Main menu

স্টিভেন ওয়াইনবার্গ

Steven Weinberg জুলাইয়ের ২৩ তারিখে মারা গেলেন।

আমার নিজের মৃত্যুর আগে যেসকল মানুষদের সাথে একবার হইলে দেখা করার ইচ্ছা, সেই ছোট্ট তালিকায় তার এন্ট্রি হইছিল যখন আমি ক্লাস ইলেভেনে পড়ি।

ক্লাস এইটে তখন আমি জ্যামিতি এবং গণিত নিয়া মোটামুটি নেশাগ্রস্ত। মাধ্যমিকের গণিত বই যোগাড় করে পড়তেছি এমন অবস্থা। আমার চাচাতো ভাইরা আমাকে কিছু পুরাতন কারিকুলামের বই দিছিলেন। তার মধ্যে মাধ্যমিকের উচ্চতর গনিতের বইও ছিল। আমরা যেই কারিকুলাম পড়ছি সেইটা সিভিয়ারলি শর্টেন্ড ছিল জ্যামিতির ক্ষেত্রে। মানে টলেমীর উপপাদ্য এবং অন্তঃবৃত্ত, অধিবৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য এবং অনুশীলনী অনেক ছোট ছিল পুরাতন কারিকুলামের তুলনায়।

এইরকম সময়েই বাউলমন প্রকাশনীর অনুদিত স্টিফেন হকিং এর “কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস” হাতে আসল। বিমান বাহিনীর পাঠাগার থেকে ইস্যু করা বই। আব্বা নিয়া আসছেন। আমি কিছু বুঝি না তাও খালি পড়ি। তারপর বাপের কাছে আবদার করলাম বইটা কিনে দিতে, কারন ইস্যু করা বই ফেরত দিতে হবে। বাপ আমাকে নীলক্ষেতে নিয়া গেল। আমি ইহাকে পাইলাম। কমপ্লিটলি না বুইঝাও এই বইটা যে আমি কতবার পড়ছি তার ইয়াত্তা নাই।

এই বইতেই ছিল ড আবদুস সালাম, সেলডন গ্ল্যাশো আর স্টিভেন ওয়াইনবার্গের কথা। যারা ১৯৭৯ সালে নোবেল পাইছিলেন, বাউলমনের বীভৎস অনুবাদ অনুসারে “দুর্বল এবং তরিৎ চুম্বকীয় বল একত্রীকরণের” জন্যে। বাউলমনের অনুবাদে আরো কিছু এইরকম কিম্ভূতকিমাকার জিনিস ছিল। যেমন র‍্যাণ্ডম এর বাংলা “যাদৃচ্ছিক”, সিংগুলারিটির বাংলা “অনন্যতা” ইত্যাদি। ওই বইতে একটা ছোট তথ্যও ছিল ওয়াইনবার্গের বিগ ব্যাং নিয়া একটা বই আছে নাম “ফার্স্ট থ্রি মিনিটস”। সুতরাং আমার মিশন দাড়ায়ে গেল এই বই যোগাড় করা। অনেক কষ্টে শেষপর্যন্ত লোকেইট করলাম নিউমার্কেটের বুকভিউতে এই বই আছে। ততদিনে আমি ১১ কেলাসে পড়ি। আমরা তখন বাপের বদলির জন্যে চিটাগাং থাকি। সুতরাং নিউমার্কেট যাইতে পারতাম তিনচারমাসে একদিন। যেদিন ক্যাডেট কলেজ ছুটি হইত, ওইদিনের রাতের ট্রেনে সাধারণত চট্টগ্রাম যাওয়া হইত। সারাদিনটা তাই ব্যয় হইত টুকিটাকি জিনিস কেনা অথবা আমার কোন আবদার। আমার গানের ক্যাসেট/সিডি, বই, গেইমসের সিডি ইত্যাদি এই সময়েই কেনা হইত। বাপে গজ গজ করলেও তিনমাস পরে ছুটিতে আসা ছেলেরে শেষপর্যন্ত জিনিসপাতি কিনে দিতেন। যাইহোক নিউমার্কেটে গিয়া জানলাম বইয়ের দাম ১৩ শ টাকা। বাপের চেহারা শুকাইয়া গেল। আমারও। কারণ আমি জানি বাপের এইটা কিনা দিতে কষ্ট হবে, এতগুলো টাকা। বুকভিউ এর মুরুব্বী মনে হয় আমাদের ফেসিয়াল এক্সপ্রেশনের মোজেজা বুইঝা ফেললেন। বললেন এইটার বাংলা অনুবাদ আছে, দাম অনেক কম। আমি জানে পানি পাইলাম। তারপর এস্ট্রনোমিক্যাল এসোসিয়েশন কৃত আরেকটা জঘন্য অনুবাদ বগলদাবা করে বাসায় ফিরত গেলাম।

এই ফার্স্ট থ্রি মিনিটসও মনে হয় আমি ডজনখানেকবার পড়ছি। সেই থেকেই ওয়েনবার্গ নিয়া আমার মুগ্ধতা ছিল। একটা লোক কিভাবে এতটা বস হয়? Continue reading

বাংলাদেশের মিউজিক (২)

এক।।

………..

 

রুনা লায়লা

রুনা লায়লা হইতেছেন ফার্স্ট সিঙ্গার, যিনি বাংলাদেশি আইডেন্টিটি’রে সামনে নিয়া আসতে পারছেন। কথাটা বাড়াবাড়ি মনে হইলেও আসলে সত্যি। দেখেন, আব্বাসউদ্দিনরে দিয়া শুরু এক রকমের বাংলাদেশি গানের; কিন্তু অইটা লোকগীতি বা ফোকলোর হিসাবেই রয়া গেছে। জসীমউদ্দিন’রাও অই টোনেই লেখছেন এবং অই ‘লোকগীতি’ আইডেন্টিটি নিয়া খুশি ছিলেন। কাজী নজরুল ইসলামও কলকাতার ‘বাঙালি মুসলমান’ একটা আইডেন্টিটি, যারে পরে বাংলাদেশের লগে নেয়া গেছে। এই দুইজন হইতে পারতেন স্ট্রং কন্টেনডার। কিন্তু বাংলাদেশ তখনো ‘বাঙালি’ আইডেন্টিটি থিকা বাইর হইতে পারে নাই।* পাকিস্তান আমলে গিয়া একটু একটু কইরা স্পষ্ট হইতে শুরু করছে, অই জায়গাটা।

তো, ইন্টারেস্টিং জিনিস হইলো, রুনা লায়লার জন্ম বাংলাদেশের সিলেটে হইলেও, উনি কিন্তু থাকছেন, বড় হইছেন, সিঙ্গার হিসাবে এস্টাবলিশ হইছেন, নাম কামাইছেন পশ্চিম পাকিস্তানে, করাচিতে। কিন্তু অইখানে ‘বাঙালি’ আইডেন্টিটি নিয়াই ছিলেন। নুরজাহান যে রুনা লায়লারে হেইট করতেন, এই আইডেন্টিটিই এর একটা বড় কারণ হওয়ার কথা। যেমন দেখবেন, বলিউডে কোন পাকিস্তানি গায়ক গিয়া সুবিধা করতে পারে নাই। এইটা রুনা লায়লাও টের না পাওয়ার কথা না। এই কারণে ১৯৭৪ সালে উনি ঢাকাতে চইলা আসছিলেন পারমানেন্টলি।

কিন্তু ঢাকার লোকজন ‘বাঙালিপণা’র জায়গা থিকা উনারে নেয় নাই। চিন্তা করতে পারেন, রেডিও’র লোকজন উনারে অডিশন দিতে কইছিল, এনলিস্টেট সিঙ্গার হওয়ার লাইগা! কিন্তু এইগুলা কইরা নিজেরাই ছোট হইছে আসলে। কারণ রুনা লায়লার ঢাকার বা বাঙালি গায়িকা হওয়ার কোন দরকার ছিল না। এর আগে থিকাই উনি ‘ইন্টারন্যাশনাল সিঙ্গার’ ছিলেন। কি পারফর্মেন্স উনার! এখনো বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া-পাকিস্তানে উনি আন-প্যারালাল। মুম্বাইয়ে উনি গান গাইছেন, হিট ছিলেন। (খেয়াল করেন, কলকাতা না 🙂 রিজিওনাল কোন স্পেইস না।) করাচি’তে উনি মশহুর ছিলেন। ঢাকায় আইসা উনার প্রমাণ করার কিছু ছিল না।

তারপরও বাংলাদেশি গানে উনার মেজর কিছু কন্ট্রিবিউশন আছে। এটলিস্ট তিনটা সিগনিফিকেন্সের কথা আমি এইখানে বলতে পারি।

ফার্স্টেই উনার “ফোক সং”য়ের** কথা আসবে। “ফোক সং” বা “লোকগীতি” বলতে যেই বিষাদ, গ্রামীন দুঃখবোধগুলারে আমরা চিনি (ইনক্লুডিং লালন-সঙ্গীত), রুনা লায়লা অই জায়গা থিকা কমপ্লিট একটা ডিপার্চার। খুবই হাসি-খুশির, ইরোটিক-ইশারাঅলা গানগুলা উনি গাইছেন। “বন্ধু তিনদিন তোর বাড়িত গেলাম…” “ইস্টিশনের রেলগাড়িটা…” “আগে জানলে তোর ভাঙ্গা নায়ে চড়তাম না…” এইগুলা তো উনার সিগনেচার সং। এই সব গানেই সেলিব্রেশনের একটা ঘটনা আছে। এই সেলিব্রেশন যে “ফোক সংগুলা”তে ছিল না – তা না, কিন্তু এই আনন্দ’টা যে আছে, সেইটা ট্রান্সফর্ম হইতে পারে নাই, রেডিও’তে, টিভি’তে, মিডলক্লাসের কালচারাল রিকগনিশনের জায়গাগুলাতে। রুনা লায়লা এই কাজটা করছেন। এই কারণে উনারে হেইটও করা হইছে আসলে। ঢাকার রবীন্দ্র-পূজারী’রা না পারছেন উনারে নিতে, না পারছেন উনারে ফালায়া দিতে। আর উনাদের নেয়া বা না-নেয়াতে কিছু যায়-আসে না আসলে। এইখানে একটা জিনিস খুব ইন্টারেস্টিং, খেয়াল করবেন, নজরুল গীতি গাইলেও রবীন্দ্র-সঙ্গীত কখনোই গান নাই রুনা লায়লা। গান গাইতে আইসা, আর্ট করতে গিয়া অই নাক-উঁচা এলিটগিরি উনারে করা লাগে নাই কখনোই। বরং উনার গায়কী’র মধ্যে যে জয়ফুলনেস, অইটা এক রকমের “রবীন্দ্র-বিরোধী” একটা ঘটনাই।

Continue reading

ট্রেডিশন অ্যান্ড দ্য ইন্ডিভিজ্যুয়াল টেলেন্ট – টি. এস. এলিয়ট


ইংরেজি লেখার বেলায় আমরা ট্রেডিশন নিয়া খুব কমই আলাপ করি। কখনো যদি ট্রেডিশনের কথা তুলিও, তা হয় মেইনলি এর না থাকা নিয়া কান্নাকাটি। আমরা ঠিকমত কোনো ট্রেডিশনরে চিহ্নিত করতে পারি না, সর্বোচ্চ আমরা বলতে পারি অমুকের কবিতা ট্রেডিশনাল, বা, কোনো ক্ষেত্রে একটু বেশিই ট্রেডিশনাল। নিন্দা করা ছাড়া কোনো ক্ষেত্রে এই শব্দটা তেমনএকটা আমরা ইউজ করি না। আর নাইলে মাঝে মাঝে কোনো আর্কেওলজিকাল রিকন্সট্রাকশনের ব্যাপার বুঝাইতে এইটা ভালো অর্থে ইউজড হয়। মানে ইংরেজদের কানে এই শব্দ শুনলে ওই আর্কিওলজি ছাড়া আর তেমনকিছু আসে না মাথায়।

এই শব্দটা আমাদের জ্যাতা কিংবা মরা কবিদের নিয়া আলাপের ক্ষেত্রে আসার চান্স খুবই কম আসলে। প্রতিটা দেশ, প্রতিটা জাতির মাইন্ডেরই কেবল ক্রিয়েটিভই না, একটা ক্রিটিকাল টার্নিং পয়েন্টও থাকে; আর এই ক্রিয়েটিভ জিনিয়াসের চাইতে ক্রিটিকাল ঘাটতিগুলা নজরের আড়ালে থাইকা যায়। ফ্রেঞ্চ ভাষায় যে বিশাল পরিমাণে ক্রিটিকাল রাইটিংস বের হইসে তা পইড়া আমরা জানি, বা মনে করি যে আমরা ফ্রেঞ্চদের ক্রিটিকাল মেথড বা তাদের স্বভাবের ব্যাপারে জানি। আমরা মনে করতে পারি (এতই বেহুশ আমরা) যে ফ্রেঞ্চরা একটু বেশিই ক্রিটিকাল, বা এমনকি মাঝে মাঝে এই ভাইবা নিজেরা একটু ভাবও নিতে পারি যে ফ্রেঞ্চরা আমাদের চাইতে কম স্পন্টেনিয়াস। হয়তো আসলেই তাই। কিন্তু আমাদের মনে রাখা দরকার যে ক্রিটিসিজম শ্বাস নেয়ার মতই স্বাভাবিক ব্যাপার, এবং কোনো বই পড়ার পর আমাদের মাথায় যেই যেই চিন্তাগুলা আসে বা মনে যেই ফিলিং জন্মায় তা নোট কইরা রাখার মধ্যে দোষের কিছু নাই। তবে এই প্রসেসে আমাদের মধ্যে একটা টেন্ডেন্সি থাকতে পারে কোনো কবিরে অন্যান্য কবিদের চাইতে তার আলাদা স্টাইলের ভিত্তিতে প্রশংসা করার। আমরা খুব মনে করি যে তার কাজের এই অংশগুলাতে তার স্বাতন্ত্র‍্য বা একদম তার নিজস্ব কিছু খুঁইজা বাইর করসি। তার আগেকার লেখকদের, স্পেশ্যালি একদম ইমিডিয়েট আগেকার লেখকদের থিকা তার ডিফারেন্স খুঁইজা বাইর করতে পারলে আমরা খুব খুশি হই। কিন্তু এই প্রেজুডিসটা বাদ দিয়া কোনো কবিরে যদি আমরা পড়তে যাই, তাইলে দেখবো একজন কবির কেবল বেস্টই না, বরং তার সবচেয়ে স্বতন্ত্র অংশটার মধ্যেই আগেকার মরা কবিরা, তার পূর্বপুরুষেরা তাদের অমরত্ব সবচেয়ে দাপটের সাথে জানান দেয়। এমনকি এইখানে আমি কবির ইম্ম্যাচিউরড বয়সের কপি করার পিরিয়ডটার কথা বলতেসি না, বরং তার ফুল ম্যাচিউরিটির টাইমের কথাই বলতেসি।

ট্রেডিশন দিয়া যদি আমরা বুঝি আমাদের আগেকার লেখকরা যা লেইখা গেসেন তাই অন্ধভাবে ফলো কইরা জাবর কাটা, তাইলে এইটার অত দরকার নাই। আমরা জানি এইরকম লেখাগুলা কত সহজেই ধূলায় হারায়া যায়। আর এইরকম রিপিটেশনের চাইতে নতুন কিছু অবশ্যই বেটার। কিন্তু ট্রেডিশন তো আসলে আরো অনেক ব্যাপক গুরুত্বের একটা জিনিস। এইটা কেউ জন্মসূত্রে পায় না, এইটার দাবিদার হওয়ার জন্য প্রচুর শ্রম দেয়া লাগে। প্রথমত, এইটার জন্য দরকার একটা হিস্টরিক সেন্স, এবং এইটা ছাড়া পঁচিশ বছর বয়সের পরও কবি থাকতে চায় এমনকারো পক্ষে আগানো সম্ভব না আসলে। আর এই হিস্টরিক সেন্স আসলে অতীতরে অতীতের জায়গা থিকা না, বরং বর্তমানেও অতীত কতটা প্রবলভাবে রইসে সেইটা টের পাইতে পারার জায়গাটা আরকি। এই হিস্টরিক সেন্সটা থাকলে একজন লেখক শুধু তার জেনারেশনের পালসই না, বরং সে তার লেখায় নিজের দেশ আর হোমার হইতে শুরু কইরা পুরা ইউরোপের সব গ্রেট লেখকদের প্রেজেন্সরে একইসাথে ধরতে পারবে। এই হিস্টরিক সেন্সটা আসলে একই সাথে টাইমলেসনেস, আবার টাইমের সেন্স, কিংবা দুইটারে একইসাথে ফিল করতে পারার ব্যাপার, আর এইটাই একজনরে ট্রেডিশনাল রাইটার বানায়। এবং এইটাই লেখকরে আগামী টাইমে নিজের জায়গাটা বুঝতে হেল্প করে, তার নিজের রেলেভ্যান্সটা।

কোনো কবি, এমনকি কোনো আর্টিস্টই একলা একলা নিজের মিনিং পাইতে পারে না। তার সিগনিফিকেন্সের জায়গাটাই হইসে অতীতের পোয়েট কিংবা আর্টিস্টদের সাথে তার বোঝাপড়া। আপনি তারে একলা মূল্যায়ন করতেই পারবেন না; তুলনা আর কনট্রাস্টের হিসাবে তারে আপনার অতীতের মরা আর্টিস্টদের পাশাপাশি বসাইয়া দেখতে হবে। আর এইটা আমি আসলে স্রেফ হিস্টরিকাল ক্রিটিসিজম না, এস্থেটিক ক্রিটিসিজমের জায়গা থিকাও বলতেসি। আর একজন পোয়েটের ভিতর ভিতর এই সেন্সটা থাকা, আগেকার লেখকদের ফলো করার ব্যাপারটা একপাক্ষিক না। একটা নতুন ওয়ার্ক অফ আর্ট জন্মাইলে গোটা আর্টের ইতিহাসে ওইটার আগেকার আর্টগুলাতেও তার প্রভাব পড়ে। আগেকার মহান ওয়ার্ক অফ আর্টগুলা নিজেদের মধ্যেই একটা অর্ডার ক্রিয়েট কইরা নেয়, এবং যখন ওইখানে আরেকটা নতুন (সত্যিকারের নতুন) ওয়ার্ক অফ আর্ট আইসা ঢুকে, তখন ওই অর্ডারটা চেঞ্জ হইয়া যায়। তো এর পরে প্রত্যেকটা আর্টের একে অপরের সাথে রিলেশনগুলাও নতুন কইরা এডজাস্ট হয়। আর যারা ইউরোপিয়ান, বা ইংরেজি সাহিত্যের এই অর্ডারটা মাইনা নিসেন, তাদের কাছে এইটাও অসম্ভব মনে হবে না যে বর্তমান যতটা অতীত দ্বারা চালিত হয়, অতীতও ততটাই বর্তমান দ্বারা এফেক্টেড হয়। আর যেই পোয়েট এই ব্যাপারটা মাথায় রাখতে পারবে, সে অনেক বড় বড় জটিলতা আর রেসপনসিবিলিটির জায়গাগুলাও ধরতে পারবে। Continue reading

মানুশে কতোটা ভরশা রাখা জায়?

মানুশের ব্যাপারে দুনিয়ায়, কোন কোন চিন্তার ইশকুলে, একটা অতি ভরশা আছে। বেশ দুরের দুরের মনে হয়, তেমন কতগুলা চিন্তার ইশকুলেই এই একই জিনিশ আছে!

বলশেভিক বিপ্লবিদের ব্যাপারে ভাবেন, বা কমুনিস্টদের ব্যাপারেই; একটা কমুনিস্ট বিপ্লবের পরে একটা দেশের বেশির ভাগ মানুশ পাট্টির বাইরে, হয়তো ১{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} মানুশ পাট্টির মেম্বার, বাকিরা তাইলে শাশিত মানুশ, পাট্টির শাশনে আছেন তারা। শাশন চলতে চলতে হয়তো ১{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} থিকা ৫{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} হইলো মেম্বার। এই জে বাড়তি ৪{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7}, এনারা পাট্টিতে কেন গেলেন বিপ্লবের পরে? ধরলাম ২{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} গেছেন বিপ্লবের চিন্তায় মজে, তারা বুঝতে পারছেন জে, এই শাশন আগের বা আর শব শাশনের চাইতে ভালো; বাকি ২{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} গেছেন হয়তো ছেরেফ শাশনের শরিক হবার মজায়! তারা দেখলেন জে, শাশকের শরিক হইতে পারলে তাগো মওকা বেশি হয়, পাওয়ার এনজয় করেন তারা। বাংলাদেশে জেমন আরামে রেপ বা পাবলিকের পয়শা ডাকাতি করতে চাইলে লোকে বাকশালে জয়েন করে! তাইলে পাট্টির ৩{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} ধরলাম খাশ দিলে পাট্টি করতেছেন শুরুর দিকে, তাগো খোয়াব হইলো, একটা ভালো শমাজ বানানো, জেইখানে গোলামি থাকবে না, মানুশ শুখি হবে।

তো, শাশন চলতে চলতে ঐ ৩{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} মানুশের মনের কেমন বদল হবে, তা জানার উপায় নাই। আমরা জদি ‘পাওয়ার মানেই জুলুমের শম্ভাবনা’ ধরি, তাইলে ঐ ৩{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7}, মানে পাট্টির ৬০{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} মেম্বারের ভিতর কেউ কেউ জুলুম করবে না, করবার কথা ভাবা শুরু করবে না, তার গেরান্টি কি? নাই আশলে। লগে ঐ ২{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7}, মানে পাট্টির ৪০{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} ধান্দাবাজ মেম্বার তো আছেই।

ইতিহাশে জতোগুলা কমুনিস্ট বিপ্লব হইছে, তাতে কোথাও পাট্টির কন্টোলের বাইরে কিছু পাই নাই আমরা ঐ ঐ দেশে। পাট্টির লোকেরা, মানে জনতার মাত্র ৫{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} লোক শব কিছু কন্টোল করে, ৯৫{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} মানুশের বাস্তব কোন পাওয়ার নাই, কোন ব্যাপারেই তাদের নারাজ হবার কোন রাস্তা নাই; পাট্টির কেউ জুলুম করলে তার বিচার করবে পাট্টি নিজেই, ঐ ৯৫{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} মানুশের কেউ না; দেশে আর কোন পাট্টি নাই; পোরলেতারিয়েতেরই তো আরেকটা পাট্টি থাকতে পারতো, ইলেকশনের ভিতর দিয়া আরেকটা পাট্টি কমুনিস্ট শাশনই চালাইতে পারতো, কমুনিস্ট রাশ্টের মুছাবিদা বা কন্সটিটুশন মোতাবেক, জেই মুছাবিদা ঐ দুই পাট্টি মিলেই বানাইছে! বা ধরেন, পোরলেতারিয়েতের ভিতর পোরলেতারিয়েত হইলো মাইয়ারা, দেশের মাইয়াদের আরেকটা কমুনিস্ট পাট্টি থাকতে পারতো, কিন্তু তেমন কিছু ইতিহাশে পাই নাই আমরা। দেশের ইনছাফ বা জাস্টিস ছিস্টেম ঐ ১টা পাট্টিরই কন্টোলে, পুলিশ, আর্মি, এন্টি-করাপশন–শবই ঐ ১টা পাট্টিরই কন্টোলে, ১০০{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7}; আবারো মনে করাইয়া দেই, এই পাট্টিটা কিন্তু জনতার মাত্র ৫{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7}, জাদের ভিতর আবার ৪০{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7}+ হইলো ধান্দাবাজ, পাট্টি খমতা দখলের পরে এই ৪০{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} জোগ দিছে পাট্টিতে!

তাইলে, এই কমুনিজমের হিশাবটা কি খাড়াইলো? ছিম্পল; পাট্টির উপরে নজর রাখার কোন দরকার নাই, পাট্টি অটোমেটিক ভালো, এই মানুশগুলার কোন একাউন্টেবিলিটি দরকার নাই, এরে দেখভালের জন্ন পাট্টির আওতার বাইরের কোন ছিস্টেম দরকার নাই। পাট্টির থিংকার/ভাবুক/বয়াতিরা ধইরাই লইলেন জে, খোদ পাট্টি জুলুম করবে না কখনো! তেমন জদি না ধরতো তাইলে তো পাট্টি দেখভালের একটা টেকশই ছিস্টেম বানাইতো, পাট্টির কন্টোলের বাইরে, রাশ্টের মুছবিদায় জেইটা মজবুত পাটাতনে খাড়াইয়া থাকবে। কোন ভরশায় এমন করলো তারা? মানুশের উপর এতো ভরশা কেমনে গজাইলো তাগো ভিতর? ইতিহাশে কমুনিস্টদের ভিতর এই এক মজার ব্যাপার; কেপিটাল শমাজে হারমোনির গান গায়, আর মার্ক্স গাইছেন ডায়ালেক্টিক্সের গান; কিন্তু আজব ব্যাপার হইলো, কেপিটালিস্ট বইলা জেই রাশ্টোগুলারে কমুনিস্টরা গালি দেয়, শেইগুলায় শাশনের তরিকার ভিতর হরেক ডায়ালেক্টিক্স পাইতেছি আমরা–পেছিডেন, পার্লামেন্ট, লোকাল গভমেন্ট, জাস্টিস ছিস্টেম, ইলেকশন কমিশন, এন্টি-করাপশন ইত্তাদির কতগুলা কন্ট্রাডিকশনের ভিতর দিয়া এই ছিস্টেমগুলা কাম করে, এর অনেকখানি লোকদেখানো হইলেও কতক ডায়ালেক্টিক্স আছে, আর কিছু না থাকলেও পোস্টে পোস্টে থাকা লোকগুলার ইগো আছে, তাগো জেলাসি বা হিংশা আছে অন্তত! কিন্তু ডায়ালেক্টিক্সের গান শোনানো কমুনিস্টরা বিপ্লবের পরে শকল ডায়ালেক্টিক্স খতম করতে থাকলো, দরকারে পাইকারি খুন করলো, টর্চার চেম্বারে ঢুকাইলো শকল ডায়ালেক্টিক্স!

জাই হোক, এইটারেই কইলাম, মানুশের উপর অতি ভরশা, পাট্টির মানুশ মেম্বারদের উপর ১০০{855ff4e32ca5c8db0719e8f837cd158afce0d103a8821dfb7d995472b79aa6d7} ভালোতার ভরশা করলো কমুনিজম! বাস্তবে জদি দেখেন, তাবত মাকলুকাতের ভিতর মানুশের মাঝে বদলের শম্ভাবনা শবচে বেশি! মানুশ শবচে বড়ো শয়তান জেমন হইতে পারে, শবচে ভালোও হইতে পারে; আর শব মাকলুকাত ভালো-খারাপের ‘জিরো’ ভেলুর খুব কাছাকাছি থাকে, কিন্তু মানুশ মাইনাস ইনফিনিটি বা শবচে খারাপ থিকা পেলাস ইনফিনিটি বা শবচে ভালো হইতে পারে; টর্চার কইরা মজা পাইতে পারে মানুশ, ছ্যাডিজম একান্তই মানুশের ফিচার, আর কোন মাকলুকাতের নাই; আবার আর কোন মাকলুকাত আরেক মাকলুকাতের ভাংগা পা জোড়া লাগাইয়া দেয় না (বিলাই বা কুত্তার জেমন শেবা করে মানুশ), এমনকি নিজের অক্ষম বাছুরকেও ফালাইয়া পালের লগে চইলা জায় মা গরু! কলোনিয়াল কলিকাতার ইয়ং বেংগলদের দেখেন, তুমুল নাস্তিকেরা পরে হইলেন তুমুল গোড়া ধার্মিক, বিবেকানন্দের জিন্দেগির বদলগুলা খেয়াল করেন। বা ধরেন তলস্তয়, তুমুল বদমাইশ থিকা পাক্কা খিরিস্টান, জিনি এমনকি নিজের আন্না কারেনিনা নভেলটারেই কইছেন পরে ‘পাপ’! বা ধরেন রোমান্টিক পেইন্টার/আর্টিশ হিটলার পরে কি হইলেন? অথচ মানুশের এই বেশুমার শম্ভাবনা হিশাবেই রাখলো না কমুনিস্ট বিপ্লবিরা!

মানুশের উপর এই অতি ভরশাই আবার আপনে পাইবেন ছুফিজমে! কেমনে? পড়েন।

ধর্মগুলায় গড়পরতা হিশাবে খোদার লগে মানুশের রিশতা কেমন? মানুশ হইলো খোদার বান্দা আর বান্দি, গোলাম, খোদা হইলেন মালিক; আর কারো গোলাম হইতেই পারবেন না আপনে, কেননা, খোদা ছাড়া কোন শাচ্চা মালিক নাই! খোদা মানুশকে তারে ডরাইতে কইতেছেন, কাউকে শরিক করতে মানা করতেছেন, এবাদত-বন্দেগি করতে কইতেছেন, নাইলে শাজা দেবেন। ছুফিজম এইখানে খোদার লগে মানুশের পিরিতের কথা কইতেছে। খোদার লগে পিরিত করবে মানুশ, এই রিশতায় ডরের কোন মামলা নাই।

গত কয়দিনে বয়াতি ফরহাদ মজহার কোরবানি লইয়া কিছু কথা তুলছেন, কিছু পুরান কথা, কতক নয়া বয়ানও থাকা শম্ভব। উনি নিজেরে ঠিক ছুফি বইলা পরিচয় দেন না তেমন, কিন্তু কোরবানি লইয়া ওনার বয়ানটা খেয়াল করলে দেখবেন, উনি খোদারে ঠিক হজরত ইব্রাহিমের মালিক হিশাবে দেখতে নারাজ, খোদার অডার পালন করতেছেন উনি, শেই অডার মোতাবেক নিজের পোলারে কোরবানি দিতে নিছেন, এইটা মজহার বয়াতির নজরে বেখাপ্পা ঠেকতেছে, খোদারে অমন ডরাবার মতো নিঠুরিয়া কোন বস হিশাবে দেখতে মানা করতেছেন। এইটারই উল্টা পিঠ হইলো, হজরত ইব্রাহিমের ফিরি উইল, শাধিন চিন্তা এবং জারে কোরবানি দেবেন শেই ইসমাইলের লগে কোরবানির ব্যাপারে আলোচনা কইরা ডিছিশন লওয়া। Continue reading

#মি_টু, সোশাল মিডিয়ায় কথা কওয়া, মামলা, হিউমিলিয়েশন ইত্যাদি লইয়া

হিউমিলিয়েশন ও মর্যাদারে একলগে একটা ইউনিভার্সাল ঘটনা হিসাবে দেখতে পারলে, এইটারে আর ভেরিয়েবল হিসাবে ডিল করা লাগে না; মানে তখন এইটা আর ডিসাইসিভ ফ্যাক্টর হিসাবে থাকতে পারেনা।

এই সোসাইটিতে সবচে বড় বেইজ্জতির ঘটনাগুলি ঘটতে পারে, এখনো, থানায় মামলা করার মধ্য দিয়াই।

আপনে যখন পাবলিকলি কারু নামে কিছু কওয়ারে হিউমিলিয়েশন কইতেছেন, আইনী পদ্ধতিতে যাওয়ার জন্য মোটিভেট করতেছেন, তখন যার বিরুদ্ধে থানায় যাইতে কন তার মর্যাদা কীভাবে রক্ষা হয়? বরং মর্যাদা জিনিসটা তখন এমন ফ্রিঞ্জে অবস্থান করে যে, এইটা আর পুনরুদ্ধার করা বস্তুত অসম্ভব হইয়া পড়তে পারে; হিউমিলিয়েশন তখন সলিডিফাইড, হালাল ঘটনা। এমনকি মামলায় খালাস হইলেও।

বরং, কেউ কারু বিরুদ্ধে নন ফর্মাল প্লাটফর্মে নন ফর্মাল অভিযোগ করলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নন ফর্মাল প্লাটফর্মেই নিজের স্বপক্ষে কিছু কওয়ার সুযুগ থাকে, উপরন্তু অভিযোগ ফর্মাল না বইলা, অভিযোগের ভিত্তি লইয়াও প্রশ্ন তুলতে পারে। চাইলে।

আমার বিরুদ্ধে ঘটা কোন অন্যায় নিয়া সবিস্তারে কথা কওয়াটারেই আমি রিভেঞ্জ বানায় দিতে চাইনা।

কথা কইলাম আর রিভেঞ্জ হইয়া গেল ব্যাপারটা এমন স্বয়ংক্রিয় না।

রিভেঞ্জ হইতে পারে কথার ইনফ্লিকশনটা অর্থাৎ রিভেঞ্জ বইলা যে হিউমিলিয়েশনটা; যেটা আগেই বলছি, এইটা কনস্ট্যান্ট বা ইউনিভার্সাল। মামলা কইরা সেইটা আরও বেশি বেশি করা পসিবল, মিথ্যা মামলা দেশে বা বিদেশে অহরহ হইতেছে। এখনো মামলা করার সুযোগ থাকলে লোকে মামলাই করে।

নন ফর্মাল প্লাটফর্মে অন্যায় লইয়া কথা কওয়ার ঘটনাটা তখন ঘটে যখন ভুক্তভোগী সবচে ভালনারেবল অবস্থায় থাকে বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে। মানে যখন একটা সামাজিক সংহতি ছাড়া তার হাতে কোন অপশনই থাকে না।

যেমন প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কথা কওয়ার ক্ষেত্রে, কিংবা অলরেডি অবস্কিওরড, মানে এভিডেন্স সাক্ষী কিছুই আর অবশিষ্ট নাই এমন কেসগুলার ক্ষেত্রে।

এই ধরণের ক্ষেত্রগুলিতে অভিযোগকারীর এমন নন ফর্মাল অবস্থান বিচাররে বাধা প্রদান তো করেই না, বরং অথরিটিরে একটা সুয়ো মোটো প্রসেস ইনিশিয়েট করতে মোটিভেট করতে পারে। Continue reading

এডিটর, বাছবিচার।
View Posts →
কবি। লেখক। চিন্তক। সমালোচক। নিউ মিডিয়া এক্সপ্লোরার। নৃবিজ্ঞানী। ওয়েব ডেভলপার। ছেলে।
View Posts →
কবি, গল্প-লেখক, ক্রিটিক এবং অনুবাদক। জন্ম, ঊনিশো পচাত্তরে। থাকেন ঢাকায়, বাংলাদেশে।
View Posts →
মাহীন হক: কলেজপড়ুয়া, মিরপুরনিবাসী, অনুবাদক, লেখক। ভালোলাগে: মিউজিক, হিউমর, আর অক্ষর।
View Posts →
গল্পকার। অনুবাদক।আপাতত অর্থনীতির ছাত্র। ঢাবিতে। টিউশনি কইরা খাই।
View Posts →
কবি। লেখক। কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট। রাজনীতি এবং বিবিধ বিষয়ে আগ্রহী।
View Posts →
দর্শন নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা, চাকরি সংবাদপত্রের ডেস্কে। প্রকাশিত বই ‘উকিল মুন্সীর চিহ্ন ধরে’ ও ‘এই সব গল্প থাকবে না’। বাংলাদেশি সিনেমার তথ্যভাণ্ডার ‘বাংলা মুভি ডেটাবেজ- বিএমডিবি’র সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক। ভালো লাগে ভ্রমণ, বই, সিনেমা ও চুপচাপ থাকতে। ব্যক্তিগত ব্লগ ‘ইচ্ছেশূন্য মানুষ’। https://wahedsujan.com/
View Posts →
জন্ম ১০ নভেম্বর, ১৯৯৮। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা, সেখানেই পড়াশোনা। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়নরত। লেখালেখি করেন বিভিন্ন মাধ্যমে। ফিলোসফি, পলিটিক্স, পপ-কালচারেই সাধারণত মনোযোগ দেখা যায়।
View Posts →
পড়ালেখাঃ রাজনীতি বিজ্ঞানে অনার্স, মাস্টার্স। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে সংসার সামলাই।
View Posts →
জীবিকার জন্য একটা চাকরি করি। তবে পড়তে ও লেখতে ভালবাসি। স্পেশালি পাঠক আমি। যা লেখার ফেসবুকেই লেখি। গদ্যই প্রিয়। কিন্তু কোন এক ফাঁকে গত বছর একটা কবিতার বই বের হইছে।
View Posts →
জন্ম ২০ ডিসেম্বরে, শীতকালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেছেন। রোমান্টিক ও হরর জনরার ইপাব পড়তে এবং মিম বানাইতে পছন্দ করেন। বড় মিনি, পাপোশ মিনি, ব্লুজ— এই তিন বিড়ালের মা।
View Posts →
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে শিক্ষকতা করেন। সংঘাত-সহিংসতা-অসাম্যময় জনসমাজে মিডিয়া, ধর্ম, আধুনিকতা ও রাষ্ট্রের বহুমুখি সক্রিয়তার মানে বুঝতে কাজ করেন। বহুমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের বাসনা থেকে বিশেষত লেখেন ও অনুবাদ করেন। বর্তমানে সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোস্যাল সায়েন্সেস, ক্যালকাটায় (সিএসএসসি) পিএইচডি গবেষণা করছেন। যোগাযোগ নামের একটি পত্রিকা যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ফাহমিদুল হকের সাথে। অনূদিত গ্রন্থ: মানবপ্রকৃতি: ন্যায়নিষ্ঠা বনাম ক্ষমতা (২০০৬), নোম চমস্কি ও এডওয়ার্ড এস হারম্যানের সম্মতি উৎপাদন: গণমাধম্যের রাজনৈতিক অর্থনীতি (২০০৮)। ফাহমিদুল হকের সাথে যৌথসম্পাদনায় প্রকাশ করেছেন মিডিয়া সমাজ সংস্কৃতি (২০১৩) গ্রন্থটি।
View Posts →
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, তবে কোন বিষয়েই অরুচি নাই।
View Posts →
মাইক্রোবায়োলজিস্ট; জন্ম ১৯৮৯ সালে, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে। লেখেন কবিতা ও গল্প। থাকছেন চট্টগ্রামে।
View Posts →
জন্ম: টাঙ্গাইল, পড়াশোনা করেন, টিউশনি করেন, থাকেন চিটাগাংয়ে।
View Posts →