের গভীরতা এবং চিন্তার সূক্ষ্মতা ও জটিলতা দেখাইয়া বিস্ময় উৎপাদন করেন। আধুনিক পশ্চিমকে এই মিডল ক্লাস যেহেতু গভীর-জটিল বলেই শ্রদ্ধা করে তাই লালনও শ্রদ্ধেয় হইয়া ওঠেন; ফলে, ‘বাঙালি মুসলমান’ জাত্যাভিমানী হবার প্রেরণা পাইতে থাকে মজহারের কাজে। এইভাবে, ‘বাঙালি মুসলমান’-এর জাতীয় চৈতন্য গঠনে দরকারি গ্র্যান্ড-ন্যারেটিভ জেনারেট করছেন জনাব মজহার। আবার, ‘ফকির’ বা ‘বাউল’ বা লালন সাঁইর ‘সাধক’ যদিও কেবলই মেল (ছেলে) এবং বৈষম্য বিরোধিতা নিতান্তই জাত-পাতগত, সম্পত্তির সাম্যের রাজনীতির বিপরীতে মিস্টিক বৈরাগ্য উৎপাদী (পার হইতে চাওয়া) তবু লালনের গানে মার্ক্সবাদী এসেন্স আবিষ্কার করেন মজহার; তাতে কনভিন্সড হইয়া মিডল ক্লাসের নীতিক্লিষ্ট একাংশ মার্ক্সবাদী হবার জন্য মজহারের লালনভোগী হইছেন। আমার বিচারে বৈষম্য বিরোধিতায় লালনের চাইতে মডার্নিটি আগানো; মডার্নিটি বর্ণ-ধর্ম বাদেও লিঙ্গকেও ভেদ না করে অন্তত একটা আইনী সাম্যের প্রস্তাব করছে।

মানস চৌধুরীর কাজে গ্র্যান্ড-ন্যারেটিভ তৈরির লোভ নাই; এইটা বরং ক্লাসের ভিন্নতা যে গানের ভোগ পর্যন্ত বিস্তৃত, সেইটা আনফোল্ড করে। ওনার এই আনফোল্ডিং-এর মধ্যে নিম্ন-বর্গের ইতিহাস ও পোস্ট-কলোনিয়ালিজমের এসেন্স আছে। পিরীত আর ভালোবাসা যে প্রতিশব্দ না, বরং ক্লাসের ভিন্নতা– সেইটা দেখাইয়া দেন জনাব চৌধুরী; এই ভিন্নতা তৈরি ও চালু থাকায় কলোনিয়াল ডিসকোর্সের কায়-কারবার নিয়া বলাবলি করছেন মানস চৌধুরী।

[pullquote]বিশেষ ঐতিহাসিক সময়ে, মধ্যবিত্ত শ্রেণী বিকাশের আগে, লোকসমাজের জীবন ও চিন্তারীতিতে ‘শ্লীলতার’ মধ্যবিত্ত প্রশ্নটিই অবান্তর ছিল। রাধারমণের গানকে মধ্যবিত্ত ‘ভদ্রলোকে’র নীতিনৈতিকতার শাসনের মধ্যে বড়সরোভাবে পড়তে হয়নি।[/pullquote]

সুমন রহমানকে বলতে হবে মানস চৌধুরীর তত্ত্ব-চাইল্ড; উভয়ে কালচারাল স্টাডিজের অ্যারেনায় ঘুরছেন। গানের প্রাকটিস ও কনজাম্পশনে ক্লাসের ভিন্নতা নিয়া মানস চৌধুরীর অ্যাজাম্পশনগুলিরে কাজে লাগান জনাব রহমান। জনাব চৌধুরীর সোনাবন্ধু’র পিরীতি এবং ভালবাসার সুশীল ডিসকোর্স (২০০০) এবং ‘সূক্ষ্ম প্রেমে’র অর্থ: নিম্নবর্গীয় গানে যৌনতা এবং নারীর আত্মসত্তা (২০০১)—এই দুইটা লেখায় যেই কনসেপ্ট ও ইঙ্গিতগুলি পাওয়া যায় সেগুলি জনাব রহমান নগরায়নের বাস্তবতায় এক্সপ্লোর করেন। এর বাইরে নিম্নবর্গের জীবন ও রাজনীতিতে গানের কনজ্যুমিং কতটা ব্যাপ্ত থাকছে তা বুঝতে জনাব রহমানের কিছু ঋণ আছে ফরহাদ মজহারের কাছে। ইত্যকার তাত্ত্বিক ধারাবাহিকতায় ধর্ম ও লিঙ্গ হিসাবে গানের কনজ্যুমিং-এর ভিন্নতা কতোটা হয়—সেসব নিয়াও কাজ হবে আশা করা যায়।

মানস চৌধুরীর এই দুইটা লেখা বাছবিচারে প্রকাশ করা হবে; এখন প্রকাশিত হলো প্রথমটা। –রক মনু Continue reading

আমি আর কার্ল জনসন

ভিডিও গেমস নিয়া মৃদুল শাওনের এই  গদ্য  প্রকৃতির বর্ণনার একটা নতুন ভার্সন; যেইখানে ভিডিও গেমস খালি টাইম-পাস এর একটা ঘটনা হিসাবেই আইডেন্টিফাইড না। একটা নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট ধরণের গেমস কোন লাইফ-স্টাইলরে প্রমোট করতে চায়, তার একটা ডকুমেন্ট হিসাবেও রিড করা সম্ভব, পপুলার কালচারের ভিতর।

– ই. হা.।

___________________________________________________________

গেমটার নাম ছিল জিটিএ সান-অ্যান্ড্রিয়াস। কম্পিউটারে খেলতে হইত। জিটিএ এর পূর্ণ রূপ হইল- গ্র্যান্ড থেফট অটো। জিটিএ সিরিজের আরো অনেক গেম ছিল, যেমন ভাইস সিটি বা জিটিএ থ্রি। ওইগুলা তেমন ভালো লাগে নাই। আমি যখন খেলতাম তখন সান-অ্যান্ড্রিয়াসই আধুনিক অর্থে সর্বশেষ। পরে আরো ‘উন্নত’ জিটিএ আসছে, কিন্তু গেম খেলিনা বইলা মনোযোগ দেওয়া হয় নাই।

[pullquote]একসময় কার্লরে দিয়া ভায়োলেন্স আমি আর করাইতাম না। চ্যাপেলের সামনের বেঞ্চে বইসা থাকত সে। মানুষ দেখত। মাঝে মাঝে লোনলি কেউ আইসা বেঞ্চের অন্য কোণায় বসত। কখনো কখনো কার্ল চ্যাপেলের ছাদে যাইত। তখন অলরেডি সে গ্রে কালারের ফুলপ্যান্ট আর ফুলস্লিভ চেক শার্ট পরা। ক্যাপ নাই।[/pullquote]

সান-অ্যান্ড্রিয়াস খেলা শুরু করি ২০০৭ সালে, এসএসসি পরীক্ষা দিয়া ফালাইছি তখন। আর সব কিছু বাদ দিয়াই গেমটার গ্রাফিক্স, ভিজ্যুয়াল আর সাউন্ড এমন ছিল যে, এইটারে বাদ দিয়া মনোযোগ কাইড়া নিতে পারবে এমন কিছু আর ছিলনা। গেমের ভিতরে একটা শহরের নাম সান-অ্যান্ড্রিয়াস। সম্ভবত আমেরিকার লস এঞ্জেলসরে অনুকরণ কইরা ডিজাইন করা। হলিউডের মত একটা জায়গা ছিল ওই শহরে, সবুজ পাহাড়ের উপর বড় বড় সাদা অক্ষরে লেখা    V I N E W O O D। আমার কোনো কোনো কাজিন সান-অ্যান্ড্রিয়াস বলত না, বলত স্যানানড্রিয়াস। সান-অ্যান্ড্রিয়াস গেমের নায়কের নাম ছিল কার্ল জনসন। সংক্ষেপে সিজে, ইংরেজীতে লেখা থাকত CJ. অনেকগুলা মিশন কমপ্লিট করতে হবে এমন দায়িত্ব নিয়া সে সান-অ্যান্ড্রিয়াসে পৌছায় গেমের শুরুতে। তার চেহারা বইলা দিত সে আফ্রো-আমেরিকান। সে গ্যাংস্টার। তার গ্রুপের অন্যদের সাথে সে দেখা করে। শহরে আরো অনেক এন্টি গ্রুপ ছিল। তারা সবসময় কার্লরে মাইরা ফেলতে চাইত।

Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →