Main menu

সাম্য (পঞ্চম পরিচ্ছেদ)

বাংলায় প্রথম নারীবাদী লেখা বলতে হবে এটাকে; প্রথম প্রকাশিত হয় বঙ্গদর্শনে বেগম রোকেয়ার (রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, ১৮৮০–১৯৩২) জন্মের কয়েক বছর আগে, পরে সাম্য নামের বইয়ে ১৮৭৯ সালে।

‘সাম্য’ বইটা বঙ্কিম প্রত্যাহার করছিলেন, বা  এই বইয়ের মত ‘ভুল’ বলছিলেন বলে প্রচার আছে; এটা মিথ্যা। ১৮৮৭ সালে ‘প্রবন্ধ পুস্তক’র ভূমিকায় বঙ্কিম জানান, “এই জাতীয় আরও কয়েকটি মৎপ্রণীত প্রবন্ধ বঙ্গদর্শনে প্রকাশিত হইয়াছিল। নানা কারণে সে গুলি এক্ষণে পুনর্মুদ্রাঙ্কনের অযোগ্য বিবেচনা করিলাম।” এর বাইরে অবস্থান পরিবর্তন বা প্রত্যাহার বিষয়ে আর কিছু জানান নাই। পরে বিবিধ প্রব্ন্ধ’র ভূমিকায় ‘সাম্য’ ‘বিলুপ্ত’ করার কথা জানাইছেন। পুনর্মুদ্রণ না করা’র বাইরে বিলুপ্ত করার আর কোন অর্থ করা মুশকিল।  –রক মনু

————

মনুষ্যে মনুষ্যে সমানাধিকারবিশিষ্ট—ইহাই সাম্যনীতি। কৃষক ও ভূম্যধিকারীতে যে বৈষম্য, সাম্যনীতিভ্রংশের প্রথম উদাহরণ স্বরূপ তাহার উল্লেখ করিয়াছি। দ্বিতীয় উদাহরণ স্বরূপ স্ত্রীপুরুষে যে বৈষম্য, তাহার উল্লেখ করিব।

মনুষ্যে মনুষ্যে সমানাধিকারবিশিষ্ট। স্ত্রীগণও মনুষ্যজাতি, অতএব স্ত্রীগণও পুরুষের তুল্য অধিকারশালিনী। যে যে কার্যে পুরুষের অধিকার আছে, স্ত্রীগণেরও সেই সেই কার্যে অধিকার থাকা ন্যায়সঙ্গত। কেন থাকিবে না? কেহ কেহ উত্তর করিতে পারেন যে, স্ত্রী পুরুষে প্রকৃতিগত বৈষম্য আছে; পুরুষ বলবান্, স্ত্রী অবলা পুরুষ সাহসী, স্ত্রী ভীরু; পুরুষ ক্লেশসহিষ্ণু, স্ত্রী কোমলা; ইত্যাদি ইত্যাদি; অতএব যেখানে স্বভাবগত বৈষম্য আছে, সেখানে অধিকারগত বৈষম্য থাকাও বিধেয়। কেন না, যাহাতে অশক্ত, সে তাহাতে অধিকারী হইতে পারে না। Continue reading

বাংলাভাষা পরিচয় – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [১৯৩৮]

This entry is part 10 of 22 in the series লেখার ভাষা

এইখানে এ কথা স্বীকার করতেই হবে, সংস্কৃতের আশ্রয় না নিলে বাংলা ভাষা অচল। কী জ্ঞানের কী ভাবের বিষয়ে বাংলা সাহিত্যের যতই বিস্তার হচ্ছে ততই সংস্কৃতের ভাণ্ডার থেকে শব্দ এবং শব্দ বানাবার উপায় সংগ্রহ করতে হচ্ছে। পাশ্চাত্য ভাষাগুলিকেও এমনি করেই গ্রীক-লাটিনের বশ মানতে হয়। তার পারিভাষিক শব্দগুলো গ্রীক-লাটিন থেকে ধার নেওয়া কিংবা তারই উপাদান নিয়ে তারই ছাঁচে ঢালা। ইংরেজি ভাষায় দেখা যায়, তার পুরাতন পরিচিত দ্রব্যের নামগুলি স্যাক্‌সন এবং কেল্ট। এগুলি সব আদিম জাতির আদিম অবস্থার সম্পত্তি। সেই পুরাতন কাল থেকে যতই দূরে চলে এসেছে ততই তার ভাষাকে অধিকার করেছে গ্রীক ও লাটিন। আমাদেরও সেই দশা। খাঁটি বাংলা ছিল আদিম কালের, সে বাংলা নিয়ে এখনকার কাজ ষোলো-আনা চলা অসম্ভব। Continue reading

নুসরাত ফতেহ আলী খানের লগে আলাপ

নুসরাত ফতেহ আলী খান নিয়া কিছু বলার জরুরত, মানে চিন পরিচয় করানোর কোনো হাউশ আমার নাই। নুসরাত আপন গুণেই মশহুর আছেন দুনিয়াজোড়া। তার গায়কির বিশেষ ধরন সকলের মনেই গুনগুনায় উঠে- দোস্ত বন্ধুরা এমনটাই জানাইছেন। দোস্ত-বন্ধুদের কথায় ইমান আমার ষোলআনা। ফলে, সেইদিকে আর গেলাম না। তার চাইতে কিছু না বইলা লেখায় ঢুকে পড়াই বেহতর।

১৯৮৮-তে নেয়া নুসনাত ফতেহ আলী খানের এই সাক্ষাতকার পয়লা ছাপা হয় ২০০৭-এ। সাক্ষাতকারগ্রহীতা আছিলেন আদম নায়ার। পড়তে পড়তে ভাবলাম তর্জমা হউক বরং। ফলে, তর্জমা হইলো। ভুল বোঝাবুঝির তো শেষ নাই দুনিয়ায়। এই তর্জমাতেও হয়তো সেই ভুল বোঝাবুঝির কিছু নমুনা বর্তমান রইলো।–জামিল আহমেদ

—————

::আপনার পরিবারের সাংস্কৃতিক আবহের বিষয়ে কিছু বলুন।

প্রথমেই আমার শ্রোতাদের জানাতে চাই যে, কাওয়াল ‘বাচো কা ঘরানা’ থেকে এসেছি আমি। বহু প্রজন্ম ধরে এই ঘরানা আমাদের সাথেই আছে। অন্যান্য ঘরানার সাথে যদি তুলনা করি তো বলা ভালো টেকসই দীর্ঘমেয়াদী ঘরানাগুলোর অন্যতম এই ঘরানা। আপনি শুনলে মুগ্ধ হয়ে যাবেন যে, বহু অসাধারণ সঙ্গীতকার বেরিয়েছেন এই ঘরানা থেকে। একে একে নাম করলে বেরিয়ে আসে ওস্তাদ ফতেহ আহমেদ খান, ওস্তাদ বড় মুহম্মদ খান, ওস্তাদ বড় মুবারক আলী খানের নাম।এর বাইরে, কাওয়াল ঘরানাতে তনারস খানের মতো সঙ্গীতকার রয়েছেন যিনি কিনা খুদ কাওয়ালেরই প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি নিজেই একটি একক সংহত অনন্য ঘরানা। এর পরপরই চলে আসেন আগা খান, খান সাহেব বৈরম খানের মতো কাওয়ালের নাম। গোয়ালিয়র ঘরানায় রয়েছেন হাদ্দু হাসু খানের মতো সঙ্গীতকার।::অন্যান্য কাওয়ালেরাও কি আপনার মতোই রাগপ্রধান সঙ্গীতের কাজে উৎসাহী?

ধ্রুপদী সঙ্গীতের গুরুত্ব আমাদের কাছে অপরিসীম। আমরা সঙ্গীত সাধনার শুরুতেই প্রচুর পরিমাণে ধ্রুপদী সঙ্গীতের চর্চার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাই বলে আমাদের ঘরানার প্রায় সকলেই এই ধরনের কাজ করে থাকেন, অনায়াসেই। আমাদের মুরুব্বিরা কাওয়ালীতে ধ্রুপদী সঙ্গীতের বুনিয়াদ পত্তন করেছিলেন। উনারা পুরোপুরি নিখাদ রাগ সঙ্গীত পরিবেশন করতে পারতেন আর এটাকে কাওয়ালীতে বাধতেও ছিলেন সিদ্ধহস্ত।

::আপনার সঙ্গীত শিক্ষার শুরুটা কবে থেকে?

আমার তখন ১৩ বছর।

::এর আগে কিছুই শেখেন নাই?

ছোটবেলা থেকেই আমি বাবার কাছে তবলায় তালিম নিতাম। বিশেষ করে, আমাদের ঘরানায় ব্যবহৃত স্থায়ী আর অন্তরার বিষয়টা খেয়াল করতাম। ছোটবেলাতেই আমাদেরকে খেয়াল বিশেষ করে তারানা গাইবার জন্য উতশাহিত করা হতো। রাগদারিটা বাবা আমাকে রীতিমাফিকই শিখিয়েছিলেন। আমার বয়স যখন ১৩ চলে, বাবা মারা যান। লাহোরে, ১৯৬৪ ইসায়ী সালে। আমি তখন স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্র আর আমার চাচা তখন আমাকে কাওয়ালীতে নিয়ে আসেন। এবং রীতি ধরে ধরে কাওয়ালী শেখাতে থাকেন। ১৯৬৫সালে বাবার পহেলা মৃত্যুবার্ষিকীতে, বহু সঙ্গীতকারের মুখোমুখি আমার জীবনে প্রথম পারফর্ম করি আমি। সেই ৬৫তেই ‘রেডিও পাকিস্তান, লাহোর’-এর আমন্ত্রণে ‘জাশন-এ-বাহার’ নামের বসন্তকালীন সঙ্গীত উৎসবে যোগ দিই। এভাবেই আমার জীবনে কাওয়ালীর শুরু। বলে শেষ করা যাবে না যে কতো অসাধারণ সব সঙ্গীতকার সেদিন তাদের সুরের লহরী পরিবেশন করেছিলেন। ওস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খান, ওস্তাদ উমিদ আলী খান, রওশন আরা বেগম, ওস্তাদ আমানত আলী খান, ফতেহ আলী খান, সালামত আলী খান-নাজাকত আলী খান জুটি, ওস্তাদ গোলাম হাসান শাগানসহ অনেকে। তারা সকলেই আমার বাবার পরিচিত ছিলেন আর বাবাকে ভালোও বাসতেন। ফলে, সবাই আমাকে উৎসাহিত করেছিলেন। আমি বলবো, এ ছিলো এক অসাধারণ কনসার্ট। বসন্তের আমেজে রেডিও স্টেশনের সামনের খোলা ময়দানে পরিবেশিত হয়েছিলো এ কনসার্ট। সেখানে আমি ৫০০ রুপি সম্মানী পেয়েছিলাম। ঐ সময়ের হিসেবে এটা বেশ বড়ো অংকের রোজগারই বলতে হবে। আমি প্রথমেই শুরু করি ‘আমির খসরু’র গজল ‘মান বান্দা এ আর রুহ এ কে দিদান’ দিয়ে। এটা ফার্সিতে লিখা। এরপর থেকে আমি প্রায় নিয়মিত পারফর্ম করতে থাকি। Continue reading

এ পিস অব ‘সাউথ অব দ্য বর্ডার, ওয়েস্ট অব দ্য সান’ বাই হারুকি মুরাকামি

এইটা জাপানিজ রাইটার হারুকি মুরাকামি’র ‘সাউথ অব দ্য বর্ডার, ওয়েস্ট অব দ্য সান’ উপন্যাসের একটা অংশের অনুবাদ। উপন্যাসের শুরুর দিকের অংশ না এইটা। উপন্যাসের ধারাবাহিকতা বাদ দিয়াও এইটারে একটা আলাদা গল্প হিসাবে পড়া যায়। আমি এই অংশটা কেন অনুবাদ করলাম? মুরাকামি আমার প্রিয় রাইটার বইলা? না। এই অংশটুকুর সাথে নিজের মিল থাকার সম্ভাবনা আছে বইলা? তাও না। উপন্যাসের আগে পরে বাদ দিয়া এইটা যে গল্প হয় সেইটা ভালো লাগছে। ইন্টারেস্টিং গল্প মনে হইছে।–মৃদুল শাওন
———————–
ইজুমি’র সম্পর্কে আরো খোঁজ-খবর এবং সে এখন কোথায় থাকে এইসব আমি জানতে পারলাম আমার এক পুরাতন স্কুল-বন্ধুর মাধ্যমে। ‘ব্রুটাস’ ম্যাগাজিনে সে ‘টোকিও বার গাইড’ নামে একটা ফিচার পড়ছিল। ওইখানে আমার ছবি দেখছে। জানতে পারছে ‘আওইয়ামা’তে আমি দুইটা বার চালাই। একদিন সন্ধ্যায় আমি যেইখানে কাউন্টারে বইসা আছি, সে আইসা বললো- “হাই, কেমন চলতেছে?” সে আমার সাথে দেখা করার জন্যই আসছে এমন কোন ব্যাপার ছিলনা। সে জাস্ট তার বন্ধুদের সাথে ড্রিঙ্ক করতে আইসা আমার কুশল জানতে আসছে। আমারে ‘হাই’ বলতে আসছে। Continue reading

সুমন রহমানের সাথে আলাপ

সুমন রহমান: কবি, গল্পকার, গবেষক। বর্তমানে ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ে মিডিয়া ষ্টাডিজ বিভাগে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসাবে কাজ করছেন। উনার এই ইন্টারভিউটা নেয়া হইছিল ২০১১ সালের সালের জুন মাসের ৯ তারিখ। তখন তিনি অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে থাকেন, পিএইচডি করতেছিলেন সেইখানে। কয়েক মাসের জন্য ঢাকায় আসছিলেন। প্ল্যান ছিল ইন্টেলেকচুয়ালস নামে একটা পত্রিকা প্রকাশ করার এবং সেই পত্রিকায় ছাপানোর জন্য ইন্টারভিউটা নেয়া হইছিল, উনার ‘কানার হাটবাজার’ বইয়ের প্রকাশক দুয়েন্দে’র পরিবাগের অফিসে।

রেজাউল করিম মনু এবং ইমরুল হাসান আলাপ করছেন উনার সাথে। আমিনুল বারী শুভ্র উপস্থিত হইছিলেন পরে, কিন্তু আলাপে অংশ নেন নাই আর।

_____________________________________________

 

ইমরুল হাসান: ব্রাকগ্রাউন্ডটা আবার একটু বলি তাইলে হয়তো আপনার কাছে ক্লিয়ার হবে। আমরা মনে করতেছি যে, চিন্তার ব্যাপারে একটা পত্রিকা বের করার। পত্রিকা বলতে কিছু জিনিস যেটা চিন্তা করি বা যারা চিন্তা করেন যেটা মনে হয় যে গুরুত্বপূর্ণ হইতে পারে – এই জিনিসগুলি নিয়া একটা সংকলন টাইপের করতে চাই। যেইখানে আমরা যাদের চিন্তাকে গুরুত্বপূর্ন মনে করি বর্তমান সময়ে, উনাদের একটা ইন্টারভিউ নিতে চাই। এই জন্য আপনার সাথে আসলে বসা। তো এইটাতে আসলে প্রথমেই প্রশ্ন আসতে পারে, যেহেতু চিন্তা নিয়া কথা বলতেছি, চিন্তা জিনিসটারে আপনি সামাজিক কর্মকান্ডের মধ্যে কিভাবে গুরুত্বপূর্ন মনে করেন বা অবস্থানটা কি? Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →