লবএস্টার এর কথা ভাবেন [Consider the Lobster]
[এইটা ডেভিড ফস্টার ওয়ালেসের একটা আর্টিকেল, যেটা পোত্থম বার ছাপা হইছিলো ২০০৪ সালে, খাবার দাবার সম্পর্কিত ম্যাগাজিন Gourmet এ। ম্যাগাজিনে ছাপার সময় এডিটর এটায় বেশকিছু ভাইটাল এডিটিং ঘটাইছেন। আমরা তরজমার জন্য ইউজ করসি ২০০৫ সালে Little, Brown and Company নামক পাবলিকেশন থেকা ছাপানো “Consider the Lobster and other Essays” বইতে পাওয়া ভার্শন’টা। এই ভার্শন’টা ডেভিড ফস্টার ওয়ালেসের নিজের কন্ঠে বক্তিতা আকারে-ও পাওয়া যায় ইন্টারনেটে।
নাম্বারিং করা ফুটনোট’গুলা লেখকের নিজের, আর অন্যান্য থার্ড ব্র্যাকেট’আলা অংশগুলা বাংলা তরজমায় অ্যাড করা।]
…
এক মস্ত বড় মচ্ছব, যেইটার জমজমাট মার্কেটিং করা হয়, আর যেইটার একটা কড়া গন্ধ আছে, বলতেছি মেইন লবএস্টার ফেস্টিভাল [Maine Lobster Festival] এর কথা, তার আয়োজন করা হয় পোত্যেক বছর জুলাইয়ের শেষে [মেইন] রাজ্যের মিডকোস্ট এলাকায়, অর্থাৎ পেনোবেস্কট বে [Penobskot Bay] ‘র থেকা পচ্চিম সাইডে, মেইনের লবএস্টার ইন্ডাস্টি’র মেরুদন্ড যেখানে। মিডকোস্ট বলতে বুঝায় আউল’স হেড থেকা দক্ষিনে থমাস্টন পর্যন্ত আর উত্তরে বেলফাস্ট পর্যন্ত। (আসলে, এটা হয়তো বাক্সপোর্ট পর্যন্ত-ই বিস্তিত, কিন্তু আমরা কোনো সময় ১ নাম্বার রুট দিয়া বেলফাস্ট থেকা আর উত্তরের দিকে যাইতে পারি নাই, কেননা গরম কালে টেরাফিকের অবস্থা থাকে, বুঝতেই পারতেছেন, খুবি জঘন্য।) এ অঞ্চলের বড়ো দুই কমিউনিটি ক্যামডেনে থাকে, যারা অনেক আগের থেকাই পয়শা’আলা, যাদের আছে ইয়টে ভরা হারবার, আর ফাইভ-এস্টার রেস্টুরেন্ট, উচ্চমানের বিএন্ডবি, আর এ অঞ্চলে আছে রকল্যান্ড, যেটা একটা পুরাতন ফিশিং টাউন, এখানেই পোত্যেক সামারে এই মচ্ছবের আয়োজন হয় ঐতিহাসিক হারবার পার্কে সমুদ্রের পাড়ের সাথে ঘেশে।[১]
পর্যটন আর লবএস্টার হইতেছে মিডকোস্ট এলাকার দুই পোরধান শিল্প, আর এ দুইটাই গরম-ওয়েদারের দান, আর মেইন লবএস্টার ফেস্টিভাল যতটা না এ দুই ইন্ডাস্টির মিলন, তারচেয়ে বেশি একটা ইচ্ছা করে ঘটানো সংঘর্ষ, যেটার মধ্যে আনন্দ আছে, মুনাফা আছে এবং যেটা লাউড। এই গোরমেট আর্টিকেল’টার জন্য নির্ধারিত বিষয় হইতেছে ৫৬তম বার্ষিক এমএলএফ, যেটা পালন করা হইছে ২০০৩ সালের জুলাইয়ের ৩০ থেকা আগস্টের ৩ তারিখ পর্যন্ত, যার অফিশিয়াল থিম ছিলো “লাইট-হাউজেস, লাফটার অ্যান্ড লবএস্টার”। সর্বমোট উপস্থিতির সংখ্যা ছিলো ১,০০,০০০ যাদের একটা অংশ আসছিলো জুনে সিএনএন ‘এর একটা ন্যাশেনাল পোগ্রামে ফুড-অ্যান্ড-ওয়াইন ম্যাগাজিনের একজন সিনিয়র এডিটরের তারিফ শুইনা, যিনি কইছিলেন যে দুনিয়ার ফুড-থিমের মচ্ছব ‘গুলার মধ্যে এমএলএফ সেরা’দের কাতারে থাকবে। ২০০৩ ফেস্টিভালের হাইলাইটস: লি অ্যান ওম্যাক এবং অরলিন্সের কনসার্ট, বার্ষিক মেইন সমুদ্র-দেবি সুন্দরি পোতিযোগিতা, শনিবারের বিগ পেরেড, রবিবারের উইলিয়াম জি. অ্যাটউড মেমোরিয়াল কেরেট রেইস (crate race), বার্ষিক এমেচার রান্না পোতিযোগিতা, কার্নিভাল রাইড আর মিডওয়ে এট্রাকশন আর খাবারের বুথ, আর এমএলএফ ‘এর মূল ইটিং টেন্ট, যেখানে ২৫,০০০ পাউন্ডেরও বেশি টাটকা মেইন লবএস্টার রান্না করা হয় এবং খাওয়া হয়, এখানে আছে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় লবএস্টার কুকার, উত্তর দিকের গেটের কাছে এই তাঁবুর অবস্থান। এছাড়াও পাওয়া যায় লবএস্টার রোল, লবএস্টার টার্নওভার, লবএস্টার সৌতে, ডাউন ইস্ট লবএস্টার সালাদ, লবএস্টার বিস্ক, লবএস্টার রেভিওলি, এবং ডিপ-ফ্রাইড লবএস্টার ডামপলিং। লবএস্টার থারমিডর পাওয়া যাবে দা বেলাক পার্ল নামে একটা বসে খাওয়ার রেস্টুরেন্টে, যেটার অবস্থান হারবার পার্কের উত্তর-পচ্চিমে জাহাজঘাটে। মেইন লবএস্টার পোচারনা পরিষদের এস্পন্সরে একটা বড়সড় বুথ বানানো হইছে, যেখানে বিনামুল্যে রেসিপি, খাওয়ার টিপস এবং লবএস্টার নিয়ে মজার তথ্য দেয়া লিফলেট পাওয়া যায়। শুক্রবারের এমেচার রান্না পোতিযোগিতা’র যিনি বিজয়ী, তিনি রান্না করসেন সেফ্রন লবএস্টার রেমেকিন, যেটার রেসিপি ডাউনলোড করতে পারবেন www.mainelobsterfestival.com থেকে। আরো আছে লবএস্টার টি-শার্ট এবং লবএস্টার পুতুল, ফু দিয়া ফুলানোর লবএস্টার খেলনা, এবং লাল রঙের বড় বড় ক্ল [claw] ’ওয়ালা লবএস্টারের মুর্তি, যার ক্ল’গুলা নড়তে থাকে ইস্পিরিং এর সাহায্যে। এই পোতিবেদক এইগুলা সব দেখসেন, সাথে ছিলো তার গালফেরেন্ড, এবং মা-বাপ দুইজনও ছিলো, মা-বাপের মধ্যে একজন মেইনেই জন্মাইছেন ও বড় হইছেন, যদিও সেটা একবারে উত্তরের দিকে, সমুদ্র থেকা দূরে, যেটা আলু চাষের এলাকা, এবং মিডকোস্টের টুরিস্ট দুনিয়া থেকা আলাদা।[২]