Main menu

বাপের জুলুম এবং জাতির আব্বারা

This entry is part 10 of 18 in the series রকম শাহ'র বয়ান

শেখ মুজিবকে ‘জাতির আব্বা’ জারা কইতেছেন, তাদের এই জাতি আশলে কোনটা–বাংগালি নাকি বাংলাদেশি? বাংগালি জদি হয়, তাইলে এইটার জনম হয় ১৯৭১ শাল, তাইলে ‘হাজার’ বছরের ইতিহাশ কই গেলো!?

বাস্তবে এইটা বেশ রেছিস্ট আইডিয়া! এইখানে আশলে কইতেছে, রাশ্টো না থাকলে শেইটা খোড়া জাতি, এখনো ‘জাতি’ হইয়া ওঠে নাই। এইখান থিকাই বাংলাদেশের বাংগালি বাদে শবাইকে ওনারা ‘উপজাতি’ ডাকেন এবং বাংলাদেশটা ছেরেফ বাংগালির বইলা দাবি করতে থাকেন। এর শবচে খারাপ দিকটা হইলো, বাকি শবাইরে রাশ্টো বানাবার দিকে ঠেলতে থাকেন ওনারা, এবং এই কারনেই পাহাড়ে নিজেদের রাশ্টো বানাবার দরকার হইয়া পড়ে তাদের।

আর ঐ ‘জাতি’ জদি হয় ‘বাংলাদেশি’ তাইলে বাংগালি কে বা কারা, শেইটা এই রাশ্টে মোটামুটি ইরেলেভেন্ট, আরো আরো জাতি এই দেশে আছে, বাংগালিও আছে, তারা শকলে মিলা বাংলাদেশ নামে একটা কনফেডারেশন বানাইছে, জেমন বানাইছিলো ইশা খা। রেছিজমের বাইরে থিকা ‘জাতির আব্বা’ দাবি করতে হইলে এ ‘জাতি’ হইতে হবে বাংলাদেশি। এইখানে হুশিয়ার থাকা দরকার জে, জাতির আব্বা মানে জাতিরই আব্বা, এবং জাতি মানে তো কোন মানুশ না, মানুশের বাইরের কোন ইমাজিনড এনটিটি, মানে ব্যাপারটা বায়োলজিকেল না, এবং আমরা জে বেক্তি মানুশ, এই জাতির মেম্বার, আমাদের আব্বা না।

এখন বায়োলজিকেল না হইলে আব্বা মানে ছিংগুলার হবার তো দরকার নাই, অনেক আব্বা থাকতে পারে, শম্ভবও। ১৯৭২ থিকাই মরন তক শেখ মুজিব একজন ডাকু-শরদার হইলেও তার আব্বা হইতে বাধা নাই, ডাকুরা আব্বা হইতে পারে, বায়োলজিকেলি তো আরো বেশি পারে [এখনকার দুনিয়ার ১০% মানুশের ভিতর নাকি চেঙ্গিশ খানের জিন আছে! একজন ডাকু-শরদারও তো খমতার ঐ লেভেল এনজয় করে পেরায়ই।]

ফলে আমি দুই জন আব্বার কথা ভাবি, বাংলাদেশি জাতির অন্তত দুইজন আব্বা দেখতে পাই–ভাশানি এবং মুজিব; এবং বাংলাদেশের এই দুর্দশার জন্ন এই দুইজনকেই আমি দায়ি করি!

আমার হিশাবে শেখ মুজিব জে ডাকু-শরদার হইতে পারলো, বাকশাল কায়েম করলো, খুন হইলো, পরে শেখ হাসিনা জে নয়া বাকশাল কইরা হিটলার-এস্টালিনের মতো একজন হইয়া উঠতে পারলো, তার হিস্ট্রিকেল শর্ত জোগানিতে ভাশানিরে মস্ত দোশ দেই। Continue reading

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অভ্যুত্থানের রাত

আমি সূর্যসেন হলের যে রুমে থাকি সেটা পলিটিকাল রুম। ফলে ছাত্রলীগের প্রোগ্রামে যাওয়ার জন্য ডাকতে আসে।

১ তারিখ থেকে আন্দোলন শুরু হবার পর থেকে প্রতিদিন ছাত্রলীগও আন্দোলনকারীদের একই সময়ে মধুতে প্রোগ্রাম ডাকে। উদ্দেশ্য হলো যারা আন্দোলনে যেতে চায় তাদের ওখানে নিয়ে আটকে রাখা, যাতে আন্দোলনে ছেলেপেলে কম হয়। কিন্তু ছেলেদের আটকে রাখা যেতো না।

প্রোগ্রামের ঘন্টাখানেক আগেই ছেলেরা হল থেকে বের হয়ে যায়। আমরা যারা সিনিয়র তাদের ডাকে না ভাইটাল প্রোগ্রাম ছাড়া। কিন্তু ১৩ তারিখ থেকে দেখলাম আমাদেরও ডাকতে আসে। আমার রুমে ২ বার ডেকে গেলো। হুমকি দিলো রুম তালা মেরে দেবে। তাও আমি না গিয়ে আন্দোলনে চলে গেলাম। যথারীতি ১৪ই জুলাই সকালেও ডাকতে আসছে রুমে। আমি গেলাম না। আমার রুম্মেট বন্ধু ফয়সালের সাথে মিছিলে যাওয়ার জন্য বেরিয়ে গেলাম। সেদিন রাষ্ট্রপতির কাছে মিছিল নিয়ে স্মারকলিপি দিতে যাওয়ার প্রোগ্রাম ছিল। ফয়সাল DU Insider পেইজটা চালায়; সেটার জন্য ভিডিও করতে যায় সে। সেদিন আমাদের মিছিল সচিবালয়ের সামনে আটকে দেয়া হয়। শিক্ষার্থীরা গুলিস্তানে অবস্থান নেয় এবং সমন্বয়করা কয়েকজন মিলে বঙ্গভবনে স্মারকলিপি দিতে যায়। এরমধ্যেই সবাই পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে বাইতুল মোকাররম পার হয়ে যায়। এরপর আর যেতে পারেনি। সেদিনের মতো শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল শেষ হয়।

রাতে ইউরো আর সকালে কোপার ফাইনাল। পুরান ঢাকা থেকে শান্ত টিএসসিতে খেলা দেখতে আসবে বলেছে। সেভাবেই প্রস্তুতি নিয়ে রেডি হচ্ছি, একবারে বাইরে খেয়ে সারারাত বাইরে থাকবো, খেলা দেখবো, আড্ডা দেবো। ফেসবুকে ঢুকে দেখি প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, চাকরি মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের না দিয়ে কি রাজাকারের সন্তানদের দেবো? মনে মনে ভাবছি, খাইছে! আজকে একটা ফাড়াফাড়ি হবে।

সাড়ে ৯ টার দিকে হলের নিচে কে জানি হঠাৎ চিৎকার করে উঠছে, তুমি কে, আমি কে! মুহুর্তেই একাত্তর হল আর সূর্যসেন হলের সমস্ত জানালা কেঁপে উঠছে। সবাই চিৎকার করে উঠছে। তুমি কে, আমি কে, রাজাকার রাজাকার। আঁচ করলাম আজকে কিছু একটা হবে।

মুহুর্তেই ছাত্রলীগ প্রোগ্রাম ডাকলো, সবাই এক্ষুনি গেস্টরুমে আসো।
Continue reading

জনরোষে কি কেবল ‘ভাস্কর্য’ ভেঙ্গে পড়তেছে?

বেশ একদল “শিল্পী সমাজ” পাওয়া যাইতেছে যারা ফ্যাসিস্ট শক্তির আইকনিক মুর্তি/ভাস্কর্য এবং কালচারালি কনফ্লিক্টেড মুর্তি/ভাস্কর্য ভাঙ্গা নিয়া চিন্তিত। তাদের চিন্তা ও তৎপরতার অন্তসারশূন্যতা ও ধোঁয়াশা সংকটের সমাধানের থেকে আরো বেশী সংকটময় করে তুলতে পারে।

আমি সমস্ত ভাঙ্গাভাঙ্গি নিয়া কথা বলবো না। কেবল ২টি “মুর্তি/ভাস্কর্য” নিয়া আলোচনা করবো।

১। ধরুন একটি মুদি দোকান ভাঙ্গা হয়েছে আর ভাঙ্গা হয়েছে একটি সংসদ ভবন। এখন আপনি প্রতিবাদে বললেন বা প্রতিবাদ মূলক কোন পোস্টারে লিখলেন যে “স্থাপত্য ভাঙ্গা যাবে না”। কিনবা কোন সংবাদ মাধ্যম নিউজে হেড লাইন করলেন ” ২টি স্থাপত্য” ভাঙ্গা হয়েছে। যেমন অনেক উদবিগ্ন শিল্পী বলতেছে “ভাস্কর্য” ভাঙ্গা হয়েছে।

তাহলে সংকট কি হয় বুঝতে পারছেন নিশ্চয়?

সকলের সুবিদার্থে আরো পরিস্কার করে বলি। মুদি দোকান ও সংসদ ভবন ২টাই স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন। যদি মুদি দোকানের স্থাপত্য না বলে কেবল স্থাপনা বলেন আবার সংসদ ভবনের স্থাপত্য না বলে কেবল স্থাপত্য বলেন এতে ২টারই গুরুত্ব কমে। এবং প্রায় এক বিমুর্ত ধারণা তৈরী হয় ভাঙ্গাভাঙ্গি সম্পর্কে। সত্যও লুকানো গেল এতে।

শেখ মুজিবের যে মুর্তি/ভাস্কর্য জনরোষে ভাঙ্গা হয়েছে তা ছিল এই জনরোষ তৈরীর মূল আইকন, অর্থাৎ যে ফ্যাসিস্ট শক্তি গণঅভুত্থানের মধ্যে দিয়া বিদায় নিল তার মূল প্রতিক । শেখ মুজিব নিয়া জনমনে নানা রাজনৈতিক চয়েজ থাকা অস্বাভবিক না। কিন্তু জনতা যে ফ্যাসিস্ট রেজিমের উপরে ক্ষুব্ধ ছিল তা তো এই মুজিব বিক্রির, দেশ তার বাপের, ইত্যাদির যে আইকন তা তো এই মুজিবের মুর্তিতেই আছে বলে মনে করছেন বিক্ষুব্দ জনতা, (এমনকি কিছু জাইগাতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি দেরও তা করতে দেখাগেছে, জনতার সাথে সাথে)। ফলে তারা কেবল ভাস্কর্য ভাঙ্গে নাই ভেঙ্গেছে সেই ফ্যাসিস্ট আইকনের মুর্তি।

এখন যদি এই ভাঙ্গাকে আপনি কেবল “ভাস্কর্য” ভাঙ্গা বলেন তাইলে সত্য/ফ্যাক্ট লুকানো হয় বা সত্যের অবলোপন করা হয়। এইটা কংফ্লিক্ট করে আরেক জাইগাতে। ফ্যাসিস্ট রেজিমও তো কইতেছেই ” বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য” ভাঙ্গা হয়েছে আর অন্যদিকে কেউ কেউ দাবী করছেন কেবল “ভাস্কর্য” ভাঙ্গা হয়েছে। কোনটা ঠিক? এক অর্থে ২টাই ঠিক। কিন্তু পরের টা ফ্যাক্টস লুকায় এবং একটিকে কেবল “ভাস্কর্য” বিরোধী বা শিল্প বিরোধী কর্মকাণ্ড হিসাবে দেখানোর রাজনীতি চালু হয়।
Continue reading

গনতন্ত্র কেন দরকার?

অরুন্ধতী রায়ের এই কথাটা আমি পোস্ট করসিলাম ২০১৮-এর “ইলেকশন”-এর পরে। সত্যি কথা বলতে কি, কোটা সংস্কার নিয়ে আমার খুব বেশি মাথাব্যথা ছিলো না, বরং গণতান্ত্রিক সংস্কারটা আমি বরাবর চেয়ে আসছি।

কী চাইসি? কেন চাইসি? কী হচ্ছে? কী হবে? কে আসবে?

এমনতর প্রশ্নগুলার উত্তর জনে জনে দিতে দিতে আমি খুব ক্লান্ত, একবারে বলে দেই।

তো, চাইসি তো গণতন্ত্র। তাতে, কে আসবে এরপরে?

জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে, সে আসবে। আপনাকে নির্বাচিত করলে আপনি আসবেন। সাফ জানায়া রাখি, যদি আওয়ামী লীগও ফ্রি & ফেয়ার ইলেকশনে জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে দায়িত্বে আসতে পারে, আমি মেনে নিবো।

(হাইসেন না। আপনাদের যাঁদের মনে হচ্ছে রাস্তায় টোকাই-লীগ, আর ফেইসবুকে আফসোস-লীগ ছাড়া আওয়ামী লীগের কোথাও কোন অস্তিত্ব নাই, জনমনের এই তীব্র ঘৃণা লীগ কোনদিন কাটায়া উঠতে পারবে না, তাঁরা জেনে দু:খ পেতে পারেন যে, স্বৈরশাসক মার্কোসের ছেলেকে ফিলিপাইনের জনগণ ভোট দিয়েই আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করসে। তাতে মাইন্ড করার কিছু নাই, লেজিট।)

অলসো, গণতন্ত্র মানে “সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন”, এই ধারণাটা আসলে অসম্পূর্ণ। গণতন্ত্রের আসল স্পিরিটটা এখানে যে, গণতন্ত্রে সব নাগরিকের একটা করে ভোট। ইলেকশন আসলে গণতন্ত্রের পয়লা কদম মাত্র। ধরেন, দেশে ইলেকশন আছে, কিন্তু দেশের প্রধান বিচারপতিকে মাস্তানি করে নির্বাসনে পাঠানো যাচ্ছে, তাহলে বুঝে নিবেন যে দেশে ইলেকশন থাকলেও আসলে গণতন্ত্র নাই। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলাই সত্যিকারের গণতন্ত্র নিশ্চিত করে, ওই একটা-ভোট-দেয়া প্রত্যেক ভোটারের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করে। কার্যকর গণতন্ত্রে যাকে আপনি চান নাই, সে নির্বাচনে জিতে আসলেও আপনি খারাপ থাকবেন না। ওদিকে ভোট না থাকলে ভোটারের সামান্য নিরাপদ-সড়কের দাবির উপরে পরিবহন মালিক সমিতির স্বার্থই রাখতে চাবে আপনার সরকার।

Continue reading

ধর্ম প্রশ্নে পুরান কমিউনিস্টদেরকে ইনডেমনিটি দিতে চাওয়াটা অনেকটা ইন্টেলেকচুয়াল অসততার ঘটনা: ফরহাদ মজহারের ‘মোকাবিলা’ (২০০৬) বই নিয়া আলাপ

[মাস খানেক আগে ফরহাদ মজহারের মোকাবিলা বইটা নিয়া কিছু কথা বলছিলাম আমি; অই আলাপের নোটগুলাসহ আলাপ’টা শুনতে পারেন। – ইমরুল হাসান]

বইটা কেন পড়তে চাইছি?

১. ফরহাদ মজহারের চিন্তা নিয়া যেন কোন criticism ও critique নাই বাংলাদেশে! অথচ অনেক কথাই তো অনেক জায়গায় বলছি আমি, এবং অনেকেই, তো ইসপেসিফিক একটা বই নিয়া বললে সেইটা মেবি ডকুমেন্ট হিসাবে বেটার হইতে পারে।

২. বাংলাদেশে চিন্তার বই তো কম-ই, ফরহাদ মজহারের এই বইটা বাংলাদেশি চিন্তার একটা বই, যেইটা কিছু জায়গারে এক্সপ্লোর করার ট্রাই করে বইলা আমি মনে করি।

৩. উনার তো অনেক জিনিস নিয়া অনেক চিন্তা আছে, কিনতু এইটা উনার পলিটিকাল চিন্তার জায়গাটারেও রিপ্রেজেন্ট করে, অনেক বেশি পরিচিত উনার বইগুলার মধ্যে, যার ফলে স্যাম্পল হিসাবে নেয়া যাইতে পারে।

বইটা নিয়া ওভারঅল কমেন্টস বা মেজর সমালোচনা

১. সবচে ঝামেলার জিনিস হইতেছে, উনি বাংলাদেশের কমিউনিস্টদেরকে এবং কমিউনিস্ট আন্দোলনকে এক ধরনের ইনডেমনিটি দিছেন, ইনোসেন্ট বানায়া রাখছেন।

যেন প্রপাগান্ডা কইরা কমিউনিস্টদেরকে নাস্তিক বানানো হইছে > মার্কসের কথা বুঝতে পারেন নাই বইলা উনারা নাস্তিক হইছেন > উনারা আসলে ‘প্রকৃত কমিউনিস্ট’ না… এইভাবে আগাইছেন; এইটা খালি ভুল-চিন্তা না, ইনটেলেকচুয়াল অসততাও, যেইটা বাংলাদেশের কমিউনিস্টদের মধ্যে ‘উঁচা জাতের লোক’ হওয়ার কারনে একটা ‘জাত-গত’ বৈশিষ্ট্য 🙂 হিসাবে আছে; উনি এর বাইরে যাইতে পারেন নাই

২. বেপারটা খালি মার্কসরে ডিফেন্ড করা না, বরং যেন বাঁচায়া দিতে চাইতেছেন একভাবে, যে উনি ঠিক-কথাই বলছিলেন, মার্কসিস্টরা, কমিউনিস্টরা সেইটা ঠিকঠাক-মতো বুঝতে পারে নাই; বরং ঘটনা হইতেছে যে, দুইশ বছর আগে অনেক কিছু বুঝা’টাই তো পসিবল ছিল না! এখন অনেকগুলা ফ্যাক্টর অ্যাড হইছে যেইগুলা দিয়া তখনকার সময়ের কনটেক্সটে এই আলাপগুলার জায়গাটাতে ইন্টারভিন করাটা পসিবল ছিল না। অই কম্পারিজনের জায়গাগুলা প্রায়োরিটি পায় নাই, বা আসে-ই নাই।

৩. পলিটিকাল বেইজটা থিকা উনি কালচার ও ধর্মরে ধরতে চাইছেন; উপর-নিচ যেন বেপারটা, সাইড বাই সাইড না! এই বেইজটার কারনেই উনার আলাপগুলা সাফার করছে আসলে।
Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →