Main menu

কেমনে টাকা কামাবেন আর ভালোবাসা খুঁইজা পাবেন? – কার্ট ভনেগাট

আপনাদের ক্লাসের রিপ্রেজেনটেটিভ মাত্র বললো সে নাকি “যেমন দিনকাল যাইতেসে, আল্লাহ বাঁচাইসে আমি কোনো জুয়ান লোক না” এইরকম কথা শুনতে শুনতে বিরক্ত হইয়া গেসে। এর উত্তরে আমি স্রেফ বলতে পারি, “যেমন দিনকাল যাইতেসে, আল্লাহ বাঁচাইসে আমি কোনো জুয়ান লোক না।”

আপনাদের কলেজের প্রেসিডেন্ট আপনাদের বিদায়ের দিনে কোনো নেগেটিভ কথা বলতে চান না, তাই উনি আমারে বললো এই খবরটা আপনাদের জানায়ে দিতে, “আপনাদের যাদের পার্কিং ফিজ এখনও বকেয়া আছে তা এই কলেজ ছাইড়া যাওয়ার আগে মিটায়া দিয়া যাইয়েন, নাইলে আপনাদের ট্রানস্ক্রিপ্ট নিয়া পরে গ্যাঞ্জাম লাগবে।”

আমি যখন ছোট্ট একটা পোলা ছিলাম, তখন ইন্ডিয়ানোপলিসে এক রম্যলেখক ছিল, কিম হাবার্ড। ইন্ডিয়ানোপলিস নিউজের জন্য সে প্রতিদিনই কয়েকটা লাইন লিখতো। ইন্ডিয়ানোপলিসের তখন যত সম্ভব তত রম্যলেখক দরকার ছিল। কিম হাবার্ড কখনো কখনো অস্কার ওয়াইল্ডের সমান উইটি ছিল। যেমন ধরেন, সে একবার বলসিলো কোনো মদ না থাকার চাইতে মদ নিষিদ্ধ হওয়া বেটার। আবার বলসিলেন “নিয়ার-বিয়ার” নামটা যে দিসিলো তার দূরত্বের সেন্স খুবই খারাপ।

আপনাদের শেখার মত গুরুত্বপূর্ণ যাকিছু আছে তা আমি ধারণা করি গত চার বছরে আপনারা শিইখা ফেলসেন এবং আপনাদের আমার কাছ থিকা শেখার মত নতুন কিছু নাই। যাক তা আমার জন্যই ভালো। আপনাদের বলার মত আমার আসলে একটাই কথা আছে: এইটাই শেষ, আপনাদের শৈশব এইখানেই পুরাপুরি শেষ। “সরি এবাউট দ্যাট,” যেমনটা বলা হইতো ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়।

আপনারা হয়তো আর্থার সি. ক্লার্কের ‘চাইল্ডহুডস এন্ড’ উপন্যাসটা পড়সেন। সাইন্স ফিকশনের ফিল্ডে হাতেগোনা যেই কয়টা মাস্টারপিস আছে এইটা তার মধ্যে একটা। এই ফিল্ডের বাকিসব মাস্টারপিস আমার লেখা। ক্লার্কের উপন্যাসটাতে একটা কারেক্টার অনেক বিশাল ইভোল্যুশনারি চেঞ্জের মধ্য দিয়া যায়। বাচ্চারা তাদের বাপমায়ের চাইতে অনেক ডিফারেন্ট হইয়া পড়ে, অনেক কম ফিজিকাল, বেশি স্পিরিচুয়াল। তারপর একদিন তারা সবাই একটা অদ্ভূত আলোর স্তম্ভের মত কইরা পাক খাইতে খাইতে মহাবিশ্বের সাথে মিলায়া যায়, তাদের গন্তব্য অজানা। বইটা এইখানেই শেষ। আপনারা যারা এইখানে আছেন, আপনারা দেখতে অনেকটাই আপনাদের বাপমায়ের মতই, আর এই সম্ভাবনাও খুব কম যে আপনারা হাতে ডিপ্লোমা পাওয়ার সাথে সাথে আলো ছড়াইতে ছড়াইতে মহাকাশে উইড়া যাবেন। এরচাইতে অনেক বেশি সম্ভাবনা যে আপনারা বুফেলো অথবা রোচেস্টার বা ইস্ট কুয়োগ বা কোহোজে চইলা যাবেন।

আর ধারণা করি আপনাদের প্রত্যেকের চাওয়ার জিনিসগুলার মধ্যে অন্যতম হইলো টাকাপয়সা আর সত্যিকারের প্রেম। আমি বলতেসি কেমনে অনেক টাকা কামাইবেন: প্রচুর পরিশ্রম করেন। আমি বলতেসি কিভাবে প্রেম পাবেন: সুন্দর জামাকাপড় পরবেন আর সবসময় হাসিখুশি থাকবেন। আর লেটেস্ট সব গানগুলার লিরিক্স মুখস্থ রাখবেন।

আর কি এডভাইস দিতে পারি আমি? দানাদার খাবার খাবেন বেশি বেশি, শরীর ভালো থাকবে। আমার বাপ আমারে জীবনে একটাই এডভাইস দিসিলো: “কানের মধ্যে কিছু হান্দাবি না।” আপনার শরীরের সবচাইতে ছোট্ট হাড় আপনার কানে, বুঝছেন? আর আপনার ব্যালেন্সের সেন্সও। তো আপনি যদি আপনার কান নিয়া বেশি ফাইজলামি করেন, তাইলে শুধু যে বয়রা হইয়া যাবেন তাই না, এমনকি একটু পরপর উষ্টাও খাইতে পারেন। সুতরাং, কানগুলারে তাদের মত থাকতে দেন। তারা যেমন আছে ভালো আছে।

ওহ, আর কাউরে খুন কইরেন না। যদিও নিউ ইয়র্ক স্টেট এখন আর মৃত্যুদণ্ড দেয় না।

এই আরকি।

আরেকটা কাজ আপনি করতে পারেন। তা হইলো এইটা মাইনা নেয়া যে ঋতু আসলে চারটা না, ছয়টা। চার ঋতু নিয়া যত কবিতা আছে তা পৃথিবীর এই অঞ্চলে আইসা ভুল হইয়া দাঁড়ায়, এইজন্যই হয়তো আমরা সারক্ষণ এত ডিপ্রেসড হইয়া থাকি। মানে, বসন্তে ঠিক বসন্তের মত ফিল আসে না বেশিরভাগ সময়। নভেম্বরটাও হেমন্তের জন্য ঠিক মানায় না। ঋতুগুলার ব্যাপারে সত্য কথা আমি বলতেসি আপনাদের: বসন্ত হইসে মে আর জুন মাসে! মে আর জুনের চেয়ে বসন্ত ভাব আর কিসে আছে বলেন? গরমকাল হইলো জুলাই আর আগস্টে। তখন বিদিক গরম পড়ে, ঠিক কিনা? হেমন্ত হইসে সেপ্টেম্বর আর অক্টোবর। মিষ্টিকুমড়া দেখতেসেন? ঝরা পাতার স্তূপের ঘ্রাণ পান? এরপরে আসে একটা ঋতু যার নাম হইলো “লকিং”। তখন প্রকৃতি সবকিছু শাটডাউন কইরা ফেলে। নভেম্বর আর ডিসেম্বর মোটেই শীতকাল না। তারা হইলো লকিং। এরপরে আসে শীতকাল, জানুয়ারি আর ফেব্রুয়ারি। ভাইরেভাই কি শীত! তারপরে কি আসে? বসন্ত না কিন্তু। তারপরে আসে আনলকিং। প্রকৃতি তখন আবার তার শাটার তুইলা দেয়। এছাড়া এপ্রিল আর কিইবা হইতে পারে? Continue reading

স্বাধীনতার ঋণ কোনদিন গোলামি দিয়া শোধ করা যায় না (পলিটিক্যাল ডাইরি: মার্চ – এপ্রিল, ২০২১)

[২০২১ সালের ২৬শে মার্চ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরের কারণে ইন্ডিয়ার প্রাইম মিনিস্টার নরেন্দ্র মোদী ঢাকা সফরে আসার কথা ছিল। তার সফরের বিরুদ্ধে মাদরাসার স্টুডেন্টরা মিছিল-মিটিং করতে গেলে গুলি চালায়া ১৭ (বা২২) জন মানুশরে খুন করে পুলিশ। অই সময়ের ঘটনা নিয়া কিছু জিনিস লেখছিলাম আমি। এইখানে অই লেখাগুলা রাখা হইলো। – ই. হা.]

মার্চ ১৮, ২০২১

বাংলাদেশে ‘দাঙ্গা’ হওয়ার কোন চান্স আছে বইলা মনেহয় না, যা হয়, সেইটা হইতেছে খুন। (এবং বেশিরভাগ সময়ই সরকারি মদদে।) ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মোদি সরকার যখন ইন্ডিয়াতে মুসলমানদের খুন করতেছিল তখন এই কথা মনে হইছিল।*

বাংলাদেশে যখন নরেন্দ্র মোদি ভিজিটে আসতেছেন, তার আগে এই রব মনেহয় উঠতেছে সেক্যুলার মিডিয়া’তে। বাংলাদেশে ‘দাঙ্গা’র নামে যা হয়, সেইটা হইতেছে হিন্দু সম্পত্তি-দখল। এই ‘দাঙ্গা’র নাম কইরা ১৯৪৭’র পর থিকা এতো হিন্দু-সম্পত্তি দখল হইছে যে, বাংলাদেশে টাকা-পয়সাঅলা হিন্দুদের নাম্বার এখন যে কোন এলাকাতেই হাতে-গোণা হওয়ার কথা। যেই কারণে ‘দাঙ্গার’ ঘটনা বাংলাদেশ ১৯৯০’র পর থিকা আর খুবএকটা ঘটে না। (ইলেকশনের আগে-পরে ধোঁয়া উঠতো কিছুদিন, কিন্তু এখন যেহেতু ইলেকশনই নাই, দরকার পড়ে না।) কারণ দখল করার মতো হিন্দু-সম্পত্তি নাই তেমন। তারপরও ‘দাঙ্গা’র রব উঠে, যখন দিল্লী’র গোলামির ইস্যু আসে। পলিটিক্যালি এখনো কিছু পারপাস সার্ভ করতে পারে, এই ‘দাঙ্গা’।আমি বলতেছি না, বাংলাদেশে হিন্দুদের বাড়িতে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে না; কিন্তু এর পলিটিক্যাল সিগনিফিকেন্সরে এড়ায়া যাওয়া’টা একটা লিবারাল চুতিয়ামিরই ঘটনা।


* টার্ম’টা ইম্পর্টেন্ট। দাঙ্গা হয় যখন দুইদল দুইদলরে মারে। দিল্লী’তে মোদির সরকার মুসলমানদেরকে খুন করছে। এই ঘটনা দাঙ্গা কেমনে হয়? [ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০]

 

মার্চ ২১, ২০২১

পলিটিক্যাল আলাপ:  সমাজ সংগঠন তৈরি করা কেন পলিটিক্যাল মুভমেন্টের চাইতেও জরুরি জিনিস

মেহরাব ইফতি দুনিয়াতে একমাত্র লোক না হইলেও মোটামুটি দুয়েকজন লোকের মধ্যে একজন যে মনে করে যে, কবিতা লেখার বাইরেও পলিটিক্স নিয়া কিছু চিন্তা আমার আছে, বা আমি করতে পারি। 🙂  তো, যখনই অর লগে দেখা হয়, পলিটিক্যাল আলাপ শুরু করে আমার লগে।

ও তো ইন্ডিয়াতে পড়াশোনা করে, ওয়েস্ট বেঙ্গলে; তো, অইখানকার সিচুয়েশন নিয়া সে খুব চিন্তিত; যে ওয়েস্ট বেঙ্গলে যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে কি হবে তাইলে? ও শুরু করলো, জিজেকের আলাপের রেফারেন্স দিয়া, যে ট্রাম্প জিতার সময়ে জিজেক কইছিল হিলারি না জিইতা ট্রাম্প জিতলে আসলে ভালো কারণ লিবারাল সিস্টেমটা যে ফাংশন করতেছে না, সেইটা আরো স্পষ্টভাবে বুঝা যাবে, ভালো হবে সেইটা। কিন্তু ইন্ডিয়াতে তো রাষ্ট্র-ব্যবস্থার ৩টা পিলার – আইন-আদালত, ইলেকশন কমিশন, আর ভার্সিটিগুলা ইন্ডিপিন্ডেড ছিল; এখন বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে আইন-আদালত’রে কন্ট্রোল করা শুরু করছে, ভার্সিটিগুলাতে নিজেদের লোকজন ঢুকাইতেছে, ইলেকশন কমিশনরে দখল না করলেও ডর-ভয় দেখায়া ফেভারে কাজ করানোর চেষ্টা করতেছে। এখন ওয়েস্ট বেঙ্গলে যদিও জরিপগুলা বলতেছে, বিজেপি ক্ষমতায় আসবে না, কিন্তু পাবলিকের সাথে কথা বইলা মনে হইছে, চইলা আসবে আসলে। তখন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হবে না? মুসলমানদের পুশ-ব্যাক করবে না? বাংলাদেশেরও তো সাফার করা লাগবে? ওয়েস্ট বেঙ্গলে বিজেপি ক্ষমতায় আসাটা ভালো কেমনে হয়? জিজেক যেইরকম বলছেন। একটা এনার্কি কি এর সমাধান দিতে পারবে?

আমি কইলাম, জিজেকের প্রিমাইজটারে নিয়েন না। আমি বরং আরেকটা গ্রাউন্ড সাজেস্ট করি আপনারে। আপনি ইর্ম্পটেন্ট একটা ফ্যাক্টররে বাদ দিছেন, সেইটা হইতেছে, মিডিয়া। বিজেপি সবচে আগে মিডিয়া-কালচার-বলিউড… এইসব জায়গারে আগে দখল করছে। উনাদের কেন্ডিডেট দেখবেন, বেশিরভাগই সেলিব্রেটি, সিনেমার, সিরিজের নায়ক-নায়িকা, ক্রিকেটার, গায়ক-অভিনেতা, এই-সেই। তো, এইখানে, মিডিয়ার ফাংশন’টা কি? মিডিয়া হইতেছে, আমাদের সামনে পলিটিক্যাল রিয়ালিটি’টারে তৈরি করে, বা ডিসরটেড রিয়ালিটি’টারে বারবার প্রজেক্ট করতে থাকে। এইটা আরো স্ট্রং ইমপ্যাক্ট তৈরি করতে পারে কারণ সমাজে কানেক্টিভিটির জায়গাগুলা মিসিং, মিডিয়া অই ভ্যাকুয়ামটারে একতরফাভাবে ম্যানিপুলেট করতে পারে। করতে পারে, আরো দুইটা কারণে। এক হইলো, আপনি যেই লিবারাল ইন্সটিটিউশনগুলার কথা কইতেছেন, অইগুলা সমাজের কমন পিপলদের পারপাস সার্ভ করতে পারে নাই, বা পারে না। ইভেন আমার মতো ‘শিক্ষিত’ মানুশও চাইবো যে কোন সিচুয়েশনে আইন-আদালত এড়ায়া চলতে, কারণ খামাখা উকিল ধরো, আদালতে যাও, মামলার ডেইট পড়বে, সিস্টেম-টিস্টেম কিছুই তো জানি না, এর চে ভালো ক্ষতি যদি বেশি না হয়, চাইবো আদালতের বাইরেই জিনিসগুলারে সেটেল কইরা ফেলতে। এইরকম অন্য লিবারাল ইন্সিটিটিউশনগুলার ব্যাপারেও বলা যায়, যতগুলা ক্রিমিনাল আছে সমাজে, মানুশের হক মাইরা খায় এরা তো সব ভার্সিটি পড়া লোকজনই। এইরকম। মানে, পাবলিক সচেতন না, লিবারাল ইন্সটিটিউটের বাইরে রেসিয়াল/সাম্প্রদায়িক শক্তিরে সার্পোট করতেছে – ব্যাপারটা এইরকম না, বরং লিবারাল ইন্সিটিটউটগুলা ফেইল মারছে বইলা এইখানে ‘সাম্প্রদায়িক শক্তি’ স্ট্রং হয়া উঠতেছে।

আর এইখানে মিডিয়ার মদদে এইটা হইতে পারতেছে কারণ আমাদের সমাজে সমাজ-সংগঠনের কোন অস্তিত্বই এখন আর নাই। ৩০/৪০ বছর আগের কথাই চিন্তা করেন, ধরেন, পাশাপাশি দুইটা গ্রামের ঘটনা, এক গ্রামের একজন আরেক গ্রামে গিয়া একটা ক্রাইম করছে, ধরেন, চুরি-ডাকাতিই করছে, অই গ্রামের লোকজন কিন্তু তারে পিটানি দিলেও মাইরা ফেলতে পারবে না, কারণ জানে, গ্রামের একটা সমাজ আছে, সে যেই গ্রামের লোক সেইখানের লোকজনরে আগে ডাকাবে, তারপরে তার বিচার করবে; যদি না ডাইকা এইটা করে, গ্রামে-গ্রামে খুনাখুনি লাইগা যাবে; এইটা খালি অন্যায় আর বিচারের ঘটনা না, সে অই গ্রামের লোক, তাদের একটা রেসপন্সিবিলিটি আছে; কেউ যদি খারাপ কাজ করে, তার দোষ তাদের উপ্রেও পড়ে; যে সবাই এইটা খেয়াল করতে পারে নাই। এখন, এই সমাজ-সংগঠন একবারেই নাই হয়া গেছে আমাদের সমাজে। একটা কৃষক-সমাজ, একটা ছাত্র-সমাজ, একটা পাড়া-মহল্লার সমাজও নাই।

একজন ছাত্রের পকেটে ইয়াবা ঢুকায়া পুলিশ থানায় ধইরা নিয়া গেলে এলাকার ছাত্ররা আসবে না তারে বাঁচাইতে। কারণ ধরেন, ডেমরা’তে, যাত্রাবাড়ি’তে ১০০ জনের কোন ছাত্র-সংগঠন নাই, যাদের কেউ একজনরে ধইরা নিয়া গেলে বাকি ৯৯ জন আগায়া আসবে। কোন (বালের) বিপ্লব, রেভিউশন করার দরকার নাই, জাস্ট এইটুক করবে, এইটা নাই! আর এইরকমের কোন কিছু যেহেতু নাই, একটা ‘ঐক্য’ তো আমাদের লাগবে, সেই ভ্যাকুয়ামটা মিডিয়া ফিলাপ করে, ‘আমরা হিন্দু’ ‘আমরা মুসলমান’ – এইসব প্রপাগান্ডা দিয়া।

সমাজ-সংগঠনের যেই কাজ সেইটা পলিটিক্যাল সংগঠন দিয়া হবে না। কালচারাল সংগঠন দিয়াও হবে না। সমাজে যদি সমাজ-সংগঠন না থাকে পলিটিক্যাল সংগঠনগুলাও ঠিকমতো ফাংশন করবে না। সমাজ-সংগঠন হইতেছে, পলিটিক্যাল সংগঠনের বেইজটার মতন অনেকটা।

Continue reading

সমাজের উন্নতি করা বা সমাজ পরিবর্তনের উপায় বাতলাইয়া দেওয়া ক্রিটিসিজমের কাজ না – হ্যারল্ড ব্লুম (পার্ট ১)

This entry is part 15 of 29 in the series ইন্টারভিউ সিরিজ

হ্যারল্ড ব্লুম হইলেন বিশ শতকের আমেরিকান লিটারেরি ক্রিটিসিজমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লোক। উনার বইপত্র নাড়াচাড়া করা আমার ব্যক্তিগত রিডিংয়ের জন্যে একটা টার্নিং পয়েন্টই বলা যায়। কারণ, ভালো ক্রিটিসিজম যে একটা লেখার জন্যে কতটা সহায়ক হইতে পারে তা হ্যারল্ড ব্লুমের থাইকাই শিখতে পারছিলাম। অন্তত অই চেষ্টাটা পড়ার পর থিকাই শুরু হইছিলো আরকি।

উনি প্রায় ৫০ টারও উপ্রে বই লেখছেন। বিশেষত বিভিন্ন রাইটারগোর উপ্রে আলাদা কইরা লিটারেরি ক্রিটিসিজম সম্পাদনা ও সংকলন করার জন্যে ওনার নাম সবার উপরে থাকবে। ওনার দ্যা এ্যাংজাইটি অব ইনফ্লুয়েন্স, দ্যা এনাটমি অব ইনফ্লুয়েন্সঃ লিটারেচার এজ এ্যা এ্যাওয়ে অব লাইফ, হাউ টু রিড এন্ড হোয়াই – এই বইগুলার কথা আলাদা কইরা কইতেই হয়।

প্যারিস রিভিউ’র নেওয়া ওনার এই ইন্টারভিউটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ। কারণ, এই ইন্টারভিউটায় ওনার ছোটবেলা হইতে শুরু কইরা এই লিটারেরি ক্রিটিসিজমের ফিল্ডে আসা পাশাপাশি বিভিন্ন রাইটারগোর সম্পর্কে মূল্যায়ন পাশাপাশি লিটারেরি ক্রিটিসিজমের অবস্থা পাশাপাশি এই ফিল্ডে আসার পর আক্রমণের স্বীকার মানে ওনার সামগ্রিক জীবনের একটা সারসংক্ষেপের দেখা মিলবে এই ইন্টারভিউটা।

আশা রাখি, এই ইন্টারভিউটা ভবিষ্যতে হ্যারল্ড ব্লুমরে পড়ার জন্যে উসকাইয়া দিবে। হ্যাপি রিডিং। 🙂

সারোয়ার রাফি

সাম্প্রতিক সময়ে, হ্যারল্ড ব্লুমরে শুধু একাডেমিক জার্নাল এবং আলপের মাধ্যমেই না, বরং নিউজপেপারে, অপ-এড পেইজে, টেলিভিশন এবং রেডিওর মাধ্যমেও আক্রমণ করা হইতেছে। এই আক্রমণটা আসতেছে ওনার বেস্ট সেলার বই ‘দ্যা বুক অব জে’ (The Book of J)’র কারণে। বইটাতে ব্লুমের যুক্তি আছিলো, জনসাধারণের মইধ্যে এই J-writer ই হইলো হিব্রু বাইবেলের প্রথম লেখিকা, যে কিনা শুধু অস্তিত্বেই না (গত শতক হইতে বাইবেলের ইতিহাসবিদগোর মইধ্যে যে বিষয়টা নিয়া বির্তক চলতেছে), প্রায় নির্দিষ্টভাবেই একজন মহিলা ছিলেন। সলোমোনিক এলিটগোর অধীনে রেহোবোয়াম অব জুডানের শাসনে কোর্ট ইতিহাসবিদগোর লগে প্রতিযোগিতায় উনি বইটা লিখছিলেন। বাইবেলের পণ্ডিত, রাব্বী, সাংবাদিক, এর পাশাপাশি প্রচলিত প্রাতিষ্ঠানিক সূত্রগুলার থিকা ব্লুমের উপর এই আক্রমণগুলা আসে। আর এরই ফলে ব্লুম কখনোই ওর ভিউগুলা থিকা এর আগে এতো আলাদা হইয়া যান নাই অথবা ওদের কাছে অতো নিরাপদও থাকেন নাই। উনার নিজের বর্ণনামতে উনি হইয়া গেছিলেন, “একজন ক্লান্ত, বিষণ্ন, দয়ালু, বুইড়া প্রাণী”, যিনি তার বহু বন্ধু এবং নিন্দুকগোরে স্নেহ ও হতাশায় আগ্রহের লগে গ্রহণ করছিলেন।

উনি রাজনীতি, রোমান্স, খেলা ইত্যাদি – যে কোন বিষয় নিয়াই কথা কইতে পারলে খুশি হন – যদিও স্বীকার করেন যে উনি বহু বিষয়ের মইধ্যেই একটু বেশি মাত্রায় ঢুইকা পড়েন। কারো সাথে উনার মতের সাথে অমিল হইলে তখন উনার জবাব থাকে, ” ওহ, না, না, মাই ডিয়ার…”। শেক্সপিয়ারের ক্লাসে ফিটফাট পোশাক পরা এক গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ড উনারে বলছিল, ল্যাগো, ওথেলোর উপ্রে সেক্সুয়ালি জেলাস থাকবার পারে; ব্লুম তার ভুরু কুঁচকাইয়া, মোজা পরা পা দুইটা একসাথে আইনা, শার্টে হাত গুঁইজা, চিল্লায়া বলছিলেন যে, “এইটা হইতে পারে না, মাই ডিয়ার। আমি অবশ্যই এর প্রতিবাদ করতেছি।” এইটা তেমন অবাক করার বিষয় না বরং সাধারণ ব্যাপারই কোনো আর্টিকেল এবং লেকচার শুরুর সাথে সাথে এক্স স্টুডেন্ডদের সাথে ব্লুমের তর্কাতর্কি করা, এবং তার দৃষ্টিতে, ব্যাপারগুলা এমনই হওয়া উচিত। উনি একটা এমারসোনিয়ান বাণী কোট করতে পছন্দ করেনঃ “আমি পড়ানো থিকা অইন্য কিছু না বরং একরাশ বিরক্তিই অর্জন করছি।”

এই ইন্টারভিউটা নিউ হ্যাবেন এবং নিউইয়র্কের বাড়িটাতে যেখানে উনার বউ জেনের লগে থাকতেন সেখানে নেওয়া হইছিলো – প্রথম বাড়িটাতে চার দশক সময় ধইরা পইড়া রইছে ফার্নিচার ও বইগুলা, অন্যটা ফার্নিচারবিহীন, যদিও দুইটাতেই উনার আগাইয়া রাখা কাজ এবং স্টুডেন্টদের পেপার ছড়াইয়া রইছে। যদি কথাবার্তা খুব ভারী না হয় তবে ব্লুম মাঝেমধ্যে বারোক (Baroque), মাঝেমধ্যে জাজ মিউজিক শুনতে পছন্দ করেন। (নিউইয়র্কের গ্রিনউইচ ভিলেজের এপার্টমেন্টটায় জাজ মিউজিক শুনতে উনি আরো ফ্রিডম পান।) ফোন বাইজা চলে। ফ্রেন্ড, এক্স স্টুডেন্ট, কলিগদের ফোনও তখন রাইখা দেন। তার কথাগুলা অদ্ভুত বিস্ময়ের লগে উচ্চারিত হয়ঃ “জোম্বাহ (Zoombah)”, একটার জন্যে – সোয়াহিলি (Swahili) বলেন “লিবিডো (Libido)” এর জন্যে- চটকদার এই শব্দগুলা এক বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়াই বলেন, এর সাথে মিল-রাখা বিশেষণ “জোম্বিনাশাস (Zoombinatious)” এবং এর ক্রিয়া “Zoombinate (জোম্বিনেট)”-ও বলেন। ব্লুম এমনভাবে কথা কন যেন প্রতিটা শব্দই তার সামনে ছাপার কাগজে আসতেছে। ব্যাকরণের দিক দিয়া জটিল, মাঝেমধ্যে দুরূহও বলা চলে। কিন্তু কঠিন বা আনন্দদায়ক যাই হোক না ক্যান উনি কথা শেষ করবার সময় এগুলারে দারুণ সজীবতার মাধ্যমে তুইলা ধরেন। এর কারণ এই যে, উনি পইড়া পইড়াই ইংরেজি শিখছেন, নিজস্ব উচ্চারণভঙ্গিতে তার নিউইয়র্কের সুর আছেঃ উনি ব্যাখা করছিলেন যে, “তুমি ইস্ট ব্রোনক্সের সকল ইয়েডিশ ফ্যামিলিতে ইংরেজি শেখার চেষ্টা করতে পারবা ব্লেকের প্রফেসির শব্দগুলারে উচ্চারণ করার মাধ্যমে”। কথাবার্তা শুরু করেন সরাসরিই, মাঝেমধ্যে ব্যক্তিগত প্রশ্নের সাথে, অথবা একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়াঃ ”ওহ, ব্লুমিয়ান পা দুইটা আজকে কেমনে ব্যথা করতেছে!”

Antonio Weiss
১৯৯১

ইন্টারভিউয়ার: আপনার বাইড়া ওঠার মেমোরি নিয়া কিছু কন?

হ্যারল্ড ব্লুম: বহু বছর পার হইয়া গেছে। আমার বয়স এখন ষাট। বাইড়া ওঠার কথা তেমন ইয়াদ করতে পারি না। আমার বাইড়া ওঠা মূলত অর্থোডক্স ইস্ট ইউরোপিয়ান ইহুদি পরিবারে। যেখানে প্রতিদিনকার ভাষা ছিলো ইয়েডিশ। মা খুবই ধার্মিক ছিলেন যদিও বাবা অতো না। আমি এখনো ইয়েডিশ কবিতা পড়ি। তাতে আমার অনেক ইনটারেস্ট আছে আর পইড়া খুবই মজা পাই।

ইন্টারভিউয়ার: যেখানটায় বাইড়া উঠছিলেন ঐখানকার নেইবারহুড লইয়া কি কিছু মনে আছে আপনার?

ব্লুম: প্রায় নাই কইলেই চলে। তয় একটা ভালো মেমোরি হইলো, বাঁইচা থাকার তাগিদে, আমি ও আমার বন্ধুরা, সবসময় শক্ত-সামর্থ্য আইরিশ নেইবারদের লগে স্ট্রিট ফাইট করতাম। তাগোর মইধ্যে কেউ কেউতো আইরিশ-আমেরিকান নাজি সংগঠন ‘সিলভার শার্টস’ দিয়া ইনফ্লুয়েন্স ছিলো। এইটা ছিলো ১৯৩০ এর দশকের কথা। আমাগোর পুব দিকের সীমানায় আইরিশ নেইবাররা থাকতো, আমরা থাকতাম ইহুদি পাড়ায়। আমাগোর সীমানায়, দক্ষিণের ছড়ানো পথটার দিকে, একটু পরেই আইরিশ পাড়া শুরু। ওরা আমাগোর এদিকে রেইড করতো এবং আমরা পাল্টা ফাইট করতাম। স্ট্রিট ফাইটের ক্ষেত্রে ওরা ছিলো ভয়ংকর। ফাইট করার সময় ওরা বোতল এবং বেজবল ব্যাট ভাঙ্গতো। তখন ছিলো খুবই খারাপ সময়। যদিও বয়স বাড়ার লগে লগে আমি তা সবসময় বলি এবং দেখি যে, আমার বহু ভালো বন্ধুই হইলো আইরিশ। Continue reading

মিরাজ মিঠু’র কবিতা

ব্যাকস্পেস

দিনে কতো রকম লেখা লেখি,
মনে হয় কিছুই হয় নাই
সব মুছে ফেলি
আবার লেখি৷

যদি ব্যাকস্পেস না থাকতো তবে কেমন হইতো বিষয়টা?

আমারতো ভালো লাগে না কবিতা লিখতে
তাও লিখি; মন না চাইলেও তোমার নামে চিঠি লিখি
সরকারের নামে গালাগাল লিখি।

অযত্নে লেখি,
বানান ভুল হইলে অভিধান দেখে ঠিক করি
লেখা বারবার পড়ি, তারপর?

যত্ন কইরা ব্যাকস্পেস চাপি।

২০১৮

 

মাছ আর তুমি

তোমার বাড়ির সামনেই আছি
নদীতে বড়শি ফেলে বসে থাকি
নদী থেকে হাওয়া আসে
লাগে তোমার নীল শাড়িতে,
গোছলের পর যেটা রোদে দিছো
ইলাস্টিকের রশিতে।

তীর ভেঙে ধসে পড়ে মাটি
দুপুর গড়িয়ে বিকেল
হলুদ সূর্য লাল হয়
দিনের পর রাত হয়
ঘরে ফেরে সব পাখিরা:
আমিও ফিরি।

মাছ আর তোমারে ধরার আশায়
সকাল বেলা আবার আসি,
আমার টোপ মাছে খায় না
মাছগুলোও তোমার মতো
একটাও আমারে ধরা দেয় না।

২০২০

 

পাতিহাঁস

শানবাঁধানো পুকুর ঘাট
গোছল করে না কেউ
কচুরিপানা আর মাছ ছোটছোট
ঘাটে শ্যাওলা পরা পিছলা।

মাছরাঙা তেমন দেখা যায় না
দেখা যায় দু’একটা সাদা বক
এ বাড়িতে অনেক পাতিহাঁস
সারাদিন হাঁসগুলো চষে পুকুরময়।

কয়েকটা হাঁস এক পা উঠায়ে ঝিমায়
কয়েকটা সাঁতার কাটে
খাবার খোঁজে বা সঙ্গী,
কয়েকটা হাঁস বসে থাকে;
করে না কিছুই।

যেমন বসে আছে হুদাই
অল্প বয়সে বউ হারানো
এ বাড়ির লোকটা।

২০২২

Continue reading

বাংলাদেশে মাইয়াদের হালত

১.

হে মাইয়া শকল,

এইটাই আমাদের দেশ, এইটারে বাস্তব জাইনাই ডিছিশন লন – তাইলে কি করা জায়, কেমনে চলা জায়, কোনটায় ফায়দা বেশি, কোনটায় লোকশান!

আপনারা জানেন কি, দেশে এমন একটা রেপ কেছ পাইবেন না জেইটার শুনানিতে আশামির উকিল বারবার ঐ একই দাবি করে নাই জে, মাইয়া বেশ্যা? আপনে জিগাইতে পারেন জে, বেশ্যারে কি রেপ করা জায়? না। আইন মোতাবেক শেইটাও শমান রেপই, কিন্তু বাস্তবে বেশ্যা হিশাবে পোরমান করতে পারলেই রেপ আর রেপ থাকে না, শাজা কমতে কমতে খালাশও হইয়া জাইতে পারে! তাইলে ভাবেন, আপনাদের জন্য রাস্তাটা কত লম্বা–আইডিয়াল আইনের এমন একটা বাস্তব হালতে জাইতে হবে আমাদের, জেইখানে বেশ্যারে রেপও শমান রেপই, একই শাজা, অথচ আমাদের বাস্তব হালত এখনো এমন জে, জে কাউকে বেশ্যা ভাবা হইতে পারে, আমাদের উকিলরা জোর তদবির করতে থাকে, জে কাউকে বেশ্যা হিশাবে ভাবানো গেলেই রেপ ধরাই হইতেছে না আর!

এই জে ডাহা অবিচার, এইটা আবার খাড়াইয়া থাকে অন্য কতগুলা অবিচার আর ১০০% উল্টা জুক্তির উপর! কেমন? কোন মাইয়া জে বেশ্যা, শেই দাবির পক্ষে আলামত হিশাবে কি কি হাজির করে? মদ বা অন্য কোন নেশার শাক্ষি, ছবি তো বটেই, এমনকি ছিগারেট, এমনকি শন্ধার পর আন্ধারে ২টা পোলার লগে বইশা থাকার একটা ছবি! না, কাপড়চোপড় আউলা হবার দরকার নাই, চুমাচাট্টিরও দরকার নাই, ছেরেফ বইশা থাকা! ফেরেন্ড বা নাগরের লগে চ্যাট হিস্ট্রিও হইতে পারে, এমনকি আপনে কেমন খবর শেয়ার করেন ফেছবুকে, তাও হইতে পারে!

হ, এইখানেই আছি আমরা; জেই ফেরেন্ডের লগে বইলেন, শে-ই শাক্ষি হইতে পারে, খোদ তার কাছেই আপনে হয়তো একটা ‘মাল’, আপনে জখন মুততে গেলেন, শেই ফাকে আপনেরই লগের দুই পোলা একটা মাল হিশাবে আপনারে লইয়া আলাপ করতেছে! আর মাল তো ইয়ার-দোস্তদের লগে ভাগাভাগি কইরাই খায়! জারে আপনে ভালোবাশেন, শে হয়তো তার পোলা ছার্কেলের রাংগাচাংগা পোলাটা, তার দায়িত্ব মাল জোগাড় করা, তারপর ছার্কেল লইয়া ভাগাভাগি কইরা খাওয়া; শে জেহেতু মালটা জোগাড় করতেছে, তাই পয়লা রেপটা শে-ই করার হক রাখে, ছার্কেলের বোঝাপড়া এমনই! পরে রেপের মামলায় পড়লে আপনের নাগরের লগে আপনের ছবিই আপনারে বেশ্যা বানাবে!

হ, এই দেশেই আপনে আছেন, আমরা আছি। এইখানে মাইয়া লিডার পলিটিকেল বড় ভাইরে মাল ছাপ্লাই দেয়, রেপ করার মওকা বানাইয়া দিয়া বড়ো পোস্ট বাগায়।

এগুলা একদম মালুম না থাকলেই কেবল কতগুলা স্টেটমেন্ট দেবার খায়েশ হইতে পারে আপনার! ধরেন, মদের বোতল বা ছিগারেট ঠোটে লইয়া ছবি দিলেন ইন্সটায়, পোলা ফেরেন্ডের গলায় হাত দিয়া খাড়ানো ছবি দিয়া এস্মার্ট হিশাবে স্টেটমেন্ট দিলেন, রিকশায় পোলা ফেরেন্ডের ঠ্যাঙের চিপায় বইশা জাইতেছেন ৩ জন। এইশব অতি পুচকে ঘটনাগুলাই আপনে বিপদে পড়লে শেইটা বাড়াইয়া দেবে ১০০ গুন!

ছো, জাই করেন না কেন, স্টেটমেন্ট দেবার খায়েশটা ছাড়েন পিলিজ, এতো দেখাবার কিছু নাই তো! স্পেশালি জাদের দেখাইতেছেন, তারা পেরায় শবাই পারভার্ট, একটা পোলা হিশাবে এশিওর করতেছি আপনাদের, ট্রুলি পারভার্ট!

পিলিজ, ছবি তুইলেন না, তুলতে দিয়েন না, শেয়ার কইরেন না। বরং হিপোক্রিট হন, পারছোনাল রাখেন পেরায় শব, মানুশ চেনেন আরেকটু, ফুর্তি কামে করেন লাগলে, এক্সিবিশনটা মুলতবি রাখেন পিলিজ! Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →