Main menu

গৌতম কর্মকারের কবিতা

ড্রিম

দরজা খুলতে পারে না সে
তবু দরজায় আসে সে

 

ফ্রেম

(তুমি দেখলা আমারে
আর ভাবলা
মনে মনে,

তুমি দেখতে একটা ক্যাকটাস
গাছের মতোন;

তুমি একটা বড় ক্যাকটাস
গাছ!)

এরপর
শব্দগুলো
তির হয়ে
ফ্রেমে
স্হির হয়ে
যায়।

 

যখন ফিরছিলাম

সমুদ্রের খুব কাছেই
আরেকটা সমুদ্র আঁকা ছিল
আজকের বিকালের আকাশে

 

আমার অনেক আমি

তোমাদের
মাধ্যমে
তৈরি হতে থাকা

তোমাদের
হতে
থাকা

তোমাদের একজন
আমি
তোমাদেরই
মাধ্যমে
Continue reading

আবু তাহের তারেকের কবিতা

পাতার মত

সব থাকি ভালা কিছুই না হওয়া
পাতার মত
কেউ ঢাইকা রাখলে ঢাকার স্মৃতিরে ধারণ করা
ছিঁড়লে খুঁতটুকু রাখা
ডেটা হুকাইলে নিচায় লাফ দি পড়া

 

সে

আমি চাইতেছিলাম না
সে এইভাবে আসুক
ভাবি নাই
ধাক্কার বদলা সে
নকটাও করবে না দরজায়
বা হুড়মুড় করি বানের
গোলা পানি দি ঘরখান ময়লা করবে
তারে আমি কত কতভাবে চাইতেছিলাম
আর সে হাসতেই আছিল
পাকনা ধানের উপরে ইচ্ছামত
পিছল খাওয়া হাওয়া

 

দিন রাইত

দিন রাইত পড়ি আছে
কয়েকটা রমজানই পাইলাম
হেরপর যেইখানে যাব সেইখানে তেমন নাই
দু:খ আর ভুল জিঞ্জির ভেদ করতে পারতেছে না
তুমি আমি আটক হইছে দিন রাইতের পর্দায়

Continue reading

উডি এলেনের ইন্টারভিউ: সমস্যা হইতেছে ক্রিয়েটিভ হওয়ায় কিছু গ্ল্যামার আছে

This entry is part 17 of 29 in the series ইন্টারভিউ সিরিজ

উডি এলেন কে?

অনুবাদকের ভূমিকায় উডি এলেনের পরিচয় না দিলেও কি চলতো?। উডির উইকি পেইজে গেলেই তার সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। কিন্তু তাও আমি দুইটা কারণে সংক্ষেপে পরিচয় দিচ্ছি।

প্রথমত, উইকিপিডিয়ায় পাওয়া যাবে না অথচ এই বইয়ের জন্য প্রাসঙ্গিক- এমন কিছু তথ্য শেয়ার করা।
দ্বিতীয়ত, এই ইন্টারভিউটার কন্টেক্সট ও গুরুত্ব সহজে বোঝা যাবে। বোঝা যাবে কেন প্যারিস রিভিউর মতো প্রভাবশালী ম্যাগাজিন তাদের হিউমারিস্টদের ইন্টারভিউ সিরিজ- ‘আর্ট অফ হিউমার’-এর শুরুটা কেন উডি এলেনকে দিয়া করছে।

এ্যামেরিকান ফিল্ম কমেডির সবচে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একজন উডি এলেন।

ইনসিকিউরড, নার্ডি ও সোশ্যালি অকওয়ার্ড কমিক ক্যারেক্টারের যে গ্রহণযোগ্যতা বা নব্বয়ের দশক থেকে ‘কুল’ হয়ে ওঠা, কিংবা ২১ শতকের বিগ ব্যাং, সিলিকন ভ্যালি কিংবা এই টাইপ সিটকমে প্রচুর জনপ্রিয় ও স্বাভাবিক হয়া ওঠা- সেইটা তৈরিতে, ৭০ আর ৮০’র দশকের উডি এলেনের ভূমিকা কম না। বাংলাদেশি কমেডিতে বা কমিক টেম্পারমেন্টে হুমায়ূন আহমেদের চুটকিমূলক হিউমারের ব্যাপক যেমন প্রভাব, এ্যামেরিকায়, বিশেষভাবে, সমাজের মিসফিট বা ইনসিকিউরড চরিত্রওয়ালা কমেডিতে কাছাকাছি ধরণের প্রভাব উডি এলেনের।

এলেন স্টুয়ার্ট কনিগসবার্গ ওরফে উডি এলেন ফিল্মমেকার হিসেবে মশহুর। যদিও স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান, লেখক, ফিল্ম-মেকার, নাট্যকার –ইত্যাদি অনেকগুলা পরিচয় তার আছে। আরেকটা খ্যাতি অল্প বয়সী নারীদের সঙ্গে প্রেম, যার একটা বড় অংশ স্ক্যান্ডালাস এবং উডির সিনেমাতেও সেইসব সেক্সুয়াল ফ্যান্টাসি ও নিউরোসিসের প্রতিফলন আছে।

সেক্স ও আর্ট বাদে, উডি এলেনের মুভির চরিত্ররা জীবনের অর্থ বা মানে নিয়া সবচাইতে বেশি কথা বলে। ফিল্ম, নাটক বা লেখা সবগুলা ফর্ম মিলায়ে জীবনের মানে বা মুল্যের ব্যাপারে তার বানানো চরিত্রদের কোনো কন্সিসটেন্ট পজিশন আছে কি? অহরহ জোক, রোমান্টিক প্রেম বা আর্টের থ্রুতে নিজেরে এক্সপ্রেস করার বাসনা আর স্ট্রাগল থাকা সত্ত্বেও, আমি মনে করি, উত্তরটা ‘হ্যা।’

আর সেইটা হইতেছে, জীবন গভীরভাবে অর্থহীন একটা ঘটনা। এই বইয়ে আলাপচারিতাতেও তার এমন জীবন দর্শনের কিছু ছাপ পাওয়া যাবে। উডির বেশিরভাগ মুভিতে মৃত্যু বারবার ঘুরে ফিরে আসে। যদিও মৃত্যুর ব্যাপারে তার মন্তব্য কী এই প্রশ্নের জবাবে প্রায়ই বলেন, ‘আইম স্ট্রংলি এগেইন্সট ইট’। কোনো কিছু নিয়া উডির অবসেশন থেকে থাকলে সেইটা হইতেছে জীবনের অর্থহীনতা ও মৃত্যু।

কে এম রাকিব
মে, ২০২২, মিরপুর ১১.৫, ঢাকা।

নিউ ইয়র্করা জানেন, উডি এলেন তাদের উদ্ভট বাসিন্দাদের একজন- ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে নিকস [১] দেখেন, সোমবার সন্ধ্যায় মাইকেল’স পাবে ক্লারিনেট বাজান, এলেইন’স রেস্টুরেন্টের টেবিলে মাঝেমধ্যেই হাজির হন। অথচ তারে আউটগোয়িং বলা কঠিন, লাজুক স্বভাবের উডি তার লেখায় জরায়ুতে ফিরে যাওয়ার তীব্র ইচ্ছা প্রকাশ করছেন- যে কারও জরায়ুতে। অনেকগুলা মিডিয়ামে উডির সৃষ্টির সংখ্যা অনেক- সাহিত্য, থিয়েটার, সিনেমায়। যদিও তিনি একবার বলছেন, ‘আমি একজন কাজপাগল লোক। যেকোনো মুহূর্তে যা আমি করতেছি না, ওইটা করতেই আমার সবচে ভালো লাগে’।

এলেনের কমেডি ক্যারিয়ার শুরু হইছে তরুণ বয়সে একটা এড এজেন্সিতে জোক সাবমিট করার মাধ্যমে। ১৯৫৩ সালে, তার ভাষায় ‘কলেজের নিষ্ফলা একটা বছর শেষে স্কুল ছেড়ে’ দেন উডি। আশা ছিলো গ্যারি মুর আর সিডে সেজারের টিমের জোক লেখক হবেন। ষাইটের দশকে গ্রিনউইচ ভিলেজ ক্লাবে [২] তার স্ট্যান্ডআপ শোগুলা তারে ভাল পরিচিতি আইনা দেয়, এবং টিভিতেও কয়েকবার পারফর্ম করেন। ১৯৬৫ সালে, তিনটা সফল কমেডি রেকর্ড প্রডিউস করার পরে, অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে এলেনের অভিষেক হয়, ‘হোয়াটস নিউ, পুসিক্যাট?’ সিনেমায়।

১৯৬৯ সালের, ‘টেইক দ্য মানি এন্ড রান’ তার প্রথম সিনেমা যেইটার খালি লেখক বা অভিনেতাই না, পরিচালকও উডি। তার শুরুর দিকের সিনেমাগুলা (ব্যানানাজ, স্লিপার, লাভ এন্ড ডেথ) যদিও ক্রিটিকদের প্রশংসা পাইছে, ১৯৭৭ সালে এ্যানি হল, – যেইটা চারটা একাডেমি এওয়ার্ড পায়, – রিলিজের পরপরই উডি এলেন আমেরিকান সিনেমার অসাধারণ একজন নির্মাতা হিসাবে স্বীকৃতি পাইতে শুরু করেন৷

সেই থেকে আরও ১৫টা ফিল্ম বানাইছেন, যেন প্রতিবছর একটা করে মুভি নামাইতেছেন। এর মধ্যে বেশ কয়েকটা নাটকও লিখছেন যার মধ্যে সবচেয়ে সফল ডোন্ট ড্রিংক দ্য ওয়াটার এবং প্লে ইট এগেইন, স্যাম, থেকে মুভিও বানানো হইছে।

এলেন তিনটা ছোট হিউমারের বই – গেটিং ইভেন, উইদাউট ফিদারস, ও সাইড এফেক্টস – পাব্লিশ করছেন যার বেশিরভাগই নিউ ইয়র্কার ম্যাগাজিনে আগেই ছাপা হইছিলো। Continue reading

ফিকশন: ছায়াবাণী

This entry is part 18 of 20 in the series বাংলাদেশি ফিকশন

ছায়াবাণী সিনেমা হলের প্রজেক্টম্যান ছিলেন আমার ছোটচাচা। আব্বার চে এক বছরের ছোট। নতুন সিনেমা আসলে আমারে উনার রুমে বসায়া সিনেমা দেখাইতেন। মুশকিল হইতো কারেন্ট চইলা গেলে। জেনারেট চালু কইরা সিনেমা শুরু করতে টাইম লাইগা গেলে লোকজনের গালিগালাজ শুরু হইতো। কারেন্ট আসলে পরে অফ কইরা আবার চালু করা লাগতো। ছোটচাচা তখন শরমে পড়তেন। আর সিনেমা শুরু হইলে পরে আমারে ঢুকাইতেন। ম্যানেজার হইতেছে সিনেসাহলের মালিকের শালা, দেখলে হয়তো কিছু বলবে না, কিন্তু ছোটচাচা দেখাইতে চান না। চেকার’রা দেখলে কোন সমস্যা নাই। অরা বরং চাচার ফেভার চায়, শো শুরু হইলে পরে আরো দুয়েকজনরে হলে ঢুকায় বইলা ছোটচাচারে হাতে রাখা লাগে অদের। অনেক সময় আমারে ঝালমুড়ি, ছোট ছোট পিঁয়াজুও খাওয়ায়।

তবে ছোটচাচার এক নিয়ম, এক সিনেমা দুইবার দেখতে দিবেন না। ভেজা চোখ যখন আসলো, পুরা হাউজফুল, তারপরেও আমারে সেকেন্ড টাইম দেখতে দিলেন না! টিকেট কাইটা দেখা আরেকবার দেখা লাগল। তারপরও দুইবার দেইখা মন ভরে নাকি! ইলিয়াস কাঞ্চন যে মারা যায়, অই সিনটা একবার দেখলে তো মন ভরে না। চম্পার যে কি কান্দা! যেই নায়ক মারা যায় সেই নায়কই যে সবচে ভালো, এইটা ভেজা চোখ দেইখাই ফার্স্ট টের পাইছিলাম।

তবে ‘ভেজা চোখ’র টাইমে আরেকটা ঘটনা ঘটলো। আমাদের শহরে এক সুন্দরী আন্টির আগমন ঘটলো। শিরিন আন্টি। কয়েকবার আন্টি ডাকার পরে ধমক দিয়া কইলেন আমারে আপা ডাকবা! শিরিনাপা’র হাজব্যান্ড বিদেশে থাকেন, এক মেয়ে নিয়া উনি বাসা ভাড়া নিলেন আমাদেরই বিল্ডিংয়ের দোতালায়। মেয়েটা স্কুলে যাওয়া শুরু করছে। মেয়ের স্কুলের জন্যই শহরে আসছেন। এমনিতে গ্রামে থাকতেন। উনার শ্বশুর-শাশুড়িও গ্রামে থাকেন। গ্রামে উনাদের অনেক জমি-জমা, অইগুলা ছাইড়া আসা সম্ভব না। কিন্তু শিরিনাপা আধুনিক মেয়ে, মেট্রিক পরীক্ষা দেয়ার আগেই বাপ-মা বিয়া দিয়া দিছে। আসলে সুন্দরী মেয়ে ঘরে রাখা মুশকিল। শিরিনাপা’র হাজব্যান্ডও উনার মতন সুন্দর, লম্বা। কিন্তু উনার গ্রামে ভাল্লাগে না। এই কারণে বাচ্চা হওয়ার পরে বিদেশে চইলা গেছেন। শিরিনাপাও গ্রামে থাকতে রাজি না। যেই ভুল নিজের ব্যাপারে হইছে, সেই ভুল উনি মেয়ের জীবনে করতে দিবেন না। ভালো স্কুলে পড়াইবেন। ভার্সিটিতে যাবে মেয়ে। শ্বশুর-শাশুড়ি, হ্যাজব্যান্ড কেউ না করতে পারে নাই উনার জেদের উপ্রে। ঠিকাছে, জিদ যখন চাপছে, পড়াক। এই কারণে শহরে চইলা আসছেন, মেয়েরে নিয়া।

শিরিনাপা যখন মেয়েরে নিয়া স্কুলে যান রাস্তায় লাইন লাইগা যায়; কারো সাইকেলের চেইন পইড়া যায়, কারো ক্যাসেট প্লেয়ারের ভলিউম বাইড়া যায়, কোন প্যাসেঞ্জার খেইপা যান রিকশাঅলার উপ্রে, কি রে বেটা আস্তে যাইতে পারোস না, এতো তাড়াহুড়া কিসের! আমিও মুদির দোকানের জিনিসপত্র কিনতে যাইতে হইলে টাইম মিলানোর চেষ্টা করি। কিন্তু সবসময় তো পারি না। কিন্তু শিরিনাপা’র কিছু যায় আসে না, উনি উনার মতন থাকেন। সবারই উনার লগে কথা কইতে ভাল্লাগে। বড়ভাই, ছোটভাই, কাকা, মামা, খালা, চাচী, মামী সবাই উনার ফ্যান। উনি যে এই পাড়াতে কখনো ছিলেন না, এইটা মনেই হয় না আমাদের।

কিন্তু সমস্যা হয় ছোটচাচারে নিয়া। ছোটচাচা তো শিরিনাপা’র লগে কথা কইতে চান না। কি সমস্যা? আম্মারা হাসাহাসি করেন, ছোটচাচা তো প্রেমে পড়ছেন শিরিনাপা’র! Continue reading

উদাস হাছন – হাছন রাজার গীতি-কবিতা

হাছন রাজা (১৮৫৪ – ১৯২২) যখন উনার গানগুলা লেখতেছেন ততদিনে মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪ – ১৮৭৩), বিহারীলাল রায় (১৮৩৫ – ১৮৫৪) কবিতা লেইখা মারাও গেছেন, দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৮৬১ – ১৯১৩), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর’রা (১৮৬১ – ১৯৪১) উনাদের কবিতা-গান দিয়া কলোনিয়াল-কলিকাতা নির্মাণ করতেছেন। উনাদের টাইমেই হাছন রাজা’র গান’রে “উদ্ধার করার” নাম দিয়া, মিডল-ক্লাস সমাজে “প্রচার করার” নাম দিয়া “ফোক সং” বানায়া দেয়া হইছে। মানে, হাছন রাজার গান আর ‘বাংলা-সাহিত্য’ না তেমন, একটু ইনফিরিয়র :)।

তো, এই “সাহিত্য” না হইতে পারার একটা বড় কারণ এইটা না যে উনার টেক্সটে লিটারেচার-এসেন্স নাই, বরং টেক্সটগুলা রিটেন-ফর্মে যতোটা না পাওয়া যায়, তার চাইতে ওরাল ফরম্যাটে বেশি এভেইলেবল। (একটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হইতেছে হাছন রাজা ইংলিশ-এসে না লেখতে পারলেও হিন্দি-উর্দুতে কিছু জিনিস লেখছেন। এইরকম ইংলিশ না-জানার একটা কন্ট্রিবিউশনও এইখানে থাকার কথা…)

বাংলাদেশের যত মানুশ রবীন্দ্র-নজরুল-জীবনানন্দের কবিতা পড়ছেন, তার চাইতে অনেক বেশি মানুশই হাছন রাজা’র গান শুনছেন। কিন্তু টেক্সট হিসাবে পড়ার ঘটনা কম-ই না খালি, অলমোস্ট নাই-ই মনেহয়। যেহেতু আমাদের পড়ার-মেমোরি’তে এই টেক্সটগুলা নাই, এই গীতি-কবিতাগুলারে পড়লে একভাবে মনে হইতে পারে যে, “অশুদ্দ” এবং “আঞ্চলিক”, যেইটা যতোটা না ‘সত্যি’ তার চাইতে অনেক বেশি কলোনিয়াল-রিডিংয়েরই একটা ঘটনা।

তো, হাছন রাজা’র গীতি-কবিতাগুলা ছাপানোর উদ্দেশ্য উনার গানের “সাহিত্য-গুণ”রে প্রচার করা না, বা “এইগুলাও বাংলা-সাহিত্য” – এই প্রমাণ হাজির করা না, বরং লিখিত-বাংলা এবং ওরাল-বাংলা’র ডিফরেন্সটা যে একটা কলোনিয়াল ইন্টারভেনশনের ঘটনা – অই জায়গাটারে হাইলাইট করতে চাওয়ার কোশিশও।

এর বাইরে, অন্য অনেক জায়গা থিকাই, হাছন রাজা’র গীতি-কবিতাগুলা তো পড়া যাইতে পারে, বা পড়াটা দরকার আমাদের।

এডিটর, বাছবিচার

 
আমি করি রে মানা, অপ্রেমিকে আমার গান শুনবে না

আমি করি রে মানা, অপ্রেমিকে গান আমার শুনবে না।
কিরা দেই কছম দেই আমার বই হাতে নিবে না।।
বারে বারে করি মানা বই আমার পড়বে না।
প্রেমের প্রেমিক যেই জনা, এ সংসারে হবে না।।
অপ্রেমিকে গান শুনলে কিছুমাত্র বুঝবে না।
কানার হাতে সোনা দিলে লাল ধলা চিনবে না।
হাছন রাজায় কছম দেয় আর দেয় মানা।
আমার গান শুনবে না যার প্রেম নেই জানা।।

 
ও যৌবন ঘুমেরই স্বপন

ও যৌবন ঘুমেরই স্বপন।
সাধন বিনে নারীর সনে হারাইলাম মূলধন:
আর দৈ বলিয়া চুন গুলিয়া খাইল কতকজন
হক না জেনে মুখ পুড়িল লালছের কারণ।।
আউলিয়া ছাড়া নদীর কূলে যে করে আসন
জ্ঞান শূন্য রে কুম্ভীরে খায় ভাঙ্গিয়া গৰ্দন।।
ফকির হাছন রাজায় বলে ঠেকছি খাইয়া নদীর জল
নিশার চোটে লাগলো ঠোঁটে উল্টা বড়ির কল।

Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →