Main menu

অ্যা ব্রিফ হিস্ট্রি অফ বাংলাদেশি সিনেমা (৩)

।। এক ।। দুই ।।

 

Don’t wait for it to happen.
Don’t even want it to happen.
Just watch what does happen.
– The Untouchable (1987)

 

পার্ট ৩: হোয়াট ইজ বাংলা সিনেমা?

তো, এখন যেইটারে ‘বাংলা সিনেমা’ বলি আমরা, সেইটা চালু হইছে ১৯৬৫ সালে, রূপবানের পর থিকা। মানে, ‘বাংলা সিনেমা’ বইলা একটা টার্ম তো চালু আছে এখনো আমাদের কথা-বার্তার ভিতরে যে, পুরা ‘বাংলা সিনেমা’র মতন ঘটনা; বা আগেরদিনের ‘বাংলা সিনেমা’ ভালো ছিল, এখন কি সব বানায়… এইরকম। মানে, বাংলা সিনেমা বইলা একটা ধারণা আছে আমাদের মনে। আর এইটা কোন না কোন ঘটনা বা ঘটনাগুলা থিকাই তৈরি হইছে। তো, সেই ঘটনাগুলা, আমার ধারণা ঘটতে শুরু করছে ১৯৬৫ সালে রূপবান সিনেমার পরে। এর আগেও যেই ৩০/৪০ টা সিনেমা বানানো হইছে, সেইগুলা স্ট্রাগল করতেছিল অনেক। হিন্দি আর উর্দু সিনেমার বাইরে আলাদা কইরা বাংলা সিনেমা টিকতে পারবে কিনা, সেইটা নিয়া ডাউট ছিল। কিন্তু রূপবান সিনেমার সাকসেসের পরেই কনফিডেন্স নিয়া বাংলা সিনেমা বানানোর শুরু হয়।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

তারপরও রাষ্ট্র হিসাবে যেহেতু পাকিস্তান ছিল; উর্দু সিনেমা বানানো বন্ধ হয় নাই; তবে যেইভাবে মেইনস্ট্রিম হয়া উঠতেছিল, সেইটা একভাবে কইমা আসছিল। যেইখানে ১৯৫৬ থিকা ১৯৬৫, বাংলা সিনেমা বানানো হইছিল ২৭টা আর উর্দু ছিল ২০ টা; সেইখানে আর ১৯৬৫ থিকা ১৯৭১ পর্যন্ত বাংলা সিনেমা রিলিজ হইছিল ১৩২টা আর ঢাকায় উর্দু সিনেমা রিলিজ হইছিল ৩৩টা (এর মধ্যে রূপবান আর নবাব সিরাজদ্দৌলা সিনেমার উর্দু ভার্সনও আছে)। আরেকটা যেই ঘটনা ঘটছিল ১৯৬৫ সালের ইন্ডিয়া-পাকিস্তান যুদ্ধের পরে ইন্ডিয়া থিকা সিনেমা আমদানি বন্ধ হয়া গেছিল; সেইটাও বাংলা সিনেমার জন্য মার্কেট ওপেন করছিল। আর স্বাধীনতার (১৯৭১ সালের) পরে উর্দু সিনেমাও বানানো বন্ধ হয়া যায়; যার ফলে বাংলাদেশের সিনেমাহলে এই সময়টাতে বাংলা সিনেমা ছাড়া আর কিছু চালানো হয় নাই। ইংরেজি সিনেমার আমদানিও কম-ই থাকার। ‘এক টিকিটে দুই সিনেমা’ নামে হংকংয়ের সিনেমা দেখানো শুরু হয় মেবি ১৯৯০’র দিকে; ‘অশ্লীল সিনেমা’র যুগের কিছুদিন আগে। এইসব কারণে, এই সময়টাতে বাংলাদেশের লোকজনের সিনেমা-হলে বাংলা সিনেমা বাদে অন্য কিছু দেখার সুযোগ আসলে খুব একটা ছিল না। (যদিও ভিসিআর-ভিসিপি’র মাধ্যমে হিন্দি-সিনেমা অবশ্য ১৯৮০’র দিক থিকাই স্ট্রং একটা পজিশনে ছিল।)

 

………………………………

উর্দু থিকা বাংলা: ‘আযান’ থিকা ‘উত্তরণ’

খুবই ছোট্ট একটা ইনফরমেশন। ১৯৬০ সালে একটা সিনেমা বানানো হয় ‘আযান’ নামে, তখন রিলিজ হয় নাই; পরে এই সিনেমা বাংলায় ডাব কইরা ১৯৭৬ সালে রিলিজ দেয়া হয়, কিন্তু সিনেমা নাম চেইঞ্জ কইরা রাখা হয় ‘উত্তরণ’। 🙂

“মাসিক ‘সিনেমা’র সম্পাদক ফজলুল হক ১৯৬০ সালে ‘আযান’ নামে একটি উর্দু ছবির কাজ শুরু করেন ওবায়েদ-উল-হকের কাহিনি নিয়ে। রিয়াজ বোখারীর ক্যামেরায় ওই ছবিতে অভিনয় করেন রহমান, চিত্রা, শবনম, আনোয়ারা, নাসিমা খান প্রমুখ। ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেন খাদেম হোসেন খান ও খান আতাউর রহমান। মোহাম্মদ নাসের প্রযোজিত এ ছবিটি ‘উত্তরণ’ নামে ১৯৭৬ সালে মুক্তি দেয়া হয় বাংলায় ডাব করে।” (বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিকথা, অনুপম হায়াৎ, পেইজ ৯৭)

ব্যাপারটা একটু খেয়াল কইরা দেখেন, ১৯৭৬ সালে ‘আযান’ ব্যাপারটা কিন্তু এতোটা ‘বাংলা’ ছিল না, যতোটা ‘উত্তরণ’। এইরকমের একটা চিন্তা-ভাবনা তখন ছিল, এখনো তো এই ধরণের চিন্তাই ডমিনেটিং। যে, এইগুলা ‘বাংলা-ভাষায়’ ‘অনুপ্রবেশকারী’ শব্দ; মানে, যেইটা ‘বাংলা’ সেইটা ‘হিন্দি’ বা ‘উর্দু’ থিকা আলাদা, ‘সংস্কৃতের দুহিতা’ :p আর এই ব্যাপারটা স্বাধীনতার পরে পরে আরো বাইড়া গেছিল।

বাইড়া যে গেছিল, এইটার আরেকটা নজির পাইবেন আবুল মনসুর আহমেদের কথাতে:

“প্রথম ঘটনাটা ঘটিল স্বাধীনতার প্রায় শুরুতে্ই – ১৮ ই ডিসেম্বর। ঐ দিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা উদযাপনের জন্য দিল্লীর রামলীলা ময়দানে এক বিরাট জনসভা হইল। সে সভায় ভারতের দেশরক্ষা মন্ত্রী শ্রী জগজীবনরাম বক্তৃতায় বলিলেন: ‘এতদিন পাকিস্তানের গর্বের বিষয় ছিল, সে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র। গত পরশু হইতে সে গৌরব বর্তাইয়াছে বাংলাদেশের উপর। বাংলাদেশই এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র।… কিন্তু বাংলাদেশের সদ্য-দীক্ষিত একজন অফিসার মি. রামের ঐ উক্তির তীব্র প্রতিবাদ করিয়া বলিলের: “মি. রামের স্মরণ রাখা উচিৎ ছিল বাংলাদেশ একটি সেকিউলার রাষ্ট্র, মুসলিশ রাষ্ট্রি নয়।’ আমি বুঝিলাম এটা যদি বাংলাদেশের সরকারের সরকারী অভিমত হয়, তবে বিপদের কথা। বাংলাদেশের পরিচালন-ভার এমন সব ‘অতি-প্রগতিবাদী’ লোকের হাতে পড়িতেছে, যারা ইসলামী রাষ্ট্র ও মুসলিম রাষ্্রটের পাথর্ক্য বুঝে না বা বুঝিতে চাহেন না।…

প্রবাসী সরকারের ঢাকায় ফিরার সংগে সংগে প্রমাণিত হইল যে এটা সরকারী অভিমত। দেশে ফিরিয়াই তারা যা দেখাইলেন তাতে রেডিও-টেলিভিশনে কোরান তেলাওয়াত, ‘খোদা হাফেয’ ‘সালামালেকুম’ বন্ধ হইয়া গেল। তার বদলে ‘সুপ্রভাত’ ‘শুভ সন্ধ্যা’, ‘শুভ রাত্রি’ ইত্যাদি সম্বোধন প্রথা চালু হইল।” (আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর, ৫৯৩-৫৯৪)

সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ না হইলেও ‘আযান’ নামে সিনেমা বানানোটা রিস্কিই হওয়ার কথা, এইরকম সিচুয়েশনে। আবদুল মান্নান সৈয়দ বলতেছিলেন, ১৯৭৫ সালে অনেক রিস্ক নিয়া উনি ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কবিতার বইটার সম্পাদনা করছিলেন। তো আমার ধারণা, সিনেমাটা সুপার ফ্লপ হওয়ার কথা, কারণ পাবলিকের ‘উত্তরণ’ দেখার কোন কারণ দেখি না; ‘আযান’ নাম হইলেই যে সিনেমা হিট হয়া যাইতো – ঘটনা এইটা না, কিন্তু চেইঞ্জ যে করা লাগলো নামটা, এইটা খেয়াল করার মতো একটা ঘটনা মনেহয়।

……………………………………

 

তো, আমরা যেইটারে বাংলা-সিনেমা বলি, সেইটা হইতেছে ১৯৬৫ – ১৯৯০, এইরকম ২৫ বছর সময়ের একটা ঘটনা। কিন্তু একটা সিঙ্গুলার কোন জিনিসরে বাংলা সিনেমা বললে ভুল হবে আসলে, বরং বাংলা সিনেমার কয়েকটা প্যাটার্ন ছিল, যেইটা কম-বেশি এখনো কন্টিনিউ হইতেছে। এই ট্রেন্ডগুলা শুরু থিকাই ছিল, বা এখন এই অবস্থায় আছে বইলা কোন না কোনভাবে শুরুটা দেখতে পাইতেছি আমরা। এটলিস্ট চাইরটা ট্রেন্ড বা ধারার কথা বলতে পারি আমি:

গ্রামের সিনেমা’ – পরিচিত ‘লোককাহিনি’ বা যাত্রাপালা বেইজড সিনেমা। কিন্তু পরিচিত কাহিনি তো আসলে কম-ই, যার ফলে পরে গ্রামের ‘সমাজ-বাস্তবতা’র উপ্রে বেইজ কইরাও এই জনরা’তে অনেক সিনেমা হয়; কিন্তু এইটা মেবি এখন বাংলা সিনেমার সবচে ‘ক্ষীণ ধারা’, ‘মরা নদী’…। ২০০৬ সালে রিলিজ হওয়া ৯৮টা সিনেমার মধ্যে নাম্বারটা ৮টার বেশি হওয়ার কথা না। মুশকিল হইলো, কিছু ‘ঐতিহাসিক’ সিনেমাও (যেমন ধরেন, হাজী শরিয়তউল্লা, বীরঙ্গনা সখিনা…) এই ক্যাটাগরি ভাইবা বানানো হইছে। মানে, এইসব সিনেমা দেখবে, ‘গ্রামের লোকজন’ – এইরকম একটা অডিয়েন্সের কথা ভাইবা বানানো সিনেমা।

গ্রামের সিনেমা মানে সব গ্রাম-বেইজড সিনেমা না; যেমন ধরেন, ‘সারেং বউ’ পারিবারিক সিনেমাই আসলে। বা এমনকি নবাব সিরাজদ্দৌলা (১৯৭০) ঐতিহাসিক সিনেমা হইলেও আসলে গ্রামের সিনেমা। কারণ, এই সিনেমাগুলা দর্শক হিসাবে এক ‘গ্রামের লোক’ বইলা একটা অডিয়েন্সরে অ্যাজিউম করে।  যে, এই সিনেমা ‘গ্রামের লোকজন’ দেখবে, তো, অরা কি পছন্দ করে, সেই জিনিসগুলারে রাখার ট্রাই করে। যেমন, যাত্রা একটা অবভিয়াস ব্যাপার। যে, যাত্রা’তে কি করে? অইরকম কিছু জিনিস রাখতে হবে। যেমন, উঁচা গলার সংলাপ, কাল্পনিক রাজ্য… এইরকম। এন্টারটেইনমেন্টের টুল হিসাবে ‘মঞ্চ-নাটক’ যতোটা না ছিল তার চাইতে বেশি ছিল তো যাত্রাপালা, পালাগান; কিন্তু বাংলা-সিনেমা অইটারে গোড়া হিসাবে নিতে পারেন নাই; খালি কিছু কাহিনিই নিছে। যদিও গানের জায়গা কিছুটা একসেপশনাল…  বাংলা সিনেমার গান যতোটা না হিন্দি সিনেমা থিকা আসছে (পরে বরং এই রেফারেন্সটাই মেইন হয়া উঠছে) তার চাইতে যাত্রাপালা থিকা, পালাগান থিকাই বেশি আসছে। কিন্তু বেশ সারপ্রাইজিং একটা ঘটনা হইলো, মিউজিক্যাল মুভি খুব কমই বানানো হইছে বাংলা সিনেমায়। মানে, পালাগান, যাত্রা থিকা কাহিনি নেয়া হইছে, কিন্তু এই মিউজিক্যালের কোনরকম কোন ইম্প্রুভাইজেশন পাইবেন না।

এইটা না হওয়ার কারণ, এইটারে একটা সিনেমাটিক জায়গা থিকা না দেখা, খুবই ইনফিরিয়র একটা জায়গা থিকা লোকেট করতে চাওয়া যে, এই রকমের সিনেমা থিকা পয়সা উইঠা আসে। জহির রায়হান ১৯৬৮ সালে ৪ টা ‘গ্রামের সিনেমা’র (দুই ভাই, কুচবরণ কন্যা, জুলেখা, সুয়োরাণী-দুয়োরাণী) প্রযোজক হয়া টাকা তুইলা অই টাকা দিয়া ‘পারিবারিক সিনেমা’ বানাইছেন। মানে, এইটা একটা ক্যাটাগরি হিসাবে ছিল এবং স্টিল রয়া গেছে যে, পাবলিক তো সিনেমা বুঝে না, যাত্রা দেখতে আসে! 🙁 এইরকম একটা মুর্খতার জায়গা হিসাবে দেখা হইছে এবং হইতেছে এই জনরাটারে। যার ফলে, এইটা সাইড-লাইনের একটা ব্যাপার হিসাবেই আছে, থাকতেছে। এই ধরণের জনরা’র সিনেমার ফুল পটেনশিয়াল কখনোই বাংলা-সিনেমায় আসতে পারে নাই, এইরকম ‘গ্রাম্য’ এটিটুডের কারণে।

Continue reading

বই: আর্নেস্ট হেমিংওয়ের ইন্টারভিউ

হেমিংওয়ের এই ইন্টারভিউ নিছিলেন জর্জ প্লিম্পটন, ১৯৫৮ সালের বসন্তে। তার চার বছর আগে তিনি নোবেল পাইছিলেন, তিন বছর পরে তিনি শটগান দিয়া শুট কইরা সুইসাইড করবেন। মাঝখানের এই পিরিয়ডে হেমিংওয়ের ইন্টারভিউ— প্যারিস রিভিউয়ের বদৌলতে নেয়া হইছিলো। রিভিউয়ের লোকজন ১৯৫০ থেকে শুরু করছেন বুড়া হইয়া যাইতেছে, হইতেছে, হইয়া গেছেন বা বিখ্যাত কিংবা এসটাবলিশড রাইটারদের ইন্টারভিউ নেওয়ার কাম। এই কাজ করতে করতে তেনারা দেখলেন, এই ইন্টারভিউগুলা একেকটা হইয়া উঠতেছে আর্ট। সেগুলা নেওয়ার ধরণ, রাইটারের বর্ণনা, এছাড়া কিভাবে একটা ফিকশন ‘হইয়া উঠে’ তার ব্যাপারে ইন ডেপথ এনালাইসিস, প্যারিস রিভিউয়ের এই সেগমেন্টের অন্যরকম লিটারেরি ভ্যালু তৈরি করছে। রাইটারের কথা কওনের সাইকোএনালাইসিসের ভিতর দিয়া আপনি দেখতে পারবেন কিভাবে আর্ট, আর্ট হইয়া উঠে।[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

সেই সুবাদে আমি এই দফায় আর্নেস্ট হেমিংওয়ের ইন্টারভিউ ট্রান্সলেট করলাম আরকি। ট্রান্সলেট বললেই তো আর ট্রান্সলেট হইয়া যায় না। এইটা একটা প্রসেস। একটা লানলি প্রসেস। যেকোন লেখালিখিই, হেমিংওয়ের মতে লানলি একটা কাম। রেমন্ড কার্ভার, যার ইন্টারভিউ ১৯৮৩ তে নেয়া হইছিলো, তার ভাষায়, যখন আমি একটা শব্দ লিখি না বা লেখা হইতেছে না তখন আমার ঘুম হয় না ঠিকমতো, ভাল্লাগে না কোনকিছুই। যখন আমি একটা শব্দ লিখি, যখন অইটা লিখতেছি, সেই মোমেন্টটা খুব লানলি একটা সময়। একই জিনিস হেমিংওয়ের মধ্যে অন্যভাবে আমরা আবিষ্কার করি। সো, যখন আমি ট্রান্সলেট করতেছিলাম, তখন একটা লম্বা টাইমের জন্যে আমি হেমিংওয়ের সাথে ছিলাম, কী কী বলতেছেন তার একটা ভিডিও আমার চোখের সামনে ভাসতেছিলো। আমি ডুব দিছিলাম, হেমিংওয়ের ফিকশানে চিন্তা ক্যামনে কাজ করে সেই রিডিং-এর ভিতরে। এবং এই সময়ে আমারে একাই থাকতে হইছিলো।

হেমিংওয়ে, আর্ট বা যেকোন রাইটিং এর ব্যাপারে খুব পার্সোনাল। এই বিষয় তার কাছে একটা স্যাক্রেড বস্তু। পারতপক্ষে তিনি এই ইন্টারভিউ নেওনের ব্যাপারে রাজি ছিলেন না। পুরাটা টাইম আপনি তার বিরক্তি দেখতে পারবেন, রেজিস্ট্যান্স প্রতিটা কথায়। সরাসরি উত্তর দিতেছেন না, দূরে চলে যাইতেছেন কোন কোন প্রশ্নে। অনেক সময় এড়ায়ে অন্য কোন আন্সার দিতেছেন। কনশাসলি কোন কোন কথা বলতেছেন বা বলতেছেন না। একটা আলাদা পৃথিবী নিজের ভিতরে নিয়া হেমিংওয়ে লেখালিখি কইরা গেছেন। এবং এই কাজ তিনি ক্যামনে ক্যামনে করতেন এইটার একটাই উত্তর হইতে পারে— তিনি না কইরা থাকতে পারেন নাই।

তার জীবনের লম্বা একটা সময় যুদ্ধ, স্ট্রাগল, অসুস্থতার ভিতর দিয়া গেছে। দুইবার প্লেন ক্র্যাশ করার পর ইনজুরড হইলেও বাঁইচা ফিরছিলেন। কয়েকবার শক ট্রিটমেন্ট দেয়া হইছিলো শেষের দিকে। ডিপ্রেশন, লাইফ নিয়া অস্বস্তি তাড়া করে ফিরছিলো হেমিংওয়েকে নানাভাবে। এই স্ট্রাগলের একটা ছাপ আপনি তার লেখার ভিতরেও পাইবেন। লাইফ কিভাবে বিভিন্ন রাইটারের পুরা ক্যারেক্টার শেপে ভূমিকা রাখে তার একটা ইম্পর্ট্যান্ট ইনসাইট পাওয়া যাইতে পারে সম্ভবত। এবং আরও সম্ভবত, রাইটারদের তাদের নিজেদের কাজের বাইরে আর কোন পার্সোনাল লাইফ থাকা পসিবলও না। কারণ, এইটাই, মানে লেখা— যা আনকনশাসলি, রাইটারের ভিতর যা যা আছে, তা সুতা দিয়া টাইনা টাইনা বাইর কইরা নিয়া আসে। (মিডিয়াম.কমে স্টিভ নিউম্যানের ‘ডেথ অফ আর্নেস্ট হেমিংওয়ে’ নামে একটা সুন্দর লিখা পাইবেন, যদি তার সুইসাইড নিয়া জানার খায়েশ থাকে)

ট্রান্সলেশনের বিচারে একটা জিনিস বন্ধুবান্ধব যারা পড়তেছেন, তাদের ভ্রু কুচকাইতে পারে। এক, ভাষা; যার ব্যাপারে নতুন কইরা কিছু বলার নাই। আপনার ঢাকাই ভাষা, অপ্রমিত ভাষা, ‘অশুদ্ধ’ ভাষা নানান ট্যাগের প্রতি ‘অস্বস্তি’ থাকতেই পারে। কিন্তু, এমন একটা ভাষা যা আমরা রাস্তাঘাটে, আড্ডায়, ফেসবুকে ইনফর্মালি ইউজ করি তা দিয়া লেখালেখির মতো কাজ ক্যানো করা যাবে না, তা আমার বুঝে আসে না। অন্তত এই ইনফর্মাল ভাষায়ই পুরা ইন্টারভিউটা ট্রান্সলেট করা হইছে। এই ইন্টারভিউটা নেওয়াও হইছিলো ইনফর্মালি, জানায়ে রাখলাম। সেই বলা শব্দগুলার একটু কাটছাঁট কইরা প্লিম্পটন সাহেব ছাপাইছিলেন। আর, লাস্ট টিপস— এই ইন্টারভিউ পড়ার জন্যে হেমিংওয়ে যদি নাও পইড়া থাকেন সমস্যা নাই। হেমিংওয়ের লেখা না পইড়াও আপনার এইটা পড়তে কুনো সমস্যা হবার কথা না।

Continue reading

আ ট্রিবিউট টু তলস্তয়

আজকে (সেপ্টেম্বর ৯) তলস্তয়ের জন্মদিন।

তলস্তয়ের সাথে আমার বসবাস মোটামুটি অনেকদিনেরই। আমার পছন্দের লেখক অনেকেই আছেন। তবে কারো কারো প্রতি আমি একটু বেশি মনের টান ফিল করি। এই আলাদা দরদের লেখকদের মধ্যে তলস্তয়ও আছেন। কইতে গেলে আমার ক্লাসিক পড়া শুরু হইছিল তলস্তয় দিয়া। ওইসময়ে ওয়ার এন্ড পিসের মতো একটা দাদামশাই বই আমি মুখ চাইপা পইড়া গেছিলাম। অনেককিছু বুঝি নাই, অনেককিছু ভুল বুঝছি৷ সব মিলায়া দুইবছর লাগছিল তখন। আপনে যখন কোনকিছুর সাথে ২ বছর থাইকা যাইতে পারবেন, তখন ব্যাপারটারে অনেক স্মুথ মনে হইতে থাকবে। আমার লাইফে এখন পর্যন্ত ‘ওয়ার এন্ড পিস’-ই সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ভালবাসা৷ তলস্তয়ের মধ্য দিয়া বই পড়ারে নতুনভাবে পাইছিলাম আমি, এরপর আবারো এই বইয়ের কাছে ফিরা গেছি, উনার অন্যান্য বইগুলাও পড়ার চেষ্টা করছি৷[pullquote][AWD_comments][/pullquote]

যেকোনো লেখকরে নিয়া আলাপ দিতে গেলে খালি তার জীবনী নিয়া আলাপ দেওয়া সমস্যাজনক৷ এই প্রবণতা আমাদের দেশে মনে হয় একটু বেশিই। আরেকটা ব্যাপার হইলো, তলস্তয়ের নিজের জীবনই খুব নাটকীয়৷ এইজন্য তার লাইফ বা লাইফের কাহিনীগুলার আড়ালে অনেকসময় উনার লিটারারি জিনিয়াস চাপা পইড়া যায় বইলা ভ্রম হয়৷ আসলে তো ব্যাপারটা এমন না। একজন লেখকরে শেষ পর্যন্ত লেখার কাছেই যাইতে হয়, লেখার মধ্যেই খুজতে হয় ওর আত্মাটারে৷

আমি তলস্তয়ের ‘ওয়ার এন্ড পিস’ থেকে উনার লিটারারি সেন্সের ছোট একটা নমুনা দেই খালি৷

ওয়ার এন্ড পিসের একটা মেইন ক্যারেক্টার হইলো পিয়ের। যার সাথে বিয়া হয় হেলেনের৷ আরেকটা ক্যারেক্টার থাকে- দলোখভ। তো পিয়ের একসময় জানতে পারে হেলেনের লগে দলোখভের পরকীয়া চলতেছে৷ একদিন পিয়ের ডুয়েলের আহবান করে দলোখভরে। ডুয়েলের দিন ঠিক হয়। ডুয়েলে পিয়েরের গুলি গিয়া লাগে দলোখভের শরীরে, অন্যপক্ষের গুলি মিস হয়। তবে দলোখভ মরে না। পিয়ের তখন বুঝতে পারে সে কত বড় অর্থহীন পাগলামিটা করছে! বিধ্বস্ত অবস্থায় ফিইরা আসে সে।

এর কিছুদিন পরে, একই পার্টিতে পিয়ের দলোখভরে দেখতে পায় ওর মা আর বোনের সাথে। সে দেখে, যারে সে মারতে চাইছিল, যারে সে ঘৃণা করে- সে তার মা আর বোনের কাছে কত আদরের! সে ওদের একমাত্র ভরসা। পিয়ের দলোখভরে আবার নতুন কইরা চিনতে পারে। কিন্তু এই ‘নতুন দেখার’ কোন ফলাফল উপন্যাসের কাছাকাছি সময়ে আর আমরা পাই না। এমনেই চলতে থাকে সব, কারোই কারো সাথে দেখা হয় না। তলস্তয়ের লিটারারি জিনিয়াসের একটা নমুনা ধরতে গেলে, এই জায়গাটা ইম্পর্টেন্ট।

Continue reading

জন আপডাইকের বই রিভিউ করার ৬টা সাজেশন

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ।। হোর্হে লুইস বোর্হেস ।।

…………………………………..

২০১২ সালে উনার প্রোজ কালেকশনের বই পিকড-আপ পিসেস এর ইন্ট্রু’তে সাহিত্য-বিচার করার সময় যেই ৫টা জিনিস খেয়াল করেন, তার কথা বলছিলেন জন আপডাইক; তো, উনার নিয়মগুলা মানতে হবে – ব্যাপারটা এইরকম না; বরং অনেক বই রিভিউ করছেন এইরকম একজন লোক রিভিউ  সময় কি কি জিনিস খেয়াল করতেন – সেইটা বাংলা-ভাষায় এখন যারা বই রিভিউ করেন, খেয়াল করতে পারেন। উনি ৫টা জিনিস পয়েন্ট কইরা বলছেন, আর শেষে একটা কথা অ্যাড করছেন। তো,  উনার সাজেশনগুলা এইরকম :

১. বুঝার চেষ্টা করবেন, লেখক কি করতে চাইছেন, আর উনি যেইটা করার চেষ্টা করেন নাই সেইটা না পারার জন্য উনারে ব্লেইম দিয়েন না। [pullquote][AWD_comments][/pullquote]

২. যতোটা পারেন, সরাসরি কোটেশন দিবেন – এটলিস্ট একটা বড় প্যাসেজ – যাতে কইরা রিভিউ যারা পড়তেছেন তারা যাতে বইয়ের গদ্যের ব্যাপারে নিজের বুঝ’টা তৈরি করতে পারেন, নিজের টেস্ট পাইতে পারেন।

৩. বইটা নিয়া যেই বর্ণনা দিতেছেন সেইটা বইয়ের একটা কোটেশন দিয়া কনফার্ম করবেন, অস্পষ্ট টুকরা দিয়া না, বরং কিছু বাক্যের অংশ দিয়া।

৪. প্লট সামারি’টা ধীরে ধীরে বলবেন, আর শেষটা বইলা দিয়েন না।

৫. বইটারে যদি অসম্পূর্ণ বইলা জাজ করেন, এর লগে এইরকমের একটা সাকসেসফুল উদাহারণও দিবেন, অই লেখকের কাজকাম থিকা বা অন্য কোন জায়গা থিকা। ফেইলওর’টারে বুঝতে চেষ্টা করেন। আপনি শিওর তো যে, এইটা তার ফেইলওর, আপনার না?

Continue reading

এখতিয়ার

ইছলামের বেপারে কত কত পোশ্ন মোছলমানদের, অন্যদেরো; এইটাই নরমাল। শকল চিন্তার বেপারেই বহু খুটিনাটি থাকে, তাই পোশ্নও, জবাব তালাশ করা মানুশের অনেকগুলা খাছলতের একটা। ধর্ম থিকা পিরিত, পোশ্ন থাকবেই; পিরিতের বেপারে জেমন, কেউ জদি কাউকে দাগা দেয়, তখন পোশ্ন আশে তার মনে, কেন!? জবাব না পাইলে মন আউলা হইয়া পড়ে পেরায়ই; পিরিতের ভুবনে এই পোশ্নের জবাবের একটা নাম আছে, ক্লোজার। তাই পোশ্ন আর জবাবের তালাশ কেবল ধার্মিক বা ভাবুক বা ছাইন্টিস্টের কাম না, শবারই কম বেশি উতলা হয় মন![pullquote][AWD_comments][/pullquote]

 

তো, এই পোশ্নগুলার জবাব কে দেবে, এখতিয়ার আছে কার? খিরিস্টানদের পোপ, পাদ্রি, বিশপেরা জবাব দেয়, কনফেশন দেয় খিরিস্টানরা পাদ্রির কাছে; আশলে খোদার দরবারেই, কিন্তু পাদ্রির মারফতে, গির্জা-পাদ্রি হইলো খোদার দরবারে জাবার মিডিয়াম বা শিড়ি; মানে গির্জা কেবল এবাদতের ঘর না। হিন্দুদের বামুনরা এই কাম কইরা দেয়, তারাও মিডিয়াম, দেবি বা ব্রহ্ম বা হিন্দুদের খোদার। মোছলমানদের? কোন দরবেশ জবাব দেন কখনো, পির-মুরশিদেরা দেন; কিন্তু এগুলা পেরায় পাদ্রি বা বামুদের মতোই একেকটা পোস্ট, তার বাইরে ইছলামে আলেম নামে একটা ক্যাটেগরি আছে; এইটা কোন পোস্ট না, পোস্টের ভিতর দিয়া জেমন কাস্ট বা বর্ন বা রেছিজমের শম্ভাবনা, খমতার জেই পার্মানেন্ট তফাত, ইছলামে শেইটা নাই; ইছলামে বান্দার লগে খোদার রিশতা ডাইরেক, আম পাবলিকের একজনের থিকা একজন আলেম বা আমির, কারো লগেই খোদার বাড়তি কানেকশন নাই। মানুশ হিশাবে তার জানা-বোঝা-এলেমের তুলনা করার কোনই উপায় নাই, তেমন একজনই আছিলেন ইছলামে, কেবল তার লগেই মোছলমানের খোদা বা আল্লার বাতচিতের ডাইরেক কানেকশন, আল্লা তারে দুনিয়া থিকা লইয়া জাবার পরে দুনিয়ায় তার উম্মতেরা শমান এতিম, এমন কেউ নাই জে একটু কম এতিম হইলো, জার লগে আম পাবলিকের তুলনায় বাড়তি খাতির দেখান খোদা! কোন জাত-পাত নাই, কেবল ইমান-আমল আর এলেমের ইজ্জত; কিন্তু শেই ইজ্জতের বেপারেও শবাই একমত হবার উপায় নাই, দুনিয়ার কেউ জানে না কার ইমান-আমল বা এলেম শবচে ভালো, কেবল আল্লাই জানে। জে কোন ফতোয়া বা তাফছির তাই কেবল কারো না কারো ভাবনা বা মত, ঠিক কি ভুল, কেবল আল্লাই জানে।

তাইলে ইছলামের পোশ্নের বেপারে জবাব দেবার এখতিয়ার কার, কতটা জানতে পারি আমরা? আরেক দিক দিয়া জিগাই এই পোশ্নটা, এখতিয়ার নাই কার? তাও জানি না আমরা। ইছলামে বহু মাজহাবের গোড়া এখতিয়ারের বেপারে আমাদের/মানুশের এই না জানা। অনেকে এইটারে পছন্দ করে না, কিন্তু এইটা আশলে ইছলামের একটা গুন, বান্দার জন্য রহমত! বাড়তি এখতিয়ার না থাকা বা রাছুলের পরে মানুশের পক্ষে এইটা না জানার ভিতরেই লুকাইয়া আছে ইনছাফের শম্ভাবনা, খোদার এবং আইনের নজরে শবাই শমান হইতে পারতেছে ঐ ছহি এখতিয়ারের অভাবে!

এবং এইটার নিশানা রাছুলের ভাবনার মাঝেই পাইতেছি আমি। রাছুলের ওফাতের পরে জানাজা এবং দাফনে দেরি হয়; রাজনিতি, জিন্দেগি এবং রাশ্টের বেপারে ইছলামের আগামি ইতিহাশ একটা রাস্তায় উঠাইয়া দেয় ঐ দেরি।

তার আগের রাজা-বাদশার রাস্তায় হাটেন নাই রাছুল; নিজের ওফাতের পরে কে হবে উম্মার ইমাম, শেই বেপারে কোন অছিয়ত কইরা জান নাই উনি। অশুখে পড়ার পরে আবু বকরকে নামাজে ইমামতি করায় মোতায়েন করছেন; এমনও বয়ান পাওয়া জাইতেছে জাতে দেখা জাইতেছে জে, একবার আবু বকর ইমামতির এন্তেজাম করতেছেন, নামাজ শুরু হবে, ঠিক তখন রাছুল আশছেন মশজিদে; আবু বকর ইমামের জাগা ছাইড়া দিয়া রাছুলকে জাগা কইরা দিছে, কিন্তু রাছুল আবু বকরকেই এজাজত দিছেন, তার ইমামতিতেই নামাজ পড়ছেন রাছুল।

ওদিকে, ওফাতের আগে রাছুল আলিরে ডাইকা নিছেন নিজের কাছে, আলি পরে রাছুলের দাফনের এন্তেজাম করছে, গোছল করাইছে; ওদিকে ওমরও রাছুলের শাশনে একজন ডাইরেক খাদেম আছিলেন, আবু বকরের মতোই। এমন কতগুলা ঘটনায় রাছুলের লগে বাড়তি খাতির বা রাছুলের বাড়তি পছন্দের নিশানা পাওয়া জাইতেছে হয়তো, অন্তত দাবি করতে পারে কেউ, কিন্তু পরের ইমাম কে হবেন, শেই বেপারে রাছুলের কোন অছিয়ত পাওয়া জাইতেছে না।

আমি বোঝার কশরত করি রাছুলের মোটিভ, কতক ইশারা পাই জেন তার কায়কারবারের খতিয়ান বা প্যাটার্নে! গোস্তাকি মাফ করুক খোদা, আমার বিবেচনায় ব্যাপারটা এমন: অছিয়ত রাইখা না জাইয়া এলেম আর ভোট বা বায়াত বা কবুলিয়তের এক অবলিগেশন দিয়া গেছেন রাছুল! এলেম হইলো কোরান আর ছুন্না, এই দুইয়ের রোশনাই ছাহাবিদের ছহি দিশা দেবে, তারা ভোটাভুটি কইরা ঠিক করবে নিজেদের ইমাম। রাছুল জখন নাই, ওফাত ঘটছে তার, শেই হালতে মোছলমানরা কি করবে, তা ঠিক করবে শেই মোছলমানরাই, রাছুলের অছিয়ত মোছলমানদের (মানুশের) চিন্তা করার দরকার কমাইয়া দিতো, ছেরেফ অছিয়ত পালন হইতো, কেন-কে-কোথায় শেইটা চুলচেরা বাছবিচারের দরকার থাকতো না আর। নিজেদের ভিতর মতের অমিল এবং শলা-পরামিশের ভিতর দিয়া একটা ফয়ছালায় হাজির হবার রাস্তা দেখাইয়া গেছেন রাছুল, অছিয়ত দিয়া বা কইরা না জাইয়া আশলে চিন্তা-এলেম আর ভোটের রাস্তায় জাইতে উম্মারে বাধ্য করছেন রাছুল।

Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →