বাংলাদেশে এপলিটিকালিটির নয়া সুরত
আমি বলতে চাই, যে এপলিটিকাল বর্গটিকে আমরা বিভিন্ন বলায় লেখায় খোচায় নির্দেশ করতে চাই, তার অন্তত তিনটা ভেরাইটি আছে। এদের চেহারা আলাদা, কিন্তু ফলাফল একই। মানে অরাজনৈতিক কেটাগরিটারে আপনারা যেভাবে বোঝেন, সেইভাবে বুঝতে থাকলে দেশের পলিটিকাল অচলায়তনটারে ঠিকভাবে থিওরাইজ করতে পারবেন না। অর্থাৎ যারা ‘আই হেইট পলিটিক্স’ বলে কেবল তারাই এপলিটিকাল হইলে একটা হোল জেনারেশনের পলিটিকাল নিউট্রালাইজেশন এত এফেক্টিভলি ঘটতে পারে না। আমি এপলিটিকাল হিসাবে তাদেরকেও ইন্ডিকেট করতে চাই যারা নানান পলিটিকাল তৎপরতার ভিতর দিয়া আল্টিমেটলি একটা শূন্য ফলাফলেই নিয়ে যায়। এখন একটা অবজেক্টিভ পলিটিকাল প্লেইনে যদি আমি এই এপলিটিকালদের প্লট করি, তাইলে পাওয়ারের নিরিখে এরা, প্রেডিক্টেবলি, পাওয়াররে সার্ভ করে। অর্থাৎ বর্তমান বাকশালেরে।
এই তিনটা ভেরাইটির একটা তো ট্রেডিশনাল ‘আই হেইট পলিটিক্স’ গ্রুপ। যাদেরকে সহজেই চেনা যায়। এই গ্রুপটা বর্তমানে ডেমোক্রেটিক টাইমটার চেয়ে লেস ভিজিবল। মানে এখন এমন ক অক্ষর গোমাংস ধরনের এপলিটিকাল থাকাটা লেস ফ্যাশনেবল হইতে পারছে। ফলেই এই গ্রুপটারই দুইটা ফ্যাকশন এক ধরনের পলিটিকাল এসথেটিক্সের ভেতর নিজেদের রিলোকেট করছে। এস্থেটিক্স নিয়ে পলিটিক্সের কথা আমি বলতেছি না, আমি বলতেছি এস্থেটিক্সের একটা সার্টেইন রূপের কথা, যেইখানে পলিটিক্স ইটসেলফ একটা এস্থেটিক অব্জেক্ট হিসাবে ট্রিটেড হয়। যেইটা আসলে এস্থেটিক্সের ঘটনা, এবং এস্থেটিক্সের এই ব্রাঞ্চ এর প্রকল্প হচ্ছে পলিটিক্সের এস্থেটিসাইজেশন। অর্থাৎ যেইটা ডিভয়েড অব রিয়েল পলিটিক। রিয়েল পলিটিক বলতে যেই পলিটিক্সএর ডাইনামিকস দিয়ে পাবলিক লাইফ ডমিনেটেড হইতেছে সেইটা ইটসেল্ফ এবং সেইটারে কার্যকরভাবে বুঝতে পারা এবং সেই অনুযায়ী ইন্টারভিন করতে পারা এই তিনটার কম্বাইনিং ও একই সাথে আলাদা আলাদা কিন্তু ওভারল্যাপিং ইন্টেলেকচুয়াল এফোর্টরে বুঝাইতেছি। আমার আর্গুমেন্ট হইতেছে আপনি যদি রিয়েল পলিটিকের ভেতর না থাকেন আপনি এপলিটিকালই।
তো এই পলিটিকাল এস্থেটিক্সের দুইটা ধারা আমি দেখতে পাই, যেই দুইটা ধারায় পুরাতন এপলিটিকাল গ্রুপটা ভাগ হইয়া নিজেদের পলিটিকাল হিসাবে তুইলা ধরতেছে। তেরোর শাহবাগ এবং আঠারোর ভোটচুরির পর এদের এপলিটিকাল আদি আর্কিটাইপটা কমপ্লিটলি আউট অব ফ্যাশন হইয়া যাওয়ায় এক ধরনের পলিটিকালি কনশাস এমন ইমেজ তৈরির মেকানিজমে ঢুকতে হইছে। এদের বেশিরভাগই জেন জি, অনেকগুলো মিলেনিয়াল আছে। অর্থাৎ এপলিটিকাল আদি গ্রুপটা ইডিওলজিকালি ছত্রভঙ্গ হইয়া যাওয়ায় এরা খুব নেচারালি এই দুইটা ধারার একটায় নিজেদের আবিষ্কার করছে; মানে এদের কাছে এইটাই পলিটিক্স। কিন্তু এদের এই পলিটিক্স যেহেতু রিয়েল পলিটিকরে ডিসরিগার্ড করে, ফলে রিয়েল পলিটিক একটা স্থিতাবস্থার ভেতর ঢুইকা যায়, যা কিনা পর্যায়ক্রমে পাওয়াররে সার্ভ করে। ফলে এদেরকে, ইন ইফেক্ট, যদি পাওয়ারভুক্ত গোষ্ঠী হিসাবে চিহ্নিত না করি, অন্তত, এপলিটিকাল গ্রুপ হিসাবে ইন্ডিকেট করা লাগে।
এইখানে আরও বইলা রাখা দরকার, তেরো এবং আঠারো না ঘটলে নব্য এপলিটিকাল ধারাগুলির পোলাপানরা যে নেসেসারিলি নিজেদের আদি এপলিটিকাল গ্রুপটাতেই বিলং করতো, তা না। মানে আমি বলতে চাইতেছি আদি, ডিরেক্ট এপলিটিকাল গ্রুপটা তার ডোন্ট কেয়ার পলিটিক্সের আবেদন হারায় ফেলায়, যে পলিটিকাল এস্থেটিক্সের দুইটা ধারা ইমার্জ করছে সেইটা এজ এন এস্থেটিক নানান পটেনশিয়ালের পোলাপাইনরেই অ্যাপিল কইরা থাকতে পারে। কিন্তু এর ইমার্জেন্স যে একটা এপলিটিকাল গ্রুপের সাপ্লিমেন্ট হিসাবে হইছে(নট টু সে দ্যাট আদি গ্রুপটা এখন আর নাই, ওইটাও আছে), এবং এখনো একটা এপলিটিকাল সাইকেলরে পার্পেচুয়েট করতেছে, ওইটা হইলো আমার কনসার্নের জায়গা।
Continue reading