বাপের জুলুম এবং জাতির আব্বারা
শেখ মুজিবকে ‘জাতির আব্বা’ জারা কইতেছেন, তাদের এই জাতি আশলে কোনটা–বাংগালি নাকি বাংলাদেশি? বাংগালি জদি হয়, তাইলে এইটার জনম হয় ১৯৭১ শাল, তাইলে ‘হাজার’ বছরের ইতিহাশ কই গেলো!?
বাস্তবে এইটা বেশ রেছিস্ট আইডিয়া! এইখানে আশলে কইতেছে, রাশ্টো না থাকলে শেইটা খোড়া জাতি, এখনো ‘জাতি’ হইয়া ওঠে নাই। এইখান থিকাই বাংলাদেশের বাংগালি বাদে শবাইকে ওনারা ‘উপজাতি’ ডাকেন এবং বাংলাদেশটা ছেরেফ বাংগালির বইলা দাবি করতে থাকেন। এর শবচে খারাপ দিকটা হইলো, বাকি শবাইরে রাশ্টো বানাবার দিকে ঠেলতে থাকেন ওনারা, এবং এই কারনেই পাহাড়ে নিজেদের রাশ্টো বানাবার দরকার হইয়া পড়ে তাদের।
আর ঐ ‘জাতি’ জদি হয় ‘বাংলাদেশি’ তাইলে বাংগালি কে বা কারা, শেইটা এই রাশ্টে মোটামুটি ইরেলেভেন্ট, আরো আরো জাতি এই দেশে আছে, বাংগালিও আছে, তারা শকলে মিলা বাংলাদেশ নামে একটা কনফেডারেশন বানাইছে, জেমন বানাইছিলো ইশা খা। রেছিজমের বাইরে থিকা ‘জাতির আব্বা’ দাবি করতে হইলে এ ‘জাতি’ হইতে হবে বাংলাদেশি। এইখানে হুশিয়ার থাকা দরকার জে, জাতির আব্বা মানে জাতিরই আব্বা, এবং জাতি মানে তো কোন মানুশ না, মানুশের বাইরের কোন ইমাজিনড এনটিটি, মানে ব্যাপারটা বায়োলজিকেল না, এবং আমরা জে বেক্তি মানুশ, এই জাতির মেম্বার, আমাদের আব্বা না।
এখন বায়োলজিকেল না হইলে আব্বা মানে ছিংগুলার হবার তো দরকার নাই, অনেক আব্বা থাকতে পারে, শম্ভবও। ১৯৭২ থিকাই মরন তক শেখ মুজিব একজন ডাকু-শরদার হইলেও তার আব্বা হইতে বাধা নাই, ডাকুরা আব্বা হইতে পারে, বায়োলজিকেলি তো আরো বেশি পারে [এখনকার দুনিয়ার ১০% মানুশের ভিতর নাকি চেঙ্গিশ খানের জিন আছে! একজন ডাকু-শরদারও তো খমতার ঐ লেভেল এনজয় করে পেরায়ই।]
ফলে আমি দুই জন আব্বার কথা ভাবি, বাংলাদেশি জাতির অন্তত দুইজন আব্বা দেখতে পাই–ভাশানি এবং মুজিব; এবং বাংলাদেশের এই দুর্দশার জন্ন এই দুইজনকেই আমি দায়ি করি!
আমার হিশাবে শেখ মুজিব জে ডাকু-শরদার হইতে পারলো, বাকশাল কায়েম করলো, খুন হইলো, পরে শেখ হাসিনা জে নয়া বাকশাল কইরা হিটলার-এস্টালিনের মতো একজন হইয়া উঠতে পারলো, তার হিস্ট্রিকেল শর্ত জোগানিতে ভাশানিরে মস্ত দোশ দেই। Continue reading