Main menu

লিস্টিং: বাংলাদেশি সিনেমার গান (১৯৫৬ – ১৯৭৫) পার্ট ৫

This entry is part [part not set] of 6 in the series বাংলাদেশি সিনেমার গান

আগের পার্টগুলা:

পার্ট ১ ।। পার্ট ২ ।। পার্ট ৩ ।। পার্ট ৪ ।।

১৯৬৯

৪০১.
গানের নাম: পদ্মা ঢেউ রে
সিঙ্গার: ফেরদৌসি রহমান
লিরিকস: কাজী নজরুল ইসলাম
মিউজিক: কাজী নজরুল ইসলাম
সিনেমার নাম: আমির সওদাগর ও ভেলুয়া সুন্দরী
ডিরেক্টর: ইবনে মিজান

৪০২.
গানের নাম: মন পাখি তুই আর কতোকাল কানবি উইড়া উইড়া
সিঙ্গার: আবদুল আলীম, শাহনাজ রহমতউল্লাহ
লিরিকস: নুরুল ইসলাম
মিউজিক: মনসুর আহমদ
সিনেমার নাম: আমির সওদাগর ও ভেলুয়া সুন্দরী
ডিরেক্টর: ইবনে মিজান

৪০৩.
গানের নাম: কথা বলো না বলো ওগো বন্ধু
সিঙ্গার: ফেরদৌসী রহমান
লিরিকস: সৈয়দ শামসুল হক/মাসুদ করিম/ শহীদুল ইসলাম
মিউজিক: বশীর আহমদ
সিনেমার নাম: মধুমিলন
ডিরেক্টর: কাজী জহির

৪০৪.
গানের নামঃ শোনো কথা শোনো, ওগো প্রিয়তম
সিঙ্গার: সাবিনা ইয়াসমিন/ফেরদৌসি রহমান, বশীর আহমদ
লিরিকস: সৈয়দ শামসুল হক/মাসুদ করিম/ শহীদুল ইসলাম
মিউজিক: বশীর আহমদ
সিনেমার নাম: মধুমিলন
ডিরেক্টর: কাজী জহির

৪০৫.
গানের নামঃ কুহু কুহু শুনি আমি, তুমি কি আমায় ডেকেছ
সিঙ্গার: ফেরদৌসী রহমান/ সাবিনা ইয়াসমিন
লিরিকস: সৈয়দ শামসুল হক/মাসুদ করিম/ শহীদুল ইসলাম
মিউজিক: বশীর আহমদ
সিনেমার নাম: মধুমিলন
ডিরেক্টর: কাজী জহির

৪০৬.
গানের নাম: আঁধারে আলো হয়ে, ফাগুনে অলি হয়ে
সিঙ্গার: সাবিনা ইয়াসমিন/ফেরদৌসি রহমান, বশীর আহমদ
লিরিকস: সৈয়দ শামসুল হক/মাসুদ করিম/ শহীদুল ইসলাম
মিউজিক: বশীর আহমদ
সিনেমার নাম: মধুমিলন
ডিরেক্টর: কাজী জহির

৪০৭.
গানের নাম: কতো রঙ্গের পিরিতি তুমি জানো
সিঙ্গার: আবদুল লতিফ
লিরিকস: আব্দুল লতিফ
মিউজিক: আলতাফ মাহমুদ
সিনেমার নাম: টাকা আনা পাই
ডিরেক্টর: বাবুল চৌধুরী

৪০৮.
গানের নাম: বাবা শুভঙ্কর এ কি ভয়ংকর
সিঙ্গার: মোঃ আলী সিদ্দিকী
লিরিকস: জহির রায়হান
মিউজিক: আলতাফ মাহমুদ
সিনেমার নাম: টাকা আনা পাই
ডিরেক্টর: বাবুল চৌধুরী

৪০৯.
গানের নাম: উড়ু উড়ু মন আমার
সিঙ্গার: সাবিনা ইয়াসমিন
লিরিকস: জহির রায়হান
মিউজিক: আলতাফ মাহমুদ
সিনেমার নাম: টাকা আনা পাই
ডিরেক্টর: বাবুল চৌধুরী

৪১০.
গানের নাম: চোখ যে মনের কথা বলে
সিঙ্গার: খন্দকার নুরুল আলম
লিরিকস: গাজী মাজহারুল আনোয়ার
মিউজিক: খন্দকার নুরুল আলম
সিনেমার নাম: যে আগুনে পুড়ি
ডিরেক্টর: আমীর হোসেন

৪১১.
গানের নাম: তুমি যদি বলে যেতে
সিঙ্গার: ফেরদৌসি রহমান
লিরিকস: গাজী মাজহারুল আনোয়ার
মিউজিক: খন্দকার নুরুল আলম
সিনেমার নাম: যে আগুনে পুড়ি
ডিরেক্টর: আমীর হোসেন

৪১২.
গানের নাম: নিরব পৃথিবী রয়েছি তোমার দুয়ারে দু’হাত পেতে
সিঙ্গার: আবদুল জব্বার
লিরিকস: গাজী মাজহারুল আনোয়ার
মিউজিক: খন্দকার নুরুল আলম
সিনেমার নাম: যে আগুনে পুড়ি
ডিরেক্টর: আমীর হোসেন

৪১৩.
গানের নাম:তুমি সাত সাগরের ওপার থেকে
সিঙ্গার: শাহনাজ রহমতুল্লাহ, আব্দুল জব্বার
লিরিকস: গাজী মাজহারুল আনোয়ার
মিউজিক: আনোয়ার পারভেজ
সিনেমার নাম: কত যে মিনতি
ডিরেক্টর:ইবনে মিজান
Continue reading

ফিকশন: একদিন তোর হইবো রে মরণ – ৬

কিস্তি ১।। কিস্তি ২ ।। কিস্তি ৩ ।। কিস্তি ৪ ।। কিস্তি ৫ ।।

পার্ট টু

১.০ মেটামরফসিস: গ্রেগর সামসা’র সমস্যা

আবদুল্লাহ আর রূপা রিকশা নিয়া ফুলার রোডের নিরবতায় হালকা বাতাসে যেন আলাদিনের কার্পেটে উড়তেছে। কিন্তু দুইজনের মন-ই কিছুটা ভার। গতকাল রাতে কি ঘটছে – এইটা নিয়া কেউ আর কথা বলতে চাইতেছে না। যা হওয়ার তা তো হয়া-ই গেছে। কিন্তু কেন হইছে, কিভাবে হইছে – এই নিয়া খচখচ করতেছে তাদের মন; যেইভাবে ফুলার রোডের বাতাসে একটু পরে পরে উড়তেছে হেমন্তের কয়েকটা খয়েরি পাতা; অই পাতাদের মতন তাদের মন ঝরে যায় নাই, কিন্তু খচখচানিটা যেন জেগে উঠতেছে। কেন হইলো এমন!

এমন টাইমে প্রফেসর আবদুল্লাহ’র মোবাইল ফোন বাইজা উঠলো। পকেট থিকা বাইর কইরা দেখলো, মজিদের কল। সিরিয়াস কিছু না হইলে মজিদ কখনো কল দেয় না। যদিও সিচুয়েশন ভালো না, তারপরও কনফিউজড হয়াই কলটা রিসিভ করলো প্রফেসর আবদুল্লাহ। মজিদ তার পুরা ঘটনাটা বললো। এই অবস্থায় দুবাইয়ে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক কনফারেন্সে ‘ইসলাম ইন বেঙ্গল: পাস্ট, প্রেজেন্ট এন্ড ফিউচার’ নামে পেপারটা সাবমিট করাটা কি ঠিক হবে? পারসোনাল এক্সপেরিয়েন্সের ট্রমা সে কাটাইতে পারতেছে না। আবদুল্লাহ’র মনে হইলো, পুরুষ মানুশ বইলা সে কানতে পারতেছে না। কিন্তু কারে কি বলবে আবদুল্লাহ! মজিদ জিগাইতেছিলো, গত বিকাল থিকা তারে তারে কল করতেছিল, পাইতেছিল না, কেন? আবদুল্লাহ এড়ায়া গেলো, কারণ টিচার-পলিটিক্সের এক্সপেরিয়েন্স থিকাই সে জানে, নিজের খারাপটা নিজের কখনো বলতে নাই, শুনলে অন্যরা খুশিই হয়, যতো কাছের মানুশই হোক! তো, আবদুল্লাহ কইলো, কিছু ব্যক্তিগত সমস্যা ছিল, আপনার লগে দেখা হইলে বলবো নে! আর অইটারও ডেডলাইন তো আছে আরো এক সপ্তাহ, এর মধ্যে দুইজনে মিইলা ঠিক করবে নে! পরে কথা বলবো নে! বইলা কল কাইটা দিলো সে।

ততক্ষণে রিকশা চইলা আসছে কোয়ার্টারের কাছে। রূপা এখনো উদাস। মুখ ভার না, কিন্তু কি জানি ভাবতেছে, যেন সূর্য ডুবে যাইতেছে পুরান বহ্মপুত্রের পাড়ে, এইরকম একটা বিষাদ; মহাজাগতিক একটা সন্ধ্যা, কোনদিনই ফুরায়া যাবে না। অথচ এখন দুপুর গড়ায়া মাত্র বিকাল।

সকাল হওয়ার পরে আর কোন ঝামেলা হয় নাই, কোর্টে চালান দেয়ার আগেই সব কাগজপত্র রেডি ছিল, এজলাসে উইঠা দাঁড়াইতে হইছে খালি। জজ সাহেবও কিছুটা বিব্রত-ই ছিলেন মনেহয়, এইরকম নামি-দামি বুদ্ধিজীবী’রে বেশি শরম দিতে চান নাই। আবদুল্লাহ অবশ্য শরম পান নাই, কারণ উনি তো কোন অন্যায় করেন নাই! খামাখা এই ফাঁপড়’টা কেন নেয়া লাগলো – সেইটা বুঝতে পারতেছিলেন না। যা-ই হোক… এখন এই চুল খোলা বিকালবেলার বাতাসেই তো সে আছে, রূপাও আছে। এর বেশি কিছু ভাবার তো আর দরকার নাই।

রূপা ভাবতেছিল, বলল-ও আবদুল্লাহ্’রে, অনেক ধকল গেলো তোমার! খিদা লাগছে? বাসায় আছে কিছু? আবদুল্লাহ্ যে খাওয়া-খাদ্য পছন্দ করে – এইটা রূপা জানে; আর শুচিবাই-ও আছে। সবকিছু খাইতে চায় না। আবদুল্লাহ্ বললো, ফ্রিজে তো কিছু থাকার কথা… বলতে বলতে সিঁড়ি দিয়া তিনতলার দরজার সামনে দাঁড়াইলো অরা। আবদুল্লাহ্ পকেট থিকা চাবি বাইর কইরা তালা খুলতে গেল। কিন্তু কি অবাক কান্ড! দরজা তো ভিতর থিকা লক করা!

অবাক হয়া সে রূপা’র দিকে তাকাইলো। কি হইতেছে এইসব! ঘরের চাবি তো রূপা আর তার ছাড়া কারো কাছে নাই। দরজা খুইলা কে ঢুকে পড়ছে ঘরে তার?

লক’টা যেন আবদুল্লাহ্’র মনের কথা শুনতে পাইলো আর মনে হইলো, খুইলা গেছে। আবদুল্লাহ্ চাপ দিয়া দেখলো, আসলেই তো দরজা খুলে গেছে। আবদুল্লাহ্ রূপা’র দিকে তাকাইলো। রূপাও তাকাইলো আবদুল্লাহ্’র দিকে। ডরানোর মতো মানুশ অরা না। ভূতে বিশ্বাস করে না। আস্তে আস্তে পা টিইপা অরা ঘরে ঢুকলো। যেন কেউ ঘুমাইতেছে, তারে ডিস্টার্ব করতে চায় না। যেইভাবে বুদ্ধিজীবী’রা ফেসবুকে পোস্টে দেয়। সাপও মরে (না), লাঠিও ভাঙ্গে না। মানে, প্রতিবাদও করা হইলো, কিন্তু ফেসবুকও আইডি ব্লক কইরা দিলো না। এইরকম সেইফলি ঘরে ঢুইকা অরা অবাক! কিছুই তো নড়চড় হয় নাই। খালি সোফার উপ্রে স্যুট-কোট পইড়া গ্রেগর সামসা বইসা আছে। সারা শরীর মানুশের, মাথাটা খালি তেলাপোকার। Continue reading

“এটাই দরিয়া” – ডেভিড ফস্টার ওয়ালেস

ব্যাকগ্রাউন্ড

ডেভিড ফস্টার ওয়ালেস অরিজিনালি এই বক্তিতা দিছিলেন ২০০৫ সালে, কেনিয়ন কলেজের কমেন্সমেন্ট স্পিচ হিসাবে।

বক্তিতার লিখিত ভার্শন

প্যারেন্ট‘দের আমি সালাম জানাই, এই বছরের গেজুয়েট‘দের জানাই মোবারকবাদ। দুইটা পোনা মাছ সাতরাইয়া বেড়াইতেছিলো আর বিপরীত দিক থেইকা আসা একটা বয়স্ক মাছের লগে তাদের মোলাকাত হইলো, বয়স্ক মাছটা ওই পোনাদের দিকে তাকাইয়া কইলেন, “মর্নিং, বয়েজ, দরিয়ার কি অবস্থা আইজগা?” তখন পোনা মাছের জোড়া আরো কিছুদূর সাতরাইয়া গেলো, আর একটু পরে একজন আরেকজনের দিকে চাইয়া দুইজনেই কইয়া উঠলো, “দরিয়া আবার কি জিনিশ?”

এটা তো ইউএসের কমেন্সমেন্ট স্পিচগুলার একটা স্ট্যান্ডার্ড নিয়ম – রূপক’ওয়ালা এবং নীতিশিক্ষা-মূলক ছোট গল্পগুলারে পোয়গ করা। এই জনারের অন্যান্য কনভেনশনের তুলনায় এ গল্প বলার ব্যাপারটা ভালো, তুলনামূলক কম আজাইরা। কিন্তু তোমরা যদি টেনশনে থাকো যে আমি নিজেরে ওই গেয়ানি এবং বয়সে বড় মাছটা হিসাবে তুইলা ধরবো আর তোমাদেরকে ছোট মাছ হিসাবে ধইরা নিয়া বুঝাইতে শুরু করবো দরিয়া কি জিনিশ, তাইলে বলবো, দয়া করে এই ভয় পাইয়ো না। আমি গেয়ানি বড় মাছটা না। এই মাছের গল্পটার পয়েন্ট নিছক এটাই যে, সবচাইতে অবভিয়াস এবং সবচাইতে গুরুত্তপূর্ণ রিয়েলিটি’গুলা দেখতে পারা আর তা লয়া বাতচিত করতে পারাটা প্রায়ই সবচে কঠিন কাজ। অবশ্যই, একটা ইংরেজি সেন্টেন্স হিসাবে এটা একটা মামুলি-পুরাতন কথন, তবে সত্যিটা হইতেছে এডাল্ট লাইফের পোরতি দিনের যুদ্ধের ভিতর মামুলি-পুরাতন কথারাও জীবন-মিত্যুর ব্যাপার হয়া দাড়াইতে পারে, অথবা আমি এমনটাই সাজেস্ট করতে চাইতেছি তোমাদেরকে, এই সুন্দর শুকনা সকালে।

অবশ্যই, এরকম একটা বক্তিতায় আমার মূল দায়িত্ত হইতেছে লিবারেল আর্টস এডুকেশনের মিনিং নিয়া কথা কওয়া, বুঝাইতে চেষ্টা করা যে তোমরা যে ডিগরি’টা রিসিভ করতে যাইতেছো – কেবল বস্তুগত অর্জনের বাইরেও এটার একটা বাস্তব মানবিক মূল্য আছে। তো, আসো আমরা কথা বলি কমেন্সমেন্ট স্পিচের সবচাইতে হুজুগে কিলিশে’টা (cliché) লইয়া, আর সেটা হইতেছে লিবারেল আর্টসের পড়াশুনার লক্ষ্য এটা না যে তোমারে গেয়ানের সাগর বানাবে, বরং তার লক্ষ্য হইতেছে ‘কিভাবে চিন্তা করা লাগে সেটা শিখানো’। আমি ইস্টুডেন্ট হিসাবে যেমন ছিলাম তুমিও যদি সেই টাইপের হয়া থাকো, তাইলে তুমি কখনো এই কথাটা শুনতে পছন্দ করো নাই, এবং তুমি কিছুটা ইনসাল্ট হিসাবেই হয়তো লইছো ব্যাপারটারে যে আরেকজন আইশা তোমারে চিন্তা করা শিখাবে, যেহেতু তুমি এত ভালো একটা কলেজে চান্স পাইছো এটাই তো পরমান করে যে তুমি অলরেডি জানো কেমনে চিন্তা করা লাগে। কিন্তু আমি সত্যি কইরাই কইতেছি, এই লিবারেল আর্টস কিলিশে’টা মোটেই ইনসাল্টিং না, কেননা চিন্তা করতে শিখানোর ব্যাপারটা আসলে চিন্তা করার কেপাসিটির লগে রিলেটেড না, বরং কি লয়া চিন্তা করা দরকার সেই চয়েস’টা করতে পারার লগে রিলেটেড। আর, কি লইয়া চিন্তা করতে হবে সেটার ব্যাপারে তোমার ফিরিডম অফ চয়েস’রে তুমি যদি এতই অবভিয়াস মনে করো যে, এটা লইয়া কথা কইবার-ই যেন কিছু নাই, তাইলে আমি তোমারে বলবো মাছ আর দরিয়া নিয়া চিন্তা করতে, আর বলবো মাত্র কয়েকটা মিনিটের লাইগা ‘টোটালি অবভিয়াস’ জিনিশের গুরুত্ত বিষয়ে মনের সন্দেহ’টারে একটু পাশ কাটাইতে।

ছোট্ট আরেকটা প্যারাবল শুনাই। দুইজন লোক বইশা আছে আলাস্কার গভীরে দুর্গম কোথাও একটা বারের ভিতরে। দুইজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসী, আরেকজন নাস্তিক, আর তারা খোদার অস্তিত্ব লয়া বাহাস করতেছে, চার নাম্বার বিয়ারের পর আলাপে যেই জোশ আসে সেইরকম-ই ইনটেন্স হয়া উঠছিলো তাদের আলাপ। নাস্তিকটা কইলো, “দেখো, এরকম না যে আমার কাছে খোদায় বিশ্বাস না করার কোনো কিলিয়ার রিজন নাই। এমন না যে আমি খোদা এবং মোনাজাত লয়া এক্সপেরিমেন্ট করি নাই। জাস্ট গত মাসেই বরফের মধ্যে তুফানে আমি আমার ক্যাম্প হারায়া ফেলছিলাম, আমি কিছুই ঠাওর করতে পারতেছিলাম না, কিছুই বুঝতে ছিলাম না, তাপমাত্রা শূন্যের ৫০ ডিগরি নিচে আছিলো, আর তখন আমি এটা টেরাই করলাম : আমি আমার হাটু গাইড়া বসলাম বরফে, কাইন্দা উঠলাম এই বলে যে, ‘হায় খোদা, যদি তুমি থাকিয়া থাকো, আমি তুষারঝড়ে আটকা পড়সি, আমি মারা যাবো যদি তুমি আমারে হেল্প না করো।’” তো, বারের মধ্যে, বিশ্বাসী লোকটা ধন্দে পইড়া গেলো, নাস্তিকের দিকে চাইয়া সে কইলো, “তাইলে তো তোমার এখন নিচ্চই খোদায় বিশ্বাস করার কথা। কেননা তুমি তো জিন্দা-ই আছো।” নাস্তিকটা চোখের মণি ঘুরায়া কইলো, “আরে না, ঘটনা হইতেছে দুইজন এস্কিমো হাটতে হাটতে ওইদিকে আইশা পড়সিলো, তারাই আমারে ক্যাম্পে যাইবার রাস্তা দেখায়ে দিছে।” Continue reading

রাজনিতির দাগ খতিয়ান: বাকশাল-দুছরা বিপ্লব এবং তার পর

This entry is part 1 of 18 in the series রকম শাহ'র বয়ান

১.
মস্ত একটা আলাপ, শুরু করতেছি নেত্রনিউজ দিয়া। দেশের কোন মিডিয়া দেশ এবং নাগরিকদের দরকারি বেশিরভাগ রিপোর্ট ছাপায় না, বা তারা বাকশালের পেয়ারা খাদেম। হজরত খলিল বিদেশে থাইকা দুই চারটা রিপোর্ট করছেন, এমন আরো কয়েকটা মিডিয়া থাকলে ভালো হইতো, কিন্তু নাই, আফছোছ! তাসনিম খলিল। নেত্র নিউজের এডিটর। দেশে শাচ্চা কোন মিডিয়া না থাকায় এই ছোট্ট জিনিশটাই মস্ত হইয়া উঠছে। দুই দিকেই! বাকশাল এবং বাকশালের দুশমন–দুই পক্ষই নেত্রনিউজের ব্যাপারে, হজরত খলিলের ব্যাপারে কতক আপত্তি করার কারন পাইছেন। কথাটা ওনারে দিয়া পাড়লেও অমন অনেকেই আছেন, দেশে একটা ১৯/২০ থিয়োরি আছে, এই অনেকে ঐ থিয়োরির গাহেক খুব।

উনি একজন বেক্তি, কিন্তু ওনারে একটা ক্যাটেগরির নিশান হিশাবে দেখতে হবে আপনার, নাইলে বুঝতে পারবেন না। এই ক্যাটেগরিটারে বোঝার দরকার আছে, আপনের রাগ জদি ছেরেফ ওনার উপর হয়, ওনারে ঘায়েল করলেই আপনের রাগ মোচন হইতে পারে, কিন্তু ক্যাটেগরিটারে না বুঝলে ইতিহাশে আপনের এজেন্ডা খুবই অধরা থাইকা জাবে!

দেখেন, হজরত খলিলের উপর লিগ-বাকশাল খ্যাপা বটে এবং এইটা মিছা না। ওনার কায়কারবারে ওনার ফেমিলিও দেশে জুলুমের ভিতর আছে, হুমকি-ধামকি খাইতে হয় রেগুলার। আবার মাঝে মাঝে উনি এমন কিছু করেন, এমন কতগুলা জিনিশের নিশান উড়াইতে থাকেন জে লিগের দুশমনেরাও ওনার উপর খ্যাপেন, তখন অনেকেই মনে করেন জে, উনি বুঝিবা লিগ-বাকশালের হইয়া গোপনে কিছু করতেছেন!

ওদিকে, বাকশাল এবং তার দুশমন–দুই পক্ষই হজরত খলিলের উপর খেপলে উনি একটা অটোমেটিক বেনিফিট অব ডাউট পাইয়া জাইতেছেন অনেকের কাছেই! জেন বা বাকশাল আর বিএনপি–দুইটাই জেহেতু খারাপ, আর এই দুইটাই হজরত খলিলের উপর খ্যাপা, তাই হজরত খলিলই শাচ্চা ভালো, ওনার পজিশনই ঠিকাছে! উনি জেহেতু শাচ্চা ইনছাফের রাস্তায় আছেন, তাই ওনার কায়কারবার কখনো এদিকের, কখনো ওদিকের বিপক্ষে জায়, তাই কখনো এই পক্ষ খুশি তো কখনো ঐ পক্ষ নাখোশ!

কিন্তু এই ভাবনাগুলার গোড়ায় কিছু গলদ আছে এবং শেই গলদ ঘটতেছে হজরত খলিলকে একটা ক্যাটেগরির নিশান হিশাবে বুঝতে না পারায়, ফলে শেই ক্যাটেগরিটাও বোঝাবুঝির বাইরে থাকায়!

ছো, ঐ ক্যাটেগরিটারে বুঝতে হবে এবং ঐ ক্যাটেগরি কেন বাংলাদেশের ইতিহাশ বুঝতে পারে না ঠিকঠাক, শেইটা বুঝতে হবে। এবং এইটা বুঝাইতে পারলে ঐ ক্যাটেগরিটার অনেকেই নিজেদের রিভাইছ করতে রাজিও হইতে পারে! আমাদের মনে রাখা দরকার জে, কতগুলা ভালো মানুশও জালেমের পক্ষে কাম করতে পারে, কেননা, তাদের খোদ ভালোর ডেফিনিশন বা তারিফেই গলদ আছে, কিন্তু তাদের বিবেচনার শেই ভালোর পক্ষেই আছে তারা; কিন্তু তারিফের গলদের কারনে তাদের পজিশন জালেমের শক্তি বাড়াইতেছে উল্টা!

তো, হজরত খলিলের ক্যাটেগরিটার নাম ‘ওয়েস্টার্ন লিবারাল’ এবং এইটা বাংলাদেশে বেশুমার আছে! বাংলাদেশের ইতিহাশ বোঝাবুঝিতে এদের মস্ত গলদ আছে বইলা তারা দেশের উপকার করতে চাইলেও আখেরে উল্টা জিনিশ ফলায় পেরায়ই!

এখন ওনাদের গোড়া জেই ওয়েস্টার্ন লিবারালিজম, হালের শেই পলিটিকেল পজিশনটা খেয়াল করেন। এইটার ১ নাম্বার নিশানা হইলো, এইটার ভিতর একটা বাম টান আছে। আবার পুরা জে বাম, তা না আশলে। তাদের এখনকার পলিটিকেল মডেল অনেকটা এস্কান্ডিনেভিয়ান রাশ্টোগুলার মতো।

এখনকার বাম টানঅলা লিবারাল পজিশন কইলে আপনের কয়েকটা জিনিশ অটোমেটিক বুঝতে হবে। ফেমিনিজম, এলজিবিটিকিউ রাইটস, মাইনোরিটি রাইটস, এনভায়রনমেন্টালিজম, এন্টি-ওয়ার, এন্টি-নিউক্লিয়ার, এন্টি-ফছিল ফুয়েল–এগুলা খুব ফান্ডামেল্টাল; এই অর্থে এনাদের একটা আইডি পলিটিক্স আছে। ঐ বাম টান জতো বেশি ততো বেশি আবার কেপিটালিস্ট ইকোনমিতে ঘেন্না ওনাদের, একটা বড়ো দল আবার এনার্কিস্ট। এদের একজন হিরো ধরেন গেরেটা থুনবার্গ, হজরত থুনবার্গের কায়কারবার খেয়াল করলে এই লিবারালদের মন কতকটা বুঝতে পারবেন। এইখানে একটা বাড়তি কথা কইয়া রাখি: বাচ্চাদের একটা কুরুছেড হইছিলো; ঐটার পিছে আন্দাজটা ছিলো এমন–ইনোছেন্ট ছোলজার লাগবে, আগের কুরুছেডাররা পাপি, তাই তারা ফেল করছিলো। তাই ইউরোপের ইনোছেন্ট বাচ্চারা কুরুছেডে গেছিলো, ঐভাবে ইউরোপের একটা ফুল জেনারেশন মরছে ছেরেফ! তো, আমার আন্দাজ হইলো, ওয়েস্টার্ন লিবারালদের ভিতর শাদা খিরিস্টান ছাইকি আশলে একটিভ আছে ভালোই এবং গেরেটা থুনবার্গের ভিতর তারা শেই ইনোছেন্ট কুরুছেডার পাইছে এবং তারা দুনিয়ারে ডেভিল পুজির হাত থিকা বাচাইতে চাইতেছে। হজরত থুনবার্গ হইলেন এই নয়া কুরুছেডের ছেইন্ট/আর্চ বিশপ জেন!

তো, এই নজর দিয়া জখন বাংলাদেশের ইতিহাশ দেখেন ওনারা, কেমনে বিচার করেন?

এই পোশ্নের জবাবের তালাশ করতে আরেকটা ব্যাপার টানা দরকার আছে এইখানে। ১৯৭৫ শালে বাংলাদেশে বাকশাল কায়েম করে তখনকার উজিরে আজম, নিজে পেছিডেন হন, পলিটিক্স ব্যান করেন, পেরাইভেট ঔনারশিপের উপর হামলা করেন, একটা কেপিটালিস্ট ইকোনমি কমুনিজমের দিকে হাটা শুরু করে, একটা লোকাল কমুনিস্ট পাট্টি গজায়, আগের কমুনিস্ট পাট্টি ঐ নয়া কমুনিস্ট পাট্টিতে ঢুইকা পড়ে, রাশ্টো-শরকারের ব্যাপারে নাগরিকের কথা বলারে ব্যান করে।

খেয়াল করলে দেখবেন, আজকে অনেকেই ফেছিজমের কথা কয়, এখনকার হুকুমত বা রেজিমকে ধরেন ফরহাদ মজহাররা ফেছিজম কইতেছে, ওয়েস্টার্ন লিবারাল ডিছকোর্ছেও এইটারে ফেছিজম কইতেছেন অনেকে। ওনারা এই হুকুমতকে ফেছিজম কইবেন, কিন্তু বাকশাল কইবেন না। কেন? Continue reading

এস্টে কিরিয়েটিভ

This entry is part 2 of 18 in the series রকম শাহ'র বয়ান

জিন্দেগির একটা টোটাল দর্শন বা ফিকির বা রাস্তা লইয়া ভাবেন; অমন একটা দর্শন আপনে পোস্তাব করলেন, দাওয়াত দিতেছেন লোকজনরে, দলে দলে আপনের নিশানের নিচে চইলা আশলো মানুশ, কিছু দিন পরে দুনিয়ার তাবত মানুশ শেই দর্শনে একিন করলো, শবাই আপনের মুরিদ, ১০০% মুরিদ, আপনের দেখানো রাস্তায় তারা ফিকির করতেছে, দুনিয়ার দিন গুজরান হইতেছে আপনের দর্শনের ইশারা মোতাবেক; তার ১৫০ বছর পরে দুনিয়ায় আর কোন মানুশ থাকলো না, আপনের দর্শনে একিন করায় বাছুর পয়দা করার দরকার বা খায়েশ কোনটাই আর থাকলো না মানুশের ভিতর, এমনকি টাইমও নাই, আপনের দর্শনে এমনই বুদ হইয়া গেছে দুনিয়ার তাবত মানুশ! কেমন হবে ব্যাপারটা? দুনিয়ায় মানুশ থাকতে থাকুক–এইটা জারা চাই আমরা, তারা কি আপনের দাওয়াত নিতে রাজি হইতে পারবো, রাজি হওয়া কি ঠিক হবে?

কোন একটা দর্শন শুরুতেই আমরা বাতিল করতে পারি কিনা, শেইটা বুঝতে ঐ থিয়োরেটিকেল ছিচুয়েশনটা ভাবা জাইতে পারে! মানে ধরেন, দুনিয়ার শবাই জদি মোছলমান হইয়া জায়, তাতে মস্ত কোন মুশকিল আছে কিনা। থিয়োরেটিকেলি নাই; মানে দুনিয়ার শবাই ইছলামের একই মর্মে একিন করলে শান্তির শম্ভাবনা আছে বরং, দুনিয়া এবং দুনিয়ার মানুশ থাকতে থাকবে, আরামেই, শুখেই থাকবে, আর শকল মাকলুকাতও থাকতে থাকবে, মানুশ এবং দুনিয়ার ছারভাইভাল বেশ ভালো ভাবেই বহাল থাকবে।

ছেরেফ দুনিয়াবি ব্যাপারে জদি ভাবি, তাইলে কেবল ইছলাম না, দুনিয়ার তাবত মানুশ জদি এরিস্টোটলের দেখানো রাস্তায় হাটে, তাতেও ভালোই চলতে থাকবে দুনিয়া; বা জরথুস্টার বা জেছাছ বা হিন্দু ধর্মও এমনকি। বৌদ্ধ ধর্মের ব্যাপারে কওয়া মুশকিল! মানে দুনিয়ার শবাই জদি একেকজন নির্বান বুদ্ধ হইয়া জান, তারা কেন একটা বাচ্চার জনম দেবে! দেবার কারন নাই তো কোন, দুনিয়া নামের বেদনার জাহান্নাম থিকা বিদায় লইবে তারা শবাই, এই জাহান্নামে কাউকে আনবেও না, একটা বাচ্চার জনমের পোছেছে ঢুকলেই তো শে আর নির্বান থাকতে পারলো না!

এই দিক থিকা ভাবলে মনে হয়, বুদ্ধ ধইরাই নিছিলেন জে, শবাই নির্বান হবে না তো বটেই, এমনকি মানুশের নির্বান হওয়াটা আশলে জিন্দেগির আখেরি আধা’র মামলা! মানে পয়লা আধায় আপনে কামের ভিতরেই থাকবেন, কামাই করবেন, ছেক্স-টেক্স করবেন, জনম দেবেন, তারপর নির্বান হবার দিকে জাওয়া শুরু করতে পারেন!

মানে, মানুশের কতগুলা খায়েশ, খাছলতের কতগুলা ফিচারকে উনি এমনই ফান্ডামেন্টাল ভাবছেন জে, ওগুলার লগে ঠিক অলআউট ফাইট করতে চান নাই, বরং উনি ঐগুলারে জদ্দুর পারেন ছাইটা রাখতে টেরাই করছেন! তাও জিন্দেগির পয়লা আধা পাটে মনের হাউশ মোটামুটি মেটার পরে!

কিন্তু জিন্দেগির আখেরি পাটেও তার রাস্তায় হাটা শুরু করতে মানুশকে রাজি করাইবেন কেমনে! কেন করবে মানুশ, কারন লাগবে তো কিছু! এইখানেই জিন্দেগির বেদনার ব্যাপারটা আশে। Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →